নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমার মায়ের বাবার সম্পত্তি আমার মামা দখল করে রেখেছে এক সময় আমরা চট্রগ্রাম কোর্ড কর্তিক রায় পেয়ে জায়গা বুঝে পাই রায়ের কপিও আছে তখন আর্থিক অবস্থা খারাপ থাকার কারণে জয়গাতে কিছু করতে পারি নাই পরে যখন করতে গিয়েছি দেখলাম আমার এক মামা জায়গার ১/৩ অংশ দখল করে দেখেছে বিভিন্নভাবে সামাজিক শালিশ এর মাধ্যমে ও সে ছাড়তে নারাজ পরে আমরা রাউজান থানার সপোর্ধ হই থানাতে দায়িত্ব পায় এস আই এক কর্মচারী আমিও চাকরির সুবাদে বাহিরে থাকায় সে পর্যায়ক্রমে আমার আম্মু থেকে ঘুষের টাকা চাহিয়া নেয় এবং আমার মামা থেকেও মোটা অংকের টাকা খায় এবং পরে সে বলে যতটুকু আছে জায়গা কর না হলে তোর নামে উল্টো মামলা দিবো
বলেছে আমাদের খরচ দেন, না দিলে কাজ করবেনা।
ঐ দপ্তর থেকে একটা চিঠি পাঠানো হয় আপনার ১৭ টা ধরনের কাগজ লাগবে। আজ ১০০০ টাকা বিকাশ করলাম কোন কাগজ লাগলো না।
আমি মুলত ২০ তলা নতুন ভবনে বাসবর জন্যআবেদন করি। সেই বাসা বরাদ্দ বাবদ ৩০০০০০ টাকা দিই তাও পাইনি আমাকে ৪৫০০০০ টাকা দিতে বলে। ৪৫০০০০০ টাকা দিতে পারিনি বলে আমার দেওয়া ৩০০০০০ টাকা ফেরত দেওয়া হয়। পরবর্তীতে ২৪০০০০ টাকা দিয়ে পুরাতন ৪ তলা ভবনের দরজা জানালা ভাঙ্গা তিন রুমের বাসা বরাদ্দ পাই।
DSB আফিস থেকে চাকরির ভেরিফিকেন শেষে খরচের কথা বলে কিছি শেয়ার করতে বলে। পূর্ব অভিজ্ঞতা ভালো না হওয়ায় আমি টাকা দিতে বাধ্য হই।
খুলনা খালিশপুর পাউয়ার হাউজে মৃত পিতার পেনশন ভাতা উঠাতে গিয়ে বিড়ম্বনার শিকার। সেখানে ইনডিরেক্টলি টাকা চাওয়া হয়।এবং তাত্ক্ষণিকভাবে যদি টাকা না দেন তাহলে আপনার ফাইলটা দিনের পর দিন ঘুরতে থাকবে। এবং ব্যাবহার ও খারাপ করবে। টিনের চাল, মেইন গেইট থেকে সোজা গিয়ে ডান পাশের শেষ রুমটা। ওযুখানার আগের রুমটা।
বিষয়: পাসপোর্ট হারানোর ঘটনায় জিডি করতে ২,৫০০ টাকা নেওয়ার অভিযোগ। বরাবর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জনাব, আমি আমার পাসপোর্ট হারিয়ে যাওয়ার পর বিষয়টি থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করার জন্য যাই। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী জিডি করতে কোনো ফি লাগে না—এমন তথ্য আমি পরবর্তীতে জানতে পারি। বাংলাদেশ পুলিশের Citizen Charter-এও জিডি সেবা বিনামূল্যে দেওয়ার কথা উল্লেখ রয়েছে। কিন্তু আমি যখন রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সংশ্লিষ্ট থানায় পাসপোর্ট হারানোর বিষয়ে জিডি করতে যাই, তখন আমার কাছ থেকে ২,৫০০ (দুই হাজার পাঁচশত) টাকা নেওয়া হয়। টাকা নেওয়ার পর আমাকে সঙ্গে সঙ্গে জিডির কপি দেওয়া হয়নি। প্রায় ২/৩ দিন পর আমাকে জিডির কাগজ দেওয়া হয়। আমার কাছ থেকে কেন ২,৫০০ টাকা নেওয়া হয়েছে, তার কোনো সরকারি রসিদ বা নির্ধারিত
মিথ্যা মামলায় তদন্ত কর্মকর্তা তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করিয়াছে এবং সেজন্য জামিন নেওয়ার জন্য ৫০ হাজার টাকা দিতে হয়েছে।
বাবার পেনশন এর টাকা উঠাতে ঘুষ প্রধান,বাবা আর্মি রিটায়াড,senior warrent officer chilen ,২০০১ এ অবসরে যান,পেনশন টাকা উঠাতে ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট এ যেখানে ফাইল পাশ করা হয় ,ওখানকার এক কর্মচারী আমার থেকে এই ঘুষ নেন,একজন আর্মি পারসন কে ও বাদ দিলোনা,সেনানিবাসে এই ঘুষ চলে?
