পেনশন
আমার বাবা মারা যাওয়ার পর। আমরা পারিবারিক পেনশনের টাকা জন্য আবেদন করি। তার জন্য অনেক দরখাস্ত করি জমা দেয় রাজস্ব অফিসে ।তারা বলে পেনশনের টাকা তুলে ওদের খরচ দিতে হবে। নানান বাহানা দেখায়। ২২০০০০ টাকা দাবি করে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমার বাবা মারা যাওয়ার পর। আমরা পারিবারিক পেনশনের টাকা জন্য আবেদন করি। তার জন্য অনেক দরখাস্ত করি জমা দেয় রাজস্ব অফিসে ।তারা বলে পেনশনের টাকা তুলে ওদের খরচ দিতে হবে। নানান বাহানা দেখায়। ২২০০০০ টাকা দাবি করে।
আইনি সেবা, মামলার রায় হয়েছে রায় এর কপি টাইপ করাইতে স্টেনো নাই তার, তাই বাইরে থেকে করতে হবে। তাই টাকা লাগবে। আমি তাকে মোবাইল বিকাশ করতে চাইলে সে বলে ,যে আমার বিকাশ নাই, আমি এজেন্ট অফিসে গিলে আপনাকে ফোন দিলে দিয়ে দিবেন। এই ভাবে একবার রয়ের কপির জন্য নিছে, 3000, তার পর আবার ডিক্রিী লিখার জন্য নিছে 2000, আরো তো অন্যান্য সহকারীকেদিতে হবে বলে নিয়েছে-2000। তার পর মামাল জেলা জজ থেকে নিন্ম আদালতে নেওয়ার জন্য আরো অনেক টাকা দিয়েছি। এতো গেলো মাত্র একটি মামলার জন্য আমি 16 বছর পারিবারিক মামলা করতেছি । 7-8টা মামলা পরিচালনা কেরতে সব মিলে 700000/-টাকার মতো খরচ হয়েছে।
চাকরির ভেরিফিকেশন্স ও পাসপোর্টের ভেরিফিকেশন্সের জন্য পথ খরচ ও অফিসের স্টাফের সম্মানী
আমার ১৬,০০০ টাকা টি এ বিল রেলওয়ে হিসাব বিভাগ থেকে ১০০০ টাকা অতিরিক্ত চায়। টাকা না দিলে রেলওয়ে হিসাব বিভাগ থেকে বিল পাস করবেন না । তাই দিতে বাধ্য হই।
আমাদের দোকান নোয়াখালী বেগমগঞ্জ থানার সামনে, সেখানে ১০টা চায়ের দোকান আছে আমরা দীর্ঘদিন যাবত এখানে দোকান করে আসছি, দোকানের জায়গাটা রাস্তার পাশে ছিলো সেটা ছিলো রোডস এন্ড হাইওয়ের রাস্তা। গত ছয়মাস আগে বেগমগঞ্জ থানা সারকেল ও ওসি আমাদের দোকান গুলোর সামনে জোরপূর্বক ইটের দেওয়াল নির্মাণ করে এবং থানার জায়গা দাবি করে আমাদের থেকে ৩,০০,০০০টাকা করে দাবি করে তাহলে আামাদেরকে দোকান করতে দিবে নাহলে দিবে না। আমরা ১০জন দোকান অসহায় মতো তাদের কাছে অনুরোধ করি তারা আইনের প্রভাব খাটিয়ে আমাদেরকে নানা ভাবে হেনস্তা করে এবং মিথ্যা মামলার ভয় দেখায়। আমরা সবাই এখন আর্থিক সংকটের মধ্যে যাচ্ছি। ১দোকান থেকে ৩,০০,০০০ টাকা করে ১০ দোকান থেকে ৩০,০০,০০০ টাকা ঘুষ দাবি করে এবং মাসে মাসে ভাড়া দাবি করে। এখন আমার পরামর্শ আপনার বিষয়টি দেখ
