পুলিশ ক্লিয়ারেন্স
ঝিকরগাছা থানায় পুলিশ ক্লিয়ারেন্স আবেদন করলে ১ মাসেও সার্টিফিকেট দেয় না। অতিরিক্ত ১৭০০-২০০০ টাকা দিলে ১ সপ্তাহে পাওয়া যায়। শুনেছি এই থানার ওসি টাকা ছাড়া স্বাক্ষর করেনা।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
ঝিকরগাছা থানায় পুলিশ ক্লিয়ারেন্স আবেদন করলে ১ মাসেও সার্টিফিকেট দেয় না। অতিরিক্ত ১৭০০-২০০০ টাকা দিলে ১ সপ্তাহে পাওয়া যায়। শুনেছি এই থানার ওসি টাকা ছাড়া স্বাক্ষর করেনা।
মোবাইল হারানোর জন্য রংপুর বিভাগ, কুড়িগ্রাম জেলা, উলিপুর থানাতে জিডি করতে গিয়েছিলাম ২০০ টাকা চায়,, তারা বলে এই টাকা দিয়ে নাকি প্রিন্টারের কালি কাগজ কিনত্র হয়
আমাকে বদলির কথা বলে ২ জন্য ব্যক্তি ২,৫০,০০০ টাকা নিয়েছে।
আমি মিলিটারি পুলিশ সার্জেন্ট, পেনশনের সময় কাগজ পত্র সঠিক করে দিবে মর্মে সাভার সি এমপি সেন্টারে ফিল্ড পে অফিস অডিটর আমার কাছে অফিসে ডেকে টাকা ঘুষ চাই। আমি দেইনি।
আমার বাড়ির পারিবারিক যামেলায় তারা আমার বিরুদ্ধে একটি মামলা করে পরবর্তীতে থানার এস আই সেই মামলা থানায় মিমাংশা করার জন্য আমার কাছ থেকে 5000 টাকা ঘুষ দাবি করে । এবং আমি দিতে বাধ্য হই।
১৫০০ টাকা দিলে সহজ আর না দিলে মহাখালী ৩দিন ৫ দিন যাইতে হবে
আমার কনফার্ম হওয়া চাকরিতে জয়েন হওয়ার সময় কোম্পানি আমায় বলে যে আমার NID কার্ডে আমার বাবার নামের সাথে আমার সার্টিফিকেট গুলোতে আমার বাবার নামের কিছুটা ভিন্নতা রয়েছে। সেটা পরিবর্তন করতে গিয়ে আমাকে এই ঘুষের শিকার হতে হয়। দ্রুত পরিবর্তন করতে না পারলে চাকরি হাত ছাড়া হতে পারে এমন আশঙ্কায় ঘুষ দিতে বাধ্য হই।
ফ্যামেলি ব্যবহারের গ্যাস বাণিজ্যিক ব্যবহারের অভিযোগে গ্যাসের চাবি খুলে নিয়ে যায়। রাতে প্রধান অফিসার বাসায় চলে গেলে সাদা কাগজে স্বাক্ষর রাখে এবং ছাব্বিশ হাজার টাকা ঘুষ রেখে চাবি ফেরত দেয়। অনন্যোপায় হয়ে ঘুষ দিতে বাধ্য হই। পরে মিস্ত্রি দিয়ে লাগিয়ে নেই।
মোবাইল খুজে বের করে দিলে টাকা দামি করে মনে হয় এইটা সরকারি জায়গা না এইটা টাকা দিয়ে দাক্কা দিয়ে কাজ করানোর জায়গা
মামলা দাপ পরিবর্তন এর জন্য। টাকা ছাড়া কোন কাজ হয় না। দিন শেষে দোষ আইনজীবী আগায় না। আইনজীবীদের 1000 ফিস দেয় আর সেরেস্তাদার পেশকার পিয়ন 1000 টাকা দাবী করে । কি হবে টাকা ছাড়া মামলায় কাজ হয় না।
Govt Pension (Bangladesh Air Force) - taka na dile file open korbe na - call kore bolche taka dite then
কক্সবাজার সদর আদালতে মামলার শর্ট ডেট প্রদানের জন্য প্রতিবার আনুমানিক ১,০০০/- টাকা দাবি করে। দাবিকৃত অর্থ প্রদান করতে অসম্মতি জানালে মামলার পরবর্তী তারিখ অস্বাভাবিকভাবে প্রায় ৮ মাস পর নির্ধারণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
আমার প্রতিষ্ঠান একটি নীট কম্পোজিট টেক্সটাইল (গার্মেন্টস) ইন্ডাস্ট্রি। প্রতিবছর ফায়ার লাইসেন্স নবায়ন করতে হয়। ফায়ার লাইসেন্স নবায়নের দায়িত্বে থাকা ফায়ার অফিসার (পরিদর্শক) সরাসরি সরকারি নির্দিষ্ট ফী পরিশোধ করার পরেও অতিরিক্ত ১ লাখ টাকা দাবী করেন। টাকা পরিশোধ না করা পর্যন্ত লাইসেন্স নবায়নও হচ্ছিলো না। পরিশেষে আলোচনার মাধ্যমে ৬০ হাজার টাকায় তা মিমাংসা করা হয়। এবং পরবর্তীতে লাইসেন্স নবায়ন করা হয়। এইটা শুধু আমার প্রতিষ্ঠানে না এই অঞ্চলের সকল প্রতিষ্ঠানেই ফায়ার লাইসেন্স নবায়ন করতে হলে কম বেশী অতিরিক্ত অর্থ পরিশোধ সাপেক্ষে ফায়ার লাইসেন্স নবায়ন হয়। বর্তমান গত এক/দুই মাস আগে অই অফিসার ট্রান্সফার হয়েছেন।