প্রতিটি টিআর কাবিখা থেকে ইউএনও ২০-৩০% টাকা দাবি করে। এক অর্থ বছরেই কয়েক লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয়। পাশাপাশি মাটি কাটার বিনিময়ে ঘুষ নেয় ব্রিকফিল্ড এবং মাটিকেখুদের কাছ থেকে।
এলাকায় বিএনপি নেতা, আমার পরিবারের লোকজন কে অন্যায় ভাবে অনেক মারে। তারপরে অনেক হুমকি দেয়। তারপর আমারা থানায় মামলা নিতে গেলে, তদন্তে যায়। গিয়ে শাক্ষি সহ প্রমান পায়। পরে আমাদের কাছে টাকা নিয়ে পুলিশ চলে আসে। বলে থানায় আইসেন। পরে থানায় গেলে। বলে কোন মামলা নেওয়া হবে না।চলে যান। তখন আমরা বলি যে আমরা মামলা করবোই। তখন বলে টাকা লাগবে বিশ হাজার। কিন্তু সেটা সম্ভব ছিলোনা। পরে মুখ বুজে চলে আসতে হয়েছে। পরে এলাকার সাবেক চেয়ারম্যান নাম মাএ শলিস ডেকে মিলিয়ে দেয়। কিছুদিন পরে আবার সেই নেতার পরিবার হুমকি দেয়।আগের মাইরের কথা মনে রাতে বলে। দরকার পরলে আবার মারবে। কিন্তু পুলিশ যদি চাইতো এটাকে একটা সহজ সমাধান করেনদিতে পারতো।
পল্লী বিদ্যুৎ এর কাম্বার জন্য বিশ হাজার টাকা দিয়েছিলাম গত চার বছর উপরে হয়ে গেছে কিন্তু আমাদের কারেন্টের কাম্বাও দেয় নাই কিন্তু কালি তারিখ আর তারিখ করছে এখন পর্যন্ত আমরা হয়রানির শিকার হচ্ছি আমরা থানায় অভিযোগ করিনি কিন্তূ কোন বিচার পায়নি
একটি ঠিকাদারি লাইসেন্স আছে এটি নবায়ন করতে প্রতি বছর ঘুষ দিতে হয়
চা পানের টাকা বলে ১৫০০ টাকা নেয় না দিলে ফাইল চাইটে পালাই রাখবে বলছে
সরকারিভাবে প্রশিক্ষণ সেবার জন্যে ঢাকা নির্বাচন সচিবালয় এর পাশে আইসিটি অফিসে গেলে তারা বিভিন্ন কথা বলে পরবর্তীতে যোগাযোগ করে যাওয়া হয় তার মাধ্যমে চা খাওয়ার জন্য ২০ হাজার টাকা অগ্রিম জমা দিতে হবে এবং সরকার কম্পিউটার প্রশিক্ষনার্থীদের ভাতা হিসেবে যে টাকা প্রদান করবে তা থেকে ৫০ হাজার টাকা অনুমোদনের পর মোট টাকা হতে কেটে নেওয়া হবে।
সরকারি চাকরির জন্য, স্হানীয় এক পাতি নেতায়, এসে বলতেছে, (উপজেলা বিএনপির শীর্ষস্থানীয় রাজনীতিবিদ) বড় ভাইয়ের নামে একটি সিট আছে, অন্য জনকে দিয়ে দিছিল, ওরা টাকা দিতে পারবে না,তোমরা দেও,চাকরির সিট টা তোমাদেরকে দিয়ে দেই।চাকরির সিট নাকি ভাগাভাগি হয়ে গেছিল🤣 আমার বাবা বলেছিল, আমি হজ করে আসছি, আমার ও যাবে আর সন্তানকে ঘুষ দিয়ে চাকরি করালে,ওর সারাজীবনের কামাই বে-হালাল হয়ে যাবে।এটি বলে সাথে সাথে না করে দিই!
আমার নিজের আসলে জমি আমি আরেকজনের নিকট বন্ধক দিয়েছিলাম উক্ত জমি আমার টাকায় আবার ফেরত নিয়ে এসেছি কিন্তু তৃতীয় এক ব্যক্তি আমাকে বাধা প্রদান করাই আমি থানাই একটি অভিযোগ দায়ের করি। অভিযোগ তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তা আমার নিকট ২০ হাজার টাকা দাবি করে সে তদন্ত করতে গিয়ে । আমি এক পর্যায়ে বাধ্য হয়ে তাকে 6000 টাকায় ম্যানেজ করেছি। কিন্তু এখনো আমার ফসলের জমিতে ফসল করার অধিকার ফিরে পাই নাই। শুনেছি এই তদন্ত কর্মকর্তা আবার তৃতীয় পক্ষের কাছ থেকেও টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে ।
গত ২৮/৮/২০২৬ তারিখে জজ কোটে আমার জমির বিচারের রায়ের সাটিফাই কপি তুলতে গেলে আমার কাছ থেকে অতিরিক্ত ১৯০০ টাকা দিতে বলে।কিন্তু যা কাজের সরকারি ফি ২০ টাকা
আমার বয়স ১৮ থেকে বেশি হওয়ার কারণে আমাকে ২০২৭ ব্যাচে পরিক্ষা দেওয়ার সুযোগ করে দিবে তবে তাদেরকে এই কারণে ২৫০০ টাকা দেওয়া হয়েছে যা তারা দাবি করেছে না দিলে ভর্তি হওয়ার সুযোগ দিবে না 💔
সুপারিশের মাধ্যমে নিয়োগের কারণে যোগ্য প্রার্থীরা বঞ্চিত হচ্ছে।