জমির কাগজপত্র তৈরি
উকিল আর মহুরি মিলে ভুয়া জমি আমাদের নামে নকল দলিল করে দেওয়ার জন্য টাকা চেয়ে প্রস্তাব করেছে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৮৮৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
উকিল আর মহুরি মিলে ভুয়া জমি আমাদের নামে নকল দলিল করে দেওয়ার জন্য টাকা চেয়ে প্রস্তাব করেছে।
একটি এনজিও এর নাম ও গঠনতন্ত্র পরিবর্তন করে দিবে ৭ দিনের মধ্যে। এই জন্য সরাসরি ৪০,০০০ টাকা ঘূষ দাবি করেন। নতুবা হবে না। তাই টাকা দিয়ে কাজটা করি। সময়মত কাজ হয়েছে।
বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন BADC তে টেন্ডার পাওয়ার পর বিল নেওয়ার আগে প্রকৌশলীদেরকে ৫০ হাজার টাকা ঘুষ প্রদান করতে হয়েছে, ৯০% প্রকৌশল ডিপাটমেন্টে প্রকাশ্য ঘুষ লেনদেন চলছে
ফায়ার লাইসেন্স করে দেওয়ার জন্য কর্মকর্তা ২০ হাজার টাকা নিয়েছে
রংপুর ফায়ার সার্ভিস অফিসে ফায়ার লাইসেন্স নবায়ন করতে গেলে ১৫,০০০ টাকা চায়। যার জন্য আমি এখন পর্যন্ত তা নবায়ন করতে পারছি না। আশা করছি যথাযথ কর্তৃপক্ষ দ্রুততম সময়ের মধ্যে মধ্যে ব্যবস্থা গ্রহন করবেন। যাতে কোন প্রকার ঘুষ ছাড়া আমার ফায়ার লাইসেন্স নবায়ন করতে পারি।
এটা একটা ডেন্টাল কলেজের কাহিনী আমি সেখানে অডিট করতাম। সেখানে দেখি মিছিলিনিয়াস নামে একটা খরচের হেড আছে। আমি বললাম খরচ টা কিসের আমাকে ওখানকার একজন বয়স্ক জগন্নাথ ইউনিভার্সিটির শিক্ষক এবং ওই প্রতিষ্ঠানের একাউন্টিং কনসালটেন্ট উত্তর দিল এমন যে আমার জীবনে আমি শিক্ষক হয়ে আমার ছাত্র যে কিনা রাজুকে চাকরি করে তাকে ঘুষ দিলাম। এবং কাঁদতে কাঁদতে ওই স্যার আমাকে বলল তার ছাত্র নাকি তাকে বলেছে স্যার শুধু আপনি বলে এই টাকাটা ২৪০০০০০ ভিতর সীমাবদ্ধ থাকলো। আপনার জায়গায় অন্য কেউ হইলে এত কমে কেউ করাইতে পারতো না।
তারা জরুরীভাবে করে দিবে,বিভিন্ন কাগজ চেয়ে হয়রানি করে লোকটি মধ্য বয়স্ক
টি সি বি লাইসেন্স ইনকুরিতে আসার জন্য ৩০ হাজার করে খোশ দাবি
আমি আমার ফুফুর চেক হারানোর ফলে আমি ত্রিশাল থানায় একটা জিডি করতে যাই।জিডি শেষে সেখানের কর্মকর্তা আমার কাছে ২০০ টাকা ঘুষ দাবি করে পরবর্তীতে আমি তা দিতে না চাইলে সে বলে সে আমাকে জিডির কপি দিবেনা।যেহেতু আমার ফুফু বুড়ো মানুষ তাই তাকে নিয়ে আরেকদিন সেখানে আসা সম্ভব ছিলোনা তাই বাধ্য হয়ে ১০০ টাকা ঘুষ দিয়ে আমাকে কাজটি করাতে হয়
আমি আমার ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করতে গিয়েছিলাম। এর জন্য অনেক কাগজপাতি ও বিভিন্ন দপ্তরে স্বাক্ষর নেওয়ার কথা বলা হয়েছিল এবং নানা জটিলতা দেখানো হয়েছিল। কিন্তু টাকা দেওয়ার পরেই সব ঠান্ডা হয়ে গেল! সহকারী লাইসেন্স পরিদর্শক টাকা নিলেন এবং মাত্র ২ দিনেই কাগজ হয়ে গেল। এখন প্রতিবছর শুধু তাকে ফোন করে টাকা দিলেই কাজ হয়ে যায়।
