পেনশন
আমি মিলিটারি পুলিশ সার্জেন্ট, পেনশনের সময় কাগজ পত্র সঠিক করে দিবে মর্মে সাভার সি এমপি সেন্টারে ফিল্ড পে অফিস অডিটর আমার কাছে অফিসে ডেকে টাকা ঘুষ চাই। আমি দেইনি।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমি মিলিটারি পুলিশ সার্জেন্ট, পেনশনের সময় কাগজ পত্র সঠিক করে দিবে মর্মে সাভার সি এমপি সেন্টারে ফিল্ড পে অফিস অডিটর আমার কাছে অফিসে ডেকে টাকা ঘুষ চাই। আমি দেইনি।
আমার বাড়ির পারিবারিক যামেলায় তারা আমার বিরুদ্ধে একটি মামলা করে পরবর্তীতে থানার এস আই সেই মামলা থানায় মিমাংশা করার জন্য আমার কাছ থেকে 5000 টাকা ঘুষ দাবি করে । এবং আমি দিতে বাধ্য হই।
১৫০০ টাকা দিলে সহজ আর না দিলে মহাখালী ৩দিন ৫ দিন যাইতে হবে
আমার কনফার্ম হওয়া চাকরিতে জয়েন হওয়ার সময় কোম্পানি আমায় বলে যে আমার NID কার্ডে আমার বাবার নামের সাথে আমার সার্টিফিকেট গুলোতে আমার বাবার নামের কিছুটা ভিন্নতা রয়েছে। সেটা পরিবর্তন করতে গিয়ে আমাকে এই ঘুষের শিকার হতে হয়। দ্রুত পরিবর্তন করতে না পারলে চাকরি হাত ছাড়া হতে পারে এমন আশঙ্কায় ঘুষ দিতে বাধ্য হই।
ফ্যামেলি ব্যবহারের গ্যাস বাণিজ্যিক ব্যবহারের অভিযোগে গ্যাসের চাবি খুলে নিয়ে যায়। রাতে প্রধান অফিসার বাসায় চলে গেলে সাদা কাগজে স্বাক্ষর রাখে এবং ছাব্বিশ হাজার টাকা ঘুষ রেখে চাবি ফেরত দেয়। অনন্যোপায় হয়ে ঘুষ দিতে বাধ্য হই। পরে মিস্ত্রি দিয়ে লাগিয়ে নেই।
মোবাইল খুজে বের করে দিলে টাকা দামি করে মনে হয় এইটা সরকারি জায়গা না এইটা টাকা দিয়ে দাক্কা দিয়ে কাজ করানোর জায়গা
মামলা দাপ পরিবর্তন এর জন্য। টাকা ছাড়া কোন কাজ হয় না। দিন শেষে দোষ আইনজীবী আগায় না। আইনজীবীদের 1000 ফিস দেয় আর সেরেস্তাদার পেশকার পিয়ন 1000 টাকা দাবী করে । কি হবে টাকা ছাড়া মামলায় কাজ হয় না।
Govt Pension (Bangladesh Air Force) - taka na dile file open korbe na - call kore bolche taka dite then
কক্সবাজার সদর আদালতে মামলার শর্ট ডেট প্রদানের জন্য প্রতিবার আনুমানিক ১,০০০/- টাকা দাবি করে। দাবিকৃত অর্থ প্রদান করতে অসম্মতি জানালে মামলার পরবর্তী তারিখ অস্বাভাবিকভাবে প্রায় ৮ মাস পর নির্ধারণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
