পানির বিল সংক্রান্ত
ঢাকা ওয়াসা পানির বিল। বিল বাড়িয়ে দিয়ে কমানোর নামে টাকা চায় , প্রতিটা বাড়ি থেকে এমন করে সরকারের রাজস্ব তারা পকেটে ভরে।
18,531 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
ঢাকা ওয়াসা পানির বিল। বিল বাড়িয়ে দিয়ে কমানোর নামে টাকা চায় , প্রতিটা বাড়ি থেকে এমন করে সরকারের রাজস্ব তারা পকেটে ভরে।
প্রায় ২ মাস পূর্বে আমি আলি এক্সপ্রেস থেকে ১ টি পণ্য অর্ডার করি এবং এটি গত মাসের শুরুর দিকে লোকাল পোস্ট অফিসে এসে পৌঁছায় অথচ আমাকে কোনো কল দেয়া হয়নি, অতপর নির্ধারিত সময় অতিবাহিত হওয়ার পর আমি সেখানে গেলে আমাকে বলা হয় যে আপনার পার্সেল এখানে নেই, এখনও আসে নাই। তারপর আমি ৩ বার জিপিও তে যাই এবং কোনো ফলাফল পাইনি । পরবর্তীতে একজন উর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে জানানুর পর তিনি আমাকে আবার পোস্ট অফিসে যেতে বলেন এবং এবার তিনি পোস্ট অফিসে কর্মরত বেক্তিকে বলেন আমাকে তাদের রেজিস্ট্রি খাতা চেক করতে দিতে, চেক করার পর আমি খুঁজে পেলে সেই বেক্তি বলেন এখন এটা কোত্থেকে বের করবো কিন্তু পরবর্তীতে আমি সেই কর্মকর্তাকে ফোন দিতে নিলে তিনি পণ্যটি বের করে দেন । পরিশেষে আমি বের হওয়ার সময় তিনি টাকা চান চা-নাস্তা করার ১০০।
birth registration editor
চেয়ারম্যন সার্টিফিকেট নিতে গিয়েছিলাম। ১০০ টাকা দিয়েছি পরে দিয়েছে। আগেহ কখনো এসব এ জড়াই নাই দেখে বুঝিনি। ২ দিন ঘুড়েছিলাম।অনেক ডকুমেন্টস দিয়েছিলাম যা যা চেয়েছিলো। তারপর ও দিচ্ছিলো না পরে এক বড় ভাই এর কাছ থেকে জানলাম টাকা ছাড়া কিছু হয় না। পরের দিন গিয়ে লুকিয়ে ১০০ টাকার নোট হাতে ধরিয়ে দিলাম। ৫ মিনিটের মধ্যে দিয়ে দিলো। আইলা জাদু😶।
প্রশংসাপত্র নিতে ৩০০ টাকা নেওয়ার অভিযোগ নিজস্ব প্রতিবেদক, ফতুল্লা, নারায়ণগঞ্জ: নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার হরিহর পাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের প্রশংসাপত্র দেওয়ার জন্য জনপ্রতি ৩০০ টাকা নেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, প্রশংসাপত্র সংগ্রহের সময় তাদের কাছ থেকে ৩০০ টাকা করে নেওয়া হচ্ছে। এ টাকা কোন খাতে নেওয়া হচ্ছে এবং এর জন্য সরকারি বা বিদ্যালয়ের অনুমোদিত কোনো নির্ধারিত ফি রয়েছে কি না—তা নিয়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। অভিভাবকদের দাবি, কোনো ফি নেওয়া হলে তার কারণ, নির্ধারিত পরিমাণ এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদনের বিষয়টি স্পষ্ট করা উচিত। একই সঙ্গে টাকা নেওয়ার ক্ষেত্রে প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে যথাযথ রসিদ দেওয়ারও দাবি জানিয়েছেন তারা। এ বিষয়ে বিদ্যালয় কর্তৃপ
চাকুরী স্থায়ীকরণের জন্য চূড়ান্ত ভেরিফিকেশনে এসবি শাখা থেকে পাঁচ হাজার টাকা চাওয়া হয়। পরবর্তীতে তিন হাজার টাকায় মীমাংসিত হয়।
Amar jonmo sonod a vul chilo union porisodh theke songsodhon er abedon niya uno office a gele Tara thik korar Jonno 10000/- taka dabi kore .Ami ekjon probashi ty jhamela na kore diya di
ঠিকাদারি কাজের জন্য লটারিতে পেয়ে ১% টাকা সাথে সাথে পরিশোধ। আরও লাগবে বলছে
এনআইডি সংশোধনের জন্য
বেপজা মেম্বার ইঞ্জিনিয়ার বিল ছার করার জন্য টাকা চাচ্ছে
জাতীয় পরিচয় পত্রের অনলাইন কপি এক্টিভেট করে দেয়ার জন্য ৭০০ টাকা নিলো। আবেদনের ৬ মাস পেরিয়ে যাবার পর-ও কোনো আপডেট না আসায় বাধ্য হয়ে দিলাম। ২০২২ এ। ওভাবেই আছে, হার্ড কপি (স্মার্ট কার্ড) এখনো পাইনি, কে জানে এটার জন্য কত চেয়ে বসে!
জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষের নড়াইল হাউজিং এর প্লটের টাকা পরিশোধ করার পরে প্লট রেজিস্ট্রেশন দিতে গড়িমিসি করেন, এবং টাকা না দিলে রেজিস্ট্রেশন দিবে না, বাধ্য হয়ে প্রায় ৫০ হাজার টাকা পরিশোধ করেছি! খুবই কষ্ট পেয়েছিলাম, সরকারি সেবা পাওয়া যে কত কঠিন সেদিন বুঝতে পেরেছি, তাই চেষ্টা করি যত কম যাওয়া যায় সরকারি অফিস গুলোতে ,
তৎকালীন ইন্টেরিম সরকার এর নির্বাহী আদেশে বিজ্ঞ আদালতের এখতিয়ার পরিবর্তন হওয়ায় আদালত সমূহের মামলা গুলো স্থানান্তর করা হয়। আমার একটি মামলা ২০২৫ সালের জানুয়ারী মাসে বদলির আদেশ হলেও দীর্ঘদিন অতিবাহিত হওয়ার পরেও মামলার নতুন নাম্বার ও তারিখ না পড়ায় মামলার অগ্রগতি সম্ভব হচ্ছে না। এমতাবস্থায় আমি সেরেস্তায় মামলার বিষয়ে খোঁজ নিতে গেলেও মামলা অগ্রগামী করতে ৫০০০ (পাঁচ হাজার) টাকা ঘুষ চাওয়া হয়। অজুহাত স্বরূপ বলা হয় নথি খুঁজে বের করতে হবে বিধায় টাকা প্রয়োজন।
বাইরে পড়তে যাওয়ার সময় পরাষ্ট্রমন্ত্রাণালয় থেকে ই-এপোস্টাইল করতে হয়। কিন্তু কক্সবাজার এর বাসিন্দাদের ই-এপোস্টাইল করতে ডিসির সাইন নিতে হয়। ডিসি সাইন করার আগে যাবতীয় কাগজ পুলিশ দিয়ে ভেরিফাইন্ড করায়। তখন ডিএসবি পুলিশ এই ঘুষ দাবী করে। যেহেতু বাইরে পড়তে যাবার বিষয়। তাই বাধ্য হয়ে প্রদান করি
During the pharmaceutical licensing process several officers involved in the process allegedly demanded payments for facilitating and completing the license‑related activities. Different officers reportedly asked for amounts ranging from BDT 5,00,000 (Five Lakh) to BDT 10,00,000 (Ten Lakh). In one instance an officer specifically requested BDT 1,00,000 (One Lakh) in connection, with the license. The amounts requested were not part of the prescribed government fees or charges. The demands were communicated in the context of processing, facilitating or obtaining the license.
BTCL এর ইন্টারনেট সংযোগ নিতে লাইন ম্যান চা-নাস্তা বাবাদ ৫০০এর অধিক প্রায় ১০০০ টাকার দাবি করে। যা আমি দিতে অস্বীকার করেছি। যার কারনে আমাকে আজও সংযোগ দেয় নাই। এখন আমি এম্বার আইটি-এর কানেকশন চালাই।
কক্সবাজার জেলা বিডিএস জরিপ হচ্ছে, কাগজপত্র দেখার তালবাহনা করে — ও — দুই জন মিলে টাকার কথা উল্লেখ করে,প্রথমে ৫০,০০০ বললে পরে ৫ হাজার এ আমারটা রফাদফা হয় কিন্ত আরেকজন থেকে মোটা অংকের ঘুষ নেয় প্রায় ১ লক্ষ টাকা।
কিশোরগঞ্জে পৌরসভার এক্সেন একজন কর্মকর্তার কাছে একটি ৬ তলা বাড়ি নির্মানের জন্য অনুমতি চাইতে গেলে উনি ৬০ হাজার টাকা দাবি করেন। এর আগে উনার সহকারী ইঞ্জিনিয়ার — সাথে কথা বললে উনি ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা দাবি করেন। যাবতীয় ডিজাইন ও কাগজপত্র জমা দিয়ে ৬০ হাজার টাকায় কোন ঝামেলা ছাড়াই অনুমোদন পাইয়ে দেয়ার আশ্বাস দেন এক্সেন রফিক সাহেব। অভিযোগ আছে তাদের মাধ্যমে কাজ না করালে বাড়ি নির্মানের আনেদন বছরের পর বছর ঝুলে থাকে। বিভিন্ন ইস্যু দেখিয়ে পৌরসভার মিটিংয়ে সেসব নথিপত্র সাবমিট করেন না।
৫০/১০০ টাকা না দিলে এই সেবা মিলেনা, দ্রুত পাওয়া তো অসম্ভব।
বৈদেশিক অর্ডার না থাকার কারনে আমাদের ১০০% এক্সপোর্ট ফ্যাক্টরি লোকাল কাজ করেছিল কিন্তু ভ্যাট দেয় নি, সেইটাকে settle করার জন্য স্থানীয় ভ্যাট অফিসের সার্কেল ও ডিভিশন ২০ লক্ষ টাকা দাবি করেন,আমরা অনুনয় বিনয় করে ৯.৫ লক্ষ টাকা দিয়ে মামলা থেকে রেহাই পাই।