বিল উত্তোলন
আমি একটি সরকারি প্রতিষ্ঠানে কাজ করে বিল উত্তোলন করতে গেলে আমার কাছে এই টাকা চাওয়া হয়।যেহেতু এই টাকা ছাড়া বিল ছাড় করবে না আর আমার টাকাটা খুব দরকার তাই আমি দাবিকৃত ঘুষ দিতে বাধ্য হই।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমি একটি সরকারি প্রতিষ্ঠানে কাজ করে বিল উত্তোলন করতে গেলে আমার কাছে এই টাকা চাওয়া হয়।যেহেতু এই টাকা ছাড়া বিল ছাড় করবে না আর আমার টাকাটা খুব দরকার তাই আমি দাবিকৃত ঘুষ দিতে বাধ্য হই।
২৫ শত টাকা না দিলে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স পাওয়া যাবে না
আমি একজন স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর এর নিয়মিত ঠিকাদার। এখানে উপজেলা অফিস ২%,নির্বাহী প্রকোশলী ১%,এবং সিনিয়ার এসিস্ট্যান্ট ইন্জিনিয়ারি,জুনিয়ার এসিস্ট্যান্ট ইন্জিনিয়ার, এস এ ইি,ল্যাব,একাউন্টস,সব মিলে ১.৫%,সরকারি মহা হিসাব নিরিক্ষণ অফিস. ২০% হারে ঘুষ না দিলে কনো বিল পাশ হয় না তাই বাধ্যতামুলক টাকা দিতে হয় এই টাকা না দিলে বিভিন্ন ভাবে হয়রানি করে থাকে।
চাকুরী দিবে বলে টাকা চেয়েছে
ফেনী শহরের প্রতিটি দোকান - ফ্যাশন আউটলেট গুলো তে সরকারি নিময় ও অনুযায়ী সাপ্তাহিক শুক্রবার বন্ধ থাকার কথা থাকলেও তারা মাসিক চাদা চায় ৩০০০টাকা করে প্রতি দোকানে এটা বাধ্যতামূলক দিতে হবে লেবার কোড এর ডিসি মহাদয় সাহেব এবং লেবার আইনের মামলা ভয়বিধি দেখায় তাই ব্যবসা করতে হলে ৩০০০টাকা করে দিতে হবে।।।।। ২০০ টাকা লাগে লেবার লাইসেন্স মানে কর কারখানা লাইসেন্সের তারা ৩০০০টাকা করে প্রতি বছর নিয়ে থাকে।।।
সৌদি আরব জাওয়ার জন্য নতুন নিয়ম চালু করছে সৌদি আরবের সরকার তাকামুল সার্টিফিকেট তার মুল্য মাএ ৭০০০টাকা আমি পরীক্ষা দেওয়ার পরে আমাকে বলে টাকা না দিলে পাস করিয়ে দিবো না
আমি একজন যুক্তরাজ্য প্রবাসী। দেশে অবস্থানকালে আমার যুক্তরাজ্যে জন্মগ্রহণকারী সন্তানের জন্ম নিবন্ধন করতে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদে যাই। সেখানে প্রথমে আমাকে বলা হয় “সার্ভার ডাউন” এবং সরকারি ফি ও বিলম্ব ফিসহ ১,৫০০ টাকা দাবি করা হয়। দায়িত্বপ্রাপ্ত অপারেটরও তখন অফিসে ছিলেন না। চেয়ারম্যান মহোদয়কে বিষয়টি জানিয়ে অভিযোগ করার কথা বলার পর অপারেটর অফিসে এসে কাজ শুরু করেন এবং তখন সার্ভার স্বাভাবিকভাবেই চালু ছিল। অর্থাৎ শুরুতে আমাকে ভুল তথ্য দেওয়া হয়েছিল বলে প্রতীয়মান হয়। এছাড়া দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তির কাছ থেকে লন্ডন ও যুক্তরাজ্যকে পৃথক দেশ হিসেবে উল্লেখ করার মতো ভুল তথ্যও পাওয়া যায়। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করছি।
ওয়ারিশন সনদ করার জন্য, কাউন্সিলর অফিসে সকল কাগজপত্র জমা দেওয়ার পরে, সেখান থেকে আমাকে জানানো হয়, আমার কাগজপত্র সাইন হয়ে কাউন্সিলর অফিসেই আসবে। কিন্তু দীর্ঘদিন অপেক্ষা করেও পাইনি আমার ফাইল। তারপর আমার ফাইল কোথায় আছে জানতে চাইলে বলে সিটি কর্পোরেশন আছে, সেখানে গিয়ে ফাইল খুজে বের করার পরে বলে ৩০০০ টাকা দিতে হবে না হলে কাজ হবে না। তারপরের দিন আমার কর্মস্থলে এসে টাকা নিয়ে গেলেন আর কাজ হয়ে গেলো।
সেবাটি ছিল আমার বিদেশ যাওয়ার জন্য পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট এর আবেদন ফাইল জমা দিতে, সেখানে আমার কাছে 700 টাকা দাবি করেছিল, পরে আমি সেটা দিয়েছিলাম।
আমি আমার ভাইয়ের জন্য এন আই ডি আবেদন করতে গিয়েছিলাম কিন্তু এই কাজটি আমাকে অনেক দ্রুত সময়ে সম্পূর্ণ করে দিবে এর জন্যে ৪০০০ টাকা দাবি করেন এবং আমি যদি টাকা না দেই তাহলে অনেক সময় লাগবে কিন্তু আমি বলেছি এই বিষয়ে আপনার সাথে ফোনে কথা বলবো তারপর মোবাইল নাম্বার নিয়ে আসি।
