BSTI CM License
Paid 60000 taka fro BSTI CM license in Dhaka BSTI . His reason was already too many companies exist in the same product line , so new one will need extra push to the senior BSTI officials
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৭৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
Paid 60000 taka fro BSTI CM license in Dhaka BSTI . His reason was already too many companies exist in the same product line , so new one will need extra push to the senior BSTI officials
বিদ্যুতের লোড বৃদ্ধিতে সরকারি খরচ ৪৮৩ টাকা কিন্তু ডিপিডিসি ঢাকা আজিমপুর বিদ্যুত অফিসের একজন উপসহকারী প্রকৌশলী আমার কাছে ৫০০০ টাকা দাবি করে।আমি দিতে অস্বীকৃতি জানালে আমাকে কয়েকদিন ঘুরাই পরে বাধ্য হয় টাকা দিয়ে লোড বাড়াই।
Every Month dewa lagey return er somoy.
ছাগলের পিপিআর ভ্যাকছিন নিতে গেছেলাম চৌগাছা পশু হাস্পাতালে গিয়ে দেখি পিপিআর ভ্যাকছিন নাই! পরে টাকা দিলে বলে আছে! তাও আমার ১০ টাকা মাত্র।
আমি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক হিসেবে আছি। আমার এক মাসের বকেয়া আছে। সেই ফাইলটি উপজেলা শিক্ষা অফিসারের মাধ্যমে সাবমিট করতে হয়। তিনবার জমা দেওয়ার পরও- 'এটা হয়নি, ওটা সমস্যা' এইসব অহেতুক কথা বলে পেছাতে থাকে। অবশেষে ২০০০ টাকা দিয়ে রফাদফা করি। উল্লেখ্য একই কাগজপত্র দিয়ে আমার সাথের একজনের ফাইল সাবমিট হয়েছে। তিনি বকেয়া পেয়ছেন- তার থেকে তথ্য নিয়েই আমি ঘুষ দিয়েছি। আমার ফাইল এমাসে সাবমিট হয়েছে। বকেয়া পেয়েছি।
বরগুনা সদরের ২ টি সরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের অগ্রিম বর্ধিত বেতনের টাকা উত্তোলন করার জন্য প্রত্যেক শিক্ষককে ন্যূনতম ৩০০০ টাকা দিতে বাধ্য করা হয়েছিলো।
In 2021, I visited the NESCO office to increase my residential electricity load from 1 kW to 2 kW for installing an AC. I completed all the required formalities and submitted the requested documents. I was also asked to pay my annual house tax, which I did. Despite completing everything, the work was not processed. Later, an office staff member privately told me that the concerned officer would not approve the application unless I paid Tk 10,000, and said he would arrange everything if I paid. I refused to pay any bribe. Since then, my load has remained at 1 kW, and I have been unable to properly use an AC at home.
সংশোধন করা যাচ্ছিলো না, টাকা দেয়ায় করে দিছে
The police officer EKTA FIR KORAR JONNO GIYECHILAM ABOUT GETTING THREATS FROM SOME LOCAL GUNDAS . JKHN ONAR ROOM E GELAM TKHN UNI EKTA NETAR THEKE GHUSH NICCHILEN . AND AMI JKHN AMR TA BOLLAM UNI BOLLEN 3 LACKS LAGBE TAHOLE KAJ HOYE JABE. TARPOR AMI ONNO EKJONER SHAHOJJO NEI.
To cash out some money from GB fund had to pay 9000 through a clerk and it was distributed among the responsible.
