মডেল থানা
প্রতিবেশির সাথে জায়গা নিয়ে বিরোধ হলে পুলিশ ১৪০০০ টাকা আমাদের কে ভয় দেখিয়ে খায়। বলে নইলে আদালতে কাগজ যাবে। আপনাদের জেলে থাকতে হবে। সবই মিথ্যা।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৭৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
প্রতিবেশির সাথে জায়গা নিয়ে বিরোধ হলে পুলিশ ১৪০০০ টাকা আমাদের কে ভয় দেখিয়ে খায়। বলে নইলে আদালতে কাগজ যাবে। আপনাদের জেলে থাকতে হবে। সবই মিথ্যা।
প্রতিটি প্রকল্প থেকে ১৩% টাকা কেটে রাখে।ঘুষ বাবদ।
এখানে টাকা ছাড়া মামলা নেয় না । ওসি সাহেব আমার কথা শুনে এবং তদন্ত রিপোর্ট শুনে মামলা নিতে বললেও , এসআই রা টাকা ছাড়া মামলা নেয়া না ।
পোস্ট অফিস যেকোনো সেবা নিতে গেলেই টাকা লাগে যেমন সাধারণ সঞ্চয় পত্রের ফরম কিনতে গেলে ১৫০ টাকা লাগে, সঞ্চয় পত্রের মেইন কফি স্বাক্ষর কোথা থেকে গেল এক হাজার টাকা লাগে ,যদি কোন কারণবশত ভাঙতে চায় তাহলে আর্জেন্ট যদি টাকা লাগে দুই হাজার টাকা চায় না হলে ১৫ দিন ২০ দিন পরে দিবে বলে
Amar Birth Certificate kore dewar binimoye amar kase tk niase
চারিত্রিক সনদ ১০০, নাগরিকত্ব সনদ ১০০, একাধিক নামের সনদ ১০০, ফিস, না দিলে সেবা নাই। সব মিলিয়ে দিতে হয়েছে। কিন্তু আগে লাগতো না সেবা ফ্রিতে পাওয়া যেত। কারন চকিদারী ট্যাক্স দিতাম সেবা নিতাম। এখন ট্যাক্স ও দেই সেবার ধরন অনুযায়ী টাকাও দেই।
আমার ফ্যাক্টরির জন্য অবস্থানগত সার্টিফিকেট না নিয়ে পরিবেশগত সার্টিফিকেটের জন্য আবেদন করেছিলাম। আমাকে যতনগত সার্টিফিকেট এ বিষয়ে আমার কোন ধারণা ছিল না। আমি ফ্যাক্টরি নির্মাণ অপ্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি সংযোজন করি, তারা আমাকে এই ভুলটা উল্লেখ করে ও শৃঙ্খলা হবে এই হুমকি দিয়ে অবস্থানগত সার্টিফিকেটের জন্য ৫০হাজার টাকা দাবি করে তারপর পরিবেশ গত সার্টিফিকেট জন্য আবেদন করতে বলে এবং সেটার সরকারি খরচ ২৫ হাজার টাকা। এবং তার জন্য তার আরো ২৫ হাজার টাকা দাবি করে যেন আমি পরিবেশগত সার্টিফিকেট দ্রুত পাই। সর্বমোট তার ২৫ হাজার এর ৭৫ হাজার টাকা প্রস্তাব রাখে। অর্থাৎ আমার এক লাখ টাকা তার খরচ হবে। যেখানে আমার সরকারি খরচ এ সর্ব ২৫ হাজার টাকা হয়ে যাওয়ার কথা ছিল।
আমি একটি পারিবারিক সমস্যার জন্য আশুলিয়া থানায় যাই জিটি করার জন্য কিন্তুু আমারে বলে তারা একটি লেখিত আকারে দিতে হবে আমি বলিলাম যে কোথায় থেকে দেবো তারা বলে আমাদের লোক আছে তাদের কাছে লেখে নিলাম একটি ফরম ৫০০ টাকার বিনিময়।তার পরে জিটি কাগজ জমা দিলাম তারা বলে যে আমারদের লোক জাবে এই কথা বলে এবং বলে তার যে ওখানে দোখান আছে ওখানে বসেন আমরা ওখানে বসলাম পরে কনস্টেবল আসলো এবং বললো যে সারেরা যাবে তাদের খরজ আছে কিছু দিতে হবে এবং টাকার জন্য জোর করে এবং বলে টাকা না দিলে সারেরা যাবে না বাদ্য হয়ে টাকা দেই ৫০০ টাকা।সে বলে এটাকা দিলে যাবেনা পরে আমি ১০০০ টাকা দেই এই হলো দেশের আইন। গরিবের জন্য বাংলাদেশে টাকা ছাড়া আইন নাই,,,আমাদের আল্লাহ আছে,,,,।
আমাদের চট্টগ্রাম কোর্ট হিল ট্রেজারিতে যখন স্টাম্পের চালান করি আমাদের চালানের পরিমাণ থাকে ৪৯৫০০=/ টাকা চালান।মোট ৫০০০০=/টাকা তারা নেয়।এখন সরকার আমাদেরকে যে ৫০০ টাকা কমিশন দেয় তা তারা জোর করে নিয়ে নেয়।যদি ৫০০ টাকা তাদের না দেওয়া হয় তারা ট্রেজারিতে মালের সংকট দেখায়।আর তারা পরবর্তীতে সে লাইসেন্সকৃত ভেন্ডারদের সাথে খারাপ আচরণ করে। আমরা সপ্তাহে এইরকম ৪৯৫০০× ২০=৯,৯০,০০০ টাকা বান্ডেল স্টাম্পের চালান করি। বাকি ৫০০×২০= ১০,০০০টাকা সপ্তাহে।অথাৎ আমাদের সহরে যত ভেন্ডার আছে সবার থেকে তারা এই ভাবে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।এই অনিয়ম এর বিরুদ্ধে কেউ দাঁড়াচ্ছে না। দ্রুত এই অনিয়ম বন্ধের দাবি জানাচ্ছি সরকারের কাছে।
আমার বাবা ২০২৩ সালে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী থেকে রিটায়ার্ড প্রাপ্ত হন তো তখন আমাদের কাছে এক ব্যাক্তি ফোন দিয়ে আমাদের কাছে পেনসন এর টাকার কথা বললো এবং কত টাকা দিতে হবে সেটা বললো সভাবতই আমাদের বাবা ভিতু মানুষ কোন কিছু না বলেই যত টাকা দালাল দাবি করেছে সব টাকা বাবা দিয়ে দিছে। সেই মাসে আমাদের চলতে খুব কষ্ট হয়েছে ভাই। সময় টা ছিলো ১/০৫/২০২৩। বাবা ছেলে এর বেতন এক সাথে করেও সেই টাকা দিতে অনেক কষ্ট হইছিলো সেই বছর।
চাকুরী থেকে অবসরপ্রাপ্ত।টাকা না দিলে হয়তো বিভিন্ন ভাবে টাকা কেটে কম দিবে।সে জন্য ঘুষ দেওয়া।
Pabna Zilla School . They take 50 taka per student for testimonial.But by rules it is free.
