জন্মনিবন্ধন
পরিবারে সদস্যদের প্রতিটি জন্মনিবন্ধন করেত হিসাব সহকারি কাম কম্পিউটার অপারেটর কে ১০০০/১৫০০ টাকা দিতে হয়।
18,531 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
পরিবারে সদস্যদের প্রতিটি জন্মনিবন্ধন করেত হিসাব সহকারি কাম কম্পিউটার অপারেটর কে ১০০০/১৫০০ টাকা দিতে হয়।
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সারটিফিকে এর জন্য গিয়েছিলাম।থানার মুনসি বলছে তিন হাজার টাকা লাগবে,আমি বললাম এক হাজার টাকা সরকারী ফি, তিন হাজার লাগবে কেন। বলছে এক হাজার আমাদের, একহাজার এস,পি সাহেবের,আর এক হাজার সরকারী ফি।দিলে হবে না দিলে হবে না। আনেক জরুরী ছিল,অনুরোধের পর ২৭০০ টাকায় দিতে রাজী হয়।টাকা দেয়ার পর বললাম রিসিট দেন,বলে পুলিশের রিসিট লাগে না কি?এক সপ্তাহের কথা বলে দুই সপ্তাহ পরে দিছে।
ঢাকা দোহার উপজেলায় কিডনি,কেন্সার সহ কয়েকটা রোগের জন্য সরকার থেকে ১ লক্ষ টাকা অর্থায়ন করা হয়। সেখানে রোগিদের আবেদন করার জন্য অফিসের কর্মচারিরা জন প্রতি ১০,০০০ টাকা কন্টাক দাবি করে। কর্মচারিরা দাবি করে সরকারি অনুদান ১ লক্ষ টাকা পেতে হলে তাদের ১০,০০০ টাকা দিতে হবে। এভাবেই প্রত্যেক রোগির কাছে তারা ১০,০০০ টাকা দাবি করেন।
ami bank loan apply kori krisi bank amake bola holo 1 lac e amake 5000tk dite hobe ami 4000tk paid koro
যে কোনো প্রয়োজনে থানায় গিয়েছি প্রতারণার বিষয়ক একটি সেবা নেওয়ার জন্য। ওরা তো আমাকে সাত-পাঁচ বুঝালো। যাক, অবশেষে আমার একটা জিডি নেওয়ার জন্য সম্মত হলো। জিডি লিখাও হলো। এখন জিডি লিখে ১,০০০ টাকা দাবি করে বসলো, যা আসলে বিনা পয়সায় করা উচিৎ ছিল। লজ্জায়ও পড়ে গেলাম, আবার একটু আশ্চর্যও হলাম। এখনো কি এইসব চলে থানায়? আমার কাছে ১,০০০ টাকা না থাকার কারণে ৫০০ টাকা দিতে বাধ্য হলাম। এখন এই ৫০০ টাকা কম দেওয়ার কারণে হয়ত আমার জিডি নিয়ে এরা আর মাথা ঘামাচ্ছে না। আল্লাহ এদের বিচার করুন।
আমার জমির গাছ বিক্রি করার পর ক্রেতার নিকট স্থানীয় কিছু সন্ত্রাসী ৫০০০০টাকা চাঁদা দাবি করলে আইনের আশ্রয় নিতে গেলে অভিযোগ পত্র জমা দেওয়ার পরের দিন আমার নিকট হতে তদন্ত করত ডিবি পুলিশ ১০০০০ টাকা দাবি করলে তা পরিশোধ করতে বাধ্য করা হয়। অন্যথায় চাঁদাদাবির বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নিতে অপারগতা প্রকাশ করেন ।
চাকরি এর জন্য পুলিশ ভেরিফিকেশন ছিল, বাসায় এসে বলে শহর থেকে আসতে তাদের অনেক খরচ হয়েছে, এটা তারা তাদের নিজেদের পকেট থেকে খরচ করেছে, এখন যদি তাদের দাবীকৃত অর্থ না দেওয়া হয় তাহলে রিপোর্ট পাঠাবে না।
Amake directly call dye thana teh documents niye jete bola hoyechilo, ar bola hoyechilo kisu cha-nastar khoros aante.
