সব রিপোর্ট

নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৭৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।

৫,৬৩৮ টি রিপোর্ট পাওয়া গেছে
ঘুষ রিপোর্ট করুন
অন্যান্য সরকারি দপ্তর

বিভাগীয় শিক্ষা অফিস ( ডি ডি) বরিশাল। বকেয়া বেতন উত্তলনে

বলেছিল, সরকার অর্থনৈতিক ভাবে অনেক ঝামেলায় আছে। সরকার এতো টাকা দিতে পারবে না। অথচ আমার টাকার পরিমান মাত্র দেড় লাখ । উনার কম্পিউটারে লিস্ট করে রাখে। যে যে টাকা দিয়েছে তার নাম টা লিখে রাখে। টাকা ছাড়া ১ টা কাজ তিনি করেন না। এমন কি উনি পারসোনালি ফোন দিয়ে বলে, একটু দেখা করে গেলে ভালো হতো।

ঘুষ দিয়েছি
বরিশাল ৳১০.০ হাজার
২৪ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
অন্যান্য সরকারি দপ্তর

NID সংশোধন

২০২৩ সালে NID সংশোধন করতে গিয়ে ছিলাম, বাবার নাম ও মায়ের নাম সকল ডকুমেন্টস দেওয়ার পর ম্যারেজ সার্টিফিকেট করতে বলছে, সেটাও করে দিছি কিন্তু তারপর সেখানকার প্রশাসক সাহায্য করে নি, বরং কম্পিউটার অপারেটর এর মাধ্যমে টাকা দিতে বলছিলো। টাকা দিলে সমস্যা সমাধান করে দিবে। পরে অবশ্য ইউনূস সরকার আসার পর টাকা লাগে নি। তবে এখন আবার বিএনপি সরকার আসার পর টাকা লাগতেছে। ( বরিশালের ভূমি অফিসে দূর্নীতির আতুর ঘর)

ঘুষ দিইনি
বরিশাল সদর ৳৬০.০ হাজার
২৪ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
অন্যান্য সরকারি দপ্তর

জন্ম নিবন্ধন তৈরি ও সংশোধন

নতুন জন্ম নিবন্ধন করতে গেলে আবেদন করতে, কাগজ জমা দিতে, কাগজ তুলতে প্রতিটি ফাইল থেকে ৩০০ টাকা করে টাকা নেয়। না দিলে কাজ করে না। কম্পিউটার অপারেটর, গ্রাম পুলিশ, সচিব এই টাকা নেয়।। সচিব সব থেকে বড় দূর্নীতিবাজ। সংশোধন করতে গেলে নানান কাগজ দেখাতে বলে শুধু ঘুরায়, অতিরিক্ত টাকা দিলে কাজ করে দেয়। বাইরের পোলাপান দিয়েও কাজ করায়

ঘুষ দিয়েছি
বরিশাল সদর ( ২ নং কাশিপুর ইউনিয়ন) ৳৩০০
২৪ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
অন্যান্য সরকারি দপ্তর

আয়কর অফিস, কর অঞ্চল ৮, ঢাকা

দেশের বাইরে পড়তে যাওয়ার ভিসা আবেদনের স্পন্সরশীপ এর জন্য আয়কর সার্টিফিকেট আনতে গিয়ে কর অঞ্চল ৮ এর দায়িত্বরত এর সাথে কথা বলি। পরে তার অফিস সহকারী অফিস থেকে বের হয়ে বলে তার বস বলেছে ২০-২৫ হাজার টাকা লাগবে, দ্রুত করে দিবে তাই। মেজাজ খারাপ হয়ে যাওয়ায় সার্টিফিকেট না নিয়েই বের হয়ে আসি।

ঘুষ দিইনি
ঢাকা ৳২০.০ হাজার
২৪ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
অন্যান্য সরকারি দপ্তর

MPO শিক্ষকদের বেতন চালুকরণ বিষয়ক।

২০১৯ সালের দিকে আব্বুর স্কুল এমপিওভুক্তি হলো। কিন্তু বেতন পাবে এই জিনিস পাশ করতে তখনকার দায়িত্ব খুলনা বিভাগীয় প্রধান কর্মকর্তাকে ২৪০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছিলো।কারণ তার হাতে থেকে ফাইল না গেলে বেতন পাবে না। নিরুপায় হয়ে টাকা দিতে হয়েছিলো।

