টেন্ডার- রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়
রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের বালি ভরাট কাজটি পাওয়ার জন্য ২৫ লক্ষ টাকা রাজশাহীতে গিয়ে ঘুষ দিয়েছি
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের বালি ভরাট কাজটি পাওয়ার জন্য ২৫ লক্ষ টাকা রাজশাহীতে গিয়ে ঘুষ দিয়েছি
আমি পঞ্চম শ্রেণির সার্টিফিকেট সংশোধন করতে গিয়ে কাগজ জমা দেওয়ার সময় আমাকে বলে খরচের টাকা দিতে অন্যথায় কাজ হবে না। আজকে ৮ মাস চলতছে আমার সার্টিফিকেট সংশোধন করে দেয়নি।
আমার স্ত্রীর এন আইডি কার্ড করার জন্য গিয়েছিলাম। তারা কাগজপাতির নানান ইস্যু তৈরি করে বলে কাজ হবে না। আমার জানামতে সব ঠিক ছিল কিন্তু তাদের নাকি সমস্যা আছে।এরপর একটু রিকুয়েষ্ট করার পর ৫০০ টাকা দাবি করে।তাৎক্ষণিকভাবে আমার রাজি না হওয়া ছাড়া উপায় ছিলনা। তাদের আমি মোবাইল ব্যংকিংয়ের মাধ্যমে টাকা দিতে চেষ্টা করি কিন্তু নেয়নি। অফিসে সিসি ক্যামেরা আছে কিন্তু মনে হয় পুরো অফিস এই সিস্টেমের সাথে জরিত।পরবর্তীতে টাকা দেওয়ার পর আমার কাজ করে দেওয়া হয়।
সেপ্টেম্বর মাসে ৬ষ্ঠ গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নিবন্ধনধারীদের উচ্চবিদ্যালয়ে নিয়োগ করা হয়। MPO আবেদন করার জন্য ফাইল পাঠানো হলে থানা শিক্ষা অফিসার, অপর্যাপ্ত লিখে সেটি রিটার্ন করে দেয়। পরবর্তীতে প্রধান শিক্ষকের সহায়তায় তিনি বিদ্যালয় পরিদর্শনে আসেন। এবং তাকে জানিয়ে দেন ঘুষের ব্যপারটা। MPO আবেদনের জন্য মাধ্যমিক থানা শিক্ষা অফিসার ১০০০ এবং এরিয়ার আবেদন বাবদ ২০০০ টাকা মোট ৩০০০ টাকা তিনি ঘুষ নেন। ৩ জন নতুন শিক্ষক ঘুষ প্রদানে বাধ্য হয়েছি। ঘুষের পরিমাণ ছিলো ৯০০০ টাকা। থানা শিক্ষা অফিসারকে না দিলে তিনি কোনভাবেই MPO ফাইল ও বকেয়ার ফাইল এপ্রোভ করতেন না। তাছাড়া থানা শিক্ষা অফিসের পর জেলা শিক্ষা অফিসে ১০০০+১০০০ টাকা দিতে হয়েছে। জেলা শিক্ষা অফিস মাসের পর মাস ফাইল আটকে রাখে এবং শেষ সময়ে পাঠিয়ে দেয়।
Export Promotion Bureau EPB issues Certificate of Origin CO for Export, they receive black money to issue this certificate, Black money receiver: Officer who sign (—) Peon who give reference number (—) Peon who give seal Location: Karwan Bazar, TCB building 4 th floor.
আদালতে ডকুমেন্ট উপস্থাপন করতে না পারার কারণে আমি ৫ লক্ষাধিক টাকা জরিমানার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি। আমার কাছে কল রেকর্ড এবং ডকুমেন্ট প্রমাণ রয়েছে।
একটি গার্মেন্টস ফ্যাক্টরির ট্রেড লাইসেন্স নবায়নের জন্য টাকা চেয়েছে ১,৮০,০০০। তার মধ্যে সরকারি ফি প্রায় ৩০,০০০ বাকি ১,৫০,০০০ টাকা ঘুষ
কাহিনীটা হচ্ছে আমার একটা মিটার নষ্ট ওইটা ঠিক করানোর জন্য ওই লোকটাকে বারবার বলা হয়েছে লোকটা বলছে যে সরকারি লোক আসলে আমি এটা ঠিক করে দিব এরকম করে উনি আট থেকে নয় মাসে নষ্ট রাখছে উনি ওই মিটার টার একটা এভারেজ রিডিং লেখা নিয়ে গেছে পরে যখন ছয় সাত মাস পরে ওইটা ঠিক করার জন্য তারে চাপ দেওয়া হয়েছে তখন সে আসছে। তখন আইসা বলতাছে যে এখনই মিটার মধ্যে রিডিং অনেক বেশি হয়ে গেছে ৬০-৭০ হাজার টাকা লাগবো আমি মিটার চেঞ্জ করার জন্য আমি বলছি আমাকে এডিটিং এর প্রমাণ দেখান তো উনি কোন কারনে প্রমাণ দেখাতে পারেনি উনি গা চুরি করে চলে গেছে ঠিক এর কিছুদিন পরে উনি একটা অফিসার নিয়ে আসছেন আমার ছবি টবি টুইটলা নষ্ট মিটার নষ্ট বইলা আমাকে অনেকে নষ্ট করছে