আমার দোকানের অবস্থান সরকার মেট্রোরেলের ডিসিশন করার জন্য নিয়ে নেয় আমাকে কিছু ক্ষতিপূরণ দেয়, সেই টাকা উত্তোলন করার জন্য আমরা ঢাকায় পুরান ঢাকার ডিসি অফিসে যাই, উনারা সকল কাগজপত্র যাচাই করে আমাদেরকে সরকারি চেক দেয়, কিন্তু তাদেরকে মিনিমাম তিন হাজার বা ৫ হাজার টাকার কম দিলে চেক দিতে চায় না।
I bound to give bribe in this office
১০০ মিটার দীর্ঘ এর চাইতে বড় সেতু নির্মাণের ক্ষেত্রে বিআইডব্লিউটিএ অধিদপ্তরের নিকট হতে ভার্টিক্যাল ক্লিয়ারেন্স এবং হরিজন্টাল ক্লিয়ারেন্স এর জন্য এনওসি নেয়ার প্রয়োজন হয়। এই ক্ষেত্রে তারা নির্মানকৃত সংস্থা হতে মোটা অংকের অর্থ চাই, অর্থ না পেলে তারা ভারটিকাল ক্লিয়ারেন্স অ্যাবনরমাল টাইপের দিয়ে চিঠি ইস্যু করে দেয়, যার কারনে সেতুর দৈর্ঘ্য বৃদ্ধি করার প্রয়োজন হয় এবং ব্যয় বৃদ্ধি পাই, কিন্তু যদি তারা বাস্তবসম্মত রিপোর্ট প্রদান করত সেই ক্ষেত্রে যতটুকু প্রয়োজন সেতুটির দৈর্ঘ্য ততটুকুই হতো, তাতে ব্যয় কমে যেত.
আমার আগে একটা জন্ম নিবন্ধন করা ছিল অনলাইন কপি আমি বলছিলাম এটা অনলাইনে আছে আমাকে বলছো আপনি একটা অন্যায় হয়নি পরবর্তী কি আর করার আমার বাচ্চা স্কুলে ভর্তি হবে তার জন্য যে আমার থেকে ঘুষ চাইছে
card a tk dukate gia.. take khusi korte dewa hoise
নতুন বৈদ্যুতিক মিটার নামিয়েছি গত ২ বছর আগে, তখন জানতাম না কত টাকা লাগে, আমাদের থেকে ১২ হাজার টাকা নিয়েছে + খাম্বা থেকে আমার বাড়ি পর্যন্ত সার্ভিস তার আমাদের টাকা দিয়ে কেনাইছে। আমাদের মিটারে লোড ১ কিলোওয়াট ও লাগেনা কিন্তু ওনারা ইচ্ছা করে ৪ কিলোওয়াট দিয়ে দিছে আমাদের না জানিয়ে। প্রতি মাসে এর জন্য বারতি ১২৬ টাকা করে কেটে নিচ্ছে কোনো প্রয়োজন ছাড়া। যখন তাদের সাথে যোগাযোগ করলাম কিলোওয়াট কমানোর জন্য আমার কাছে ৭০০ টাকা ঘুষ চাইলো। মানে এমন একটা কারনে ঘুষ চাইলো যাতে আমার কোনো দ্বায় ই নেই। তখন বুঝতে পারলাম ওরা ঘুষ খাওয়ার জন্যেই ইচ্ছাকৃত ভাবে সবার মিটারে কিলোওয়াট বাড়িয়ে দেয়। খুলনা পাওয়ার হাউস মোরে অবস্থিত ওয়েস্ট জোন পাওয়ার
প্রথমে আমার এক ছোট ভাই থানা থেকে কল দিয়ে বলছে তোমার পাসপোর্ট ভেরিফাই করার জন্য যাবতীয় কাগজগুলো থানায় নিয়ে আসো। পরে ছোট ভাই আমাকে নিয়ে থানায় যায়,সকাল ১১ টার সময় থানায় গিয়েছি তবুও ডিউটি অফিসার তার ডেস্কে আসে নি যেখানে সকাল ৯ টায় থাকার কথা। কাগজ গুলো দেওয়ার পর ২০০০ টাকা দাবি করলে সাথে সাথেই আমি অ্যাকশনে চলে যায়। তুমুল বাকবিতন্ডায় অন্যন্যা পুলিশগন ও সেই রুমে উপস্থিত হয়, তারা তখন অনেক ভয়ভীতি দেখাচ্ছিল বাট আমি কোনো ভয় না পেয়ে তুমুল ঝগড়া করে, এক টাকাও ঘুষ না দিয়ে চলে আসি
Amake direct call dye documents niye jawar kotha bolechilo thanai. Then bole j kisu cha nastar taka aante.
