থানা পুলিশ
একটা জমির মামলার রায়ের বিরুদ্ধে জমি দখল ও পরবর্তীতে মাজিস্ট্রেট এর আদেশে উক্ত জমি উদ্ধার করতে গেলে থানার একজন ঘুষ দাবি করে।।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৮৮৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
একটা জমির মামলার রায়ের বিরুদ্ধে জমি দখল ও পরবর্তীতে মাজিস্ট্রেট এর আদেশে উক্ত জমি উদ্ধার করতে গেলে থানার একজন ঘুষ দাবি করে।।
আমাকে বললো আপনি আমারে দশ লক্ষ টাকা দিবেন আর আপনি শুধু পরিক্ষার সময় উপস্থিত হবেন। আপনি শুধু নাম আর রোলটা লিখবেন।আর কিছুর প্রয়োজন হবে না টাকা দিবেন দশ লক্ষ। এখন দিবেন ৫০% বাকিটা জয়েন করার পরে। আমি দেইনি।
বিআইডব্লিউটিএ এর নিয়োগ পরীক্ষায় টাকার বিনিময়ে চাকরির দেওয়ার প্রক্রিয়া চলতেছে।
আমি ঢাকা টু কুমিল্লা টিকিট ক্রয় করে, ভৈরব থেকে লাকসাম গিয়ে নামি। এখানে আমার কুমিল্লা থেকে লাকসাম পর্যন্ত টিকিট ছাড়া ভ্রমণ করায় প্লাটফর্মে টিটি চেক করে জরিমানার হুমকি দিয়ে কিছু টাকা দিতে বললে আমার কাছে থাকা ৪০ টাকা দিলে আমাকে ছেড়ে দেয়।
অভিযোগের বিষয়: BMAT প্রশিক্ষণের সার্টিফিকেট প্রদানের জন্য অতিরিক্ত টাকা দাবি আমি সৌদি আরব যাওয়ার উদ্দেশ্যে BMAT প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করেছি এবং প্রশিক্ষণটি সম্পন্ন করেছি। প্রশিক্ষণ শেষে নিয়ম অনুযায়ী সার্টিফিকেট পাওয়ার কথা থাকলেও বর্তমানে সার্টিফিকেট দেওয়ার জন্য আমার কাছে অতিরিক্ত ২,৫০০ টাকা দাবি করা হচ্ছে।
আমার জন্ম নির্বধন জন্ম তারিখ ঠিক করতে গেচি. তখন আমার থেকে ৬ হাজার টাকা নিয়ে তারপর ঠিক করে দিচে.
পাসপোর্ট ভেরিফেকিশন এর জন্য ডিবি কর্তৃক যে ভেরিফাই করার পুলিশ আসে ওনি ডিরেক্ট বলছে টাকা দিলে দ্রুত ভেরিফাই হয়ে যাবে আর দ্রুত পাসপোর্ট পেয়ে যাবেন। পরে আমার ১০০০ টাকা ঘুষ দিতে হইছে।
আমার মেয়ের প্রতিবন্ধী কার্ড করার জন্য যাই ফরম জমা দিতে গিয়ে ১০০০ টাকা নিয়েছে এবং পরবর্তীতে আবার ১০০০ টাকা চেয়েছে দেইনি বলে কার্ডটি এখনো হয়নি ।আমি একজন বেকার যুবক মেয়ের ঐষধ যোগাতে হিমসিম খেতে হয়। এক মাস থেকে ঘুরাচ্ছে আমাকে।।
প্রেমের বিয়া নিয়ে একটা মামলা হয় মূলত ছেলে ও মেয়ে উভয়ই পালিয়ে বিয়া করে এই বিষয় ছেলে বাবা মা কেউ জানতো না, পরে মেয়ে বাবা মামলা করে থানাই সেই পুলিশ সবাই কে মামলা ভয় দেখিয়ে টাকা আদাই করে, আপরাদ করছে এক জন, আর সে আপরাদ অন্য কে মামলা দিবে বলে টাকা নিয়ে নাওয়া হয়,বাংলাদেশ বড় দুনীতি হয় থানায়, বাংলাদেশ পুলিশ এতো খারাপ যাহ বলার বাহিরে,তাই আমি চাই পুলিশ নামক জাহেল তাদের কি বিচার করবে সরকার, এখন তো বর্তমানে অভিযোগ দিলো তাও বিপদ কার সত্য কথা দাম নাই, চুর চরি করবে ডাকাত ডাকাতি করবে ঘুষ খোর ঘুষ খাবে, কাউকে কিছু বলা যাবে না,
