বৈদ্যুতিক খুঁটিসহ সংযোগ
বৈদ্যুতিক খুঁটিসহ সংযোগ দেওয়ার জন্য সরকারি ফি জমা দেওয়ার পরও আরও ৫০০০০ হাজার টাকা ঘুষ চায়, ঠিকাদার ও বিদ্যুৎ আফিসের এক কর্মকর্তা, আমার সংযোগটি জরুরি হওয়ায় বাধ্য হয়ে টাকা টা দিতে হয়েছে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৮৮৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
বৈদ্যুতিক খুঁটিসহ সংযোগ দেওয়ার জন্য সরকারি ফি জমা দেওয়ার পরও আরও ৫০০০০ হাজার টাকা ঘুষ চায়, ঠিকাদার ও বিদ্যুৎ আফিসের এক কর্মকর্তা, আমার সংযোগটি জরুরি হওয়ায় বাধ্য হয়ে টাকা টা দিতে হয়েছে।
আমার ভোটার আইডিতে নামের ভুল আছে নির্বাচন অফিস এ যাওয়ার পরে বলল হবে না, ওইখানে অফিসের পিয়ন বলল ২০ হাজার টাকা দিলে করানো যাবে। আমি বললাম তাহলে আমার সংশোধন করানো লাগবে না।
অনলাইনে ৩ বার আবেদন করার পরে দালাল ছাড়া যাওয়াতে ফিরিয়ে দিছে এখন ৪ ৫ মাস ইচ্ছে করে পেন্ডিং রাখছে।
ধামসোনা ইউনিয়ন পরিষদে ট্রেড লাইসেন্স করতে গেলে সচিবের আলাদা লোক আছে সে, এই টাকা দাবি করতে থাকে। সে ধরা বাইরে থাকে সচিব
২০১৯ সালে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সিপাহি পদে নিয়োগ হয়। আমি আবেদন করি, এক পর্যায়ে এই প্রতারক আমাকে এবং আমার পরিবার চাকরি দেওয়ার কথা জানায় আর ৩ লক্ষ টাকা নেই। আমরা ও এটা বিশ্বাস করেছি কেননা তিনি বাংলাদেশের উর্ধতন কর্মকর্তা আপন ভাই।যাই হোক চাকরি তো হলোনা টাকাও আর ফেরট পেলাম না।প্রতারকের দেওয়া কিছু ডকুমেন্ট আছে,তবে আমরা কাজে লাগাতে পারিনি কেননা তিনি অনেক বড় ধরনের লোক আর আমরা তো সামান্য কি আর করা আল্লাহ তাআলা সঠিক বিচারক।
বিমান বাহিনীর বেসামরিক অফিস সহকারী কাম -কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক পদে ২০১৫ সালে ভাইবাতে দাবি করে, ভাইবা শেষে পিয়নকে পিছু পিছু পাঠায়, আমি পিয়নকেও না করে দিই।
আমার পরিচয় ভেরিফাই এর জন্য কোর্ট থেকে থানায় একটি কাগজ পাঠানো হয়, পুলিশ ভেরিফাই এর জন্য আমাকে থানায় ডাকে এবং কাগজটি অনুমোদন দেওয়ার জন্য নাস্তা খরচ হিসেবে ১০ টাকা দাবি করে, পরবর্তীতে আমি সেটা পরিশোধ করি
গত 5 আগস্ট 2024 এর ভুয়া মামলা, বাদীর নোটারি হলোফনামা আছে, কিন্তু police একসেপ্ট করে না, পরে থানা inquiry করে কোন অপরাধ পাই নাই, কিন্তু নতুন ওসি এসে বাসায় রাত দিন শুধু হয়রানি, এর পর দাবি 10লক্ষ পরে 3লক্ষে রাজি হয়। কিন্তু আমি প্রত্যাখান করি। অনেকদিন পলাতক ছিলাম। কেন চার্জশিট দিচ্চে না। আইন এই বিষয়ে কোন সাহায্য করছে না। কোন অপরাধে, এক তিল পরিমান ও রাজনীতির সাথে যুক্ত ছিলাম না। তাও কেন আমাদের জীবন নস্ট করছে। বাংলাদেশে জন্ম নিয়েছি বলে। তারেক সাহেব কি করছে, আপনার plan কি আমাদের জুলিয়ে রাখা। আল্লাহ যে একজন আছেন পুরো রাষ্ট্রযন্ত্রের হয়েনারা কেন যে থা ভুলে যায়। আপনারা আমাদের জন্যে আওয়াজ তুলুন, বদির সরকারের জন্যে। কান্না শোনার দায়িত্বে যারা আছে police-আইন তারা হল প্রদান কসাই, ঘুষ ছাড়া কিছুই বোঝে না ।
আমি বিদেশ যাওয়ার জন্য পাসপোর্ট বানাবো তাই পুলিশ ক্লিয়ারেন্স বানানোর জন্য পুলিশ সুপার বা উর্ধতন কর্মকর্তার বলা যায় সম্মতি লাগে তাই আমি ফাইলগুলো জমা দিতে গিয়ে পুলিশের সাথে সাক্ষাৎ করার সময় সে আমার কাছে স্পষ্টভাবে ঘুস দাবি করেছে। পরে আমাকে কথা কাটাকাটির এক পর্যায় বাধ্য হয়ে ৫০০ টাকা। আমি তো তাও ৫০০ টাকার উপর দিয়ে পার পেয়ে গেছি কেউ আছে ১৫০০ বা ২০০০ দিয়েও পার পাইনি।
