NID correction
বয়স সংশোধন পেনশনের জন্য দ্রুত প্রয়োজন,অথচ টাকা নিয়েও কাজ করে দিচ্ছে না।আরো টাকা চাচ্ছে
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৮৮৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
বয়স সংশোধন পেনশনের জন্য দ্রুত প্রয়োজন,অথচ টাকা নিয়েও কাজ করে দিচ্ছে না।আরো টাকা চাচ্ছে
ওমরা করার জন্য পাসপোর্ট করেছিলাম এই পাসপোর্ট ভেরিফিকেশনের জন্য পুলিশের কাছে আসে পুলিশ আমাদেরকে ফোন দিয়ে বলে বিদ্যুৎ বিলের কাগজ এবং এনআইডি কার্ড এবং সাথে এক হাজার টাকা নিয়ে আসতে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া নির্বাচন অফিসে এনআইডি স্লিপ থাকা স্বত্তেও বলে যে কার্ড খুজে পাচ্ছে না। । টাকা দেওয়ার পর খুজে পায়।আমি আর্মির লোক হয়ে ও আমাকে ঘুস দিতে হয়েছে
বরিশাল জেলার, মুলাদী উপজেলার বাটামারা ইউনিয়ন মাধ্যমে বিদ্যালয়। বিভিন্ন সেশনের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের, টেস্ট পরীক্ষায় অকৃতকার্য নির্ধারিত সাবজেক্টকে আরো দুই তিন বিষয় ফেল বারিয়ে, সাবজেক্ট প্রতি ৫০০ টাকা করে জরিমানা নেওয়া হয়, টাকা না দিলে তাদের এসএসসি পরীক্ষার ফরম ফিলাপ নেয়া হয় না। এই পরিস্থিতিতে এমন বহু ঘটনা আছে, এক–এক জন শিক্ষার্থী থেকে আট নয় হাজার টাকা পর্যন্ত নেওয়া হয়েছে। এবং সেই সাথে ওইসব শিক্ষার্থীদের টিচারদের কাছ থেকে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন কটুক্তি এবং অবহেলার স্বীকারও হতে হয়। তাছাড়া শিক্ষা ব্যবস্থায় এতটা ঢল না মার কারণ, সারা বছর ক্লাসের প্রতি তেমন গুরুত্ব দেয়া হয় না। পরীক্ষা আসলেই শিক্ষার্থীদের প্রতি যত চাপ প্রয়োগ করা হয়।
টাকা না দিলে ট্রান্সফার ফাইল রেডি করতে অপারগ। ১টা সিন্ডিকেট কাজ করে কেরানি CDA তে। টপ লেবেলে দূর্নীতি আছে কিনা আমি জানি না তবে ফাইল রেডি করে যেসব মানুষ ওনারা অসম্ভব দূর্নীতি গ্রস্ত।আর যদি ট্রান্সফার অতিরিক্ত জমা হয় ওটা রিটার্ন করাতেও ঘুষ চায় আর এই রকম স্লো মনে হয় স্লথও না
আমি আমার জন্ম নিবন্ধন সংশোধন করার জন্য ইউনিয়ন পরিশোধে গেছি সেখানকার কম্পিউটার অপারেটর আমার সাথে দুর্ব্যবহার করছে এবং টাকা চাইছে
সরকারি চাকুরীতে যোগদানের শুরুতে বেতন পাওয়ার জন্য আইবাস+ এ সেলারি একাউন্ট করার জন্য অফিসের উচ্চমান সহকারীকে ১২ জনে ৪৮০০০ টাকা দিতে হয়েছে। শ্রান্তি বিনোদনের ভাতার জন্য ১৪ জনের ২১,০০০ টাকা দিতে হয়েছে। এছাড়া টিএ/ ডিএ বিল থেকে ১০% দেওয়া লাগে
কক্সবাজার জেলা মাতামুহুরি উপজেলা ভেওলা মানিক চর ইউনিয়ন পরিষদ দফাদার জন্মসনদ সংশোধন ১০০০টাকা দাবি করে,মানুষভেদে আরও বেশি দাবি করে