বরাবর, কর্তৃপক্ষ, ঘুষ সাইট। বিষয়: পুলিশ ভেরিফিকেশনে ঘুষ দাবির অভিযোগ। মহোদয়, আমি নিম্নস্বাক্ষরকারী, দেশের বাইরে আসার জন্য চাঁদপুর হাজীগঞ্জ থানায় পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য আবেদন করেছিলাম। কিন্তু, সবকিছু ঠিক থাকা সত্ত্বেও আমাকে প্রায় দুই মাস ঘোরানো হয় এবং শেষ পর্যন্ত তিনবারের সময় ঘুষ দাবি করা হয়। টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় আমার ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে যায়। পুনরায় নতুন ভিসা আসার পর, আমি ২,০০০ টাকা ঘুষ দিয়ে ভেরিফিকেশন সম্পন্ন করতে বাধ্য হই। অতএব, বিষয়টি সুবিবেচনার জন্য বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি।
আমার পরিবার বিএনপি করে এই বলে টাকা দাবি।
ফুলপুর উপজেলার বিপিডিবি সার্ভিসের কর্মকর্তারা বিশেষ করে অভিযোগ কক্ষের কর্মীরা (২ জন), আরই পদের দুইজন, কিছু লাইনম্যান কর্মীরা নতুন মিটার সংযোগ দিতে গেলে যেখানে মাত্র ১২৫০ টাকা সরকার মতে সরকারী নতুন বিদ্যুতিক মিটার সংযোগ দিতে প্রয়োজন। সেখানে কর্মকর্তারা ৩৫০০ টাকা,৪০০০ টাকা, ৫০০০ টাকা এমনকি ৬ হাজার পর্যন্ত টাকা দাবি করে। পরে এটি ৯৯৯ নম্বর জানানোর কথা বললে এটি ওরা বিভিন্ন তালবাহানা শুরু করে। যদিও একজন লাইনম্যানের মাধ্যমে ১৮০০ টাকায় মিটারটি উপজেলার ফুলপুর উপজেলায় আরই পরে এই নিয়ে কথা বললেন। বিপিডিবি নতুন বিদ্যুৎ মিটারের জন্য আমাকে ৩৫০ টাকা বেশি দিতে হয়। তবে লাইনম্যানকে ৫০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়।
আমি টাংগাঈল ডিস্ট্রিকের মির্জাপুর থানার বাঁশতৈল ইউনিয়ন পরিষদে গত সপ্তাহে একটি ওয়ারিশ সনদ তুলতে যায় এবং কম্পিউটার অপারেটরের কাছ থেকে সনদটি সংগ্রহ করে চেয়ারম্যানের কাছ থেকে স্বাক্ষর নিই।এতে করে আমার কাছে থেকে 300/টাকা নেওয়া হয়।পরবর্তীতে আমি ইন্টারনেট ঘেঁটে দেখতে পাই যে,এই ফি মাত্র 50-100/বেশী নয়।বাকি টাকা আমার কাছে থেকে আমার অজান্তেই ঘুষ হিসেবে নিয়ে নিয়েছে।ইউনিয়নের সচীব অবশ্য আমায় জিজ্ঞেস করেছিল ফি কত দিয়েছেন।আমি বলেছি 300/,এটি শোনে তিনিও আর কিছুই বললেন না।আর আমি সনদটি নিয়ে চলে আসি।এভাবেই দেশের রন্ধ্রে রন্ধ্রে ঘুষের সিন্ডিকেট লুকিয়ে আছে।তবে কি এই দেশ দুর্নীতির কাছেই হেঁড়ে যাবে??
