হয়রানি সহ্য করতে না পেরে।
সেবা নয় বরং আমার কাছে সরাসরি মিথ্যা মামলায় না জড়িয়ে দেওয়ার বিষয়ে ১০ হাজার টাকা দাবী করেন। অনেক চেষ্টা করেও আত্মসম্মানের ভয়ে ৬ হাজার টাকা দিয়ে নিজেকে বাঁচাতে বাধ্য হই।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
সেবা নয় বরং আমার কাছে সরাসরি মিথ্যা মামলায় না জড়িয়ে দেওয়ার বিষয়ে ১০ হাজার টাকা দাবী করেন। অনেক চেষ্টা করেও আত্মসম্মানের ভয়ে ৬ হাজার টাকা দিয়ে নিজেকে বাঁচাতে বাধ্য হই।
এগারো লক্ষ টাকার বিনিময়ে প্রতিষ্ঠানের নিয়োগ সম্পন্ন করেছে কমিটি ও প্রতিষ্ঠানের কতিপয় শিক্ষক
অলংকার উদ্ধার করে দিবে
নতুন এনআইডি কাড করতে গেলাম আমার কাছে ৫০০০ হাজার টাকা দাবি করে তার পর অসহায় মতো পিরে আসি
আমি এর আগে নির্বাচন অফিসে দুইবার আইডি কার্ডের জন্য আবেদন করেছিলাম, রিজেক্ট হয়েছে দুইবার তৃতীয়বার ৩৫০০ টাকা দিয়ে আমি সরাসরি সাতদিনের মধ্যে আইডি কার্ডের ফটো এবং ফিঙ্গার দিয়েছি, এভাবেই একজন দেশের নাগরিক হয় আমি টাকা দিয়ে নিজের দেশের নাগরিকত্ব অর্জন করেছে ( ধন্যবাদ বাংলাদেশ সরকার ব্যবস্থাকে)
সম্প্রতি লাকসাম রেল স্টেশনে ঢাকাগামী দুটি টিকিটের মূল দাম ৬৭০ টাকা হলেও কাউন্টার থেকে অন্যায্যভাবে ৭০০ টাকা রাখা হয়। কোনো রশিদ ছাড়াই কাউন্টার মাস্টাররা এভাবে বিভিন্ন অজুহাতে যাত্রীপ্রতি ১০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত বাড়তি নিচ্ছেন। দেশের অধিকাংশ স্টেশনে প্রতিদিন শত শত সাধারণ যাত্রী এই চাঁদাবাজি ও হয়রানির শিকার হচ্ছেন।
উপ সহকারী কৃষি কর্ম কর্তা পদের চাকরির জন্য, ১৫০০০০০ টাকা দাবি করে এবং ১৫৭০০০০ টাকা পরিশোধকরা হয়েছে, সংসদ ভবনের একজন আইন বিভাগে চাকরি করে সে টাকা নিয়েছে, ঐ লোকের বাড়ি টাংগাইল,
Port for Relase the goods.
