চাকরি দেওয়ার নামে টাকা নিয়েছে
01767193549 এটা হলো দুর্নিতি বাজের নাম্বার ওনার নাম উত্তম রায়
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৮৮৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
01767193549 এটা হলো দুর্নিতি বাজের নাম্বার ওনার নাম উত্তম রায়
ঢাকা ওয়াসার উত্তরা জোন অফিসে পানির বিলের ৫০% বাণিজ্যিক ও ৫০% আবাসিক ক্যাটাগরি থেকে ১০০% আবাসিক ক্যাটাগরিতে পরিবর্তনের জন্য যোগাযোগ করি। ভবনটি বর্তমানে সম্পূর্ণ আবাসিকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে এবং কোনো বাণিজ্যিক কার্যক্রম নেই। ক্যাটাগরি পরিবর্তনের প্রক্রিয়ায় আমার কাছে ৮০,০০০ টাকা ঘুষ দাবি করা হয় বলে অভিযোগ করছি। পরবর্তীতে দর-কষাকষির মাধ্যমে ৩৫,০০০ টাকা প্রদান করার পর আমার পানির বিলের ক্যাটাগরি/সংযোগের কাজ সম্পন্ন করা হয়। অথচ পূর্ববর্তী সময়ে ঢাকা ওয়াসা কর্তৃক নির্ধারিত ৫০% আবাসিক ও ৫০% বাণিজ্যিক হারে যে বিলগুলো দেওয়া হয়েছিল, সেগুলো আমি নিয়মিত পরিশোধ করেছি এবং কোনো বকেয়া ছিলো না।
আমি অপূর্ব টেকনোলজিস এর নিয়োগ করা আইনজীবী, একটা মীমাংসার জন্য লেবার কোটে যেতে হয় আমাকে, আমাকে ১০ দিন সময় দেওয়া হয় সমস্যা সমাধান এর জন্য নয়তো বা বাদিরা মামলায় যাবে কিন্তু আমি আমার একক চেষ্টাতে কোম্পানির কাছে থেকে দুই জন বাদীর টাকা লেবার কোটের ভিতর লেবার অফিসার এর সামনে সকল আইনি কাগজ complete করে অনলাইন পেমেন্ট করাই এরপর লেবার অফিসাররা আমার সাথে আলাদা ভাবে কথা বলতে চান তাই বাদী পক্ষ রুম থেকে বের হয়ে যান তখন লেবার অফিসার রা আমার কাছে সম্মানি চান এতে আমি খুব অবাক হয় কারণ সকল সমস্যা জানার পর আমি নিজ দায়িত্বে মাত্র ৩৬ ঘন্টার মধ্যে দুই পক্ষের মীমাংসা করি। এখানে লেবার অফিসার এর কোন ফেবার ছিল না।
যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর কতৃক নিবন্ধন এর জন্য ৬০০০ টাকা নিয়েছিল উপজেলা যুব অফিসার।
আমার আইডি কার্ড ছিলোনা অর্থাৎ আমি বানাইনি যখন আমি পাসপোর্ট বানাতে জাই এন আইডি কার্ড লাগবে গিয়ে দেখি বাবার জন্য নিবন্ধন এ সালে ভুল মার ও সেইম নামেও ভুল যখন মা বাবাকে বলি তুমাদের নামকি এমন ভুল কেনো বাবা মা বলে আমাদের কে তখন বলছে নামকি আমরা আমাদের নাম বলছি এটাতো আমরা কাজ করিনাই অরা ভুল লেখছে আমি এনআইডি কার্ড বানাতে পারি না মা বাবার জন্ম নিবন্ধনের জন্য তাদের নামে বানান ভুল এগুলা সংশোধন করতে যায় করতে গেলে বলে ছয় মাস এক বছর লাগবে তাদের এন আইডি কার্ড ও নামে ভুল সালেও কিছুটা ভুল এগুলো সংশোধন করতে গেল বলে তিন থেকে ছয় মাস লাগবে তখন আমার ইমারজেন্সি পাসপোর্ট দরকার তারা ঘুষ চায় ৩০০০০ টাকা কিন্তু তারা সরকারি লোক পরে আমি দালাল ধরি তারপর ২৮ হাজার টাকা দিয়ে কাজ গুলা করতে সক্ষম হয় এক মাসের মধ্যে মধ্যে
