নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২২ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
২০১৮ সালে একটি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ছিল midwife সে পরীক্ষা ২০২১ সালে হয় এবং ২১ সালের নিয়োগ হয় সেখানে ১৮৪৭ জন নিয়োগের জায়গায় ১৪০্১ একজন নিয়োগ হয় সরাসরি সেখানে শুধু পরীক্ষা হয় কোনটাই হয় না করোনা মহামারী কারণে তখন মোটামুটি ২২৪৬ জন সেখানে তারা পিলি পরীক্ষা উত্তীর্ণ হয়, সেখানে ১৮৪৭ জন নিয়োগ হবে হবে মোটামুটি সবাই শিওর ছিল তাদের সরকার চাকরিটা হয়ে যাবে কিন্তু দুর্নীতি কারণে ঘুষ লেনদেনের কারণে , তারা জরুরী ভিত্তিতে বিপিএস ৫ পেপার সহ সকল সার্টিফিকেট এবং জরির কাগজপত্র সনদ ফার্স্ট ক্লাস অফিস জমা দিতে বলেন তখন করোনা কারণে কোন গাড়ি-ঘোড়া চলতেছিল না সবাই প্রাইভেটকার সিএনজির হিসাব নিয়ে ঢাকায় এসে কাগজপত্র জমা দেয় কিন্তু তারা কাগজপত্র জমা দেওয়ার তিন দিনে মাথায় ফাইনাল শিট রেজাল্ট দিয়ে
আনুমানিক ২০২২-২০২৩ সালের দিকে সরকার পক্ষ থেকে শিক্ষথীদের ইউনিক আইডি দেয়ার উদ্যোগ নিয়ে ছিল যার কারণে সকল শিক্ষথীদের জন্মনিবন্ধন অনলাইন করাতে হয়ে ছিল। আর এই প্রক্রিয়ার করতে গিয়ে আমি সহ আমার মোট ০৪ ভাই -বোন দের জন্য ৫০০ টাকা করে মোট ২০০০ টাকা এবং পরবর্তীতে একটি সংশোধন এর জন্য আরো ২০০ টাকা মোট ২২০০ টাকা নিয়েছে। তা ছাড়া নতুন জন্ম নিবন্ধনের সরকারি ফি ৫০ টাকা হলেও ২০০-৫০০ টাকা পর্যন্ত আদায় করে থাকে।
মূত্য সনদ তুলতে ২০০০ টাকা চায় মেম্বার
আমরা ভূমিহীন হওয়ায় বন বিভাগের জায়গাতে বসতি তৈরি করি,বন বিভাগের তারা ১০০০০ টাকায় মৌখিক সম্মতি দেয়, পরবতীতে আমি জানতে পারি এটা বৈধ নয়। ১বছর পরে বন বিভাগের লোক এসে আবার ৫০০০টাকা দাবি করে আমি টাকা দিতে অস্বীকার করি,এবং তাদের কে বলি আপনারা যা করছেন তা আইনের বিরুদ্ধে, আমি টাকা না দেওয়ায় রেঞ্জ অফিসার বাদি হয়ে আমার জন্য বন থেকে গাছ কাটার মামলা করে মামলাটি এখনো চলমান
টিটসি ময়মনসিংহ আগামি মটোর ড্রাইভিং কোর্সের আবেদন এ-র জন্য ফর্ম তুলার সময় সবার কাছ থেকে ১০ টাকা করে নিচ্ছিলো
আমি সৌদি আরবে আসার জন্য পুলিশ ভেরিফিকেশন এর জন্য সরকারি ফি দিয়ে অনলাইনে আবেদন করি, তারপর থানা থেকে একজন ফোন দিয়ে আমার কাছে ২০০০ টাকা দাবি করে প্রথমে আমারে টাকা দিতে আপত্তি জানাই তার পর তারা বলে যে টাকা না দিলে ভেরিফিকেশন খারাপ রিপোর্ট দিবে, যদিও আমাদের নামে থানায় অথবা অন্য কোথাও কোন প্রকারের অভিযোগ ছিল না, তারপর নেগোসিয়েশনে করে পনেরশো টাকা দিয়ে ভেরিফিকেশনটি নিয়ে আসতে হয়
বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে এমপিও করার জন্য ৫০০০০ টাকা ঘুষ চেয়েছিল
আমি ঘুষের টাকা না দেওয়ার কারনে আমার নকলটি এখনও সরবারহ করে নাই।আমি নকল আনিতে গেলে সে আৃার কাছে ২০০০ টাকা ঘুষ দাবী করিতেছে।
গাজীপুর জেলার শ্রীপুর থানার শ্রীপুর পৌরসভা কার্যালয়ে জন্ম সনদ সংশোধনের জন্য গেলে একজন কর্মকর্তা বলেন যে তাকে টাকা দিলে সে আর্জেন্ট কাজটা করে দিবেন দুই দিনের ভেতরে। আর টাকা না দিলে মাসের পর মাস ঘুরতে হবে অফিসে এবং আমি ঘুস দেয়নি স্বাভাবিক ভাবেই জমা দিয়েছি আজ একমাস হলো এখনও কাজটি হয়নি।
আমার পাসপোর্ট পুলিশ ভেরিফাই করার জন্য পুলিশ আমার কাছে ৩০০০ টাকা দাবি করে। আমার সব কাগজ পত্র ক্লিয়ার এবং আমার নামে কোনো মামলা নাই, তারপর ও তিনি আমার থেকে টাকা দাবি করে। আমি যখন দিব না বলছিলাম তখন আমাকে ওল্টা দমক দেয় যে, আমার পাসপোর্ট ভেরিফাই করবে না, লেইট করবে। আমি বাধ্য হয়ে দাম দর করে ১৫০০ টাকা দিয়ে পাসপোর্ট ভেরিফাই করালাম।