২০২৩ সাল থেকে নাম সংশোধন এর জন্য ঘুরতেছি এখন জানালো আরেক কর্মকর্তার মাধ্যমে ১০০০০ হাজার টাকা লাগবে। প্রমান রেখে দিছি ভাবছি ব্যবস্থা নিবো ইনশাআল্লাহ যদি কেউ সহযোগিতা করতে পারেন ভালো হতো। এখনো দেইনি দেখি কি করা যায়
আমার সরকারি চাকুরির ভেরিফিকেশন এর জন্য চৌদ্দগ্রাম থানা থেকে কল দেয়।আমি চাহিত সকল ডকুমেন্টস দেয়ার পরেও এসআই — দাপ্তরিক খরচ বাবদ ২০০০ টাকা চায়। আমি অনেক অনুরোধ করে ১ হাজার টাকা পরিশোধ করতে বাধ্য হই।টাকা না দিলে রিপোর্ট নেগেটিভ দেয়ার রেকর্ড আছে চৌদ্দগ্রাম থানার।
3 phase current line 45KW line er jonno barti 90k dite hobe taile line dibe naile jolai rakbe file
আমি স্বাস্থ্য ক্যাডারে কর্মরত। বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে কোর্সে ছিলাম। ২০২৪ সালে ঢাকা থেকে ডেপুটেশন শেষ করে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজে জয়েন করি। এরপর ঢাকা সেগুনবাগিচায় এলপিসি নেওয়ার জন্য কাগজপত্র জমা দেই। কিন্তু জানতামনা এর সাথে টাকাও দিতে হয়। সেখানকার অডিট সাহেব তার অনেক কাজ তাই আমার কাজে হাত দিতে পারছেনা অযুহাত দিচ্ছিলো। এদিকে আমার বেতন ১ মাসের বেশি সময় ধরে আটকা। পরে বুঝতে পেরে আমার শালার হাতে ৫০০ টাকা দিয়েছিলাম এবং পরের দিনই কাজ হয়। এর আগে ২০২২ সালে নওগাঁ জেলার একটা উপজেলা থেকে যখন ডেপুটেশনে যাই তখনও এলপিসি নেওয়ার জন্য একাউন্ট অফিসে ৫০০টাকা দিতে হয়। এখন পর্যন্ত যত জায়গায় জয়েন করেছি তখন এবং সেখান থেকে বদলি হয়ে যাওয়ার সময় এলপিসি নিয়েছি উভয় ক্ষেত্রে একাউন্ট অফিসে ৫০০ করে টাকা দিতে হয়েছে।
মাসিক নেয়া হয় ভ্যাট আদায় আপডেট পেতে
ইউনিয়ন পরিষদে যাই, আমার জন্ম নিবন্ধন সার্টিফিকেটটি সংশোধন করতে। সেখানে দেখা যায়, সচিব সরাসরি অর্থের বিনিময় ইউনিয়ন পরিষদ সেবা প্রদান করছে। যে টাকা দিতে পারছে না, তাকে নানা কাজের জটিলতা বুঝাচ্ছে। থানায় জিডি, উপজেলায় আবেদন, নির্বাচন অফিসে যাওয়া ইত্যাদি৷ টাকা দিলেই সেই জটিল কাজের দাইত্ব নিয়ে নিচ্ছে সচিব।
ভ্যাট অফিসে প্রতি মাসেই ব্যাবসায়ীক রিটার্ন সাবমিট করতে হয়, প্রতিবার ই ২/৩ হাজার টাকা ভ্যাট দিতে হলে ১৫০০ থেকে ২০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়,এটা তারা ওপেন এই চায়,ভ্যাট অফিসে এটা এতটাই স্বাভাবিক বিষয় যে মনে হবে এটা একটা বৈধ বিষয়
ইউনিয়ন পরিষদে যেকোন সেবা নিতে গেলে মূল দামের তিনগুন টাকা রাখা হয়। উদাহরনঃ ট্রেড লাইসেন্স ফি ৫৭৫ কিন্তু বাস্তবে নেওয়া হয় ৯০০-১৫০০ এবং বড় বড় গার্মেন্টস থেকে লক্ষাধিক টাকা।জনগন অতিষ্ঠ সচিব আর কথিত চেয়ারম্যানের উপর।
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হিসেবে যোগদান এর পর বেতন এক্টিভ করার জন্য সবার নিকট থেকে এভারেজ 500-1000 টাকা নিয়েছিল উপজেলা হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা আর উপজেলা প্রাথমিক এর কর্মকর্তা যোগসাজ ছিল। অলিখিত নিয়ম হয়ে গেছে।
আমি বিদেশ থেকে হজ্বে যাওয়ার উদ্দেশ্য পাসপোর্ট রি-নিউ করতে গেছিলাম। উনারা বলছে জন্ম নিবন্ধন লাগবে। জন্ম নিবন্ধনের নামের বানান ভুল ছিল। আমি বিদেশ থেকে বসে কথা বলছি, টাকা না দিলে সংশোধন হবে না। বাধ্য হয়ে দিয়েছি।