নির্বাচন অফিস
আমার এনআইডিতে আমার বাবা মার নাম ভুল ছিল এটা ঠিক করার জন্য আমার কাছে ৫০০০ টাকা চাইছে এর কনভারসেশন আমার কাছে আছে চাইলে দেয়া যাবে প্রমাণ যাকে প্রমাণ বলে
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমার এনআইডিতে আমার বাবা মার নাম ভুল ছিল এটা ঠিক করার জন্য আমার কাছে ৫০০০ টাকা চাইছে এর কনভারসেশন আমার কাছে আছে চাইলে দেয়া যাবে প্রমাণ যাকে প্রমাণ বলে
বাংলাদেশের প্রতিটি সরকারি চাকরি তে শিরাই শিরাই দূনীতি ঘূষ ঢুকে গেছে। কাকে ভালো বলবেন সাধারণত আমরা ভাবি ডিফেন্স জব ঘূষ লাগে না।বাস্তবে ওখানে সবচেয়ে বেশি দূনীতি।
পুলিশ ক্লিয়রেন্স করতে সব কাগজ দেওয়ার পরও সার্টিফিকেট পাওয়া যায়না। কাপাসিয়া থানায় ৪০০০ টাকা দিলে সার্টিফিকেট পাওয়া যায়।
জন্মনিবন্ধন সংশোধন আবেদন ফি সরকার নির্ধারিত ৫০ টাকা থাকলেও ১১০ টাকা ফি আদায় করা হয় এবং ১থেকে ৫বছরের ছোট বাচ্চাদের জন্মনিবন্ধন সরকার নির্ধারিত ফি ২৫টাকা থাকলেও তা ১১০ টাকা আদায় করা হয় এভাবে দিনের পর দিন সাধারণ জনগণের পকেট কাটা হচ্ছে আর এসব অতিরিক্ত আদায় করা হচ্ছে।
পুলিশ হেডকোয়ার্টার এর এআইজি ম্যানেজমেন্ট-৩ বদলি ইস্যিতে আলোচনা করতে গেলে।উনি নানা অযুহাত দেখান।এটা এই আইনে হয় না।এরপর উনাকে বললাম আপনি কত হলে করবেন।উনি বলেন দেড় লাখ হলে করা যাবে।এরপর প্রত্যাখান করে চলে আসছি।।পরবর্তীতে অফিসিয়াল ভাবে বদলি কাজ আগানোর পরে,উনি সেটা তার অফিসে বাতিল করে দেন।আর পুলিশ বদলি বাণিজ্য যেনো এক রমরমা ব্যাবসা।
আমার কোম্পানীর সার্ভিস রুলস অনুমোদনের জন্য ঢাকা জেলার এক ইন্সপেক্টর আমার কাছে আট লক্ষ টাকা দাবী করেছিলো। কারণ-উনাদের হেড অফিসের বসদের অনুমোদনের জন্য নাকী এই খরচ। খরচ না দিলে সার্ভিস রুলস অনুমোদিত হবে না। বাধ্য হয়ে আমি 500000-পাঁচ লক্ষ টাকা পরিশোধ করি।
গাজীপুর হাইকোর্টে গেছিলাম সেখানে হাইকোর্ট সংলগ্ন একটা মাঠ আছে সেখানে গাড়ি রাখতে ছিলাম তখন আমার কাছ থেকে চাঁদা নিয়েছে ৫০ টাকা এরকম আর সবার কাছ থেকে টাকা নিতেছে বিএনপির কিছু সদস্য পাতিনেতা মারটা তারা অযত্ন হয়ে গেছে এবং গাঁজা খোরদের আড্ডা বানিয়েছে। সেখানে অনেকগুলো কোয়াটার আছে যা বিএনপির লোকেরা ভেঙ্গেচুরে লুটপাত করে নিয়ে গেছে। তাই প্রশাসনের কাছে দাবি অতি শীঘ্রই গাজীপুর হাইকোর্টের সংলগ্ন কোয়াটার এবং মাঠটাকে যেন পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখে
আমি সিউর না এটা সরকরি কোষাগারে যায় কি না। কেননা তারা তো কোন রশিদ দেয় না 🤔
আমি একজন শিক্ষার্থী গত ২৪ জুলাইয়ের আন্দোলনর একজন সম্মখ সরির যোদ্ধা। ৩৬ জুলাইয়ের পর দেশের বিভিন্ন স্থানে দূর্নীতিবাজদের উৎখাত করা হয়েছিল.. সেরকমই একটি কার্যক্রমে আমার এলাকার একছোট ভাইয়ের পরামর্শে তাদের আন্দোলনে যোগ দেই। যার বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল তিনি পরবর্তীতে ঐ ছেলের সাথে আতাত করে কিন্তু আমরা বাকিরা আমাদের কার্যক্রমে অটুট থাকি। এক পর্যায়ের আন্দোলনে সফল হই কিন্তু ঐ ব্যাক্তি পরর্বতীতে আমাদের ১২ জনের নামে ছিন তাইয়ের মামলা দেওয়ার জন্য আদালতের তদন্তের আবেদন জানায়।পুলিশ ঐ সময় সঠিক তদন্তে তার অভিযোগ খারিজ করে দেন কিন্তু তিনি সিবিআইয়ের কাছে আবেদন করেন পুনরায় তদন্তের.. কিন্তু বিপিআই আমাদের কাছে ৪০০০০ দাবী করে এবং সে জানায় সে একাই সেই টাকা খাবে না.. সবাই মিলে খাবে..এভাবেই চলছে আমাদের নতুন বাং৬
