ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন
ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করার জন্য অফিস সহকারী যিনি দীর্ঘ ১০/১২ বছর যাবৎ কর্মরত তিনি নিজের দপ্তর এবং প্রশাসক-এর বরাতে ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করার জন্য উল্লিখিত পরিমাণের টাকা দাবি করেন।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করার জন্য অফিস সহকারী যিনি দীর্ঘ ১০/১২ বছর যাবৎ কর্মরত তিনি নিজের দপ্তর এবং প্রশাসক-এর বরাতে ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করার জন্য উল্লিখিত পরিমাণের টাকা দাবি করেন।
আমার মোটরসাইকেলের ট্যাক্স টোকেন হারিয়ে গেছিল। নবায়ন করার জন্য গিয়েছিলাম টাঙ্গাইল brta। ওনারা বলছে ট্রাফিক অফিস থেকে, ট্রাফিক ক্লিয়ারেন্স নিতে। আমার সবকিছু ঠিক থাকলেও উনারা বলছে কাগজপত্র রেখে যান, এক সপ্তাহ সময় লাগবে। আর ১০০০ টাকা দিলে আজকে পাবেন। আমি প্রাইভেট চাকরি করি আমার ছুটি নাই সেজন্য আমি ১০০০ টাকা দিয়ে সেবা গ্রহণ করেছি
আমি একটি পাকা বাথরুম বানাতে যাই। আমাদের এখানকার জমি রেকর্ড না হওয়ায় বনবিভাগের লোকেরা গিয়ে নির্মানাধীন বাথরুম ভেঙ্গে ফেলতে চায়। পরবর্তীতে উনারা আমাদের নাম ঠিকানা লিখে নিয়ে যায় এবং বনবিভাগ অফিসে যোগাযোগ করতে বলে। অন্যথায় বন চুরির মামলার ভয় দেখায়। পরে ওনাদের ওখানে গেলে টাকা ডাবী করলে আমরা ৩০০০ দিলে উনার আরও টাকা ডাবী করে। পরবর্তীতে ৫০০ টাকা দিয়ে আসতে হয়। ছোট্ট একটা বাথরুম বানাতে যদি ৫০০০ টাকা দিতে হয়!!! তাহলে একটা বাড়ি করতে গেলে কত দিতে হবে কল্পনা করতে পারেন??? এই হলো মধুপুরের বন বিভাগ কর্মকর্তাদের হালচাল।
আমাদের একটি মামলায় সাক্ষী তদন্তকারী কর্মকর্তা। তাকে কোর্ট সাক্ষ্য দেয়ার জন্য নোটিশ পাচ্ছিল না। অথচ এটা স্বাভাবিক ভাবেই পাঠানোর কথা। পরে কেনো পাঠায়নি জিজ্ঞেস করলে, ৩০০ টাকা দাবি করে। পরে পরিশোধ করছি।
ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট থানায় টাকা ছাড়া পুলিশ ক্লিয়ারেন্স পাওয়া যায় না আগে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স করতে সরকারি ফি ছিল মাত্র ৫০০ টাকা এটা বাড়িয়ে এখন করা হয়েছে ১৫০০ টাকা শুধু সরকারি ফি আচ্ছা এ প্রযন্ত শেষ হলেও ঠিক ছিল। সকল কাগজ পত্র অনলাইনে আপলোড করে অনলাইন ফি জমা দিয়ে নিশ্চিন্তায় ছিলাম কিন্তু থানার অফিসার ফোন দিয়ে দেখা করার কথা বলে টাকা দাবি করে। আর এখানে টাকা না দিলে ফাইল রিজেক্ট হওয়ার ভয় থাকে। তাই বাধ্য হয়ে আমার টাকা দেওয়া লাগছে।
আমাদের নীট কম্পোজিট টেক্সটাইল (গার্মেন্টস) এ প্রতিবছর কলকারখানা লাইসেন্স নবায়ন করতে হয়। এই লাইসেন্স নবায়নের জন্য প্রতিবছর সরকারি ফী পরিশোধ করার পরেও নির্দিষ্ট একটা অতিরিক্ত ফী পরিশোধ করা হয়। অন্যথায় লাইসেন্স নবায়ন হয়না। টাকা পরিশোধের পরবর্তী সময়ে তা লাইসেন্স নবায়ন করা হয়েছে।
আমি আমার ভাতিজার জন্ম নিবন্ধন করাতে জাই ঐ খান কার এক কম্পিউটার অপারেটর আমার কাছে ২০০ টাকা দবি করে আমি বল্লাম নিবন্ধন করাতে তো ৫০ টাকা লাগে সে আমার সাথে দূরব্যবহার করে বলে ২০০ টাকাই লাগবে করেলে করেন না করলে বের হয়ে জান আমি বিষয় টি তাৎক্ষণিক সেখানকার প্রশাসক চেয়ারম্যান কে অবহিত করলাম প্রশাসক আমাকে বলল অন্যান্য পরিষদে 400 থেকে 500 ন্যায়
কক্সবাজার কোর্ট বিল্ডিংয়ের নকল শাখায় রায়ের নকল সংগ্রহ করতে গেলে প্রতিটি নকলের জন্য আনুমানিক ৩,০০০/- টাকা ঘুষ দাবি করে। দাবিকৃত অর্থের বিপরীতে রসিদ চাইলে সংশ্লিষ্টরা রসিদ প্রদান করতে অস্বীকৃতি জানিয়ে জানান যে, এ ধরনের অর্থ গ্রহণের কোনো রসিদ/ব্যবস্থা নেই। কিন্তু সরকারী খরছ ছিল মাত্র 450 টাকা।
