ফায়ার লাইসেন্স নবায়ন
ফায়ার সার্ভিস অফিসের একটা কাজ ও হয়না টাকা ছাড়া
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৮৮৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
ফায়ার সার্ভিস অফিসের একটা কাজ ও হয়না টাকা ছাড়া
আমি পাসপোট করতে যায় ২০২৫ সালে আমার স্থায়ি ঠিকানা যেটা ছিল আইডি কার্ডে এখানে আমরা তখন ছিলাম না তাই পুলিশ আমাকে ফোন করেছে বিদুৎ বিলের কপি নিয়ে এসপি অফিসে দেখা করতে বর্তমানে যে বাসায় ছিলাম সেটার বিদুৎ বিলের কাগজ নিয়ে দেখা করি তার পর পুলিশ বলে এটাতে হবে না যে ঠিকানায় আগে ছিলেন এটা লাগবে আমি বললাম এটাতে নাই আমার কাছে বাসা বিক্রি করে দিয়েছি পুলিশ বলে তাহলে আপনার পাসপোট হবে না তখন সে ১০০০০ টাকা দাবি করে অনেক বলে কয়ে ৫০০০ টাকাতে রাজি করে আমি পুলিশ ভেরিফিকেশন শেষ করলাম
না দিলে প্রথম চাকুরির যোগদানে বেতন চালু প্রক্রিয়া চালুতে জটিলতা সৃষ্টি করতেছিলো। তাই আমাদের সাথে যোগদান করা সবাই দিতে বাধ্য হলো।
একজন সদ্য সরকারিকৃত কলেজ এর প্রভাষক এর কথা বলছি যিনি গত ৩ বছর আগে মারা যান। তিন বছর অতিবাহিত হলে ও আজ ও ওনার পরিবারের লোকজন পেনশন এর টাকা পাই নাই।পরিবারে কারো কোনো ইনকাম নাই ছেলেমেয়েরা এখনো পড়ালেখা করে। এমন কোনো জায়গা নাই যেখানে ঘুষ ছাড়া কোনো কিছু হচ্ছে। সেটা উপজেলা লেভেল এ একাউন্টস অফিস থেকে শুরু করে ডিসি অফিস, শিক্ষা অধিদপ্তর এবং মিনিস্ট্রি পর্যন্ত যেখানে ই যাচ্ছে সেখান এ ঘুষ দিতে হচ্ছে। এমন কি ঘুষ দেওয়ার পর ও আজও পেনশন হচ্ছে না। কখনো বলে স্থায়ীকরণ করতে হবে কখনও এইটা ওইটা বিভীন্ন রকম কাগজ জুগাড় করে দিয়ে এ যাচ্ছে কমবেশি যা পারছে সব জায়গায় ই ঘুষ ও দিচ্ছে। এখন আর ঘুষ দেওয়ার টাকা ও নাই তাই এমনিতে বসে আছে যদি কোনোদিন কিছু হয়।
আমি টাকা না দিলে আমাকে পেনশনের প্রাপ্য কম করে দিবে। আমার বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা সঠিক ভাবে দিবেন না।
জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ, বগুড়ায় আমার বাবার নামে বরাদ্ধকৃত একটি প্লট তার মৃত্যুর পর ওয়ারিশ সূত্রে নামজারী করার অনুমতির জন্য আবেদন করি, যার প্রেক্ষিতে আমার কাছে ৫০,০০০ টাকা দাবি করা হয়, পরিশেষে ১৫,০০০ টাকা অনিচ্ছা সত্ত্বেও পরিশোধ করি, এখন পর্যন্ত কোন কাজ হয়নি গত এক মাস যাবত
একটি শালিস বৈটকে চ্যায়ারম্যান বলে আমাদের সমস্যা নাকি থানার ওসি অবগত হয়েছে। এখন সম্পর্ণ বিষয়টি ও হেন্ডেল করবে। বিষয়টি ছিল একটি ছেলে মেয়ে রিলেশনের সমস্যা ছেলেটির বয়স নি এবং মেয়ের বাবা এই বিষয়ে দিতে তেমন আগ্রহ না কিন্তু চ্যায়ারম্যান বিষয়টি গোলাটে করে টাকা ঘুষ গ্রহণ করে।