জাতির পরিচয় পত্র ১ম দিনে ফিংগার নিয়ে পরের দিন বের করে দিতে চায়ছে ৪০০০ টাকা। আবার ২১ বা ১.৫ মাস দিন বের করলে খরচ হবে না
উত্তরাধিকার সনদের জন্য টাকা দিতে হয়।
নতুন মিটারে আবেদন নিয়ে গেলে নানা রকম অহেতুক ভুল ধরে,শেষে সব কিছু সমাধান এর বিনিময় ১০০০০ টাকা দাবি করে
চক্রাখালী ইউনিয়ন সেবা অফিস প্রতিটা কাজের জন্য 100 থেকে + কাজের ধরণ অনুযায়ী বয়স্ক ভাতা, জন্মনিবন্ধন ইত্যাদি
এস আই ভ্যারিফিকেশন ছিল, তদন্ত ওসি ৫হাজার টাকা দাবী করে। বলে কয়ে ৩হাজার দিয়ে রাজি করিয়েছিলাম।
আমার নতুন চাকরির ভেরিফিকেশনের জন্য একজন এস আই গ্রাম পুলিশ মারফত আমার এলাকায় খোজ করছিল। আমার বর্তমান চাকরির পোস্টিং দূরে হওয়ায় প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট সহ আব্বুকে পাঠাই ঐ এস আইয়ের সাথে দেখা করার জন্য। সবকিছু যাচাই বাছাই শেষে ভাল চাকরি হয়েছে সুবাদে মিষ্টি খাওয়ার জন্য টাকা চায়। আব্বু ২০০০ টাকা দেয়ার পর আরো ১০০০ টাকা চেয়ে নেয়।
মৎস্য ভবন অধিদপ্তর, রমনা, ঢাকা। এই দপ্তরে কাঁকড়া এবং কুচিয়ার সার্টিফিকেট নিতে গিলে প্রতিনিয়ত হয়রানির শিকার হতে হয়, টাকা ছাড়া কোনো কাজ করে না এবং আমাদের কোম্পানি (কাঁকড়া ও কুচিয়ার সার্টিফিকেট সেকশনের) ঘুষ না দেওয়ায় বন্ধ করে দেওয়ার পথে নামিয়ে দিছে।
অভিযোগ বিষয়: জন্ম নিবন্ধন সংশোধনের জন্য অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার অভিযোগ। আমি আমার ভাইয়ের জন্ম নিবন্ধন সংশোধনের জন্য ৬ নং রাজিউড়া ইউনিয়ন পরিষদ অফিসে যাই। সংশোধনের আবেদন করে দিতে বললে আমাকে বারবার বলা হয়, “সচিব আসেনি, মিটিংয়ে গেছে”। এভাবে অনেক দিন ঘোরানোর পর আমি চেয়ারম্যানের কাছে যাই। চেয়ারম্যানকে বিষয়টি জানালে তিনি বলেন, জন্ম নিবন্ধন সংশোধন করতে ফি লাগে। আমি বলি, সরকারি নিয়ম অনুযায়ী জন্ম নিবন্ধন সংশোধনের জন্য ৩ বার সংশোধনের সুযোগ রয়েছে। তখন চেয়ারম্যান বলেন, “এখন নেই।” পরে আমি বাধ্য হয়ে জানতে চাই, কত টাকা লাগবে। তিনি ২,০০০ টাকা দাবি করেন। পরে বাধ্য হয়ে আমি ২,০০০ টাকা দিয়ে আমার ভাইয়ের জন্ম নিবন্ধন সংশোধন করি।
ডাক বিভাগের(রাজশাহী জিপিও) এক অফিস হতে অন্য অফিসে অহেতুক বদলি করেছে। এখন আমি আমার আগের কর্মস্থলে যেতে চাইলে ৫০০০টাকা অফিসের নেতা কে দিতে হবে।