আমার প্রতিষ্ঠান একটি নীট কম্পোজিট টেক্সটাইল (গার্মেন্টস) ইন্ডাস্ট্রি। প্রতিবছর ফায়ার লাইসেন্স নবায়ন করতে হয়। ফায়ার লাইসেন্স নবায়নের দায়িত্বে থাকা ফায়ার অফিসার (পরিদর্শক) সরাসরি সরকারি নির্দিষ্ট ফী পরিশোধ করার পরেও অতিরিক্ত ১ লাখ টাকা দাবী করেন। টাকা পরিশোধ না করা পর্যন্ত লাইসেন্স নবায়নও হচ্ছিলো না। পরিশেষে আলোচনার মাধ্যমে ৬০ হাজার টাকায় তা মিমাংসা করা হয়। এবং পরবর্তীতে লাইসেন্স নবায়ন করা হয়। এইটা শুধু আমার প্রতিষ্ঠানে না এই অঞ্চলের সকল প্রতিষ্ঠানেই ফায়ার লাইসেন্স নবায়ন করতে হলে কম বেশী অতিরিক্ত অর্থ পরিশোধ সাপেক্ষে ফায়ার লাইসেন্স নবায়ন হয়। বর্তমান গত এক/দুই মাস আগে অই অফিসার ট্রান্সফার হয়েছেন।
আখাউড়া থেকে চট্রগ্রাম গাড়িতে টিকেট কাটলে ঢাকা চট্রগ্রামের ভাড়া আর টিকেট না কেটে ৩০০ টাকা দিলেই হলো
আশুগঞ্জ উপজেলায় একটি ১০ তলা বিল্ডিং অনুমোদনের জন্য আবেদন করি। জেলা প্রশাসক মিটিং এ অঅনুমোদন করলেও সভার কার্যবিবরণী তে এডিসি স্বাক্ষর করার বিনিময়ে উক্ত টাকা দাবী করেন নতুবা উনি ৮ম তলা পর্যন্ত দিবেন বলে জানান।
ডি-ক্যাটাগরির কারখানা হওয়ায় প্রতিবছর পরিবেশগত ছাড়পত্র নবায়ন করতে হয়। সরকারি চালান ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেওয়ার পরও সংশ্লিষ্ট পরিদর্শক নির্দিষ্ট তারিখে দেখা করতে বলে **প্রায় ২৫,০০০/- টাকা খামে করে দিতে বলেন**। টাকা না দিলে অনলাইনে বিভিন্ন আপত্তি/Show Cause দেওয়া হয় এবং কাগজপত্র পুনরায় জমা দেওয়ার পরও টাকা প্রদান না করা পর্যন্ত ছাড়পত্র ইস্যু করা হয় না। সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য অনুযায়ী, এ টাকা অফিসের বিভিন্ন পর্যায়ে দিতে হয়। এছাড়া বছরে দুইবার পরিবেশ অধিদপ্তরের ল্যাবের জন্য পানি নমুনা সংগ্রহের সময় সংশ্লিষ্ট টেকনিশিয়ান ** ১৫,০০০/- টাকা দাবি করেন**। টাকা না দিলে রিপোর্ট অনুকূলে দেওয়া হবে না এবং টাকা দিলে ভালো রিপোর্ট দেওয়া হবে। সকল টাকা পরিশোধ করেই ছাড়পত্র নিয়েছি । একটি পাওয়ার অপেক্ষায় আছি
আমি জম্ন নিবন্ধন আনতে গেসিলাম। মাইজগাঁও ইউনিয়ন পরিষদ, ফেঞ্চুগঞ্জ এর। সেখানে ৫০০ টাকা তারা দাবি করে। কোনো রিসিট দেই নি। আমি দিতে বাধ্য হই।
সচিবাচলয় মেট্রস্টেসন টয়লেট ইউজ করে আসার পরে একজন মহিলা মহিলা আমার কাছে টাকা ২০ টাকা দাবি করেন (আমরা ২ জন ছিলাম)। অতঃপর ঐ মহিলার সাথে আমার তুমুল কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে পাশে থাকা লেডি পুলিশকে ডেকে আনেন অনৈতিক ভাবে টকা দাবি করা ঐ মহিলা। পরবতীতে লক্ষনীয় বিষয় হলো লেডি পুলিশটি পূর্বের মহিলার চাওয়া অনৈতিক টাকা দাবিকে আগের চাইতে কয়েক ধাপ বেশি যুক্তিক এবং বৈধতা দেওয়ার মিশনে শামিল হলেন। আমার ইচ্ছা না থাকা সর্তেও আমার ছোট্ট ভাই টাকাটা পে করে, আমাকে টেনে নিয়ে আসে।
আবেদন ঠিক থাকার পরেও, আমার বাবার এনআইডি কার্ডে মায়ের স্থানে বউয়ের নাম অর্থাৎ আমার মায়ের নাম দিয়ে দেয়। পরে এটা সংশোধন করতে ৪০০০০ টাকা দাবি করে। ৩৫০০০ টাকায় রফাদফা হয়।