আমি ফ্যামিলি কাড তথ্য সংগ্রহ কারি হিসাবে আবেদন কারি পরিক্ষা দেই সব কিচু অনেক ভালো হয়েছিলো। তার পর স্থানিয় বি.এম.পির নেতা বাড়িতে এসে বলে যদি তথ্য সংগ্রহ কারি হতে চাই তাহলে তাকে ২০০০০ টাকা দিতে হবে না হলে জিবনে হবেনা। আমার থেকে অনেক খারাপ স্টুডেন্ট এর হল আমার হলো না। এমন কি যারা পরিক্ষা দেয় নাই তাদের ও হলো। যদি চাকরি এমনি হয় তাহলে এত নাটকের কিছু ছিলো না
রাস্তা ঢালাই হলে তাকে ২০০ টাকা দিতেই হবে।
Cantt Board people didn't issue completion certificate for getting gate pass
জনৈক ব্যক্তি আমাদের জমীতে ভূয়া ওয়ারিশ দাবি করে তাই আমাদের একটা মৃত্যু সনদের প্রয়োজন পরে, যখন পরিষদ কর্তৃপক্ষ বলে অন্য পক্ষ ২০,০০০৳ দিতে প্রস্তুত আপনারা কত দিবেন? তখন ১২০০০৳ দিতে হয় তারপরও ----
বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন এর বর্তমান নিয়োগ পরীক্ষায় উত্তির্ন হওয়ার জন্য ঘুষ দিয়ে শতকরা ৯০% চাকরি প্রত্যাশি টাকার বিনিময়ে চাকরি নিচ্ছে।বিষয় টি ক্ষতিয়ে দেখার বিনিত অনুরোধ রইলো।
আমি একটা মামলা খেয়ে গ্রেফতার হই। পরে হাইকোর্ট থেকে জামিন করাতে গেলে কোর্টে চার্জশিট বা জবানবন্দির মূলকপি চায়। কিন্তু আমাকে গ্রেফতার করা এসআই চার্জশিট আটকে দেয়। এবং আমার জামিন হতে দুই মাস দেরি হয়। তারপর টাকা দিয়ে চার্জশিট ছাড়িয়ে জাবিনে বের হই।
বয়লার সার্ভিস ও রিপেয়ার প্রতিষ্ঠান এনলিস্টমেন্ট সংক্রান্ত অভিযোগ ও ঘটনা প্রতিবেদন বিষয়: বয়লার সার্ভিস ও রিপেয়ার প্রতিষ্ঠানের এনলিস্টমেন্ট প্রক্রিয়ায় সরকারি নির্ধারিত ফি-এর অতিরিক্ত অর্থ দাবি করার অভিযোগ। ১. পটভূমি আমি একটি বয়লার সার্ভিস ও রিপেয়ার প্রতিষ্ঠানের মালিক। দীর্ঘদিন ধরে আমাদের প্রতিষ্ঠান শিল্পকারখানায় বয়লার সার্ভিসিং, মেরামত, রক্ষণাবেক্ষণ এবং সংশ্লিষ্ট কারিগরি সেবা প্রদান করে আসছে। গত প্রায় দুই বছর ধরে বয়লার সংক্রান্ত কাজের ক্ষেত্রে একটি নতুন নিয়ম/প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হচ্ছে, যার আওতায় বয়লার সার্ভিস ও রিপেয়ার কাজে নিয়োজিত প্রতিষ্ঠানগুলোকে সংশ্লিষ্ট বয়লার অফিসে Supplier/Service Provider হিসেবে Enlisted হতে হয়। বয়লার অফিসের ওয়েবসাইট boiler.gov.bd-এ নির্দিষ্ট সময়ের জন্য অনুমোদিত/এন
এখানে প্রতিটি সেনা সদস্যকে পেনশন আসার সময় চা মিস্টি খাবার জন্য ৬০০০০ থেকে ১৫০০০০ টাকা পর্যন্ত টাকা দাবি করে।যা বিভিন্ন র্যাংকের উপর নির্ধারণ করে থাকে।,না হলে পেনশন জড়িত অনেক হেনস্তার শিকার হতে হয়।এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার মত সৎ সাহস কাররই হয় না।
প্রবাসীদের থেকে অতিরিক্ত টাকা নিয়ে নিচ্ছে কিছু দালাল চক্র। তাঁরা ফিঙ্গার প্রিন্ট অফিসের নিছেই মানুষের সাথে এই জালিয়াতি করছে। দেখার মতো কেও নেই। মোটামটি সব প্রবাসী এটার ভুক্তভুগী । তাঁরা প্রবাসীদের থেকে ৬০০ টাকা থেকে ১৫০০+ টাকা হাতিয়ে নেয়
বহুতল ভবনের অনুমতি নেওয়ার জন্য অফিস খরচ বাবদ নিচ্ছে। আমাদের দ্রুত অনুমোদন দরকার। টাকা না দিলে ফাইল পরে থাকবে। অনেক দিন লেগে যাবে। তাই বাধ্য হয়ে টাকা টা দিলাম। আগে এক লাখের উপর দাবি করতো এখন ষাট হাজারে রাজি। এ মুহূর্তে ৩০ হাজার অগ্রীম দিয়েছি।