আমার মাদ্রাসার সার্টিফিকেট সংশোধন করার জন্য টাকা দাবি করতেছে যার কারনে এখন আমার শিক্ষার প্রয়োজন নেই আমাদের যে অবস্থা টাক দিয়ে সার্টিফিকেট ঠিক করার থেকে না করা ভালো
এদের এখানে ভ্যাটের কাজ স্বাক্ষর করানো জন্য গেলে টাকা দিতে হয়। সবাই এক ধরনের টাকা দেয় না। আমি দেই 2,000 টাকা এরকম অনেকেই আছে যারা 1,000 টাকা বা 2,000 টাকা এরও বেশি দিতে হচ্ছে।
কুমিল্লা মুদাফফরগন্জ চেয়ারম্যান অফিসে জন্মতারিখ সংশোধন করতে গিয়েছি। সরকারী খরচ যেখানে ৫০-১০০ টাকা। তারা আমার থেকে ১২০০ টাকা রেখেছে। এ কাজে সরাসরি ডিল করেছে স্থানীয় গ্রাম পুলিশ। সাথে ইউনিয়ন পরিষদ সচিবও জড়িত।
আমার নামে থানায় অভিযোগ দিয়েছিল।অভিযোগের তদন্তে এসে থানার এসআই আমাকে জিজ্ঞেস করার নাম দিয়ে হুমকি ধামকি দিয়ে বলে এখন নিয়ে গিয়ে কোর্টে চালান করে দেব। এই বলে তদাক্ষনাধ নিয়ে যাওয়ার জন্য অর্ধেক পথ নিয়ে যাওয়ার পর ২০০০০/-টাকা নিয়ে ছেড়ে দিল।
ঢাকার বিমানবন্দরে একজন সহায়তাকারী দেখলেন আমার সঙ্গে ছোট বাচ্চা আছে, তাই তিনি আমাকে লাইনে সামনে যেতে সাহায্য করার প্রস্তাব দেন। তখন বিষয়টা স্বাভাবিকই মনে হয়েছিল। কিন্তু কিছুক্ষণ পর তিনি আবার ফিরে এসে আমার কাছে টাকা চাইলেন, যা আমার কাছে খুবই অস্বস্তিকর ও অদ্ভুত লেগেছে। আমার মনে হয় বিমানবন্দরের কর্মকর্তা, কর্মচারী এবং এ ধরনের সহায়তাকারীদের কার্যক্রম নিয়মিতভাবে পর্যবেক্ষণ ও যাচাই করা উচিত, যাতে যাত্রীদের এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে না হয়।
Police verification korte ashcilo amar passport er apply er por. Shob sese boltese mishti khawabana? Ami na bolsi but ek porjay e jokhon uni threat dicchilo j verification reject kore dibe. Tokhon baddho hoye dite hoise. 2022 er ghotona
রাজশাহী জেলার গোদাগাড়ী মডেল থানায় পুলিশ ক্লিয়ারেন্স করে কাগজপত্র দিতে গেলে৫০০/- করে টাকা নেয়া হচ্ছে।
প্রথমে কাগজাদি নিয়ে গেলে কেরানী হম্বিতম্বি করছিল যে স্কুলের এমপিও খেয়েদিবে হেডটিচারকে শোকোজ করবে ইত্যাদি ইত্যাদি মানে সত্যায়িত করে দিবে না পরে ১০০০ টাকা চায় সেটা দেয়ার পর সাথে সাথেই সত্যায়ীত করে এনে দেয় ।
স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয় অফিস সহায়ক চাকরির জন্য ঘুষ চাই