ঘুষ দিয়েছি
খুলনা ৳২৪.০ হাজার
২৪ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
অন্যান্য সরকারি দপ্তর

আয়কর

চট্টগ্রাম কর অঞ্চল - ৬, সার্কেল ১৩০ এর উপ কর কমিশনারের কার্যালয় থেকে নানাভাবে মানুষের কাছে ঘুষ দাবী করা হয় আয়কর দাখিলের অসংগতি দেখিয়ে। ঘুষ দিয়ে সমাধান না করলে অতিরিক্ত সহকারী কর কমিশনারের অনুগত কর্মচারীরা পরবর্তীতে ফোন দিয়ে মানুষকে বিরক্ত করে। তাদেরকে উপরের লেভেলের মানুষের কথা বলেও বিরত রাখা যায় না। এদের সাথে জড়িত চট্টগ্রামের কিছু ট্যাক্স লয়ার।

ঘুষ দিইনি
চট্টগ্রাম ৳১.০০ লাখ
২৩ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
অন্যান্য সরকারি দপ্তর

পুলিশ ক্লিয়ারেন্স

গত ফেব্রুয়ারি মাসে ইউরোপীয় ইউনিয়নের একটা দেশের রেসিডেন্ট কার্ডের আবেদন জন্য আমার পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের প্রয়োজন হয়।সরকারি ভাবে অনলাইনে আবেদন করি ২১ ডলার ফি দিয়ে।তারপর পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য আমার বাবা দুইবার চৌদ্দগ্রাম থানায় যায়।কিন্তু অফিসার সাহেব ডিউটিতে আসেনি ফোন দেওয়ার পর খারাপ ব্যবহার।তৃতীয় বার যাওয়ার পর সকল ডকুমেন্টস চেক করার সব ঠিক থাকার পর ৫০০০ হাজার টাকা দাবি করে।পরে ২০০০ টাকা দিয়ে কোন রকম মানায়।পরে কয়দিন পর আবার ফোন দিয়ে বলে কি ডকুমেন্ট লাগবে সেটার জন্য আবার ওনার কুমিল্লা বাসায় যেতে হবে আবার আব্বু বয়স্ক ও অসুস্থ ছিল।তারপর রোজা রেখে আবার বাবা কুমিল্লা যায় ওনাকে ডকুমেন্ট দিতে।তারপর আবার ১০০০ টাকা দাবি করে এবং আমার বাবা দিয়েছে মনে করছে যদি কিছু হয়। লোকেশন হল চৌদ্দগ্রাম থানা।

ঘুষ দিইনি
চৌদ্দগ্রাম উপজেলা,কুমিল্লা ৳৫.০ হাজার
২৩ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
অন্যান্য সরকারি দপ্তর

ডাক বিভাগ

টাকার বিনিময়ে শ্রমিকদের ভূয়া বিগত দিনের লেফটি চিঠি ইস্যু করে. এইভাবে শ্রমিক আনরেষট শুর হয়।

ঘুষ দিইনি
কোনাবাড়ী পোষ্ট অফিস, গাজিপুর সদর ৳১.৫ হাজার
২৩ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
অন্যান্য সরকারি দপ্তর

NID CORRECTION

আমি আমার জাতীয় পরিচয়পত্রের নাম (English বানানে একটি অক্ষর ভুল) সংশোধনের জন্য অনলাইনে আবেদন করি এবং নির্ধারিত সরকারি ফি পরিশোধ করে সকল কাগজপত্র জমা দেই। আবেদন করার পর প্রায় তিন থেকে চার মাস অপেক্ষা করেও কোনো উত্তর পাইনি। পরে এক পরিচিতজনের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট একজনের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি আমার আবেদনটি নিষ্পন্ন করার জন্য পঁচিশ হাজার টাকা দাবি করেন। আমি জানাই যে আমি তো সরকারি ফি পরিশোধ করেই আবেদন করেছি। তখন তিনি বলেন টাকা না দিলে ১ বছরেও আমার কাজ হবে না। পরিস্থিতির কারণে আমি বাধ্য হয়ে ৫,০০০ টাকা দেই। টাকা দেওয়ার পরপরই আমার নাম সংশোধনের কাজটি করে দেওয়া হয়।

ঘুষ দিয়েছি
Chhatak ৳৫.০ হাজার
২৩ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
অন্যান্য সরকারি দপ্তর