মিষ্টি খাওয়ানোর জন্য। সবার কাছ থেকেই টাকা নেয়।
ব্যাংকের চেক বই আনতে গেছিলাম বললো হবে না। পরে বললো ৫০০৳ দিলে ৩ চেক বইয়ের পাতা দিতে পারবে
ভেরিফিকেশনের জন্য আমাদের ৫ জনের দায়িত্ব পড়ে একজন SI এর কাছে। উনি আমাদের সবাইকে সন্ধার টাইমে রাজৈরে ডাকেন। প্রত্যেকের থেকে ৫ হাজার টাকা ঘুষ দাবী করেন। অনেক অনুনয় বিনয়ের পর জনপ্রতি ২৫০০ টাকায় রাজি হয়। আমার টিউশন থেকে জমানো অতি কষ্টের উপার্জন ছিল। ২৫০০ টাকা ঘুষ দিতে আমার চোখে পানি চলে আসছিল।
আমাদের ইয়ারপুর ইউনিয়ন পরিষদ, যাহা আশুলিয়া থানায় অবস্থিত, আমার এই ইউনিয়নে কোন সেবা যেমন: নাগরিক সনদ, জন্ম নিবন্ধন বা ট্রেড লাইসেন্স সহ অন্যন্যা সকল সেবার জন্য গেলে সেখানে সরাসরি কোন টাকা চাওয়া হয় না বরং নানা অজুহাত দেখানো হয় যাতে আপনি ওনাদের টাকা দিয়ে ঐ কাজ করতে বাধ্য করা হয়। যেমন নাগরিক সনদ পত্রের জন্য যাওয়া হলে বলবে আপনি এই ইউনিয়নের স্থায়ী বাসিন্দা নন আরো অনেক কিছু জন্য হবে না, আবার সেক্ষেত্র তাদের 200-300 টাকা দিলে তখন তারা ঠিকই নাগরিক সনদ পত্র প্রদান করেন। এবং ট্রেড লাইসেন্স এর ক্ষেত্রে প্রকৃত খরচ 230 টাকা সেখানে তারা 1500-1700 টাকা নেন। যারা টাকা দিতে চায় তাদের জন্য প্রেয়োজন হয় বিভিন্ন ধরনের কাগজপত্র। কিন্তু টাকা দিলে আর কোন কাগজপত্র প্রেয়োজন হয় না।
অভিযোগ বিষয়: জন্ম নিবন্ধনের অতিরিক্ত ফি আদায়ের অভিযোগ। আমি আমার ২ বছর বয়সী সন্তানের জন্ম নিবন্ধন করার জন্য ৬ নং রাজিউড়া ইউনিয়ন পরিষদ অফিসে যাই। সেখানে দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি আমার কাছে ২০০ টাকা ফি দাবি করেন। আমি সরকারি ফি ৫০ টাকা বললে তিনি রেগে গিয়ে বলেন, “২০০ টাকা না দিলে জন্ম নিবন্ধন বাতিল করে দেব।” বাধ্য হয়ে আমি ২০০ টাকা দিয়ে সন্তানের জন্ম নিবন্ধন করি। তাই বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য অনুরোধ করছি।
বয়স্ক ভাতার কাগজ কার্ড করতে গেলে এই টাকা দাবী করে।
নতুন টি সি বি লাইসেন্স পাওয়ার জন্য ইউনিয়ন পর্যায়ে তথন্ত কর্মকর্তাকে দেই 3000 টাকা , উপজেলা পর্যায়ে কর্মকর্তাকে দেই 4000 টাকা, তারপর জেলা ডিসি অফিসে দেই 3000 টাকা যদিও তাদের ডিমান্ড ছিল বেশি, তারপরও কাজটা হবে না, কারন ছুরান্ত পর্যায়ে এম পির ডিও লেটার লাগবে, সো আমি ব্যর্থ।
৭০০০ / বেশি টাকা নিয়েছিল
Beuecratic pressure , baseless legal notice , the money was flown from top to bottom
পরিবেশ লাইসেন্স এর সব কাগজ ঠিক থাকা সত্তেও ইনস্পেকটর ২০,০০০টাকা দাবি করে। টাকা কেন লাগবে তিনি বলেন পরিচালক স্যার টাকা ছাড়া ফাইলে সিগন্যাচার করবেন না। আমি বলেছি সব কাগজ ঠিক আছে তাও এটা লাগবে, তিনি বলেছেন টাকা না দিলে আপনার প্রতিষ্ঠানে মোবাইল কোর্ট করে ব্যবস্থা নিব। পরিবেশ অধিদপ্তরের মাস্তানির কারনে মনে হয় কোন কাজ ঠিকমতো করা যাবে না।
টাঙ্গাইল পৌরসভায় কোন আবাসিক ভবন নির্মানের জন্য অবশ্যই ঘুষ দিতে হয় নচেৎ নকশা অনুমোদন সম্ভব নয়। ডিজাইন ঠিক নেই বলা হয়। পরবর্তীতে নকশা অনুমোদন ভিভাগের ইঞ্জিনিয়ারকে টাকা দেওয়া লাগে তার পর তিনি অনুমোদন করতে সম্মত হন এবং ফাইল বা নকশা জমা রাখেন। টাকা দেওয়ার আগ পর্যন্ত তিনি ফাইল জমা নিতেই অস্বীকৃতি জানিয়েছিলেন।