আমার বাবা শরিয়ত পুর দাখিল মাদ্রাসায় শিক্ষক ছিলেন, এমপি ভুক্ত হওয়ার পর, কয়েক বছর চাকুরী করা অবস্থায় বাবা মারা যান, তারা প্রথমে একটা টাকা দেয়, প্রায় ৭৩ হাজার টাকার মত, পর্বর্তীতে পেনসন অথবা এক কালীন একটা টাকা দেবার কথা, কিন্তু দেয় নাই, আমাদেন বাড়ি চাঁদপুর, আমরা চাঁদপুর থেকে শরিয়তপুর আমার বোন সহ একাধিক বার পেন্সিবল এক কাছে গিয়েছি, প্রতিবারে হুজুর দুই হাজার টাকা করে নিতেন, আর বলতেন আমি ঢাকায় গিয়ে যোগাযোগ করবো, এইভাবে একাধিক বার টাকা নেওয়ার পর, আমরা ক্লান্ত হয়ে সেই পথ থেকে ফিরে এসেছি, আমার বোনের নামে ছিল নমিনী, আর আমার বাবা ইরান যখন কুয়েত দখল করে সেই যুদ্ধের সময় বাবা বাড়িতে আসে, এবং বাবা কাগজ জমা দেয় ক্ষতুপূরনের জন্য, কিন্তু সেই টাকা ও পাই নাই, আসলে বাংলাদেশের সরকারি কর্মকর্তা হচ্ছে বড় মাপের চো
ফায়ার লাইসেন্স নবায়নের ক্ষেত্রে চলতি বছরে অনলাইনে আবেদন ও অনলাইন সার্টিফিকেট গ্রহণের জন্য সরকারি ফি/চালানের বাইরে ৩৫,০০০/- (পঁয়ত্রিশ হাজার) টাকা প্রদান করতে হয়েছে। অনলাইন প্রক্রিয়ায় আবেদন ও সার্টিফিকেট সম্পন্ন হলেও সংশ্লিষ্টদের চাহিদা অনুযায়ী উক্ত অতিরিক্ত অর্থ প্রদান ছাড়া কার্যক্রম সম্পন্ন করা সম্ভব হয়নি। টাকা ছাড়া লাইসেন্স পাওয়া যায় না । উনাদের বক্তব্য এসব টাকা দিয়ে উরধতন থেকে ইনেস্পেক্টর অব্ধি লাগে ।
বিলের টাকার অংকের ১% না দিলে চেক হস্তান্তর করে না,, না রকম হ্যারেজ করে,, এ টেবিল সে টেবিল ঘুরায়,, সকল DPHE অফিসে একই রকম অবস্থা,, সকল নিম্ন থেকে উর্ধতন সকল কর্মচারিই প্রত্যেকের জন্যেই ১% করে কমিশন চলে,, না দিলেই বিল আটকে দেয়,, সাক্ষর করে না,, বাজে আচারন করে,,
পরিবেশ অধিদপ্তরের সেবা প্রত্যাশী হিসাবে শুধু আমি ভুক্তভোগী হয়েছি বিষয়টা এমন না, যেকোন প্রতিষ্ঠানই পরিবেশগত ছাড়পত্র গ্রহণ করতে গেলে টাকা না দিলে সেবা পাওয়া যায় না বললেই চলে। শুধু ঢাকা মহানগর ডিপার্টমেন্টর সহকারী পরিচালক(পুরুষ), উপ-পরিচালক (পুরুষ), (অতি অল্পসংখ্যক কর্মকর্তা বাদে) এদেরকে টাকা না দিলে ফ্রেশ ফাইলটা ও মাস কে মাস ফেলিয়ে রাখে। আমার কথার সত্যতা যাচাইয়ের জন্য পরিবেশ অধিদপ্তরের মহানগর শাখায় দুর্নীতি দমন কমিশনের একজন সৎ গোয়েন্দ লাগিয়ে দেখুন। আমি মুসলিম হিসাবে কোন ব্যক্তির নাম উচ্চারণ করে অপরাধ প্রকাশ করলাম না। দেশের স্বার্থে যদি নাম প্রকাশ করতে হয়, আমি প্রমান সহ করব। আমি পর্যায়ক্রমে অন্যান্য সকল ডিপার্টমেন্টর ঘুষখোরদের হিন্টস দিতে থাকবো ইনশাআল্লাহ।