17,326 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
সরকারি চাকরির জন্য, স্হানীয় এক পাতি নেতায়, এসে বলতেছে, (উপজেলা বিএনপির শীর্ষস্থানীয় রাজনীতিবিদ) বড় ভাইয়ের নামে একটি সিট আছে, অন্য জনকে দিয়ে দিছিল, ওরা টাকা দিতে পারবে না,তোমরা দেও,চাকরির সিট টা তোমাদেরকে দিয়ে দেই।চাকরির সিট নাকি ভাগাভাগি হয়ে গেছিল🤣 আমার বাবা বলেছিল, আমি হজ করে আসছি, আমার ও যাবে আর সন্তানকে ঘুষ দিয়ে চাকরি করালে,ওর সারাজীবনের কামাই বে-হালাল হয়ে যাবে।এটি বলে সাথে সাথে না করে দিই!
আমার নিজের আসলে জমি আমি আরেকজনের নিকট বন্ধক দিয়েছিলাম উক্ত জমি আমার টাকায় আবার ফেরত নিয়ে এসেছি কিন্তু তৃতীয় এক ব্যক্তি আমাকে বাধা প্রদান করাই আমি থানাই একটি অভিযোগ দায়ের করি। অভিযোগ তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তা আমার নিকট ২০ হাজার টাকা দাবি করে সে তদন্ত করতে গিয়ে । আমি এক পর্যায়ে বাধ্য হয়ে তাকে 6000 টাকায় ম্যানেজ করেছি। কিন্তু এখনো আমার ফসলের জমিতে ফসল করার অধিকার ফিরে পাই নাই। শুনেছি এই তদন্ত কর্মকর্তা আবার তৃতীয় পক্ষের কাছ থেকেও টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে ।
গত ২৮/৮/২০২৬ তারিখে জজ কোটে আমার জমির বিচারের রায়ের সাটিফাই কপি তুলতে গেলে আমার কাছ থেকে অতিরিক্ত ১৯০০ টাকা দিতে বলে।কিন্তু যা কাজের সরকারি ফি ২০ টাকা
আমার বয়স ১৮ থেকে বেশি হওয়ার কারণে আমাকে ২০২৭ ব্যাচে পরিক্ষা দেওয়ার সুযোগ করে দিবে তবে তাদেরকে এই কারণে ২৫০০ টাকা দেওয়া হয়েছে যা তারা দাবি করেছে না দিলে ভর্তি হওয়ার সুযোগ দিবে না 💔
সুপারিশের মাধ্যমে নিয়োগের কারণে যোগ্য প্রার্থীরা বঞ্চিত হচ্ছে।
বি এম ডিসি রেজিষ্ট্রেশন এর জন্য , হাইকোর্টের রায় থাকা সত্বেও জনপ্রতি পাঁচ লাখ টাকা করে দাবী করেছিলেন।
আমি সৌদি আরবে থাকি। আমি আমার সহধর্মীকে এ দেশে আনার জন্য। নিকাহনামা সত্যায়িত করার জন্য। যে কাজী বিয়ে পড়িয়েছেন তার সত্যায়নের প্রয়োজন ছিল। ডিসি অফিস থেকে সত্যায়নের জন্য তার কাছে মেসেজ করা হয়।কিন্তু তিনি কোন জবাব দিচ্ছেন না, তাই ৫ দিন যাবত অপেক্ষা করার পর, আমি ডিসি অফিসে আমার ভাইকে পাঠাই। এবং তাদেরকে বলার পর তারা বলে যে। কাজী সাহেব সত্যায়ন করতেই হবে। আমি ভাবলাম হয়তো টাকার জন্য করতেছে না। আমি ডিসি অফিসে টাকা দিতে চেয়েছি। কিন্তু তারা কোন টাকা নেয়নি। পরে আমি কাজির সাথে যোগাযোগ করি। কাজী আমার কাছ থেকে ১২ হাজার টাকা দাবি করে। যেখানে কোনো খরচ নাই। তারপর আমি নিষেধ করি আমি দেবো না। আরো দু-তিন দিন অপেক্ষা করি। পরে কিছু না করতে না পেরে। অনেক রিকুয়েস্ট করার পর তাকে ৪ হাজার টাকা দেই। এখানে শুধ
আমার বিবাহের পরে আমার স্ত্রীর ভোট নিজ এলাকায় স্থানান্তরের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজ নিয়ে নির্বাচন কমিশন অফিস যাই। অত:পর অফিসের নিচ তলায় বসে থাকা অফিস সহকারীর কাছে কাগজটি দেখালে উনি আমার কাছে ৪০০ টাকা দাবি করে। তারপর জোড়াজুড়ি করে উনি ৩০০ টাকা আদায় করে নেন। কিন্তু নির্বাচন কমিশন অফিসারের কাছে গেলে উনি জানায় এখানে কোনো টাকা লাগেনা।
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট এর জন্য সরকারি ফিস ১৫০০ টাকা পরিশোধ করার পর ও, এটা ভেরিফাই করার জন্য এস আই ১০০০ টাকা দাবি করলে, ৮০০ টাকায় সুরাহা হয়।
আমি পুলিশ ক্লিয়ারেন্স আনার জন্য গিয়েছি,আমাকে আনুষ্ঠানিক খরচের কথা বলা হয়েছে ১৯০০ টাকা দিতে হবে আমি প্রত্যাখ্যান করে চলে এসেছি।
