বাড়ি তৈরির অনুমোদন পত্র
১৫ হাজার টাকা দিয়ে দিছি নয় মাস আগে, এখনো অনুমোদন পত্র হাতে পায়নি, আজকাল করে করে ঘোরাচ্ছে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৭৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
১৫ হাজার টাকা দিয়ে দিছি নয় মাস আগে, এখনো অনুমোদন পত্র হাতে পায়নি, আজকাল করে করে ঘোরাচ্ছে।
আমি গত ২৪ তারিখ পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের আবেদন করি। ২৫ তারিখ রাত১১:৩০এ বাগেরহাট সদর থানা থেকে কল করে একজন পুলিশ কর্মকর্তা। আমি ২৬ তারিখ সেই কর্মকর্তার সাথে সাক্ষাত করি। সে আমার সকল তথ্য যাচাই করে বলে সব ঠিক আছে। তার পর বলে অফিস খরচ দিতে হবে ১২০০ টাকা। আমি বিভিন্ন সমস্যা দেখিয়ে ৬২৫-৬৩০ টাকার মতো দিয়ে ডিল করি। আমি কর্মকর্তার নাম আর কন্টাক নাম্বার প্রকাশ করলাম না
ফুলকোচা বিদ্যুৎ অফিসে কারেন্টের মিটার নামানোর জন্য ৩,০০০ টাকা চাওয়া হয়েছিল। কাজটির জন্য ৩,০০০ টাকা দেওয়া সত্ত্বেও গত ৩ মাস ধরে মিটার নামিয়ে দেওয়া হচ্ছে না এবং শুধু ঘোড়ানো হচ্ছে।" দালাল চক্রের অবাব নেই প্রকাশ্যে
একটি আবাসিক মিটার নামানো জন্য অফিস খরচের বাহিরে ৫০০টাকা ঘুষ ভাবদ দিতে হয়েছে।
আমাকে এবং আমার ভাইকে বাড়িতে উঠতে দিচ্ছে না এলাকার সন্ত্রাসীরা।তাই জিডি করে আমার বোন। কিন্তু এই জিডির দায়িত্ব যে অফিসারের কাছে তিনি টাকার জন্য এবং এলাকার সুবিধা বাদি নেতাদের কারনে সঠিক তদন্ত করতেছে না।
সঠিক বিচার করার নামে ঘুষ নিয়েছে।
দিনাজপুর চালের জন্য বিখ্যাত। তাই দিনাজপুর এ অনেক হাস্কিং ও অটোমেটিক রাইস মিল। এই মিল থেকে সরকার চাল সংগ্রহ করে। এই চাল দিনাজপুর ওসিএলেসডি ও সিএসডি ম্যানাজার নেয় তারা এই চাল নেয়ার সময় স্কল মিলের কাছে বস্তা প্রতি ৩০ টাকা করে নেয় জা তাদের পিসি খরচ। এই টাকা তাদের ভাস্য মতে জেলা প্রশাসক সহ এম্পি খাদ্য মন্তী ও প্রধানমন্ত্রী সবাই নেয় এছারা তার নিম্ন মানের চাল ও অচল চাল ও নেয় সেই ক্ষেএে চার্জ বেশি। তারা বলে এটা তাদের অধিকার এবং প্রাপ্য। তারা বলে এই টাকা সবাই খায় তাই কেউই নাকি তাদের কিছুই ছিরতে পারবে না। প্রতি সিজিনে তারা ২/৩ কোটি টাকা আদায় করছে।।
সাধারণ ডায়েরি করার জন্য উৎকোচ হিসেবে নিয়েছে ১৩০০ টাকা অদ্যবতি কোন কাজ করেনি
Ami police constable a tikci than exam o valo dici kicu police sir ar raa amr theke tk dabi kore but ajr samorthocilo na tai r job tao holo na ami j সুন্দর exam dici amr job ta ami. Hoyar kotha