চাকরিতে যোগদান করার পর পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য বাসায় পুলিশ আসে, চা-নাস্তা করানোর পর তারা ৩৫০০ টাকা দাবি করে এবং এটা বলে যে, ভেরিফিকেশন রিপোর্ট ভালো দিবে কোনো সমস্যা পাবে না কেউ । অথচ, আমার নামে কোনো খারাপ রিপোর্ট নাই, না আছে পুলিশের খাতায় কোনো নাম, এলাকার কোনো মানুষও খারাপ বলতে পারবে না । তবুও বাধ্য হয়ে ৩৫০০ টাকা দিতে হয়েছে
সরাসরি টাকা দাবি করে
আমি আমার ট্রেড লাইসেন্স এর ইংরেজী ভার্সন এর প্রিন্ট কপির জন্যে অফিসে গেলে তারা বলে আগের মত সম্পূর্ণ ফিস পরিশোধ করতে, বাস্তবে ইংরেজী ভার্সন এর ডুপ্লিকেট ওঠাতে এত টাকা লাগার কথা না. তারপরও তারা আমাকে বলে সম্পূর্ণ টাকা প্রদান করতে আমি না করে দিয়েছি
আমাদের মসজিদে এমপি,র কোটায় সংস্কারের জন্য ২ লক্ষ টাকা বরাদ্দ হলে ১ম কিস্তির ১ লক্ষ টাকা পেতে ৬০০০/ টাকা বিভিন্ন টেবিলে দিতে হবে বলে জেলাপরিষদ সার্ভেয়ার ৬০০০/ টাকা নেন। কিন্তু পরবর্তী কিস্তির টাকা গত ৬ মাস যাবৎ বিভিন্ন অযুহাতে ঘোরাচ্ছে, এখন চেক রেডি করার জন্য একাউন্স সেকশনের নারী কর্মী আটকে রেখেছে। আমরা ব্যক্তিগতভাবে ২ লক্ষ খরচ করে যথাযথ প্রমানাদি দাখিল করি। আমি নিজেও একজন সরকারি ১ম শ্রেনীর কর্মকর্তা। মসজিদের কাজে আর ঘুষ দিতে চাইনা, বার বার ফোন করছি, কিন্তু তারা তাদেরমত ঢিমে তালে আগাচ্ছে, প্রায়ই ফোন ধরে না।
Told me the whole chagres of the facility wrong,the realammount to be paid was 710 tk,they asked for 1900 tk.
গাইবান্ধা জেলা পলাশবাড়ী উপজেলা মনোহরপুর ইউনিয়ন এর দুনীতির চিত্র। জন্ম নিবন্ধন সংশোধনের জন্য আমার কাছ থেকে ১২০ টাকা নাগরিকত্ব সনদ প্রতিটি কপির জন্য জন্য ৪০ টাকা , নতুন ভোটার প্রত্যায়ন এর জন্য ৮০ টাকা দাবি করে। আমি মনে করি ইউনিয়ন পরিষধ থেকে আমার কাছে বেশি টাকা দাবি করে হয়। যা অন্য ইউনিয়ন থেকে অনেক বেশি করে নেয়া হয়।
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স এর আওতাভুক্ত ফায়ার সেফটি প্রশিক্ষণ কর্মশালা। প্রথমে সরকারি নির্ধারিত ফ্রি ব্যাংকে পরিশোধ করা হয়, পরবর্তীতে প্রশিক্ষণ দেওয়ার জন্য প্রতিষ্ঠানে দুইজন ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের কর্মকর্তা বা ট্রেইনার উপস্থিত হন এবং শ্রমিকদের এবং কর্মচারীদের প্রশিক্ষণ দেন প্রশিক্ষণ শেষে কিছু অর্থ প্রত্যাশা করেন এমন তো অবস্থায় প্রত্যাশা পূরণ বাবদ ৫ হাজার টাকা প্রদান করা হয় এভাবে দুইদিন প্রশিক্ষণ শেষে ১০ হাজার টাকা প্রদান করা হয় তাদের প্রত্যাশা অনুযায়ী।
My mother payed money to গৃহায়ন অধিদপ্তর from 1984 to 2009 as monthly instalment and had all the documents with her . Still the treasury office at sadarghat , Dhaka claimed 150000 taka for clearance letter to me.