পুলিশ ক্লিয়ারেন্স
আমি পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর জন্য আবেদন করেছিলাম।এরপর আমাকে থানা থেকে কল দিলে আমি আমার ডকুমেন্টস নিয়ে যাই।বাট অফিসার আমার ডকুমেন্টস জমা নেয় না টাকা ছাড়া। টাকা দিতে বাধ্যা করে।এরপর আমার ফোন চেক করে আমি ভিডিও করছি কিনা।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৭৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমি পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর জন্য আবেদন করেছিলাম।এরপর আমাকে থানা থেকে কল দিলে আমি আমার ডকুমেন্টস নিয়ে যাই।বাট অফিসার আমার ডকুমেন্টস জমা নেয় না টাকা ছাড়া। টাকা দিতে বাধ্যা করে।এরপর আমার ফোন চেক করে আমি ভিডিও করছি কিনা।
থানা শিক্ষা অফিসে তারা প্রতি সার্টিফিকেট সংশোধনের জন্য ৫০০ টাকা চায়, এটা নাকি তাঁদের প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে যাওয়ার ভাড়া, এই টাকা তাঁদের সরকার দেয় না। সরকারের দেওয়ার কথাও না কারণ এটা সংশোধন থানা শিক্ষা অফিসার নিজেই করবেন, এই সার্টিফিকেট প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে কোনদিনই যায় না। আমি টাকা দেইনাই বইলা আমারটা ১০ মাস ঘুরাইসে, যা কিনা ১ মাসেই করা সম্ভব ছিল।
এনআইডি করার জন্য নির্বাচন অফিসে গিয়েছিলাম।ওনার বললো ডকুমেন্টসে অনেকে ভুল আছে ঠিক করায় নিয়া আসেন। পরে বিষয় টা এক লোকের সাথে আলাপ করার পর উনি বলতেছে টাকা ১১০০০ দেন করে দিমু। তারপর টাকা দিয়া করাই নিছি।
পিডিবি অফিসে প্রতিটি নতুন বৈদ্যুতিক সংযোগের জন্য ১০ হাজার টাকা করে আদায় করা হয়। যেখানে সরকারি মিটারের টোটাল খরচ ১৬০০ টাকার মত। ১৪ টি মিটার স্থাপনের জন্য যেখানে আমার সরকারি ফি আসে ২২ হাজার ৬০০ টাকা সেখানে তারা নেয় ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা।
জন্মনিবন্ধন এর জন্য টাকা দাবি করেছিল। যেখানে সরকারি ফি ৫০ টাকা সেখানে 500 টাকা দাবি করে।।। আমি 500 টাকা পরিশোধ করে জন্বযনিবন্ধন পরবর্তী তারিখে গ্রহণ করি।
আমি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এর প্রধান শিক্ষক হিসেবে রিটায়ার্ড করেছি। আমার পেনশনের কাগজপত্র যাচাই-বাছাই ধীরগতি বা শুরু করছিলো নাহ। ৩০০০০ হাজার টাকা দেবার পর কাজ শুরু করে৷
Assalamualaikum, Hathazari er biyot office er Kotha boltese ami.ami ekta meter lagai oder thake ora amr thake 3000 tk dabi kore.akn jototuku Jana akn meter free te dicche r arekta besoi prepaid meter er battery er jonno ora 1500 tk kore nei ekta meter proti.aigula just ora tk khawar dhanda
Tax porisod korci..3000...gus deya lagche 1500...na hole tax besi dite hobo...income na thaklew...ultapalta hisab dibo...government pailo 3000..ora pailo 1500...oder kaj er koroch
কোন বিদ্যালয়ে যোগদানের পর বেতনের জন্য আবেদন করতে হয় সেই আবেদন করার জন্য প্রধান শিক্ষক ৫০০০০ টাকা চেয়ে বসলেন। পরে প্রত্যাখ্যান করলাম কিন্তু বাধ্য হয়ে ৩০০০০ টাকা দিতে হয়েছিল।
কয়েক বছর পরপর বিদ্যালয়ে মন্ত্রণালয়ের অডিট হয়। আমার বিদ্যালয়ে তখন আমি নতুন যোগদান করেছি। এর মধ্যে শুনি অডিট আসছে। অডিট শেষে অডিটের প্রধান সব শিক্ষক-কর্মচারীর ১ মাসের বেতন দাবি করল না হলে নেগেটিভ রিপোর্ট দিবে বলেছিল। পরে তা দেওয়া হয়। এবং একটা ওপেন সিক্রেট বিষয়।
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স শুরু ৫০০ তারপরে ৪০০
হালারপুতের পুলিশ, প্রসেস চালুর সময় ৫০০, পুলিশ ক্লিয়ারেন্স হাতে নেয়ার সময় ৪০০
পাসপোর্টের পুলিশ ভেরিফিকেশন করার জন্য পুলিশ ১০০০ টাকা দিতে বাধ্য করেছিল।
বিদেশে যাওয়ার জন্য আমার বোনের একটি পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর প্রয়োজন ছিল। অনলাইনে আবেদন করে সরকারি চালানের অর্থ প্রদান করার পরও এস আই কে রিপোর্ট প্রদানের জন্য ৭০০ টাকা প্রদান করতে হয়।
ফিন্যান্স কন্ট্রোল এয়ার এ আইবাস এ বেতন ও ভাতা অনলাইন করার জন্য ৫০০ টাকা দিতে হয়েছে।প্রথমে বললো স্যার নাই,আসবে ৪ দিন পরে আপডেট হবে।অথচ ৫০০ টাকা দেওয়ার একদিন পরেই কাজ ডান, তাও আবার ফোন দিয়ে কনফার্ম করে দিয়েছে।এভাবে সবার কাছ থেকেই মাসোয়ারা খায়।
প্রতিষ্ঠানের বাৎসরিক অডিট
এপোস্টিল সত্যায়নের জন্য গিয়েছিলাম। গিয়ে দেখি দারোয়ান, ঝারুদার থেকে শুরু করে সচিবের রুমের সহকারী কর্মচারী। সবাই দ্রুত আইন মন্ত্রনালয় থেকে সত্যায়ন করতে পারে শুধুমাত্র সয়ং সচিব ছাড়া। আমার তারা ছিল তাই উপায় না পেয়ে অর্থ প্রদান করে কাগজ সত্যায়ন করতে হয়েছে। অর্থের পরিমান ১৫০০ টাকা, ৩ টি আবেদনের জন্য। ইট মাস্ট বি স্টপড আর সরকারি কাজে এইসব দূর্বল সচিব নিয়োগ বন্ধ করে কর্মঠ মানুষ নিয়োগ দেন, যে ১ মিনিটের কাজ ১ সপ্তাহ ফালায় রাখবে না।
সেবাটি ছিল ভুমি অধিগ্রহণের জন্য ক্ষতি পুরন। ক্ষতিপূরণের জন্য যথাযথভাবে আবেদন করার পরও ২ বছর ফাইল প্রসেস করে নাই। প্রতি মাসে একবার করে দেখা করি। যত টাকা পাবো তার ২৫% টাকা দাবি করে। উপায়ন্তর না দেখে ১৫% এ রাজি হই।
এক্সপার্ট প্রমোশন ব্যুরো EPB তে সাফটা করতে গেলে প্রতিটি ডকুমেন্টসে সিল এবং সিগনেচার করতে গেলে ২৫০ টাকা করে দিতে হয়। নারায়ণগঞ্জ অফিসে একই কাজের জন্য ২০০ টাকা করে দিতে হয়।
এটা সিস্টেম, এটা আগে গোপনে দিতে হয় তারপর কাজ হয়