গর্ভবতী কার্ড করার জন্য টাকা নিয়েছে
গর্ভবতী কার্ড করে দিবে বলে ৩০০০টাকা নেই বলে টাকা না দিলে কার্ড হবে না পরে কষ্ট করে টাকা দেই এখন কার্ড হইছে কিনা তাও জানিনা
17,743 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
গর্ভবতী কার্ড করে দিবে বলে ৩০০০টাকা নেই বলে টাকা না দিলে কার্ড হবে না পরে কষ্ট করে টাকা দেই এখন কার্ড হইছে কিনা তাও জানিনা
পাসপোর্ট পুলিশ ব্যারিফিকেশনে করতে এসে টাকা চাইলো টাকা না দিলে পাসপোর্ট থানায় আটকে দিবে।
আমি যখন মালয়েশিয়াতে পড়তে যাই, তখন কর্তব্যরত ইমিগ্রেশন অফিসার কোনো কিছু ছাড়াই আমার কাছ থেকে ৫,০০০ টাকা দাবি করে। পরে আমি তাদেরকে দেই, কোনো ঝামেলা হবে এটা আমি চাই না। তাই তাদেরকে দিয়ে আমি মালয়েশিয়া যাই।
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর জন্য থানায় গেলে বলে যে সরকারি ফি ১৫৫০ টাকা তবে বাড়তি খরচসহক্লিয়ারেন্স দিবে ২৮০০ টাকা লাগবে।যখন বলছি ১৫৫০ টাকায় হবে না? তখন বললো বাইরে কম্পিউটার এর দোকানে গিয়ে আবেদন করতাম আর তাদের সাথে কথা বলতাম।তারা ২৮০০ টাকা ই লাগবে বললো নাইলে এটা অনেকদিন যাবত ঘুরাবে তাই বাধ্য হয়েই করতে হল।(অবশ্য কোন মামলা নাই)
পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির অনলাইন মিটার আবেদন করতে সরকারি জামানত ফি প্রতি কিলোওয়াট ৪৪৮ + আনুসাঙ্গিক খরচ সহ ১২০০ টাকা হলেও একটা মিটারের জন্য প্রদান করতে হয় ৪৫০০/৫০০০ টাকা এই টাকা প্রথমে ইলেকট্রিশিয়ান হয়ে ওয়্যারিং ইনস্পেক্টর বা পিইউসি তারপর ডিজিএম এর পকেটে যায় । ডিজিএম অনলাইন মিটার প্রতি ২০০ টাকা করে নেন
বর্তমান সরকারে সারের নতুন নীতিমালা করতেছে তো আমি ভাবছি একটা ডিলার নিব কিন্তু আমার কাছ থেকে এত টাকা দাবি করছে বিএনপি'র এক নেতা
রংপুর ফায়ার সার্ভিস অফিসে ফায়ার লাইসেন্স নবায়ন করতে গেলে ১৫,০০০ টাকা চায়। যার জন্য আমি এখন পর্যন্ত তা নবায়ন করতে পারছি না। আশা করছি যথাযথ কর্তৃপক্ষ দ্রুততম সময়ের মধ্যে মধ্যে ব্যবস্থা গ্রহন করবেন। যাতে কোন প্রকার ঘুষ ছাড়া আমার ফায়ার লাইসেন্স নবায়ন করতে পারি।
এটা একটা ডেন্টাল কলেজের কাহিনী আমি সেখানে অডিট করতাম। সেখানে দেখি মিছিলিনিয়াস নামে একটা খরচের হেড আছে। আমি বললাম খরচ টা কিসের আমাকে ওখানকার একজন বয়স্ক জগন্নাথ ইউনিভার্সিটির শিক্ষক এবং ওই প্রতিষ্ঠানের একাউন্টিং কনসালটেন্ট উত্তর দিল এমন যে আমার জীবনে আমি শিক্ষক হয়ে আমার ছাত্র যে কিনা রাজুকে চাকরি করে তাকে ঘুষ দিলাম। এবং কাঁদতে কাঁদতে ওই স্যার আমাকে বলল তার ছাত্র নাকি তাকে বলেছে স্যার শুধু আপনি বলে এই টাকাটা ২৪০০০০০ ভিতর সীমাবদ্ধ থাকলো। আপনার জায়গায় অন্য কেউ হইলে এত কমে কেউ করাইতে পারতো না।