সিভিল সার্জন আফিস খুলনা মেডিকেল সার্টিফিকেট ড্রাইভিং লাইসেন্স এর জন্য একটা সই চিল আনতে গিলে ৫০০ টাকা নাস্তা জন্য চায়। ভিতরে ঢুকতেই চেম্বারে বসা দুইজন। আমি অনুরোধ করি তারপর ও রাজি হায়না তারপর চলে আসি।
সিলেট থেকে ঢাকার কোনো ট্রেনের টিকিট পাওয়া যায়না সকাল ৮ টা বাজার সাথে সাথে কোনো টিকিট কাটা যায়না এখানে সবছেয়ে বেশি জড়িত স্টেশন এব কর্তব্যরত যারা আছে তারা।৷ এক্সট্রা টাকা দিলে টিকেট পাওয়া যায়, এই ভোগান্তির শেষ নেই, স্টেশনের যে কোনো দোকানে টিকিট পাওয়া যায় টাকা বেশি দিলে। ৯০% টিকিট বাড়তি টাকায় বিক্রি হয়।
আমার জন্মসনদে ভুল থাকায় তা সংশোধন করতে যাই। আমার বাবার নাম (ক থেকে ক হোসেন) করি। আর সেজন্য ইউনিয়ন পরিষদের সচিব কাছে যাওয়ার পর প্রথম সে আমার সাথে অনেক তালবাহানা করে। পরে অনেক দিন যাওয়ার পর বলে যে টাকা লাগবে, টাকা ছাড়া হবে না। কারন, এটা না কি অনেক বড় সংশোধন। প্রথম ১০০০ টাকা দাবি করে, পরে আমি কোন উপায় না দেখে তা দিতে রাজি হই৷ সংশোধন হওয়ার পরও আবার ১০০০ টাকা দাবি করে। যা পরে আমাকে পরিশোধ করতে হয়েছে। (মোট ২০০০)
আমাদের ফ্যাক্টরির ETP পানির নমুনা পরীক্ষার জন্য পরিবেশ অধিদপ্তরের ঢাকা ল্যাবরেটরির এক কর্মকর্তা ৫০,০০০ টাকা ঘুষ দাবি করেন। দাবিকৃত টাকা পরিশোধ করার পরও পরীক্ষার রিপোর্ট নেগেটিভ দেওয়া হয় এবং টাকা গ্রহণকারী কর্মকর্তা পরবর্তীতে কোনো দায়িত্ব নিতে অস্বীকৃতি জানান। পুনঃপরীক্ষার জন্য আবার আবেদন করেছি। আবার হয়ত কোনো কর্মকর্তাকে টাকা দিতে হবে।
Amr ak bondu k bina karone pallabi thanay niye jay and ami jante pere ami dekte jaii r keno niye jay seta jante Tokhon tahake dekhar jonno gurd amr kache tea pani khawar jonno 500 taka chay ami deii naii Pore amr bondu k chere dey 10l gush niye just hoyrani kore 10k gush ney And amr 2 ta iphone churi hoice tara gush chara kono kaj korbe na amon and amio gush deii naii taii amr phone pawa jay naii
বিদেশি ভিসার তদন্ত রিপোর্ট। আমাদের কোম্পানি তে বিভিন্ন কাজে বিদেশি নাগরিক ভিসার মেয়াদ বৃদ্ধির জন্য আবেদন করে। তদন্ত কারী প্রতিষ্ঠান কে টাকা না দিলে রিপোর্ট নেগেটিভ দেয়। এসবির তদন্তকারী কর্মকর্তা কে প্রতি রিপোর্টে ১৫০০-২৫০০ টাকা দিতে হয়। এই বিষয় টি উর্ধতন কতৃপক্ষকে ফাঁকি দিয়ে করে। একটা সিন্ডিকেট এটার সাথে জড়িত। আবার ভারতীয় নাগরিকদের রেজিষ্ট্রেশন এর জন্য টাকা দিতে হয়।