শ্রান্তি বিনোদন ভাতা
ট্রেজারী অফিস ৫০০ আর হিসাব সহকারী ৫০০ এই টাকা না দেওয়া পর্যন্ত ভাতা দেয় না।
18,914 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
ট্রেজারী অফিস ৫০০ আর হিসাব সহকারী ৫০০ এই টাকা না দেওয়া পর্যন্ত ভাতা দেয় না।
বাণিজ্যিক বিদ্যুত সংযোগের জন্য বিদ্যুৎ অফিসে যাই। তারা নতুন সংযোগের অনুমোদন পেতে অনেল দেরি হবে বলে জানায়। তবে ১৫০০০ টাকা দিলে উক্ত কর্মকর্তা দ্রুত সংযোগ দেয়া হবে বলে জানান। প্রথমে টাকা দেইনি। সংযোগের অনুমোদনও হচ্ছিল না। পরে টাকা দেয়ার ৭ দিনের মধ্যেই বিদ্যুতের সংযোগ পেয়েছি।
they demanded a bribe of 4 crore rupees from me in connection with the job ,threatening that I would not get the position if I did not pay.
ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের প্রতিটি কাগজ অনুমোদন এর জন্য টেবিল প্রতি ৫০০০ থেকে শুরু করে লাখ লাখ টাকা ঘুষ প্রদান করা লাগে যেকোন উপাদান,পন্য, ডিভাইস অনুমোদন, রেজিষ্ট্রেশন, মিটিং এ উত্তাপন এর জন্য ঘুষ দেওয়া লাগে, বড় মেডিসিন কোম্পানীগুলো অতিরিক্ত ঘুষ দিয়ে দিয়ে ছোট কোম্পানী গুলো ঘুষ না দেওয়ায় তাদের ব্যবসা অগ্রসর ব্যহত করে
কোর্টের পেষকারকে টাকা না দিলে তিন মাস পরে তারিখ দেয়।
প্রথমে আমার এনআইডি কার্ডের জন্য অযথা তিন মাস ঘুরিয়েছে, এরপর আমি একটা কম্পিউটার দোকান থেকে এ বিষয়টা আলোচনা করলে তারা বলে যে তিন হাজার টাকা দিলেই হয়ে যাবে। এরপর আমি টাকা দিলে দুই দিনের মাথায় আমার nid হয়ে যায়।
প্রতিনিয়ত বা প্রতিদিনই ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশনে টিকেট কালো মানুষদের হাতে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে ১৬০ টাকা টিকেট ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা নিচ্ছে স্টেশনের কর্তব্যরতা কর্মকর্তা ও একদল টিকেট কালোবাজারি প্রতিদিন গরে দুই থেকে তিন লক্ষ টাকা সাধারণ মানুষের টাকা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ থেকে গৃহীত/প্রাপ্ত বা কেনা জমিতে নামজারী/বেচা-কেনা/বাড়ি-নির্মাণ বা যেকোনো পরিবর্তনের জন্য অনুমতি গ্রহণ করতে হয় যেটা ইন্টেরিয়াম ড ইউনুস সরকার বাতিল করলেও কার্যকর হয় নাই দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের জন্য। আমার বাড়ির (ঢাকা মোহাম্মদপুর) উত্তরাধিকার সূত্রে নামজারীর অনুমতি পত্রের জন্য আজকের ৭/৮ বছর ধরে চেষ্টা করসি কিন্তু ৫ লক্ষ টাকা ঘুষ ছাড়া কাজ হবে না বলে দিয়েসে। যার কারণে আমি এখন খাজনা ও দিতে পারছি না। জানি না এর প্রতিকার কি!!
