Police Clearence
আমি ৩ বার পুলিশ ক্লিয়ারেন্স নিয়েছিলাম। একবার বাইরে আবেদন করতে যাওয়ার আবেদন করতে আরেকবার আবেদন এক্সেপ্ট হওয়ার পরে। আরেকবার ভেরিফিকেশনে। ৩ বারে মোট ৮৫০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে। যদিও তখন পুলিশ ক্লিয়ারেন্সে সরকারী আবেদন ফি ৫০০ টাকা ছিলো।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ২০,৪৪৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমি ৩ বার পুলিশ ক্লিয়ারেন্স নিয়েছিলাম। একবার বাইরে আবেদন করতে যাওয়ার আবেদন করতে আরেকবার আবেদন এক্সেপ্ট হওয়ার পরে। আরেকবার ভেরিফিকেশনে। ৩ বারে মোট ৮৫০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে। যদিও তখন পুলিশ ক্লিয়ারেন্সে সরকারী আবেদন ফি ৫০০ টাকা ছিলো।
সাভার সরকারী কলেজের (আরও অনেক কলেজেই) সকল বিভাগে, ইনকোর্স পরীক্ষায় শিক্ষার্থীদের ইচ্ছাকৃত নাম্বার কম দিয়ে শিক্ষকরা প্রায় সকল শিক্ষার্থীদের কাছে জরিমানা দাবি করে, এবং জরিমানা না দিলে রেজিস্ট্রেশন করতে না দেয়ার হুমকি দেয়া হয়। শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ খাতা দেখতে চাইলে, শিক্ষকরা খাতা দেখাতে অস্বীকৃতি জানায়। গড়ে প্রতি শিক্ষার্থীর থেকে ১০০০ টাকা করে (প্রতি বিষয়ে ২০০ টাকা করে) নেয়া হয়। উল্লেখ্য, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক এরূপ কোনও নিয়ম নেই। এটা একান্তই কলেজ থেকে বেআইনি ভাবে নেয়া হয়।
চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীনে বাঘাইছড়ি উপজেলা বিভিন্ন নিম্ন ও উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কমিটি অনুমোদন, পাঠদান অনুমতি, স্বীকৃতি নবায়ন করতে হয়। এটার কাজ করার জন্য বেয়াইনী ভাবে বোর্ডের এক কর্মকর্তা (বাঘাইছড়ি এরিয়ায় দায়িত্ব প্রাপ্ত) ২০০০- ১৫০০ টাকা বা তারও বেশি টাকা গ্রহণ করেন। প্রতিষ্ঠান প্রধানরাও হেসেল না নিতে বাধ্য হয়ে টাকা দিয়ে দেই।
সেবাটি ছিল জেলা স্বাস্থ্য অফিস। চাকরির পরীক্ষার জন্য ফিটনেস সার্টিফিকেট দরকার হয়। সে সার্টিফিকেটের জন্য সরকারিভাবে ১০০ টাকা ফি জমা দিতে হয় , সাটিফিকেট তৈরি হলে শেষ মুহূর্তে ৩০০ টাকা অতিরিক্ত দাবি করেন,দিতেই হবে এইটা বলেন।
পাসপোর্ট ভেরিফিকেশন এর জন্য পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে ডেকেছিলো,সেখানে আমার বিস্তারিত জানার পরও কর্তব্যরত ডিএসবি অফিসার শেষ মুহূর্তে ঘুষ চেয়ে বসে । কিন্ত আমি দিতে রাজি হইনি ।
ফেনী জেলার ১০ নং ঘোপাল ইউনিয়ন এ জরুরি জন্মনিবন্দন করতে গেসি অফিস টাইম এ সচিব — আমাকে বলে সার্ভার ডাউন এখন হবে না পরে যাওয়ার টাইম এ এক আনসার বলে ১৫০০ টাকা দেন এখন করে দিচ্ছি
নরসিংদী ট্রেজারির — এবং আরেকটা লোক পেনশনের বই বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সেটা আবার চালু করার নামে 20000 টাকা দাবি করেছে। সেই টাকা পরিশোধের পরও কয়েকমাস ঘুরাইয়া তারপর কাজ করে দিছে।
ট্রান্সফার। এক স্কুল থেকে অন্য স্কুলে (প্রাইমারি স্কুল) ট্রান্সফার।
এটা নাকি দেয়াই লাগবে, ১৭ দিন ঘুরাইয়া তারপর ৮০০০ টাকা খেয়ে ১২০০ টাকার ট্রেড লাইসেন্স করে দিসে!
ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে সনদপত্র সংশোধনের জন্য গিয়েছিলাম। সব কিছু মিলে একজন কর্মকর্তা ১৫০০০ টাকা দাবি করে। শেষে উপায় না পেয়ে আনুমানিক ৭০০০ এ কাজ করেছি।
শেরপুর পল্লি বিদ্যুৎ সমিতিতে আমরা ৯ জন ডিমস সিকোরিটি সাভিস এর লোক চুক্তি ভিওিক আছি আমাদের আগষ্ট মাসে ৩ বছরের মেয়াদ শেষ হবে। এখন চুক্তি টি সেনা কল্যাণ এর কাছে চলে গেছে। অনেক জায়গায় সেনা কল্যান অভিজ্ঞ ও আগের লোকজন থাকলে ৫ হাজার টাকা জামানত নিয়ে আবার তাদেরকেয় অগ্রাধিকার দেয়। সে ক্ষেত্রে পল্লী বিদ্যুৎ অফিস থেকে আমাদের একটা অভিজ্ঞতা সনদ দিবে যেটা সেনা কল্যাণ তহবিলের দিলে অথবা অফিস থেকে আমাদের জন্য সুপারিশ করলে আমাদেরকেই রাখবে। কিন্তু অফিসের জি এস স্যার এই সুপারিশের জন্য আমাদের ৯ জনের কাছ থেকে ৫ লক্ষ্য ৪০ হাজার টাকা ঘুষ বাবদ চাইতেছে যদি আমরা না দেই তাহলে আমাদের জায়গায় আমাদের পরিবর্তে অন্য লোক তিনি দিয়ে দিবে টাকা নিয়ে। অথচ তিন বছর থেকে আমরা এখানে কর্ম করতেছি।
মৃত্যু সনদ দেওয়ার জন্য এফিডভিট থাকার পরও ভুল আছে বলে টাকা নিয়ে যায়।
কম্পিউটার দোকানে ২০০ টাকা ফি দিয়ে জিডি সাবমিট করেছি। আবেদন পত্র থানায় জমা দিতে গিয়ে শুনি ট্র্যাকিংয়ের জন্য ১০০০ টাকা লাগবে। এছাড়াও ৫০০ টাকার চুক্তি করতে হবে, মানে হারানো মোবাইল ফেরত পাওয়ার সাথে সাথে জিডি ইনচার্জকে ৫০০০ টাকা দিতে হবে।
আমি নির্বাচন কমিশনার অফিসে গিয়েছিলাম, আমার এন আইডিতে দেয়া তথ্য সংশোধনের জন্য।অফিসে প্রদর্শিত তথ্য দেখে ওরা আমাকে ঢাকায় যাওয়ার জন্য বলে, অফিস থেকে আসার পরে আমার পরিচিত এক বন্ধুর কাছে জানতে পারি নির্বাচন কমিশনের কর্মরত এক ব্যক্তির নাম, যিনি ২৫ হাজার টাকার বিনিময়ে কাজটি সম্পন্ন করে দিতে পারবেন। অথচ আমি যখন সংশোধনের জন্য সরাসরি যাই, তারা সেটা প্রত্যাখ্যান করে।
চিফ অ্যাকাউন্ট্যান্ট এর অফিসে থেকে যে কোনো ধরনের বিল পাস করতেই ঘুষ দিতে হয় তা না হলে নানা বাহানায় মাসের পর মাস ফেলে রাখে। শ্রান্তি বিনোদন ছুটি প্রত্যয়ন আনা যেহেতু জরুরি বিষয় তাই বাধ্য হয়ে তাদের চা নাস্তার দাবি কৃত অর্থ (৫০০টাকা) দিতে হয়েছে।
ফরিদগঞ্জ উপজেলার ৭ নং পাইকপাড়া ইউনিয়নের — কৃষি অফিসার আমার চাচার কাছ থেকে আজ কৃষক কার্ড করিয়ে দেয়ার জন্য ৫০০০ টাকা চায়চে৷ এভাবে আরো অনেকের কাচ থেকে নিচে আজকে ২৩ আগস্ট তারিখ
আমি শিয়ালঘনী, ইউনিয়ন পরিষদ অফিসে গেছি জন্ম নিবন্ধন করার জন্য। ইউনিয়ন পরিষদ সচিব আমার কাছে ৪৫০ টাকা ঘুষ দাবী করেন। যা আমি বাধ্য হয়ে পরিশোধ করি। কারণ আমার জন্ম নিবন্ধন করার দরকার ছিলো।
পটিয়া পৌরসভা অফিসে দুটো প্রত্যয়ন পত্র বানাতে দিয়েছিলাম যেগুলো সরকারি ফি প্রায় 16 টাকা প্রতিটা প্রত্যয়ন পত্রের। কিন্তু অপারেটরকে ১০০ টাকা করে দিতে হয়।
একজনের স্ত্রী দরজা বন্ধ করে গলায় ফাসি দিয়ে আত্মহত্যা করেছে, মেয়ের বাবা থানায় এজাহার দিয়েছে তারপর থেকে পুলিশে নানান ভাবে হয়রানি করছে। ২০০০০ টাকা চেয়েছিলো পরে ১০০০০ দিতে হয়েছে। এখন আবার ফাইনাল রিপোর্ট এর জন্য টাকা চাচ্ছে, না দিলে নাকি চার্জশিট জমা দিবে।
Gazipur mouchak skout sakha jonota bank ami amr babar sathey goto 1 week agey account korte jai first e akta line e darai then chobi ro baki kagojpati newar pore amader ke akta 5-6 page er from Puron korte deya hoy savabik vabei amra jehetu protidin esob kori na tai eto jana nei tarporeo jetotuku somvob amra Puron kore joma dile sekhaney khubi rude bebohar kora hoy akjon boyosko lok chilo and tar pashei bose akjon choto height er akjon Clark amader ke bar bar fereye deya hoy help chaile bole eta amader kaj na help kora Bangladesh e government Bank e account korte geye sokal 10 ta theke dupur 3 ta beje jay then amader then amader kachey 500 tk nay 2 ta from puron er jonno eta na dile