কলকারখানা অধিদপ্তর এ Garments Factory License renew এর জন্য দেয়া হয়েছে।
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর এ Garments Factory Fire License Renew এর জন্য দেয়া হয়েছে।
বিন সার্টিফিকেট অনলাইনে আবেদন করে, এপ্রুভ হয়েছে কিনা অথবা কবে হবে জানার জন্য কাস্টমস, এক্সাইজ অ ভ্যাটের অফিসে গিয়েছিলাম, একজন নিজ উদ্যোগে জিজ্ঞেস করতেছে কি কাজ? তখন বললাম,বলতেছে করে দেয়া যাবে, ২০০০ টাকা লাগবে। আমি সরাসরি প্রত্যাখ্যান করি, তিনজন এর ডেস্ক এ যেয়ে এপ্রুভ করাই।
সাইন অফ করাতে, অনলাইনে ভয়েজ আপডেট এসব ঘুরায়, পরে আসতে বলে ইত্যাদি নানবিধ অজুহাত। ৪ টেবিলে ৫০০+২০০+২০০+১০০ করে ১০০০টাকা দিয়ে ১ ঘন্টায় কাজ করেছে। টাকা না দিলে ২ দিন লাগায় বা নানাবিধ অজুহাত। প্রচুর নাবিক ভুক্তভোগী। এভাবেই সবাই টাকা দেয় তাদের।
পাকেরহাট রহাট সরকারি কলেজে যেকোনো কাগজপত্র। যেমন সার্টিফিকেট, মার্কশিট ইত্যাদি তোলার জন্য বাধ্যতামূলক ২০০ টাকা করে নেওয়া হচ্ছে। ২০০ টাকার কোন রশিদ চাইলে তারা দেয় না। সো এটা বেআইনিভাবে নেওয়া হচ্ছে।
নতুন এম্পিও ভুক্তিতে/উচ্চতর স্কেল/বকেয়া বেতনের আবেদনের জন্য প্রতিষ্ঠান প্রধান ও ম্যানেজিং কমিটির রেজ্যুলিউশন নিতে ৫০০০/- টাকা দাবি করা হয়,না দেয়ায় আজ ৫ মাসেও আবেদন করতে পারি নি৷
তাড়া বলেছিল আমাদের স্যার যেখানে যায় সেখান থেকে কিছু টাকা পয়সা নেয়। আপনি কত দিতে পারবেন। আমি তাকে বলি ভাই আমি এখনো ব্যবসাটা শুরু করি নাই ব্যবসাটা শুরু করি রিনিউ করার সময় কিছু দেই? সে বলে না আমাদের স্যার যখন যায় তখনই নেয়। পরে আমি তাকে ৫০০ টাকা দিতে রাজি হই। সে তার স্যারের সাথে কথা বলে আমাকে এসে জানায় আপনি ফাইনাল কত দিতে পারবেন বলেন। আমি তখন তাকে সেই ৫০০ টাকার কথাই জানায়। উপরন্তু তারা মোট পাঁচজন এসেছিলেন সবাইকে হাফ কেজি করে হ্যান্ডওয়াশ গিফট হিসেবে দিতে চাই। তাড়া সেটা গ্রহণ করেন। এবং টাকা বেশি পরিমাণে না হওয়ায় তাড়া সেটা নেননা। পড়ে আমার নিরাপত্তা সমস্যা দেখিয়ে ফাইলটা রিজেক্ট করা হয়। অগ্নি নির্বাপক লাগিয়ে আবার আবেদনের প্রস্তুতি নিচ্ছি।
সমনের কপি দেখিয়ে মামলার কাগজের কপি তুলতে গিয়েছিলাম।
রাস্তা সম্প্রসারণ এর জন্য ভূমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে । এর ক্ষতি পূরণ আদায় করার জন্য ভূমি অধিগ্রহণ অফিসে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দাখিল করা হয়েছে । এর পরেও কাজ হচ্ছিল না । পরে একজন সার্ভেয়ার অফার করে ১১% ঘুষ দিলে টাকা পাওয়া যাবে । ২৩ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণের জন্য প্রায় সাড়ে ৫ লাখ টাকা ঘুষ দেয়া হয়েছে । চেক ও হয়ে গেছিল । পরে তাদের নিজেদের ভাগাভাগির গন্ডগোলের কারণে চেক আটকে দেয় ।এখনও টাকাটা পাওয়া যায়নি ।
Vat office employee demands 10000-20000 taka every month for vat-return doccument submission. The receptionist is also a culprit, he/she damands 200-500 only to entry the data in the record book
দুর্নীতির মামলায় হয়রানিমূলক ভাবে জড়িয়ে, পরে টাকার বিনিময়ে আসামির তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। মামলা চলাকালীন সময়ে আমার বেতন স্থগিত আছে । এইভাবে চলতে থাকলে দীর্ঘমেয়াদে আমার পক্ষে সংসার চালানো অসম্ভব হয়ে পড়বে। তাই বাধ্য হয়ে দিতে হলো।
আগে লাইসেন্স রিনিউ করতে ফি লাগত সরকারি ফি ৫০০ টাকা+ ঘুষ ৩০০০ টাকা। কিন্তু এই বছর লাইসেন্স এর উপর সরকারী ফি বসিয়েছে অতিরিক্ত ১৫০০০ টাকা আর ঘুষ দাবি করছে ১০০০০ টাকা।