LGED Office, Jhenaidah, Tax Certificate for Tax Return
Jhenaidah LGED er kaj korar por Bill Received and Bill theke Tax katar por tax certificate or payment certificate caile sudhu ghurai, 2000 cay na hole Certificate dibe na
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
Jhenaidah LGED er kaj korar por Bill Received and Bill theke Tax katar por tax certificate or payment certificate caile sudhu ghurai, 2000 cay na hole Certificate dibe na
আমার মেয়ের প্রতিবন্ধী কার্ড করার জন্য যাই ফরম জমা দিতে গিয়ে ১০০০ টাকা নিয়েছে এবং পরবর্তীতে আবার ১০০০ টাকা চেয়েছে দেইনি বলে কার্ডটি এখনো হয়নি ।আমি একজন বেকার যুবক মেয়ের ঐষধ যোগাতে হিমসিম খেতে হয়। এক মাস থেকে ঘুরাচ্ছে আমাকে।।
অভিযোগের বিষয়: BMAT প্রশিক্ষণের সার্টিফিকেট প্রদানের জন্য অতিরিক্ত টাকা দাবি আমি সৌদি আরব যাওয়ার উদ্দেশ্যে BMAT প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করেছি এবং প্রশিক্ষণটি সম্পন্ন করেছি। প্রশিক্ষণ শেষে নিয়ম অনুযায়ী সার্টিফিকেট পাওয়ার কথা থাকলেও বর্তমানে সার্টিফিকেট দেওয়ার জন্য আমার কাছে অতিরিক্ত ২,৫০০ টাকা দাবি করা হচ্ছে।
Long age, For NID name change, one demand 10000tk to change the name.
প্রেমের বিয়া নিয়ে একটা মামলা হয় মূলত ছেলে ও মেয়ে উভয়ই পালিয়ে বিয়া করে এই বিষয় ছেলে বাবা মা কেউ জানতো না, পরে মেয়ে বাবা মামলা করে থানাই সেই পুলিশ সবাই কে মামলা ভয় দেখিয়ে টাকা আদাই করে, আপরাদ করছে এক জন, আর সে আপরাদ অন্য কে মামলা দিবে বলে টাকা নিয়ে নাওয়া হয়,বাংলাদেশ বড় দুনীতি হয় থানায়, বাংলাদেশ পুলিশ এতো খারাপ যাহ বলার বাহিরে,তাই আমি চাই পুলিশ নামক জাহেল তাদের কি বিচার করবে সরকার, এখন তো বর্তমানে অভিযোগ দিলো তাও বিপদ কার সত্য কথা দাম নাই, চুর চরি করবে ডাকাত ডাকাতি করবে ঘুষ খোর ঘুষ খাবে, কাউকে কিছু বলা যাবে না,
আমার ফোন হারিয়ে গেছিল,,শনিবার ফোনে লোকেশন পায় পুলিশ এবং আমাকে ডেকে বলে টাকা দিতে হবে।।পরে আমার থেকে ২৫০০ টাকা নিয়ে তারপর আমার হাতে ফোন তুলে দেন।
আমাকে বললো আপনি আমারে দশ লক্ষ টাকা দিবেন আর আপনি শুধু পরিক্ষার সময় উপস্থিত হবেন। আপনি শুধু নাম আর রোলটা লিখবেন।আর কিছুর প্রয়োজন হবে না টাকা দিবেন দশ লক্ষ। এখন দিবেন ৫০% বাকিটা জয়েন করার পরে। আমি দেইনি।
একটা জমির মামলার রায়ের বিরুদ্ধে জমি দখল ও পরবর্তীতে মাজিস্ট্রেট এর আদেশে উক্ত জমি উদ্ধার করতে গেলে থানার একজন ঘুষ দাবি করে।।
বিআইডব্লিউটিএ এর নিয়োগ পরীক্ষায় টাকার বিনিময়ে চাকরির দেওয়ার প্রক্রিয়া চলতেছে।
আমি ঢাকা টু কুমিল্লা টিকিট ক্রয় করে, ভৈরব থেকে লাকসাম গিয়ে নামি। এখানে আমার কুমিল্লা থেকে লাকসাম পর্যন্ত টিকিট ছাড়া ভ্রমণ করায় প্লাটফর্মে টিটি চেক করে জরিমানার হুমকি দিয়ে কিছু টাকা দিতে বললে আমার কাছে থাকা ৪০ টাকা দিলে আমাকে ছেড়ে দেয়।
আমার জন্ম নির্বধন জন্ম তারিখ ঠিক করতে গেচি. তখন আমার থেকে ৬ হাজার টাকা নিয়ে তারপর ঠিক করে দিচে.