আমার জমি ঠিক থাকা সত্ত্বে পুলিশ আমাকে থানায় ডাকে কে সাক্ষ্য প্রমাণে আমার জমি ঠিক আছে কাগজপত্র দেখে আমার জিডি গ্রহণ করে যদি গ্রহণ করে বলে এই মামলা করতে ২০ হাজার টাকা লাগবে না হলে মামলা করা যাবে না
বাতসরিক চাদা হিসেবে পাচ সেট প্যান্ট এর পিস গিফট দেওয়া হয়ছে।
আমি প্রবাসে আসার আগে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট এর আবেদন করি, পরবর্তী সময়ে আমদের বোয়ালমারী থানায় ক্লিয়ারেন্স এর তদন্ত আসে তখন আমাকে কল করে বলা হয় আমি যেনো প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে নিদিষ্ট সময়ে থানার কম্পিউটার কক্ষে হাযির হই, আমি সময় মত সমস্ত কাগজপত্র নিয়ে হাজির হওয়ার পরে সব কিছু ঠিক থাকায় আমি চলে আসতে চাইলে তখন বলে চা খাওয়ার জন্য কিছু দিয়ে যান পরবর্তী সময়ে আমি যখন বলি যে টাকা নাই তখন আমাকে বলে যে ৫/৬ লক্ষ টাকা খরচ করে বিদেশে যাচ্ছেন আর আমাদের মাত্র ১ হাজার টাকা দিতে পারবেন না. তারপর অনেক কথা বলার পর ৩০০ টাকা দেই। তারপর আমাকে বলা হয় টাকা বেশি হলে কাজ দ্রুত হয় এতটুকু মথায় রাইখেন। তারপর আমার ক্লিয়ারেন্স ২৫ দিন পর হাতে পাই
সেবা নয় বরং আমার কাছে সরাসরি মিথ্যা মামলায় না জড়িয়ে দেওয়ার বিষয়ে ১০ হাজার টাকা দাবী করেন। অনেক চেষ্টা করেও আত্মসম্মানের ভয়ে ৬ হাজার টাকা দিয়ে নিজেকে বাঁচাতে বাধ্য হই।
এগারো লক্ষ টাকার বিনিময়ে প্রতিষ্ঠানের নিয়োগ সম্পন্ন করেছে কমিটি ও প্রতিষ্ঠানের কতিপয় শিক্ষক
অলংকার উদ্ধার করে দিবে
নতুন এনআইডি কাড করতে গেলাম আমার কাছে ৫০০০ হাজার টাকা দাবি করে তার পর অসহায় মতো পিরে আসি
আমি এর আগে নির্বাচন অফিসে দুইবার আইডি কার্ডের জন্য আবেদন করেছিলাম, রিজেক্ট হয়েছে দুইবার তৃতীয়বার ৩৫০০ টাকা দিয়ে আমি সরাসরি সাতদিনের মধ্যে আইডি কার্ডের ফটো এবং ফিঙ্গার দিয়েছি, এভাবেই একজন দেশের নাগরিক হয় আমি টাকা দিয়ে নিজের দেশের নাগরিকত্ব অর্জন করেছে ( ধন্যবাদ বাংলাদেশ সরকার ব্যবস্থাকে)
সম্প্রতি লাকসাম রেল স্টেশনে ঢাকাগামী দুটি টিকিটের মূল দাম ৬৭০ টাকা হলেও কাউন্টার থেকে অন্যায্যভাবে ৭০০ টাকা রাখা হয়। কোনো রশিদ ছাড়াই কাউন্টার মাস্টাররা এভাবে বিভিন্ন অজুহাতে যাত্রীপ্রতি ১০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত বাড়তি নিচ্ছেন। দেশের অধিকাংশ স্টেশনে প্রতিদিন শত শত সাধারণ যাত্রী এই চাঁদাবাজি ও হয়রানির শিকার হচ্ছেন।
উপ সহকারী কৃষি কর্ম কর্তা পদের চাকরির জন্য, ১৫০০০০০ টাকা দাবি করে এবং ১৫৭০০০০ টাকা পরিশোধকরা হয়েছে, সংসদ ভবনের একজন আইন বিভাগে চাকরি করে সে টাকা নিয়েছে, ঐ লোকের বাড়ি টাংগাইল,
Port for Relase the goods.
আমাদের একটি জমি সংক্রান্ত বিষয়ে, মিটমাট করে দেওয়ার জন্য,
গবেষণা অনুদানের ১০০% শেয়ার চেয়েছিলো