আমার মায়ের জমানো ২০০০০০ টাকা পোস্ট অফিসে মাসিক মুনাফায় ০৫ বছরের মেয়াদে রেখেছিলাম।মেয়াদ শেষ হলে আমি ও আমার মা সহ বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলা(৮৫৩০) পোস্ট অফিস গিয়েছিলাম।০২ ঘন্টা বসিয়ে রেখে ৫০০ টাকা অনলাইন চার্জ দাবি করে।আমি বলেছিলাম আমি একটি প্রতিষ্ঠানে কাজ করি এবং অনলাইনে কিন্তু কোন টাকা তো লাগেনা।তারপরেও টাকা দিয়েছি। আবার টাকাটা যখন পুনরায় রাখতে গেলাম তখন আবার ১০০০ টাকা দাবি করলো,আমি বলেছিলাম কেনো টাকা লাগবে আমিতো টাকা দেবোনা।কোন খাতে টাকা দেবো।ডকুমেন্টস লাগবে।১ ঘন্টা বসিয়ে রেখে ১.২০ মিনিটে বললো অনলাইনে সমস্যা কালকে আসেন আজকে আর কোন টাকা নেয়া হবেনা।আমি জানতে চাইলাম আপনাদের অফিস টাইম কয়টা পর্যন্ত, তখন আমার উপরে খুব রেগে গেলো।
আখাউড়া থেকে চট্রগ্রাম গাড়িতে টিকেট কাটলে ঢাকা চট্রগ্রামের ভাড়া আর টিকেট না কেটে ৩০০ টাকা দিলেই হলো
আশুগঞ্জ উপজেলায় একটি ১০ তলা বিল্ডিং অনুমোদনের জন্য আবেদন করি। জেলা প্রশাসক মিটিং এ অঅনুমোদন করলেও সভার কার্যবিবরণী তে এডিসি স্বাক্ষর করার বিনিময়ে উক্ত টাকা দাবী করেন নতুবা উনি ৮ম তলা পর্যন্ত দিবেন বলে জানান।
ডি-ক্যাটাগরির কারখানা হওয়ায় প্রতিবছর পরিবেশগত ছাড়পত্র নবায়ন করতে হয়। সরকারি চালান ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেওয়ার পরও সংশ্লিষ্ট পরিদর্শক নির্দিষ্ট তারিখে দেখা করতে বলে **প্রায় ২৫,০০০/- টাকা খামে করে দিতে বলেন**। টাকা না দিলে অনলাইনে বিভিন্ন আপত্তি/Show Cause দেওয়া হয় এবং কাগজপত্র পুনরায় জমা দেওয়ার পরও টাকা প্রদান না করা পর্যন্ত ছাড়পত্র ইস্যু করা হয় না। সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য অনুযায়ী, এ টাকা অফিসের বিভিন্ন পর্যায়ে দিতে হয়। এছাড়া বছরে দুইবার পরিবেশ অধিদপ্তরের ল্যাবের জন্য পানি নমুনা সংগ্রহের সময় সংশ্লিষ্ট টেকনিশিয়ান ** ১৫,০০০/- টাকা দাবি করেন**। টাকা না দিলে রিপোর্ট অনুকূলে দেওয়া হবে না এবং টাকা দিলে ভালো রিপোর্ট দেওয়া হবে। সকল টাকা পরিশোধ করেই ছাড়পত্র নিয়েছি । একটি পাওয়ার অপেক্ষায় আছি
আমি জম্ন নিবন্ধন আনতে গেসিলাম। মাইজগাঁও ইউনিয়ন পরিষদ, ফেঞ্চুগঞ্জ এর। সেখানে ৫০০ টাকা তারা দাবি করে। কোনো রিসিট দেই নি। আমি দিতে বাধ্য হই।
সচিবাচলয় মেট্রস্টেসন টয়লেট ইউজ করে আসার পরে একজন মহিলা মহিলা আমার কাছে টাকা ২০ টাকা দাবি করেন (আমরা ২ জন ছিলাম)। অতঃপর ঐ মহিলার সাথে আমার তুমুল কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে পাশে থাকা লেডি পুলিশকে ডেকে আনেন অনৈতিক ভাবে টকা দাবি করা ঐ মহিলা। পরবতীতে লক্ষনীয় বিষয় হলো লেডি পুলিশটি পূর্বের মহিলার চাওয়া অনৈতিক টাকা দাবিকে আগের চাইতে কয়েক ধাপ বেশি যুক্তিক এবং বৈধতা দেওয়ার মিশনে শামিল হলেন। আমার ইচ্ছা না থাকা সর্তেও আমার ছোট্ট ভাই টাকাটা পে করে, আমাকে টেনে নিয়ে আসে।
আবেদন ঠিক থাকার পরেও, আমার বাবার এনআইডি কার্ডে মায়ের স্থানে বউয়ের নাম অর্থাৎ আমার মায়ের নাম দিয়ে দেয়। পরে এটা সংশোধন করতে ৪০০০০ টাকা দাবি করে। ৩৫০০০ টাকায় রফাদফা হয়।