আমার ভাই তার পরিবার সহ বিদেশে কাজ করে, তাদের একটা বাচ্চা জন্ম হয়,ঐ বাচ্চার পৈতিক টিকানা অনুযায়ী জন্ম নিবন্ধ করতে হয়, বাচ্চার পাসপোর্ট করার জন্য।তখন আমি ইউনিয়নে যাই বিস্তারিত ঘটনা বলি বলার পর তারা আমারে বলে এই জন্ম নিবন্ধন ইউনিয়ন থেকে করার আইন নেই সেটি এখান থেকে করা যাবে না,বাচ্চা যেখানে জন্ম হইছে সেখানকার বাংলাদেশ এম্বাসিতে গিয়ে জন্মনিবন্ধন করার জন্য আমাকে বলে, আমি অন্য ইউনিয়নে খুজ নিয়ে দেখি তারা এই কাজ গুলি নরমালি করে দেয় কোন সমস্যা হয় না।তখন আমার ভাই বাংলাদেশ এম্বাসিতে যায় গিয়ে বাচ্ছার জন্মনিবন্ধনের কথা বলে তখন তারা থাকে বলে সার্ভার ভালো নয়,সেটা দেশের ইউনিয়ন থেকে কালেকশন করো।তখন ইউনিয়নের সচিব চেয়ারম্যান তারা কাজটি দেয় নি,পরে আমি ছোট এক দালাল কে ৬০০০ টাকা দেই সে করে দেয়।ঐ ইউনিয়ন থেকে।
গাইবান্ধা জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিসে ৩ দিনের পিডিও ট্রেনিং করতেছি ২ দিন হলো। এবং আমরা সর্বমোট ১০০ জন ছাত্র আছি। সরকারের পক্ষ থেকে যারা পিডিও ট্রেনিং করবে তাদের প্রত্যেক কে দিন ১৫০×১০০ টাকা দেওয়ার কঘা ছিলো সেটা দেয়নি এবং সবার থেকে Extra হুূদাই ১০০ টাকা করে নিছে।
আমি ফাদারের সাথে অধিদপ্তরে যায়। সেখান থেকে সরকারি কাগজ নিতে গেলে , তারা প্রথমে বিভিন্ন বাহানা দেখিয়ে কাগজ দিতে অস্বীকার করে। পরে ৩০০ টাকার বিনিময়ে কাগজ দেয়। ফাদার সরকারি মানুষ হয়েও, সংশ্লিষ্ট অফিসে ঘুষ দিয়ে ফরম কালেকশন করতে হয়েছে। অথচ ফরম নিতেবকোন টাকা লাগেনা। ফাদার টাকা দিতে বাধ্য হয়েছে। কারণ ফাদারের কর্মস্থান গ্রামে। সেখান থেকে দ্বিতীয়বার আসাযাওয়া অনেক ব্যয়বহুল। ফলশ্রুতিতে, ৩০০ টাকা ঘুষ দিতে বাধ্য হয়েছ।
আমার পরিবার বিএনপি করে এই বলে টাকা দাবি।
বিদেশি ভিসা এপ্লিকেশন এর জন্য আমার জন্ম নিবন্ধন এর ইংরেজি অনুবাদ প্রয়োজন ছিল। প্রথমে সেখানে করতে গেলে আমার কাছ থেকে ২০০ টাকা দাবি করা হয়। বলা হয় এটা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের ফি। ২০০ টাকা আমি দেই। এরপর সাতদিন পর জন্ম নিবন্ধন আনতে গেলে আমাকে বলা হয় যে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় জন্ম নিবন্ধনকে আটকা আছে। ছাড়াতে হলে আরো ৫০০ টাকা লাগবে। আমি প্রত্যাখ্যান করে জন্ম নিবন্ধন টা না নেই। এবং খুলনা সিটি কর্পোরেশন এবং জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে একটি কমপ্লেইন ইমেইল লিখি। পরবর্তীতে আমাকে ওয়ার্ড অফিস থেকে ফোন করা হয় এবং বিস্তারিত নেওয়া হয় এবং ধমকানো স্বরে জানানো হয় যে জন্ম নিবন্ধন নিয়ে আসার জন্য। দুইদিন পর আমাকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে ফোন করা হয়। জানানো হয় যিনি টাকা চেয়েছিলেন তিনি পলাতক।