জন্ম নিবন্ধন এর বয়স সংশোধন

জরুরী প্রয়োজনে আমার স্ত্রীর জন্য পাসপোর্ট বানানো প্রয়োজন এজন্যে আমি তার জন্ম নিবন্ধন সংশোধন করতে ইউনিয়ন পরিষদের অফিসে যাই সেখানে বয়স সংশোধনের জন্য ৪০০০ টাকা দাবি করে এবং আমি দেশের বাইরে থাকার কারণে কোন প্রতিবাদ করতে পারিনি আমি চার হাজার টাকা পরিশোধ করছি

ঘুষ দিয়েছি
কুমিল্লা ৳৪.০ হাজার
২৩ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
অন্যান্য সরকারি দপ্তর

এইচএসসি পরীক্ষার প্র্যাক্টিকাল পরীক্ষা

প্র্যাক্টিকাল পরীক্ষায় পূর্ণ নম্বর দেয়ার নাম করে সরকারি কলেজ কেন্দ্রের অধ্যক্ষ ও শিক্ষক ২০০০ থেকে ৫০০০ টাকা পর্যন্ত 'হাদিয়া' দাবি করে। যারা দেয় না, তাদের নম্বর কম দেয়া হবে বলে হুশিয়ারি দেয়। পিওনকে দিয়ে এই অর্থ সংগ্রহ করে। রিসিট চাইলে দুর্ব্যবহার করে।

ঘুষ দিইনি
Dhaka ৳৫.০ হাজার
২৩ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
অন্যান্য সরকারি দপ্তর

জন্ম নিবন্ধন অনলাইন ফর্ম

আমার অনলাইন জন্মনিবন্ধন করতে গিয়েছিলাম। কিন্তু গিয়ে দেখি তারা আমার জন্মনিবন্ধ জন্মনিবন্ধন আগেই করে রেখেছে। তারপর আস্ক করলাম একটা কপি লাগবে, বললো ১০০০ টাকা লাগবে, রশিদ দিলো ৫০০ টাকার, বাকবিতণ্ডা হলো এলাকার কাউন্সিলরের কাছে গেলাম বললো এইটা তাদের খরচ। ওকে দিলাম ১০০০। কপি হাতে নিয়ে দেখি আমার নাম ভুল তথ্য ভুল ইংরেজি কপিও ভুল। তাদের কে জিজ্ঞেস করলাম বললো আমি নাকি এইভাবে ফর্ম ফিলাপ করেছি (অথচ কোথায় ফর্ম ফিলাপ করি নাই) আবার বাকবিতন্ডা। যাইহোক আবার দাবি করে বলো এক্সট্রা ২০০০ সব ঠিক করে দিবে। সব মিলিয়ে খরচ হলো ৩০০০। যাইহোক অনেক আগের ঘটনা, তারপর তো আছে ভূমি অফিসের হয়রানি, পাসপোর্ট অফিসের হয়রানি। আমার নাগরিক সেবার অবস্থা

ঘুষ দিয়েছি
চাঁদপুর ৳৩.০ হাজার
২৩ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
অন্যান্য সরকারি দপ্তর

রেলওয়ে টিকেট

সিলেট টু ঢাকা রেলওয়ে টিকেটে ব্যাপক জালিয়াতি চলছে। এপ্সে ঢুকে টিকিট করতে গেলে বেশিরভাগ দিনের টিকেট খালি দেখা যায়। এমনকি এক সপ্তাহ ১০ দিন আগেও সার্চ করলে কোন টিকেট পাওয়া যায় না। অথচ চোরাকারবারি চক্র বেশি দামে সাধারণ মানুষের কাছে টিকেট বিক্রি করছে। এই চক্রের সাথে সিলেট রেলওয়ে অফিসের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা সরাসরি যুক্ত রয়েছে। তারা নামে বেনামে আগেই টিকেট কেটে রাখে, পরে নিজেদের এজেন্টদের মাধ্যমে দ্বিগুণ তিনগুণ দামে টিকিট বিক্রি করে। জনস্বার্থে এই বিষয়টি সমাধান হওয়া দরকার। এবং টিকেট কালোবাজারির সাথে জড়িতদের শাস্তির আওতায় নিয়ে আসা দরকার।

ঘুষ দিয়েছি
সিলেট ৳১.২ হাজার
২৩ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য