আমার নিজের + পরিবারের দুই সদস্যের পাসপোর্ট ইস্যু করার সময় পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য স্থায়ী এবং বর্তমান - দুই ঠিকানার থানায় (কোতয়ালি থানা + দেবিদ্বার থানা) এস আই কে কয়েক ধাপে মোট ৬০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে।
বন বিভাগের অফিসে করাত কর লাইসেন্স করতে চাইলে তারা প্রতি লাইসেন্সে ২০ হাজার টাকা দাবি করে। এটা নাকি খরচ না দিলে লাইসেন্স পাওয়া যায় না। আমি এখনো লাইসেন্স করিনি।
পরিবেশ অধিদপ্তরের সেবা প্রত্যাশী হিসাবে শুধু আমি ভুক্তভোগী হয়েছি বিষয়টা এমন না, যেকোন প্রতিষ্ঠানই পরিবেশগত ছাড়পত্র গ্রহণ করতে গেলে টাকা না দিলে সেবা পাওয়া যায় না বললেই চলে। শুধু ঢাকা মহানগর ডিপার্টমেন্টর সহকারী পরিচালক(পুরুষ), উপ-পরিচালক (পুরুষ), (অতি অল্পসংখ্যক কর্মকর্তা বাদে) এদেরকে টাকা না দিলে ফ্রেশ ফাইলটা ও মাস কে মাস ফেলিয়ে রাখে। আমার কথার সত্যতা যাচাইয়ের জন্য পরিবেশ অধিদপ্তরের মহানগর শাখায় দুর্নীতি দমন কমিশনের একজন সৎ গোয়েন্দ লাগিয়ে দেখুন। আমি মুসলিম হিসাবে কোন ব্যক্তির নাম উচ্চারণ করে অপরাধ প্রকাশ করলাম না। দেশের স্বার্থে যদি নাম প্রকাশ করতে হয়, আমি প্রমান সহ করব। আমি পর্যায়ক্রমে অন্যান্য সকল ডিপার্টমেন্টর ঘুষখোরদের হিন্টস দিতে থাকবো ইনশাআল্লাহ।
বিলের টাকার অংকের ১% না দিলে চেক হস্তান্তর করে না,, না রকম হ্যারেজ করে,, এ টেবিল সে টেবিল ঘুরায়,, সকল DPHE অফিসে একই রকম অবস্থা,, সকল নিম্ন থেকে উর্ধতন সকল কর্মচারিই প্রত্যেকের জন্যেই ১% করে কমিশন চলে,, না দিলেই বিল আটকে দেয়,, সাক্ষর করে না,, বাজে আচারন করে,,
ফায়ার লাইসেন্স নবায়নের ক্ষেত্রে চলতি বছরে অনলাইনে আবেদন ও অনলাইন সার্টিফিকেট গ্রহণের জন্য সরকারি ফি/চালানের বাইরে ৩৫,০০০/- (পঁয়ত্রিশ হাজার) টাকা প্রদান করতে হয়েছে। অনলাইন প্রক্রিয়ায় আবেদন ও সার্টিফিকেট সম্পন্ন হলেও সংশ্লিষ্টদের চাহিদা অনুযায়ী উক্ত অতিরিক্ত অর্থ প্রদান ছাড়া কার্যক্রম সম্পন্ন করা সম্ভব হয়নি। টাকা ছাড়া লাইসেন্স পাওয়া যায় না । উনাদের বক্তব্য এসব টাকা দিয়ে উরধতন থেকে ইনেস্পেক্টর অব্ধি লাগে ।
আচমিতা ইউনিয়ন ওয়ারিশান সর্টিফিকেট তুলতে গেলে উক্ত টাকা দাবি করা হয়।চেয়ারম্যান,অপারেটর,ম্যাম্বার জড়িত আছে
স্কুলের কমিটি বিষয়ে কাগজ রেডি করার জন্য স্যারের সাথে কথা বলা দরকার। অফিস সহকারী ফাইল আটকিয়ে রেখেছিলেন যে ৫০০টাকা না হলে ফাইল যাবে না কথা বলারও সুযোগ পাবেন না।
গর্ভবতী মহিলার ভাতা পাওয়ার জন্য ২০০০টাকা করে নেওয়া হচ্ছে,টাকা না দিলে ভাতা পাওয়ার সম্ভবনা নাই।
আমার একটা বোন বিপদে পড়ে গেছে আমি তাকে বাঁচাতে থানায় জিডি করতে যাই আর আমার বিপদের কথা শুনে বলে তোমার বোনকে উদ্ধার করে দেবো ৫০০০ টাকা লাগবে পরে আমি অনেক রিকুয়েস্ট করে বলি কোনভাবেই মানে না অবশেষে বাধ্য হয়ে পনেরশো টাকা দেই তারপর আমার বোনকে উদ্ধার করে দেয়
শুনানির আগে কেসের নথি দেখার জন্য টাকা দিতে হয়।
ঢাকা দিয়ে জন্ম নিবন্ধন করা তাই এই দপ্তরে জাতীয় পরিচয়পত্র/এনআইডি কার্ড করা যাবে না। পরবর্তীতে 5000/- ঘুষ চাওয়ায় তাহা পরিশোধ করে জাতীয় পরিচয়পত্র/এনআইডি কার্ড করা করতে হয়েছে।
My father (govt. service holder),died , so i go to feni police line to transfer my fathers pension book to my mothers name . For this reason Feni SP office docs receiver demand above mention amount ,i paid 3000 taka for this reason .