অসত্য অভিযোগ থেকে অব্যাহতির জন্য ঘুষ দাবী।
দুর্নীতি দমন কমিশনে আমার নামে পারিবারিক জমাজমির কলহে মিথ্যা অভিযোগ দাখিল করেন অজ্ঞাত ব্যক্তি! আমার কোন সম্পদ না থাকা সত্ত্বেও ঘুষ দাবী করেন দুদক। না দিলে হয়রানি করবে! আমার নিকট টাকা নেই, কিভাবে পরিশোধ করবো।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
দুর্নীতি দমন কমিশনে আমার নামে পারিবারিক জমাজমির কলহে মিথ্যা অভিযোগ দাখিল করেন অজ্ঞাত ব্যক্তি! আমার কোন সম্পদ না থাকা সত্ত্বেও ঘুষ দাবী করেন দুদক। না দিলে হয়রানি করবে! আমার নিকট টাকা নেই, কিভাবে পরিশোধ করবো।
ব্যাবসা এ কিছু কাগজ এ সমস্যা ছিল আমি আগে ঠিক করি নাই কিন্তু তারা চেক করতে এসে ঘুস চাইছে তা আমি পরিষোধ করচি
আমার এক এলাকার ভাইর মালেয়শিয়াতে পাসপোর্ট ঝামেলা হয়। পরে নাকি মালেয়শিয়ান হাই কমিশন বলে সমস্যা সমাধানের জন্য বাংলাদেশে একটি পাসপোর্ট হারিয়ে গিয়েছে উল্লেখ করে একটি জিডি করতে। পরে আমি শরিয়তপুরের নড়িয়া থানায় একটি জিডি করতে গেলে ২০০০ টাকা ঘুষ দাবি করে পরে আমি নেগোসিয়েশন করে ১০০০ টাকা দেই। *সেবার ধরনে কেন? পুলিশ স্টেশনের নাম নেই? দ্বিতীয়ত এখানে ঘুষ আদান প্রদানের সাথে জড়িতদের ছবি ভিডিও প্রকাশ করার সিস্টেম থাকা দরকার দেশের স্বার্থে।
মামলা গ্রহণ করতে হাকিমপুর থানার ওসি ঘুষ দাবি করেন। এ বিষয়ে দিনাজপুর জেলার এসপি মহোদয় জেদান আল মুসার কাছে একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোন সূরা হয়নি।
ডিসি অফিস. অফার এমন চাকরি হওয়ার পর টাকা.
আমি একটা কম্পিউটার দোকানে ১০০ টাকা দিয়ে চেয়ারম্যান সার্টিফিকেট এর জন্য আবেদন করি। কিন্তু ওই সার্টিফিকেটে ভুল ছিল। তাই অফিস থেকে ভুলটা সংশোধন করতে ৫০০ নিয়ে নেয়।
ইউপি সচিব ও সদস্য, ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারের মালিকে দিয়ে আমার বাচ্চার টিকার কার্ড থাকার সত্বেও আমার কাছে ঘুষ দাবি করে এবং আমাকে ইইপি সদস্য হুমকি ধামকি দিয়ে দিয়েছিলেন। পরে চেয়ারম্যানের কাছে গেলে উনি এটার কোন প্রতিকার না করে উনি পুনরায় ওয়ার্ড সদস্যের কাছে যাওয়ার নির্দেশ প্রদান করেন। তার মানে বুঝা গেলে ইউপি সদস্য, চেয়ারম্যান ও সচিব মিলে যোগসাজশে মিলে মিশে টাকা খায়। পরে বাচ্চার জন্মনিবন্ধন জুরুরি থাকায় টাকা দিয়ে করিয়ে নিতে বাধ্য হয়েছি।
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স ফাইল জমা দেওয়ার সময় ১০০০ সাথে দিতে হয়,তা না হলে ফাইল যাইতে সময় লাগে,
Police verification of government job and passport.