ভোটার আইডর নাম পরিবর্তন করতে গেলে উপজেলা নির্বাচন অফিসে স্থানীয় দালাল ঘুষ দাবি করে। তৎকালীন নির্বাচন অফিসারের প্রশ্রয়েই সেটাব হয়েছে। অথচ টাকা দেয়ার পরও বছরের পর বছর ঘুরিয়েছে। যদিও ফরিদপুর জোনাল অফিসে যাওয়ার পর কোনো ঘুষ ছাড়া একদিনেই কাজ হয়ে গেছে।
"চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার জেলার ভূউপরিস্থ পানির মাধ্যমে সেচ উন্নয়ন প্রকল্প"। বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের (বিএডিসি) ৬০২ কোটি টাকার প্রকল্প। এই প্রকল্পের কাজ করতে হলে কোন কাজের ১০ ভাগ বা তারও বেশি টাকা পিডিকে আগেই দিয়ে দিতে হয়। এছাড়াও অফিসের সাব এসিস্ট্যান্ট ইঞ্জি. এসিস্ট্যান্ট ইঞ্জি.দের ১-২ ভাগ টাকা ঘুষ দিতে হয়। এছাড়াও অফিসের অন্যান্য স্টাফদেরও বিভিন্ন অংকের ঘুষ দিতে হয়। এছাড়া পিজির ও ট্যান্ডার সিকিউরিটির টাকা তুলতেও ঘুষ প্রদান করতে হয়।
Ttc বাট ট্রেনিং সেন্টার সেখানে কিছু সংশোধন করতে গেলে সবার কাছ থেকে সরকারি মূল্য থেকেও ৫০ থেকে ১০০ টাকা করে নিচ্ছে প্রতি সপ্তাহে এক ব্যাচ করে ট্রেনিং নিতে আসে প্রতিটি ব্যাচে কমসেকম ৪০-৫০ জন থাকে তিনদিনের ট্রেনিং শেষ করার পর প্রতি ব্যাস থেকে থেকে এক্সট্রা ২০ থেকে ৫০ ১০০ টাকা বকশিশের নামে দাবি করা হয় ১০ টাকা দিলে তারা নিতে চায় না আরো বেশি কথা বলে আমরা কি ভিক্ষা করতে আসছি নাকি এ ধরনের কথা মন্তব্য দেই আর অনেক সময় দেখা যায় যে এমনও কথা বলে যে তোমরা সার্টিফিকেট পাবা না এ ধরনের কথা বলে আরেকটা বিষয় হচ্ছে যে অনেক সময় হচ্ছে আমরা সরকারি মূল্য তালিকা দিয়ে আমরা ফর্মটা পূরণ করার পরে আমরা সার্টিফিকেট হাতে পায় না সার্টিফিকেটটা নিতে গেলে আরো বিশ টাকার দাবি করা হয়
২০২৬ সালে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সুপারিশ প্রাপ্ত হই। ভেরিফিকেশন করার জন্য পুলিশ বাসায় আসলে ১৫০০০ টাকা দাবি করে কিন্তু পরে আমি 5000 টাকা বাধ্য হয়েই দেই ।
অভিযোগ: ঢাকা–ময়মনসিংহ রুটের নিয়মিত যাত্রী হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দেখছি, কমলাপুর ও বিমানবন্দর স্টেশন থেকে লোকাল ট্রেনে নির্ধারিত ভাড়ার অতিরিক্ত টাকা না দিলে অনেক সময় সিট থাকা সত্ত্বেও সিট দেওয়া হয় না। আজ ২/৯/২০২৬ তারিখে মহুয়া ট্রেনের নির্ধারিত ভাড়া ৯০ টাকা, কিন্তু সিটসহ টিকিটের জন্য ১২০ টাকা দিতে হয়েছে। মাঝে মাঝে এর চেয়েও বেশি টাকা নেওয়া হয়। বিষয়টি তদন্ত করে নির্ধারিত ভাড়ায় টিকিট ও সিট প্রদান নিশ্চিত করার অনুরোধ করছি। অন্য কাউন্টারেও কমিউটার ট্রেনের একই অবস্থা। গফরগাঁও স্টেশন থেকে ঢাকা ভাড়া ৪৫ টাকা,এখানে ৭০/৮০ /১০০ টাকা দিয়ে সিট সহ টিকেট নিতে হয়।