আমি আমি ফিঙ্গার দিতে গিয়েছিলাম। আমাকে কয় অফিসার এখন নেই, তারপর অনেক অপেক্ষার পর তিনি (অফিসার) আমাকে বলেন, যে ৩০০ টাকা দিলে এখন ই ফিংগার দেওয়া হবে। আমার সময় ছিল না যার কারণে আমি দিতে বাধ্য হই। সময়টা হচ্ছে ৩ রা জুলাই ২০২৩।
আমরা একটা সমবায় সমিতি করে দুই বছর অতিক্রান্ত হওয়ার পরে সমিতির একটা ভালো মূলধন তৈরি হয়। আর সেই অর্থ আমরা বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিনিয়োগ করতে গিয়ে আমাদের এটাকে সরকারি নিবন্ধন করার প্রয়োজন পড়ে। আমরা উপজেলা সমবায় অফিসে শারীরিকভাবে হাজির হয়ে আলোচনা করি কিভাবে কি করা যায়। উনারা আমাদের থেকে ২,০০০ টাকা দাবি করেন যা দিয়ে ওনারা নাকি বিভিন্ন বই খাতা বা রেজিস্টার কিনবেন আমাদের সমিতির রেজিস্ট্রেশন এর জন্য এবং সেটা আমরা দেই। পরবর্তীতে ওনারা আমাদের কাছ থেকে আরও ৩০,০০০ টাকা ঘুষ দাবি করে। দীর্ঘ তিন বছর পার হয়ে যাওয়ার পরেও আমরা সেই ঘুষ না করা হয়নি। ওই অফিসের সবাই এর সঙ্গে জড়িত নেতৃত্বে আছেন উপজেলা সমবায় অফিসার । উত্তর সেবার সরকার নির্ধারিত ফি মাত্র ৩৪৫ টাকা ছিল।এর সকল প্রমাণ আছে।
অভিযোগের বিষয়: নতুন ভোটার নিবন্ধনের ক্ষেত্রে অনৈতিকভাবে টাকা দাবি নতুন ভোটার হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় সকল কাগজপত্র আমি নিজে প্রস্তুত করে উপজেলা নির্বাচন অফিসে যাই। আমার সকল কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করে সঠিক পাওয়া যায় এবং উপজেলা নির্বাচন অফিসারও যাচাই করে স্বাক্ষর করেন। পরবর্তীতে সংশ্লিষ্টদের কাছে গেলে আমার কাছ থেকে ৫০০ টাকা দাবি করা হয়। আমি টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানাই। পরবর্তীতে পরিস্থিতির কারণে ২০০ টাকা দেওয়ার কথা বললেও তারা টাকা না নিয়ে আমাকে চলে যেতে বলেন। আমার উপস্থিতিতে আরও কয়েকজনের কাছ থেকেও টাকা নেওয়া হয়েছে বলে আমি লক্ষ্য করেছি। আমি টাকা না দেওয়ায় পরবর্তীতে আমার ভোটার নিবন্ধন প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের সমস্যা বা হয়রানি করা হবে কি না, তা নিয়ে আমি উদ্বিগ্ন ।
সমাজসেবা অফিস সাদুল্লাপুর, গাইবান্ধায় টাকা ছাড়া কোন বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, গর্ভবতী ভাতা করে দেয় না জনগণকে অনেক হয়রানি করে।একটা ভাতা করে নিতে প্রত্যেককে প্রায় ১০ হাজার করে টাকা দিতে হয়। টাকা ছাড়া কোন কাজে হয় না।
গর্ভবতী কার্ড করতে ইউনিয়ন উদোক্তা আমার কাছে এই কার্ড করতে ৫০০০/- চাইছিল,যদিও বলা কার্ড করতে কোন টাকা লাগা না।
একটি নতুন মিটারের জন্য আবেদন করতে যাই। তখন আমাকে বলে নতুন মিটার এখন নেই, যদি আপনি সাড়ে চার হাজার টাকা দিতে পারেন তাহলে আমরা জরুরিভাবে আপনাকে একটি মিটার লাগিয়ে দিব