দরপত্রের মাধ্যমে ২০০০০০ পিস বস্তা সরবরাহের কার্যাদেশ পাওয়ার জন্য খাদ্য অধিদপ্তরের সংগ্রহ শাখার উচ্চমান সহকারী তাজুল ইসলামকে প্রতি পিস বস্তায় ২ টাকা করে ঘুষ দিতে হয়। তিনি উক্ত টাকা দিয়ে নাকি সবাইকে ম্যানেজ করেন। বিল নেওয়ার সময় তাকে ১ লাখ পিস বস্তার বিলের জন্য ১২০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়। এই অভিযোগে তাকে একবার বদলি করা হলেও ৫ আগস্টের পর পরিচালক স্যার তাকে আবার নিয়ে আসেন। এরপর সে আরো বেপরোয়া হয়ে ওঠে। গোপ্নে কোন নতুন লাইসেন্স দিয়ে কাজ মেরে তাজুলের সাথে যোগাযোগ করলে সত্যতা পাওয়া যাবে। আর কাজ পেলে বিল করলে বিলের ঘুষের সত্যতা মিলবে।
জামালপুর জেলার সরিষাবাড়ি উপজেলার ৫ নং ইউনিয়ন পরিষদের জন্মনিবন্ধন করতে ৩৬০ করে নেওয়া হয়, ৩৬০ টাকার কম দিলে জন্ম নিবন্ধন করে দেওয়া হয় না, জন্ম নিবন্ধন করতে টাকাটা নেয় পরিসদের কেরানি, — ও ইউনিয়নের সচিব... —। জন্মনিবন্ধনের ফরম দিতে এই টাকা নেওয়া হয়, কেরানির কাছে টাকা জমা কম্পিউটার অপারেটর মুলত কাজ করে দেয়, কেরানির কাচে টাকা জমা দিয়ে ফরমে পরিষদের স্বাক্ষর করে দেয়, পরে ফরম নিয়ে কম্পিউটার অপারেটরের কাছে গেলে জন্ম নিবন্ধন করে দেওয়া হয়, কম্পিউটার অপারেটর মুলত টাকা নেয় না, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ার পরিষদের কোন দিন আসে না, স্বাক্ষর তার বাড়িতে গিয়ে নিয়ে আসতে হয়।
টাঙ্গাইল জেলার রাজস্ব শাখার প্রধান সহকারী একজন প্রধান সহকারী, পপুলার ফার্মাসিউটিক্যালস এর নামে ভূতাপেক্ষ অনুমোদন ও নামজারির অনুমতি প্রদানের ফাইলটি উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ের পাঠানোর জন্য ২০,০০০/- টাকা দাবি করলে আমি তাকে সম্পূর্ণ টাকা পরিশোধ করে থাকি কিন্ত সে ফাইল এখনো তদন্তের জন্য উপজেলায় প্রেরন করেননি। উনি আরো ৩০,০০০/- টাকা দাবি করতেছেন।
Jonmonibondhon online korar Jonno taka chaise bolse oder boite onno date dea. Ja amr physical copy er sathe mile na. Tai amr physical copy er date dite hole 5000 taka lagbe nahole ora oder record onujai uthabe. Akhon Kotha holo amr shob nid certificate oy physical copy dieei kora jeta tader issue kora.tahole mismatch Kno hobe?