আমি গত কয়েকমাস আগে বাংলাদেশ মেরিন ফিশারিজ একাডেমিতে ভর্তির জন্য সুপারিশপ্রাপ্ত হয়ে physical fitness certificate নিতে জেলা সিভিল সার্জনের কার্যালয়ে যাই। সেখানে কর্তব্যরত অফিসার আমাকে বলে সিভিল সার্জন নেই, আমি ভারপ্রাপ্ত অফিসারের সাথে যোগাযোগ করতে চাইলে তারা ১০০০টাকা চায়, পরে আমার পকেটে ৭৫০ টাকা দেখে তারা ৬০০টাকা নেয়, তারপর হঠাৎ করে তারা আসল সিভিল সার্জনের সিল ও স্বাক্ষর আনে, মানে তারা আমার সাথে ঘুষ নিতে প্রতারণা করে। এ অভিজ্ঞতা ছিল খুবই কষ্টদায়ক ও অনেক অসহায় লাগছিল।ঐ অফিসারদের বেতন অনেক বেশি তবু তারা আমার মতো এক বেকার ছাত্রের পকেট চেক করে টাকা নিয়েছিল।আগে ভাবতাম নিজের দেশবাসীর জন্য কিছু করব এখন ভাবি যাদের জন্য করব তাদের কাছে যদি ঐ লোকেদের কারণে সেবা না পৌছে??
আমার ছোট ভাই সৌদি আরব থেকে ভোলা আশার পথে। আমাদের ভোলা ইলিশা ঘাটে কুলিরা ২ হাজার টাকা। দাবি করচে৷ যদি তাদের কে ২ হাজার টাকা নাই দেই তাহলে তারা। বিদেশ লাগিজ নিতে দিবে না। এটা সুধু আমার সাথে না। এমন টা সব প্রাবাসি দের সাথে এরা করে। আমি এটার প্রাতিকার চাই
হারানো মোবাইল ফিরে পাওয়ার জন্য থানায় জিডি করা হয়। চার মাস পর টেলিফোন করে জানানো হয় থানায় এসে যোগাযোগ করতে। যোগাযোগ করলে জানানো হয়, মোবাইলটি খুলনায় পাওয়া গেছে। যে ব্যক্তি নিকট মোবাইলটি পাওয়া গেছে তিনি নাকি বর্ডার এলাক এক দোকান থেকে মোবাইলটি ক্রয় করেছ।ওই ব্যক্তি নাকি দোকান থেকে রিসিট কেটে মোবাইলটি ক্রয় করেছে। তাকে কমপক্ষে ১০ হাজার টাকা না দিলে মোবাইলটি আনা সম্ভব হবে না। যদি ১০ হাজার টাকা দিতে রাজি থাকেন তবে মোবাইলটি এনে আপনাকে দেওয়া হবে। আমি বলেছিলাম আপনি ঐ এলাকার পুলিশের সাথে যোগাযোগ করে ব্যবস্থা নিন।উনি বললেন এটি খুব জটিল প্রক্রিয়া। এতে করে মোবাইল পাওয়া নাও যেতে পারে। এটি আমার খুব শখের মোবাইল ছিল। তাই তার প্রস্তাবে রাজি হয়ে ১০ হাজার টাকা পরিশোধ করলে মোবাইল পাই।
গত ০১/০৯/২৬ ইং তাং বায়জিদ বোস্তামী পোস্ট অফিসে স্পিড পোস্টের মাধ্যমে পার্সেল পাঠাতে গিয়েছিলাম। তারা আর আমাকে সব ধরনের অসহযোগিতা করে, এবং পার্সোনাল ডাক টিকেটে গুলো আমাকে দিয়ে লাগায়। পরে জিজ্ঞেস করলাম যে, সকল কিছু আমি করে দিলাম আপনারা কিছুই করলেন না এটা কেমন ধরনের সার্ভিস হলো। তখন পোস্ট অফিসের ভেতর জিনিস সরকারি সিল মারেন তিনি আমাকে বললেন আপনি ১০০/১৫০ টাকা বকশিস দিলে আমরাই করে দিতাম সব। তারমানে উনাদেরকে যদি আমি ১০০/১৫০ টাকা দিয়ে দিতাম তাহলে উনারা আমাকে সকল ধরনের হয়রানী গুলো করত না।