আমি বিদেশে যাওয়ার জন্য পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট দরকার ছিলো।থানাতে গেলে আমাকে পুলিশ কার্যালয়ে পাঠিয়ে দেই।সেখানে ডিএসবি ওরা বলে বিদেশে গিয়ে তো অনেক মাল কামাবা আমাদের কিছু দিলে সমস্যা কি?আমাকে বলে স্যারের সাইন করার জন্য ৫ হাজার লাগবে।তার পর আমার বাধ্য হয়ে দেওয়া লাগে।
প্রথমে বলি দিয়ে জায়গা দখল করে যারা উদ্ধারের জন্য ৫০০০০ টাকা দাবি করে না দিলে ক্ষতি করবে তার কারণে ৫০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে
BSTI CM লাইসেন্স – প্রক্রিয়াগত উদ্বেগ আমরা BSTI-এর নির্ধারিত সকল ডকুমেন্টেশন সম্পন্ন করেছি, প্রযোজ্য ফি পরিশোধ করেছি, পণ্যের নমুনা জমা দিয়েছি এবং নির্ধারিত BSTI মান অনুযায়ী সন্তোষজনক পরীক্ষার ফলাফল পেয়েছি। কিন্তু সকল আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হওয়ার পরও CM লাইসেন্স ইস্যুতে বারবার বিলম্ব হচ্ছে এবং কোনো সুস্পষ্ট কারণ ছাড়াই প্রতিশ্রুত তারিখ পরিবর্তন করা হচ্ছে। ফলোআপের সময় লাইসেন্স দ্রুত পাওয়ার জন্য অনানুষ্ঠানিক অর্থ প্রদানের ইঙ্গিত/অনুরোধের সম্মুখীন হওয়ার পাশাপাশি, অতিরিক্ত হস্তক্ষেপ ছাড়া অনলাইন সিস্টেমে প্রক্রিয়াটি এগিয়ে নিতেও বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়েছে। আমরা BSTI-এর সকল নিয়ন্ত্রক শর্তকে যথাযথভাবে সম্মান করি এবং কোনো ধরনের বিশেষ সুবিধা প্রত্যাশা করি না।
গত ২২ মে ২০২৫ তারিখে আমার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি ছিনতাই হলে আমি ইপিজেড থানায় জিডি করতে যাই। কিন্তু ডিউটি অফিসার ৫০০ টাকা ঘুষ দাবি করে এবং টাকা ছাড়া জিডি নিতে অস্বীকৃতি জানালে আমি বাধ্য হয়ে তা পরিশোধ করি। জিডি সম্পন্ন হওয়ার পর ফোন উদ্ধারের দায়িত্ব প্রাপ্ত এসআই আমার কাছে চা নাস্তার কথা বলে তাৎক্ষণিক ৩০০০ টাকা নেন এবং ফোন উদ্ধার হলে আরও ৬০০০ টাকা দেবেন বলে শর্ত দেয়। আজ ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬। দীর্ঘ ১৫ মাস পার হয়ে গেলেও তিনি কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেননি। উল্টো যখনই যোগাযোগ করি, দেখা করার নাম করে প্রতিবার ৫০০/১০০০ টাকা দাবি করেন। বারবার ঘুষ দিয়েও ফোন উদ্ধার না হওয়া এবং অব্যাহত হয়রানির মুখে আমি এখন ফোনটি ফিরে পাওয়ার আশা একেবারেই ছেড়ে দিয়েছি।
আমার চাচাতো ভাইয়ের এস এস সি সার্টিফিকেট অনুযায়ী জন্ম নিবন্ধনে বয়সের ভুল আছে, তা সংশোধনের জন্য কাজ করতে চাইলে ইউনিয়ন পরিষদ কর্তৃক কম্পিউটার অপারেটর ৩০০০ টাকা চাই। ১০০ টাকার কাজ সংশোধন
মামলা সম্পর্কে জানতাম না, জানার জন্য উকিলের সাথে নির্ধারিত তারিখে গিয়ে দেখি এজলাসে নথি নেই, সেরেস্তাদার কে মামলার নথির কথা বলি ও দেখতে চাই এবং হাজিরা দিতে চাই। তখন এ অর্থ দাবি করেন। তাৎক্ষণিক সমাধানের জন্য ৫০০(হাজিরা) + ২০০০ (নথি দেখা)
মেয়ের জন্ম নিবন্ধন করতে গেছিলাম, কিন্তুু গিয়ে ঘুষ দিতে হবে, ১০০০ টাকা না দিলে হবে না,,,, চলে এসেছি নিবন্ধন করাই নি এখনো,,
অস্বাভাবিক বিদ্যুত বিল আসার কারণে অফিসে যোগাযোগ করলে মিটার পাল্টে দেওয়ার কথা বলে বার বার টাকা নেয়,কিন্তু মিটার পাল্টে দেয় না। এদিকে বিদ্যুত বিলের কাগজে অস্বাভাবিক বিদ্যুত বিল এসেই চলছে।
ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ট্রেড লাইসেন্স ফি ২৩০ টাকা কিন্তু তারা ১০০০ টাকা নেয়, নবায়ন করার সময় এই ১ হাজার দিতে হয়।
আমি আর আমার ওয়াইফ দেশের বাইরে আসার সময় ( ডিসেম্বর, ২০২৫ সাল) পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট নেয়ার জন্যে সিতাকুন্ড থানায় ( আমার নিজ থানা) বসে ১৫০০ টাকা ঘুষ দিয়েছি। সে আমার কাছ থেকে ২০০০ দাবি করেছিল থান্য বসে। এসব নাকি তার আর উপরের লেভেল এর জন্যে চা নাস্তার খরচ। সে নাকি এক এটা নিবেনা। আর ও অনেকজন কে দিতে হবে।