না না অযুহাতে তিতাস গ্যাসের যার খুলে নিয়ে গিয়েছিল। টাকা পরিশোধ করার পর আবার ভাইজান লাগিয়ে দিয়ে গেছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী উপ সহকারী প্রকৌশলীর মাধ্যমে প্রতি বিলের ২% টাকা দাবি করে। (উক্ত কমিশন কনস্ট্রাকশন কোম্পানিগুলোতে PC হিসেবে পরিচিত।এটা সারা বাংলাদেশের BWDB & LGED তে না দিলে কাজও দেয় না বিলও আটকে রাখে।)
নামের পূর্বে ছিলো,, মোঃ যা করা হয়ছে মোহাম্মদ। বয়সে মাসের জায়গায় jun নয়, হয়ছে jan
আমি একজন চায়নিজ গার্মেন্টস ব্যাবসায়ী কে বাংলা দেশে গার্মেন্ট ব্যবসার জন্য আনি ।তারা অনেক কাজ আইনজীবী মাধ্যমে সম্পন্ন করে। কিছু কাজ করতে তারা লোকাল মানুষের সাহায্য নেন।এই লোকাল মানুষের সাহায্য নিতে তারা কৌশলে চাঁদাবাজি শিকার হন।6000স্কায়ার ফিট এর একটি ফায়ার লাইসেন্স করতে কম্পানির কাছ থেকে 160000 টাকা নেন। এটি আমাদের দেশের জন্য ভাবমূর্তি নষ্টের কারণ । বিদেশীরা আমাদেরকে বলে তোমরা চোর। তোমাদের দপ্তর গুলো চোর। তোমাদের এলাকার লোকগুলা চাঁদাবাজ। আমার এই রিপোর্টটি আপনারা গুরুত্বের সাথে প্রচার করবেন। বিদেশীরা আমাদের দেশে ব্যবসা করতে এসে আমাদের দেশে কিছু চাঁদাবাজার কারণে তারা ব্যবসা করতে অনিয়া প্রকাশ করি।
আমার এইচএসসি এর রেজিষ্ট্রেশন কার্ড হারিয়ে যাওয়ার কারণে, জিডি করতে হয়েছিলো। তো থানার পুলিশ, সরাসরি চা পানির কথা বলে টাকা চেয়েছিলো।।
আমার সাথে অনেক কথা কাটাকাটি হয় তারপর ও টাকা দিয়ে ভোটার আইডি কার্ডে বানাতে হয় তাহলে কিছুই করার ছিল না
ট্রেনে টিকেট না কেটে খাবারের বগিতে সিলেট টু আখাউড়া ৩০০ টাকা করে দেওয়ার জন্য, আমরা ৩ জন ছিলাম।
বিদেশে যাওয়ার জন্য তিন লক্ষ টাকা লোন এর আবেদন করে ছিলাম,প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্র জমা দেওয়ার পরও একমাস হয়রানি করার পর বলে বিশ হাজার টাকা দিলে তিন দিনের মধ্যে লোন পাওয়া যাবে, আমি বিনয়ের সাথে বলি পনের হাজার দেবো, রাজি হয়, পরের দিন টাকা নিয়ে যাবো বলে বেরিয়ে এসেছি,আর যাইনি,
আমি প্রবাসী। সদর থানায় পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর জন্য গেলে থানায় আমার কাছ থেকে ১৫০০ টাকা চাওয়া হয়। আমি যেহেতু বিদেশ যাবো । তাই ঘুষ দিতে বাধ্য হয়েছি।
Nana Mara jawar por , Nanur name pantion transfer Korarr jonnow khush chichilo Bangladesh railway, chattogram
আমার অভিযোগ বেসরকারি পর্যায়ের একজন নিয়ম করদাতা। আমার উপজেলা এলাকা অনুযায়ী বাৎসরিক ন্যূনতম কর ৩,০০০ টাকা হওয়া সত্ত্বেও, আমার রিটার্ন দাখিলকারী আইনজীবী মিথ্যা তথ্য দিয়ে দাবি করেন যে সরকারি কর ৫,০০০ টাকা এবং ফিসহ ৬,০০০ টাকা দিতে হবে। তাঁর ওপর সরল বিশ্বাস রেখে আমি বিগত দুই বছরে মোট ১২,০০০ টাকা প্রদান করি। পরবর্তীতে তিনি আমাকে কোনো চালান বা প্রাপ্তিস্বীকারপত্র না দিয়ে কেবল একটি কর সার্টিফিকেট দেন। এতে সন্দেহ হওয়ায় আমি অনলাইনে সরকারি ট্যাক্স স্টেটমেন্ট যাচাই করে দেখি যে প্রতি বছর প্রকৃতপক্ষে মাত্র ৩,০০০ টাকা জমা হয়েছে। অর্থাৎ, সরকারি করের ভুল হিসাব দেখিয়ে তিনি আমার সরল বিশ্বাসের সুযোগ নিয়ে প্রতারণামূলকভাবে বাকি অতিরিক্ত অর্থ আত্মসাৎ করেছেন এবং বিষয়টি গোপন রাখতে প্রকৃত জমার স্লিপ আটকে রেখেছিলেন।