নাটোর জেলার, সিংড়া উপজেলার, কলম ইউনিয়নের প্যানেল চেয়াম্যান ও মহিলা মেম্বার মিলে প্রতিবন্ধি নয় এমন অনেক মানুষকে টাকার বিনিমইয়ে কার্ড করে দিছে। বিধবা ভাতার কার্ড করে দিতেও অনেক টাকা নেয়।
আমি কোর্টে একজন নিরপরাধ ব্যক্তির জামিনের ব্যাপারে বলেছিলাম।ওরা প্রথম তারিখে টাকা না দেওয়ায় জামিন হয়নাই ।পরে একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা চাইলো। দিলে জামিন হয়ে গেলো।
আমাকে আইডি কার্ড করে দিবে, এবং করে ও দিয়েছে। আমার কাছ থেকে ৭০০০ হাজার টাকা নিয়েছে।
আমি আমার পাসপোর্ট ভেরিফিকেশন জন্য মিরসরাই থানা যায় আমার সকল কাগজ পত্র ওকে থাকার পর ও আমার কাছে ১হাজার ঘুষ চাওয়া তখন রোজা ছিল আমি স্টুডেন্ট মানুষ কিছু কম রেখে ৫০০টাকা নেওয়া হয়। এই টাকা না দিলে ভেরিফিকেশন ফেল দেখানো হয় নাকি তাই আমিও ৫০০ টাকা দিয়েছি।
এলজিইডি অফিসের তালিকাভুক্তকরণ এর নবায়ন ফি ভ্যাটসহ ২৩০০/- হলেও ৪০০০/- নিয়েছে। অফিস সহকারি ও অফিস সহায়ক , নাটোর সদর অফিস। গতবছর প্রতিবাদ করছিলাম। অনলাইনে ছিলো আবেদন সেজন্যে অফিসে ফাইল ভুল ধরে হ্যারেজমেন্ট করা হয়েছে। এবছর অনলাইনের আবেদন করার সিস্টেম উঠিয়ে দেয়া হয়েছে শুধুমাত্র ঘুষ খাওয়ার জন্য। এবছর বাধ্য হয়ে অফিসে গেলে ওরা আগের বছরের প্রতিশোধ স্বরূপ এবছর সবার কাছে এক্সট্রা ৫০০/- ঘুষ নিলেও আমার কাছে এক্সট্রা ১৭০০/- নেয়া হয়। যা আমাকে দিতে বাধ্য করা হয়েছে।
স্ত্রীর জাতীয় পরিচয় পত্রে স্বামীর নাম দিয়ে জাতীয় পরিচয় পত্র আপডেট করতে গিয়েছিলাম, সরকারি ফি সম্ভবত 320 টাকা, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ইনিয়ে বিনিয়ে বিভিন্ন কথা বলে দ্রুত কাজ করে দেয়ার কথা বলে 2500 টাকা চেয়েছিল
বর্তমান সরকারে সারের নতুন নীতিমালা করতেছে তো আমি ভাবছি একটা ডিলার নিব কিন্তু আমার কাছ থেকে এত টাকা দাবি করছে বিএনপি'র এক নেতা
কিছু মামলার কাগজ translate করিয়ে সত্যায়িত করতে গেছিলাম অনেক্ষন ভুজুম ভাজুম বলে 20000 হাজার চাইলো আমি বললাম ভেবে দেখি বলে চলে আসছি
কিশোরগঞ্জ ফিঙ্গার অফিসে প্রতিটি লোকের কাছ থেকে বাধ্যতা মুলক ভাবে ৫০ টাকা করে নেওয়া হয়। এই পুরা টাকা ঘুষের টাকা।হিসাব করলে প্রতিদিন ৫০০ লোকের যাতায়াত এই অফিসে।।যা ৫০ টাকা করে নিলে বছরে এই টাকার পরিমাণ দারাই নব্বই লাখ টাকা(৯০,০০০০০)।। কি পরিমাণ দূর্নীতি হচ্ছে এই ছোট খাটো অফিসে একটু চিন্তা করেন।।
ইউনিয়নের খাতায় নথিভুক্ত আছে এবং পাসপোর্ট অনুযায়ী টাকা না দিলে সংশোধন করা যাবে না