পাসপোর্ট
নিজের অনিচ্ছায় প্রথম ঘুষ দিতে হয়েছিলো ডিএসবির একজনকে
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৭৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
নিজের অনিচ্ছায় প্রথম ঘুষ দিতে হয়েছিলো ডিএসবির একজনকে
যাতায়াত খরচের নাম করে পুলিশের একজন ASI টাকা দাবি করেছিল। যদিও সব ডকুমেন্টস আমি নিজে থানায় নিয়ে গিয়েছিলাম। এটা ঘটে ২০২১ সালে। আমি ছাত্র ছিলাম বলে, তাকে ৫০০ টাকায় রাজি করিয়েছি।
আমার মায়ের পেনশনের ফাইল আটকিয়ে টাকা আদায় করেছিলো শিক্ষা অফিস এর লোকজন।।
২০২২ এ দিরাই থানায় পুলিশ ভেরিফাই এ ফাইল আসলে ২০০০০ টাকা দাবি করে। পরে আমরা তা প্রত্তাখান করি এবং চাকরি পাইনি
এনবিআর কর্মকর্তার চাহিদা মোতাবেক টাকা না দিলে। মন গড়া নোটিশ পাঠিয়ে হয়রানি করা হয়।কিছু দিনের জন্য বুঝিয়ে শুনিয়ে এই টাকা দেওয়া হলো।সিষ্টেম টা হলো নতুন অফিসার আসলে নতুন নিয়ম🙂
ঢাকার কিছু এলাকায় ফ্ল্যাট বিক্রয় করতে গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ থেকে বিক্রয় অনুমতি বা সেল পারমিশন নিতে হয়। এমন একটি কাজের জন্য সরকারি ফি এর বাইরে ৮০ হাজার টাকা “অফিস খরচ” বা ঘুষ চাওয়া হয়েছে ।
ওয়াসা মালিকানা পরিবর্তন করার জন্য ১০০০০ নিয়েছে।
টিআর বরাদ্দ চেক ছাড়পত্র করণ বাবদ
চট্টগ্রাম রেলওয়ের বিভাগীয় যান্ত্রিক প্রকৌশলীর (লোকো) দপ্তরে কর্মরত একজন লোকোমাস্টার কাজ করে, যার কাছে এপিপি অনুযায়ী আইটেম বেসিস কাজ পাওয়ার নিশ্চয়তা দিবে এই মর্মে উক্ত টাকা দাবী করে।
আমি একটি জম্ম নিবন্ধন আবেদন নিয়ে গেলে, আমার থেকে ইউনিয়ন প্রশাসনিক কর্মকর্তা ৫০০ টাকা দাবী করে।
40,000/- tk paid to get pension.
আমার একটি সন্তান রয়েছে, যার জন্ম ২০২৩ সালের ২১ এপ্রিল। তার জ
মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসে নিয়মিত ব্যাপার ঘুষ লেনদেন। বিভিন্ন আবেদন যেমন: এমপিও, এরিয়ার, উচ্চতর গ্রেড ইত্যাদি ফরওয়ার্ড করাতে গুনতে হয় ১০০০-১০০০০ পর্যন্ত টাকা। বর্তমানে এটা ওপেন সিক্রেটে পরিণত হয়েছে। হেডমাস্টারদের ফোন করে বা সরাসরি টাকা দাবি করা হয়। উনারাও শিক্ষকদের বলে বা চাপ দিয়ে সেই টাকা অফিসে দিয়ে আসতে বাধ্য করেন। এটাই যেন অলিখিত নিয়ম।
সম্প্রতি গাজিপুর জেলার কালিগঞ্জ থানায় পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের জন্য নিয়ম মেনে সমস্ত কাগজপত্র সত্যায়িত করে অনলাইনে আবেদন করি। ভেরিফিকেশনের জন্য আমার দুই ভাইকে সমস্ত কাগজপত্রসহ দুই দুইবার কালিগঞ্জ থানায় পাঠানো হয়। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয় হলো—আমার দুই ভাইয়ের কাছে দুইজন পুলিশ সদস্য ঘুস দাবি করে এবং অপ্রয়োজনীয় নানান কথা বলে হয়রানি করার চেস্টা করে পরবর্তীতে আমার সাথে ফোনে কথা বলিয়ে দিলে আমার কাছে ঘুষ দাবি করা হয়েছে এবং হয়রানিমুলক কথাবার্তা বলেছে। যখন আমি এই অনৈতিক ঘুষের দাবি স্পষ্ট ভাষায় প্রত্যাখ্যান করি, তখন থেকেই আমার আবেদন দুটি গত এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে সম্পূর্ণ বিনা কারণে পেন্ডিং বা ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। আইনের রক্ষক হয়ে যদি পুলিশ প্রশাসন সাধারণ মানুষকে এভাবে জিম্মি করতে পারেনা ঘুসের জন্য।
টাকার কারণে আমাকে ১মাস অপেক্ষায় রেখেছে।
জন্ম নিবন্ধন ফি ৫০ টাকা কিন্তু তারা ১৫০ টাকা নিয়েছে। ১১ নং পশ্চিম ফতেপুর ইউনিয়ন কার্যালয়
ট্রেন্ড লাইসেন্স নবায়নের জন্য একটা সাইন লাগে প্রথমে ৫০০ টাকা দিসি ওনি নিবে না তারপর ৭০০ তাও নিবে না তারপর ১০০০ টাকা দেওয়ার পর বলে স্যার আজকে নাই আজকে সাইন হবে না।
SI নাকি টাকা ছাড়া মোবাইল ফোন উদ্ধার করে না, আমি নিজে টাকা দিতে না পেরে, কিস্তি দিয়ে ফোন নিছি, তার দাম ছিল ১৪,০০০ হাজার টাকা। এখন নাকি এই ফোন উদ্ধার করতে লাগবে ২০০০ টাকা, কিন্তু ওরা নাকি এটা শিউর না যে, টাকা দেওয়ার পরেও ফোন উদ্ধার করতে পারবে। মগের মুল্লুক নাকি। পরে আল্লাহ ওয়াস্তে ফোনের মায়া ছেড়ে দেওয়া ছাড়া উপায় ছিল না।
আমার বাবা এবং মার জন্ম ও মৃত্যু সনদ এবং আমার বোনের জন্ম সনদ.খিলগাঁও তালতলা মার্কেট এর কাউন্সিলর অফিস এর একজন কর্মচারী ১০ হাজার চেয়েছে. ১ সপ্তাহে সব হাতে পাবো
মৃত ব্যাক্তির পেনশন তার স্ত্রী কে পাইয়ে দেয়ার জন্য BTCL অফিস থেকে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন এমাউন্টে টাকা নেয়া হয় ।যেমন :ফর্ম ফিলাপের জন্য, নো অবজেকশন লেটারের জন্য,সার্ভিস নাম্বার এন্ট্রি করার জন্য, কল্যাণ তহবিলের টাকা পাইয়ে দেয়ার জন্য এবং সর্বশেষ এককালীন পেনশনের টাকার চেক হস্তান্তরের সময় একাউন্টস অফিসে ২৫ হাজার টাকা নেয় । সেই সব মিলিয়ে ৭৯০০০ হাজার টাকা খরচ হয় পেনশন ভোগীর ।