সেবা দেয়নি টাকা লাগবে।
এটি মূলত একটি সরকারি প্রতিষ্ঠান। এই শিপিং অফিসে যারা চাকরি করে তারা সবাই ঘুষ খায়। এক এক জন নাবিকদের কাছ থেকে ২ লক্ষ ৩ লক্ষ টাকার বিনিময়ে তারা জাহাজে তুলে দেয়। কোন ভাই তাদের টাকা না দিয়ে জাহাজে উঠতে পারে না দুই তিন বছর চার বছর পেরিয়ে গেলেও তাদের ডাকা হয় না। এই অফিসের পরিচ্ছন্নতা কর্মী থেকে শুরু করে জিএম সহ সবাই ঘোষ ছাড়া কাজ করে না
বাংলাদেশে ওয়ার্ড ভিত্তিক মেম্বার এর মাধ্যমে বিভিন্ন সেবা পাওয়া যায়। তার ভেতরে বয়স্ক ভাতাটা অন্যতম অনেক এমন অসচ্ছল পরিবার আছে যারা টাকা না দিতে পারায় অথবা টাকা না দিয়ে একটা বয়স্ক ভাতা বানাতে চায় কিন্তু এমন এমন কিছু অসৎ মেম্বার বা চেয়ারম্যান থাকে। যারা টাকার বিনিময় বয়স্ক ভাতা কার্ড প্রতিবন্ধী ভাতা কার্ড ইত্যাদি বানিয়ে দেয়। কিন্তু যে আসলে পাওয়ার যোগ্য সে মূলত সেবাটি পায় না। এরকম আমার পাশের বাড়ির এক দাদার সাথে এরকম ঘটনা ঘটেছে। মেম্বার জানে যে সে টাকা দিবে না তাই তার কাগজপত্র নিয়ে গেলে বলে এসব কি পরে হবে এখন কিছুই হবে না এখন অন্য কাজ হচ্ছে এরকম বিভিন্ন কথা বলে।
জেলা প্রশাসক ভোলা এর কার্যালয়ে জেলা প্রশাসক এর দোহাই দিয়ে সাধারণ শাখার অফিস সহকারী বালুমহাল ইজারার ৫ হাজার টাকার লাইসেন্স নবায়ন ফি ২ লাখ টাকা দাবী করে। তিনি বলেন এখান থেকে কিছু টাকা এলআর ফান্ড এ জমা হবে।
একজন সিভিল সার্জেন্ট এর সিগ্নেচার লাগবে ফিট সার্টিফিকেট এ। এজন্য সিভিল সার্জেন্ট কার্যালয়ে গেলে ওখানকার যে অফিস সহকারি আছেন,উনি আর একজন পিয়ন ইনারা একপ্রকার সিন্ডিকেট করে নিয়েছে। গেলেই আগে বলে হবে না, একটা প্যেনিক তৈরি করে যত্ত জনই সাইন নিতে যাক সবার কাছে ৩০০/৫০০ টাকা পর্যন্ত রাখে। আর এটা বহুদিন যাবত চলে আসছে। দিনে যদি সর্বনিম্ন ৩০ জনও আসে ভাবেন কত টাকা। ওনার ছবিও আছে আমার কাছে লুকিয়ে তুলেছিলাম
আমার জন্মনিবন্ধন পূর্ব থেকেই অনলাইন করা।কিন্তু ইংরেজি কপিটা ছিলো না।ইংরেজি কপি সংগ্রহের সময় আমি বাসা বাড়ির ট্যাক্স পরিষোদ করেছি।কিন্তু তারপরও তারা আমার কাছ থেকে ৩০০ টাকা নিয়েছে।শুধুমাত্র জন্মনিবন্ধন বের করা বাবদ।আর ফ্যামিলি সার্টিফিকেট এর কোনো ফর্মই ইউনিয়ন পরিষদে ছিলো না।আমি নিজে সব ফর্মেট বানিয়ে তাদের প্যাডে জাস্ট প্রিন্ট করেছি,তারপরও আমাকে ২০০ টাকা দিতে হয়েছে।
১৬ লক্ষ দিয়ে চাকরি কনফার্ম করে দিবে
লাইসেন্সের সব কাগজ পাতি জমা দেওয়া হয়েছিল কিন্তু 10000 টাকা ঘুষ না দিলে লাইসেন্স এপ্রুভ দেয় নাই।
একটা এমেন্টমেন্ দিছি চা খাওয়ার জন্য ১০০ টাকা লাগে না হলে নিবে না বাধ্য হয়ে দিছি
আমাদের ১নং ভোগডাবুড়ী ইউনিয়ন পরিষদের মহিলা মেম্বার আমার কাছ থেকে ১০০০০ হাজার টাকা ঘুস নিয়েছিল। তিনি আমার বউকে মাতৃভাতা করে দেওয়ার কথা বলে ছিলেন। কিন্তু ৩ বছর পার হইল তিনি মাতৃভাতা করে দেননি।।
দেশি প্রজাতির আম জাম কাঁঠাল কদম তুলা ইত্যাদি গাছ, এবং গাছের লাকড়ি ট্রাকে লোড করতে,বিভিন্ন জেলায় পাঠাতে গেলে ফরেস্ট কে ঘুষ দিতে হয়। ফরেস্ট অনুমতি পত্র (টি বি)থাকলেও ঘোষ দিতে হয়।গাড়ি আটকে রাখে, ড্রাইভারকে ভয়,গাছের ভিতরে অবৈধ গাছ আছে ,গাছ নিচে নামাও চেক করবো ইত্যাদি হয়রানির শিকার হচ্ছি,পাশাপাশি হাইওয়ে পুলিশের চাঁদাবাজিতে অতিষ্ঠ সাধারণ ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা। সবচেয়ে বেশি হয়রানি করছে কুমিল্লার সুয়াগাজি পোস্ট অফিস। গত ২/৩ বছরে আনুমানিক এক লক্ষ টাকারও বেশি ঘুষ দিতে হয়েছে বিভিন্ন ফরেস্ট অফিসে।
বললো এখন সার্ভার বন্ধ। নামের বানান ভুল আছে। পিতা মাতার স্মার্ট এন আইডি দেওয়ার পরও বললো তাদের জন্ম নিবন্ধন অনলাইন করতে হবে। বললাম করেন, তখন বললো তাদের বাবা মায়ের টাও অনলাইন করতে হবে। মানে আমার দাদা দাদির টা করতে হবে। দাদা দাদি অলরেডি ২০ বছর আগে মারা গেছে। নানান বাহানা দিয়ে বললো ৫০০ টাকা দেন করে দিবনি। ১ সপ্তাহ পর আসেন। কিন্তু ১ মাসেও দেয়নি।