এলজিইডি অফিসের তালিকাভুক্তকরণ এর নবায়ন ফি ভ্যাটসহ ২৩০০/- হলেও ৪০০০/- নিয়েছে। অফিস সহকারি ও অফিস সহায়ক , নাটোর সদর অফিস। গতবছর প্রতিবাদ করছিলাম। অনলাইনে ছিলো আবেদন সেজন্যে অফিসে ফাইল ভুল ধরে হ্যারেজমেন্ট করা হয়েছে। এবছর অনলাইনের আবেদন করার সিস্টেম উঠিয়ে দেয়া হয়েছে শুধুমাত্র ঘুষ খাওয়ার জন্য। এবছর বাধ্য হয়ে অফিসে গেলে ওরা আগের বছরের প্রতিশোধ স্বরূপ এবছর সবার কাছে এক্সট্রা ৫০০/- ঘুষ নিলেও আমার কাছে এক্সট্রা ১৭০০/- নেয়া হয়। যা আমাকে দিতে বাধ্য করা হয়েছে।
আমি মালয়েশিয়ায় যাচ্ছিলাম, আমার ক্যাটাগরি থ্রি ভিসা এমপ্লয়মেন্ট পাস। তো ইমিগ্রেশন অফিসার আমাকে যেতে দিচ্ছিল না, বলল যে বিএমইটি কার্ড লাগবে। আমাকে ইমিগ্রেশন অফিসার বলে যে আমার ভিসা হচ্ছে ভুয়া। অথচ অরিজিনাল ভিসা। তো এইভাবে তারা মানুষকে হয়রানি করে। হয়রানি করে টাকা খাওয়ার চিন্তা ভাবনা করে। তো যারা ক্যাটাগরি থ্রি এমপ্লয়মেন্ট পাস যাদের থাকে, তাদের bmet card প্রয়োজন হয় না। তো এটা আমার সাথে অনেক ঝামেলা করতেছিল, আরকি। ইমিগ্রেশন অফিসারের ইচ্ছা যে সে ঘুষ নেবে। আমি ঘুষ দেইনি। আমি তাকে বলেছি যে bmet লাগে না। অনেকক্ষণ সে আমাকে হয়রানি করেছে। প্রায় ঘণ্টা ধরে আমাকে হয়রানি করেছে। তো আমি এটা অবসান চাই।
ভিকারুননিসা নূন স্কুল এন্ড কলেজের ডে শিফট থেকে মর্নিং শিফটে বাচ্চাকে আনতে চেয়েছিলাম। প্রিন্সিপাল থেকে শাখা প্রধান সবাই বলেছে সম্ভব না। বাস্তব চিত্র অনেকেই করেছে এই চেঞ্জ। আমি পরে অফিসে যোগাযোগ করলে দুই লাখ টাকা ঘুষ চেয়েছে। বলেছে গভর্নিং বডির লোককে দিতে হবে।
আমি আমার পাসপোর্ট ভেরিফিকেশন জন্য মিরসরাই থানা যায় আমার সকল কাগজ পত্র ওকে থাকার পর ও আমার কাছে ১হাজার ঘুষ চাওয়া তখন রোজা ছিল আমি স্টুডেন্ট মানুষ কিছু কম রেখে ৫০০টাকা নেওয়া হয়। এই টাকা না দিলে ভেরিফিকেশন ফেল দেখানো হয় নাকি তাই আমিও ৫০০ টাকা দিয়েছি।
পিসিবি লাইসেন্স ইনকয়ারি করিতে আসার জন্য ৩০০০০ টাকা করে ঘোষ দাবি করেছেন