আমি ঢাকা ওয়াসার মডস জোন-৮ এর অধীন মধ্যবাড্ডা থেকে বলছি। প্রতিমাসে ঢাকা ওয়াসার বিলিং সহকারীকে ২০০০/- ঘুষ দিতে হচ্ছে। তারা পানির মিটার দেখে বিল করে না। টাকা দিলে বিল কমিয়ে দেয়। তাদের নিজস্ব মিস্ত্রি দিয়ে পানির মিটারের রিডিং ও টেম্পারিং করে। ঘুষ না দিলে ইচ্ছামত বিল বানিয়ে দিতে বাধ্য করে। না হলে লাইন কেটে দেয়ার হুমকি দেয়। এর সাথে ঢাকা ওয়াসার ম্যাক্সিমাম সাধারণ বিলিং সহকারী জড়িত।
বিদেশি ভিসা এপ্লিকেশন এর জন্য আমার জন্ম নিবন্ধন এর ইংরেজি অনুবাদ প্রয়োজন ছিল। প্রথমে সেখানে করতে গেলে আমার কাছ থেকে ২০০ টাকা দাবি করা হয়। বলা হয় এটা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের ফি। ২০০ টাকা আমি দেই। এরপর সাতদিন পর জন্ম নিবন্ধন আনতে গেলে আমাকে বলা হয় যে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় জন্ম নিবন্ধনকে আটকা আছে। ছাড়াতে হলে আরো ৫০০ টাকা লাগবে। আমি প্রত্যাখ্যান করে জন্ম নিবন্ধন টা না নেই। এবং খুলনা সিটি কর্পোরেশন এবং জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে একটি কমপ্লেইন ইমেইল লিখি। পরবর্তীতে আমাকে ওয়ার্ড অফিস থেকে ফোন করা হয় এবং বিস্তারিত নেওয়া হয় এবং ধমকানো স্বরে জানানো হয় যে জন্ম নিবন্ধন নিয়ে আসার জন্য। দুইদিন পর আমাকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে ফোন করা হয়। জানানো হয় যিনি টাকা চেয়েছিলেন তিনি পলাতক।
আমার আইডি কার্ড এবং পাসপোর্ট এ জন্ম তারিখ পরিবর্তন প্রসঙ্গে।এ কাজ করতে 120000 টাকা চাওয়া হয়। পরে আমি রাজি না হওয়ায় কাজটি ঐ ভাবে পরে আছে।
Ami rajshahi clg e change paichi ejnne ami talondo clg chere rajshahi clg e vorti howar jnne tader kache theke kagoj newar jnne amar theke taka dabi kore abong taka niyeche
বিসিএস থেকে নন ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত সকল প্রার্থীদের কাছে থেকে সারা বাংলাদেশে ন্যূনতম ২০০০ থেকে ৫০০০ টাকা পর্যন্ত ঘুষ নিচ্ছে ডিএসবি অফিসগুলো। সে হিসেবে ৪০০০ প্রার্থী যদি ৩০০০ টাকা করেও দেন তবে মোট ঘুষের পরিমান হয় ১২০০০০০০ (এক কোটি ২০ লাখ টাকা)। চাকুরীর শুরুতেই মেধাবী এই প্রার্থীদের থেকে ঘুষ নিয়ে ডিমোরালাইজড করার দায়ভার কি রাষ্ট্র এরিয়ে যেতে পারে?
জাতীয় পরিচয় পত্রের নাম সংশোধন ও জন্ম তারিখ ভুলের কারণে প্রতি বছরের জন্য ৫০০০/- ধার্য করেন তারা এবং তাই না কিছু বললে তারা কাজ হোল্ড করে দেয় চরম ভোগান্তিতে পরে নিরুপায় হয়ে দ্রুত কাজটি সমাধানের জন্য টাকাটি দিতে হয়।
আমি ন্যাশনাল আইডি কার্ড বানাতে গিয়েছিলাম ফরিদপুর জেলার বোয়ালমারী থানার নির্বাচন কমিশন অফিসে। সেখানে আইডি কার্ড বানাতে গিয়ে ৩ মাস ঘুরেছি। পরে ১০,০০০ টাকা দাবি করলে ৭,০০০ টাকা দেই, টাকা দেয়ার ১ সপ্তাহের ভেতর আইডি কার্ড হয়ে গেছে