বগুড়া সরকারি শাহ সুলতান কলেজে আমি ডিগ্রি সার্টিফিকেট তুলতে গেলে দুইজন পিয়ন সার্টিফিকেট আমার হাতে দিয়ে মিষ্টি খাওয়ার টাকার দাবি করে। তারা বলে, সবাই ২০০/১০০ শ টাকা দেয়। তারা দুইজন অন্যদের সবার সামনে এমন পরিস্থিতি তৈরি করে আমি টাকা দিতে বাধ্য হই।
জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধনের জন্য প্রয়োজনীয় সমস্ত কাগজপত্র সহ স্থানীয় জেলা নির্বাচন কমিশনারের সাথে দেখা করে, তার স্বাক্ষর সহ আবেদনপত্র জমাদানের পরেও ১ বছরের বেশি সময় ধরে কোনো আপডেটই দেয়নি। অনেক দেনদরবারের পর একজনকে ধরে তারপর কাজটা করিয়ে নিতে হয়েছে। সরাসরি অফিসে কোনো ঘুষ দিতে হয়নি। তবে কাজটা যিনি করে দিয়েছেন তাকে টাকা দিতে হয়েছে। আমি সাধারণত কোথাও ঘুষ দিই না। কিন্তু এক বছরেরও বেশি সময় অপেক্ষার পর বাধ্য হয়েছি। কারণ আমার পাসপোর্টসহ অন্যান্য সরকারি কাগজ আপডেট করতে পারছিলাম না তথ্যের অমিলের জন্য।
Who can help stop this corruption? My father recently went to our local Ewazpur Union Parishad to correct the birth certificates of my siblings. Unfortunately, the responsible officer repeatedly demanded 500-1,000 to process the work. When we returned later, he demanded even more money and continued delaying the service. This is not an isolated incident. According to local residents, many citizens of this Union are facing similar demands for unofficial payments for routine government services. Birth certificate correction is a public service. Citizens should not have to pay bribes or face unnecessary delays simply to receive a service they are entitled to. Who can we contact about this?
ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরে চাহিদা মোতাবেক সব কাগজপত্র ও সরকারী ফী জমা দেয়ার পরও অফিস সহকারী, সহকারী পরিচালক, যুগ্মপরিচালক ও পরিচালক কে ২৭০,০০০ টাকা দিতে বাধ্য হয়েছি। এটা সর্বশেষ যে কাজটা করলাম সেটার জন্য। এই অধিদপ্তরে টাকা না দিলে পিয়ন পর্যন্ত কথা বলেনা।
চাকরীর ভেরিফিকেশন এর নামে পুলিশ কর্মকর্তারা সরাসরি টাকা দাবি করে এবং বলে কিছু কাজ করতে হয় যার কারণে এসব লাগে আর ভুক্তভুগী সঠিক রির্পোট এর আশায় ভয়ে টাকা দেয়। যদি তার নামে খারাপ রির্পোট দেয় এজন্য
আমি জেলা জনশক্তি এবং কর্মসংস্থান অফিসে (ভোলা), গেছিলাম বিএমইটি কার্ডের ফিংগারপ্রিন্ট দেওয়ার জন্য, গিয়ে দেখলাম সেখানে ২ জন অফিস স্টাফ আছে, একজন পিয়ন এবং অন্যজন কম্পিউটার অপারেটর, তখন সেই পিয়ন আমাকে বলল- আগে ফিংগার দিছেন কোন দেশে যাওয়ার জন্য, আমি বললাম সৌদি আরব যাওয়ার জন্য ফিংগার দিছি কিন্তু সৌদি আরবে যাইনি, এখন সিংগাপুর যাবো, তখন পিয়ন আমাকে বলল আপনাকে ৫০০ টাকা দিতে হবে, আমি বললাম কেনো- সেই পিয়ন বলল- আগে সৌদিআরব লেখা ছিলো সিস্টেমে এখন সিংগাপুর লিখবে, তাই ৫০০ টাকা দিতে হবে, তখন আমি ওই পিয়নের সামনে দাড়িয়েই একজন পরিচিত সাংবাদিক কে ফোন দেই, তখন পিয়ন বলল- সমস্যা নেই ফিংগার প্রিন্ট দেন, কিন্তু যে কম্পিউটার অপারেটর তাকে চা খাওয়ার জন্য কিছু দিয়ে যাইয়েন, তারপর ফিংগার প্রিন্ট দিয়ে আমি চলে আসলাম
Krishi ponno export korar jonno krishi shomprosharon odhidoptor theke Phytosanitary Certificate nite hoy sei babod tara tk ney.