ইউনিয়ন চেয়ারম্যান গর্ভবতী মায়ের জন্য প্রতি মাসে ৮৫০ টাকা করে সরকারি ভাবে দেয়া হয়। কিছু কাজ জমা দিতে হয় আমি দিয়ে ছি। চেয়ারম্যান বলে ৩ হাজার টাকা দিতে হবে আমি দিয়েছি। আমি এবং আমার বউ চাকরি করি Echotex. Echotex থেকে সেই কাজ টা করে দিয়েছে। Echotex কোন রকর টাকা নেয় নি অথচ চেয়ারম্যান ৩০০০ টাকা নিয়েছে কিন্তু টাকা আর ফেরত দেয় না।
বিয়ের সময় মেয়ের বয়স হয়নি,, পরে কে জানি থানায় ইনফর্ম করে ,, পরে 5000হাজার টাকা দাবি করা হয়,,, পরে মেয়ে পক্ষ মিটাইছে
বরাবর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বগদইড় মাধ্যমিক বিদ্যালয় ঠিকানা: গ্রাম/রাস্তা: বোগদইড়, বোগদইড়, ডাকঘর: বোগদইড় হাট–৫২২৬, কাহারোল, দিনাজপুর। বিষয়: SSC পরীক্ষার টেস্ট পরীক্ষায় ইচ্ছাকৃতভাবে অকৃতকার্য করা, অর্থ দাবি এবং বিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনিয়মের বিষয়ে গোপনীয় অভিযোগ। জনাব/জনাবা, আমি বগদইড় মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির একজন শিক্ষার্থী। অত্যন্ত উদ্বেগের সঙ্গে জানাচ্ছি যে, আমার সঙ্গে বিদ্যালয়ে গুরুতর অনিয়ম করা হয়েছে বলে আমি অভিযোগ করছি। আমার অভিযোগ অনুযায়ী, SSC-এর টেস্ট পরীক্ষায় আমাকে ইচ্ছাকৃতভাবে ফেল করানো হয়েছে। পরবর্তীতে আমাকে বলা হয় যে, টেস্ট পরীক্ষায় পাস না করলে SSC পরীক্ষার ফরম পূরণ করতে দেওয়া হবে না। একই সঙ্গে টেস্ট পরীক্ষায় পাস করিয়ে দেওয়ার জন্য আমার কাছে ৫,০০০ (পাঁচ হাজার) টাকা দাবি করা হয়েছে বলে
নাটোর জেলার, সিংড়া উপজেলার, কলম ইউনিয়নের প্যানেল চেয়াম্যান ও মহিলা মেম্বার মিলে প্রতিবন্ধি নয় এমন অনেক মানুষকে টাকার বিনিমইয়ে কার্ড করে দিছে। বিধবা ভাতার কার্ড করে দিতেও অনেক টাকা নেয়।
আমি ত্রিশাল থানার বইলর এলাকার কাঠাল ভুমি অফিস সংলগ্ন একজনের কাছে কিছু টাকা পাইতাম,সেই বেক্তি তাল বাহানা করলে আমি থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়ে তাদের সাহায্য চাই, থানা থেকে দায়িত্বরত এস আই আমার উক্ত টাকা আদায় করে দিবেন বলে আমার কাছে ৫০,০০০/- টাকা চাদা দাবি করেন,আমি ৫০,০০০ টাকা মা দেয়ার কারনে তারা আমার সাধারণ ডাইরি করা সিল মারা অভিযোগ পত্র টি আমার সামানে ছিরে ফেলেন।
ভোটার আইডি কার্ডে ঠিকানা ভুল আছে । সেটা সংশোধনের জন্য বারবার অফিসে গিয়েও কোন ফায়সালা আসেনি তখন অফিসের একজনের সঙ্গে পার্সোনাল ভাবে কথা বললে সে ৩০ হাজার টাকা দাবি করে
উকিল আর মহুরি মিলে ভুয়া জমি আমাদের নামে নকল দলিল করে দেওয়ার জন্য টাকা চেয়ে প্রস্তাব করেছে।