আমাদের একটি জমি সংক্রান্ত বিষয়ে, মিটমাট করে দেওয়ার জন্য,
গবেষণা অনুদানের ১০০% শেয়ার চেয়েছিলো
বয়স সংশোধন পেনশনের জন্য দ্রুত প্রয়োজন,অথচ টাকা নিয়েও কাজ করে দিচ্ছে না।আরো টাকা চাচ্ছে
ওমরা করার জন্য পাসপোর্ট করেছিলাম এই পাসপোর্ট ভেরিফিকেশনের জন্য পুলিশের কাছে আসে পুলিশ আমাদেরকে ফোন দিয়ে বলে বিদ্যুৎ বিলের কাগজ এবং এনআইডি কার্ড এবং সাথে এক হাজার টাকা নিয়ে আসতে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া নির্বাচন অফিসে এনআইডি স্লিপ থাকা স্বত্তেও বলে যে কার্ড খুজে পাচ্ছে না। । টাকা দেওয়ার পর খুজে পায়।আমি আর্মির লোক হয়ে ও আমাকে ঘুস দিতে হয়েছে
বরিশাল জেলার, মুলাদী উপজেলার বাটামারা ইউনিয়ন মাধ্যমে বিদ্যালয়। বিভিন্ন সেশনের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের, টেস্ট পরীক্ষায় অকৃতকার্য নির্ধারিত সাবজেক্টকে আরো দুই তিন বিষয় ফেল বারিয়ে, সাবজেক্ট প্রতি ৫০০ টাকা করে জরিমানা নেওয়া হয়, টাকা না দিলে তাদের এসএসসি পরীক্ষার ফরম ফিলাপ নেয়া হয় না। এই পরিস্থিতিতে এমন বহু ঘটনা আছে, এক–এক জন শিক্ষার্থী থেকে আট নয় হাজার টাকা পর্যন্ত নেওয়া হয়েছে। এবং সেই সাথে ওইসব শিক্ষার্থীদের টিচারদের কাছ থেকে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন কটুক্তি এবং অবহেলার স্বীকারও হতে হয়। তাছাড়া শিক্ষা ব্যবস্থায় এতটা ঢল না মার কারণ, সারা বছর ক্লাসের প্রতি তেমন গুরুত্ব দেয়া হয় না। পরীক্ষা আসলেই শিক্ষার্থীদের প্রতি যত চাপ প্রয়োগ করা হয়।
টাকা না দিলে ট্রান্সফার ফাইল রেডি করতে অপারগ। ১টা সিন্ডিকেট কাজ করে কেরানি CDA তে। টপ লেবেলে দূর্নীতি আছে কিনা আমি জানি না তবে ফাইল রেডি করে যেসব মানুষ ওনারা অসম্ভব দূর্নীতি গ্রস্ত।আর যদি ট্রান্সফার অতিরিক্ত জমা হয় ওটা রিটার্ন করাতেও ঘুষ চায় আর এই রকম স্লো মনে হয় স্লথও না
আমি আমার জন্ম নিবন্ধন সংশোধন করার জন্য ইউনিয়ন পরিশোধে গেছি সেখানকার কম্পিউটার অপারেটর আমার সাথে দুর্ব্যবহার করছে এবং টাকা চাইছে
সরকারি চাকুরীতে যোগদানের শুরুতে বেতন পাওয়ার জন্য আইবাস+ এ সেলারি একাউন্ট করার জন্য অফিসের উচ্চমান সহকারীকে ১২ জনে ৪৮০০০ টাকা দিতে হয়েছে। শ্রান্তি বিনোদনের ভাতার জন্য ১৪ জনের ২১,০০০ টাকা দিতে হয়েছে। এছাড়া টিএ/ ডিএ বিল থেকে ১০% দেওয়া লাগে
কক্সবাজার জেলা মাতামুহুরি উপজেলা ভেওলা মানিক চর ইউনিয়ন পরিষদ দফাদার জন্মসনদ সংশোধন ১০০০টাকা দাবি করে,মানুষভেদে আরও বেশি দাবি করে
ভোটার আইডর নাম পরিবর্তন করতে গেলে উপজেলা নির্বাচন অফিসে স্থানীয় দালাল ঘুষ দাবি করে। তৎকালীন নির্বাচন অফিসারের প্রশ্রয়েই সেটাব হয়েছে। অথচ টাকা দেয়ার পরও বছরের পর বছর ঘুরিয়েছে। যদিও ফরিদপুর জোনাল অফিসে যাওয়ার পর কোনো ঘুষ ছাড়া একদিনেই কাজ হয়ে গেছে।
"চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার জেলার ভূউপরিস্থ পানির মাধ্যমে সেচ উন্নয়ন প্রকল্প"। বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের (বিএডিসি) ৬০২ কোটি টাকার প্রকল্প। এই প্রকল্পের কাজ করতে হলে কোন কাজের ১০ ভাগ বা তারও বেশি টাকা পিডিকে আগেই দিয়ে দিতে হয়। এছাড়াও অফিসের সাব এসিস্ট্যান্ট ইঞ্জি. এসিস্ট্যান্ট ইঞ্জি.দের ১-২ ভাগ টাকা ঘুষ দিতে হয়। এছাড়াও অফিসের অন্যান্য স্টাফদেরও বিভিন্ন অংকের ঘুষ দিতে হয়। এছাড়া পিজির ও ট্যান্ডার সিকিউরিটির টাকা তুলতেও ঘুষ প্রদান করতে হয়।