আমি সরকারি ফি প্রদান করেছি ১৫০০ টাকা।পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর জন্ন।কিন্তু আমার সব কিছু ঠিক ছিল।পুলিশ আমাকে কল দিয়ে থানায় ডেকেছে।তারপর ৫০০ টাকা পুন্দে দিয়েছে।কিন্তু বেশি চায়নাই।৫০০ ই চেয়েছিল😂
কলকারখানা অধিদপ্তরের ডিআইজি একজন মহিলা পরিদর্শকে একজন এডিশনাল ডিআইজিসহ কারখানা ভিজিটের নাম করে টাকা তোলার জন্য পাঠায়। কারখানায় একেক বার একেক ইন্সপেক্টর আসে। যেই আসে টাকা চায়। এছাড়াও তারা লাইসেন্স করার নামে আমাদের কাছ থেকে ২০,০০০/- দাবি করে। টাকা না দিলে নোটিশ করে । মামলা দেওয়ার কথা বলে।
আমার মামার সৌদিতে যাবার জন্য ফিঙ্গার অফিসে গেলে, কম্পিউটার অপারেটর জনাব (M) & (F) ও পিওন (S) নামের ৩ জন্য ব্যক্তি, আমার কাছে মোফার কপি না থাকার কারনে ৪ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করে। পরবর্তিতে ৩ হাজার টাকায় তারা রাজি হয় এবং ফিঙ্গার দেয়। কিন্তু মজার বিষয় হলো ফিঙ্গার দিতে শুধু পাচপোর্ট লাগে এবং ২০০ টাকা দিয়ে bmet রেজিট্রেশন লাগে, তারা মোফার কাগজ নামের নাটক সাজিয়ে জনগনের কাছ থেকে হাতিয়ে নিচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকা।
আমি প্রতিবন্ধী ভাতা করতে চেয়েছি আমার কাছে 3000 হাজার টাকা চেয়েছে একপর্যায়ে কথা বলার পর 2000 হাজার টাকা ঠিক হয় তারপর আমাকে সমাজসেবা কার্যালয় নিয়ে যায় সেখানে যাওয়ার পর ডাক্তার দেখানোর জন্য টাকা লাগবে তার পর ওখানে 500 টাকা নেয়
পুলিশ ভ্যারিফিকেশনে মিথ্যা তথ্য দিয়ে ভয় দেখায়
আমার মামলামামলা নাকি খারিজ করে দিবে বাকি আসামি দের জাবিন দিবে ইত্যাদি বিষয় নিয়ে
কিছু মামলার কাগজ translate করিয়ে সত্যায়িত করতে গেছিলাম অনেক্ষন ভুজুম ভাজুম বলে 20000 হাজার চাইলো আমি বললাম ভেবে দেখি বলে চলে আসছি
একচেটিয়া সবার জন্য নিয়ম করে নিয়েছে তারা। প্রতি ফাইল কমপক্ষে ১৫হাজার টাকা। কোনো কোনো ক্ষেত্রে লক্ষ টাকাও হয়ে থাকে। যেমন পানির বোতল লাইসেন্স।
মামলার রায় দেয়ার জন্য দুই লক্ষ টাকা দাবী করে ৯০ হাজার টাকা দিয়ে সমস্যার সমাধান হয়।
ইউনিয়নের খাতায় নথিভুক্ত আছে এবং পাসপোর্ট অনুযায়ী টাকা না দিলে সংশোধন করা যাবে না
আমাদের প্রতিষ্ঠান থেকে এমপিওর ফাইল আটকে দিয়েছিল এক ব্যক্তি। আমাদের ফাইলে কোন ভুল ত্রুটি না থাকা সত্ত্বেও সে ইচ্ছাকৃতভাবে ভুল ধরেছিল। সেই বাহানায় আমাদেরকে অনেকদিন যাবত ঘুরিয়েছে। পর্যায়ক্রমে তাকে টোটাল ২০ হাজার টাকা দিতে হয়েছে আমাদের এমপিওর ফাইল ঢাকা পাঠানোর জন্য।