এক অসহায় নারী হাজবেন্ড প্রতিবন্ধী ওনার হাজবেন্ডের একটা প্রতিবন্ধী ভাতা হয় ২০২৩ সালে বাট ২০২৬ সালে এসে এখনও পযন্ত কোন ভাতা পায়নি। যখনই যায় বলে এই সমস্যা ঐ সমস্যা নানান তালবাহানা টাকা লাগবে এভাবে ওনি অনেক টাকা দিয়েছে। কিন্তু এক টাকা ও ভাতা পায়নি। এক পযার্য়ের সমাজসেবা অধিদপ্তরে যাই তারা শিকার যায় ঘুষ খেয়েছে অবশ্য একজন ঘুষের টাকা ফেরত দিয়েছে এবং মাফ চেয়েছে। অবশেষে প্রতিবন্ধী ভাতা এপ্রুভ হয়েছে ১৬/৫/২০২৬। আলহামদুলিল্লাহ ওনার কাড হাতে পেয়েছে টাকা এখন ও পায়নি। কিন্তু এটা তো কাম্য নয়। এভাবে মানুষদের হয়রানি করা। যদি আমি না যেতাম হয়তো ওনি কাড পেতো না। যারা এ ভাতা গুলো করে তারা পড়াশুনা না জানা অজ্ঞ কিছুই বুঝে না আজ আসো কাল আসো বলে হয়রানি করে এক পযায়ে টাকা চায় বা টাকা মেরে দেয় এগুলো কখনোই কাম্য নয়।
৪২০,৪০৬ ধারায় দিনাজপুর কোতয়ালী থানায় মামলা হয়।আসামী ছিলাম ২ জন। আদালতের মাধ্যমে ২ দিনের রিমান্ড মন্জুর হলে থানায় গিয়ে আইও ৫০০০০০ টাকা দাবী করে। নানা দেন দরবার করে ১ নম্বর আসামি ২০০০০০ টাকা দিয়ে টেনশন মুক্ত হয়।
এন আই ডি কার্ড নাম সংশোধনের জন্য অনলাইনে এপ্লিকেশন করি।অ্যাপ্লিকেশনের ২০ থেকে ২৫ দিনের ভিতরে এনআইডি কার্ড সংশোধন হয়ে যাওয়ার কথা।সে ক্ষেত্রে মেসেজ আসার কথা মোবাইলে।দুই মাস চলে যাওয়ার পরও মেসেজ আসেনি।পরবর্তীতে আমি নির্বাচন কমিশন অফিসে গিয়ে যোগাযোগ করি।অফিসে গিয়ে দেখি অফিস টাইমে কর্মচারীগণ উপস্থিত নেই।কিছুক্ষণ অপেক্ষা করার পরে একজন ম্যাম আসেন।উনাকে আমার সমস্যার কথা বললে উনি আমাকে বলে প্রসেসিং এ আছে হয়ে যাবে আমাকে বলল আপনি চলে যান কিছুদিনের মধ্যে হয়ে যাবে। কিন্তু ওখানে একজন পিয়ন ছিল যে আমাকে পাশে ডেকে নিয়ে বলল আপনার কাজ আমি এখন করে দেবো আমাকে কিভাবে সম্মান করবেন।আমি ওনাকে চা নাস্তা খাওয়ার জন্য ৫০০ টাকা দিবে বলেছি।শেষ পর্যন্ত নিয়ে ১০০০ টাকায় রাজি হল। এবং সাথে সাথে আমার কাজ করে।
গ্রামের বিভিন্ন ছোট ছোট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কিছু সাংবাদিকরা প্রতিনিয়ত মাসিক চাঁদা আদায় করে আসছে এবং নিরুপায় হয়ে প্রতিষ্ঠান প্রধানরা সেই টাকা পরিশোধ করছে
সিসিটিভিতে দুর্ধর্ষ চুরিতে শনাক্ত হওয়া চোরের বাসায় যাওয়ার জন্য পুলিশকে অনুরোধ করাতে তিনি টাকা দাবি করেন
আমি অফিসের সকল ফর্মালিটিস শেষ করে মিটার প্রাপ্য হই। কিন্তু মিটার লাগাতে এসে বলে ৩০০০ টাকা না দিলে মিটার স্থাপন করবে না। অনেক ঝামেলা হয়, মিটার না লাগিয়ে ফিরে যায়। পরে বাধ্য হয়ে টাকা দিয়ে মিটার স্থাপন করি।
বগুড়া সদরের নামুজা এস এস আই ফাজিল ডিগ্রী মাদ্রাসায় আমি ল্যাব সহকারী পদে সুপারিশ প্রাপ্ত হই এরপরেই অধ্যক্ষ কমিটির লোকজন সহ আমার কাছ থেকে ১০ লক্ষ টাকা দাবি করে, আমি দিতে অস্বীকার করি পরে আমার নিয়োগ অবৈধভাবে তারা বাতিল করে। বর্তমানে বিষয়টি নিয়ে আদালতে মামলা চলমান আছে।