অভিযোগের বিবরণ: আমি বিদেশে যাওয়ার উদ্দেশ্যে পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় যাই। পুলিশ ভেরিফিকেশনের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা/পুলিশ সদস্য আমার কাছে ১,০০০ টাকা ঘুষ দাবি করেন। আমি ঘুষ দিতে অস্বীকৃতি জানালে তিনি আমার সঙ্গে রাগারাগি করেন এবং আমাকে ভয় দেখিয়ে বলেন যে, টাকা না দিলে আমার পুলিশ ভেরিফিকেশন সম্পন্ন হবে না এবং আমি বিদেশে যেতে পারব না। পরবর্তীতে বিদেশ যাওয়ার প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কায় এবং বাধ্য হয়ে আমি থানায় গিয়ে তাকে ৭০০ টাকা প্রদান করি। আমি কোনো অনৈতিক সুবিধা নেওয়ার জন্য টাকা দিইনি; বরং পুলিশ ভেরিফিকেশন সম্পন্ন করার জন্য চাপের মুখে বাধ্য হয়ে টাকা দিতে হয়েছে। রাজবাড়ী সদর থানা
আমি ঢাকা ওয়াসার মডস জোন-৮ এর অধীন মধ্যবাড্ডা থেকে বলছি। প্রতিমাসে ঢাকা ওয়াসার বিলিং সহকারীকে ২০০০/- ঘুষ দিতে হচ্ছে। তারা পানির মিটার দেখে বিল করে না। টাকা দিলে বিল কমিয়ে দেয়। তাদের নিজস্ব মিস্ত্রি দিয়ে পানির মিটারের রিডিং ও টেম্পারিং করে। ঘুষ না দিলে ইচ্ছামত বিল বানিয়ে দিতে বাধ্য করে। না হলে লাইন কেটে দেয়ার হুমকি দেয়। এর সাথে ঢাকা ওয়াসার ম্যাক্সিমাম সাধারণ বিলিং সহকারী জড়িত।
বিসিএস থেকে নন ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত সকল প্রার্থীদের কাছে থেকে সারা বাংলাদেশে ন্যূনতম ২০০০ থেকে ৫০০০ টাকা পর্যন্ত ঘুষ নিচ্ছে ডিএসবি অফিসগুলো। সে হিসেবে ৪০০০ প্রার্থী যদি ৩০০০ টাকা করেও দেন তবে মোট ঘুষের পরিমান হয় ১২০০০০০০ (এক কোটি ২০ লাখ টাকা)। চাকুরীর শুরুতেই মেধাবী এই প্রার্থীদের থেকে ঘুষ নিয়ে ডিমোরালাইজড করার দায়ভার কি রাষ্ট্র এরিয়ে যেতে পারে?
২০১৮ সালে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে আমার জব হয়।কিন্ত একাডেমিক সার্টিফিকেটে নামের সামনে মোঃ ছিলোনা।কিন্তু ভোটার আইডিতে মোঃ ছিলো।প্রতিষ্ঠানটির HRD থেকে আমাকে বলা হয় যতদিন ভোটার আইডিটা সংশোধন করতে পারবেন না, ততদিন বেতন পাবেন না। এরপর নির্বাচন অফিস ও অনলাইনে আাবেদন করি।একে একে চার মাস চলে গেলো কোন কাজ আর হচ্ছে না।চাকরি করতাম রংপুরের পীরগাছা, ভোটার বোদা,পঞ্চগড়ে।এই দুই জায়গার নির্বাচন অফিসে অনেকে কান্নাকাটি করলাম কোন কাজ হচ্ছে না।শেষে গেলাম প্রধান নির্বাচন কমিশনের কার্যলয়,আগারগাঁও, ঢাকায়।একে একে তিনদিন চলে যায়।পুরুষ মহিলা লাইনের পর লাইন।কারো নামের বানান ভুল। কেউবা বয়স কমাতে আসছে।লাইন আর শে্য হয়না। লাইন শেষ হলে পরে তখন বলছে সার্ভার বিজি।এদিকে পরপর তিনদিন হোটেলে থাকা খাওয়াতো আছে।শেষে টাকা ফুরিয়ে আসে