নতুন ড্রাগ লাইসেন্স করতে প্রতিজনের কাছেই ১৫/২০/৩০ হাজার টাকা করে দাবি করে তারা। কিন্তু আমি টাকা দিতে রাজি হইনি, নিজে নিজে অনলাইনে আবেদন করেছি ১ বছর হল কিন্তু কাজের কোনোই অগ্রগতিই নেই।
জন্ম নিবন্ধন নম্বর পরিবর্তন করার জন্য (কুড়িগ্রাম জেলা ফুলবাড়ি উপজেলা ডিসি অফিস) যাই সেখানে সার্ভার সমস্যা বলে প্রতিনিয়ত হয়রানি করা হয়। সেখানে লোকের মাধ্যমে টাকা দিলে সঙ্গে সঙ্গে কাজ করে দেয় যা বাধ্য হয়ে ঘুষ দিতে হয়েছে।
কুমিল্লা চৌদ্দগ্রাম পাইলট বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক প্রতিনিয়ত স্কুলটাকে লুটপাট করে খাচ্ছে স্কুলের ছাত্রীদের কাছ থেকে একদিন স্কুলে না গিয়ে থাকলে তার বদল স্যার বিশ টাকা জরিমানা আদায় করে নেয় কোন প্রমান পত্র দেয় না এরপর স্কাস পরিক্ষা হলে ৩০০ টাকা করে নিয়ে যায় এরপর মাসিক বেতন ৪০০ টাকা আমার প্রশ্ন হলো একজন ছাত্রী স্কুলে অসুস্থতার কারনে না যেতে পারলে ছুটির দরখাস্ত দিয়ে থাকে যেন জরিমানা দিতে না হয় কিন্তু ছুটির দরখাস্ত দেওয়ার পর ও ২০ টাকা জরিমানা আদায় করে নেয় বাংলাদেশের কোন স্কুলে এমন হয় কিনা আমার জানা নেই এরপর রেজিষ্ট্রেশন করার সময় মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেন তিনি
আমার বাচ্চার জন্য ইতালিতে পাসপোর্ট তৈরি করা বাধ্যতামূলক আমি পাসপোর্ট তৈরি করার জন্য বাংলাদেশ থেকে জন্ম সনদপত্র বানিয়েছি সেখানে তারা জন্ম তারিখ ভুল দিয়েছে। আমি বারবার তাদেরকে সকল ডকুমেন্ট দিয়েছিলাম কিন্তু তারা জন্ম তারিখটি ভুল আসছে বলে আমাকে জানিয়েছে। পরবর্তীতে আমি এটা সংশোধন করার জন্য দিয়েছি সে ক্ষেত্রে তারা তিন হাজার টাকা চেয়েছে তারা জন্ম তারিখ সংশোধন করে দিয়েছে ঠিকই কিন্তু জন্মস্থানের জায়গায় বাংলাদেশ লিখে দিয়েছে। যেটা ভুল হয়েছে আবারও সেখানে সংশোধন করার জন্য তাদের কাছে দিতে হয়েছে নতুন করে জন্মস্থান ইতালি লিখার জন্য। সে ক্ষেত্রে তারা আবারও আমার কাছ থেকে ৩ হাজার টাকা নিয়েছে এছাড়াও প্রথমবার জন্ম সনদ তৈরি করার ক্ষেত্রেও তারা টাকা নিয়েছে।তাছাড়াও প্রচুর পরিমাণে হয়রানি করেছে.
একবার সার্ভে করা জমি যা তসদিককৃত। এখন সেটেলমেন্ট ট্রাইবুনাল চেক করে গেজেট করবে। কাগজপত্র সব ঠিক আছে। দেখানোর হাজিরা ৫০০ টাকা। আর কাজ ফাইনাল করবে এই জন্য ৫০,০০০ চাইল। পরে ২০,০০০ দিয়ে পার পেলাম। ৩০ ধারা শুনানী কালে এসব হচ্ছে। বৈধ ক্রয় কৃত সম্পত্তি তাও ঘুষ ছাড়া সম্ভব না। একজন ও টাকা ছাড়া কাজ করতে পারেনা। সরে জমিনে ওপেন সিক্রেট। রেইট করা। জমির পরিমানের উপর ঘুষ কমে বাড়ে।
নতুন করে এনআইডি করতে গেলে ৪০০০ টাকা দিতে হয় প্রতি জনকে। সপ্তাহে দুইদিন ফিঙ্গারপ্রিন্ট ও ছবি তোলা হয়। ২ দিনের মধ্যে কমপক্ষে ১৫০-২০০ জন নতুন ভোটার ও সংশোধন সংক্রান্ত কাজে উপজেলা নির্বাচন কমিশনে যান।
আমাদের স্বাস্থ্যকেন্দ্র ফায়ার লাইসেন্স রিনিউ করার জন্য পরিদর্শন করতে এসে ভদ্রভাবে ২০০০ টাকা চেয়ে নিয়েছে।
সরকারিভাবে অসহায় মানুষের ঘর তৈরি নির্মাণকৃত টাকা পুরোটাই খেয়ে ফেলেন নেত্রকোনা কেন্দুয়া গন্ডা ইউনিয়নে ২ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য । তার বিরুদ্ধে সরকারি সকল কাজেই অনিয়ম এবং দুর্নীতির অনেক অভিযোগ রয়েছে।
Dhaka University teacher recruitment system is a complete sham. I was asked to give the money, but I refused. Hence, I didn't get the job despite having enough qualifications. It's not public service-related, I know, but I really wanted to say it somewhere where people can see this.
থানার মধ্যে আমি একটি জিডি করেছিলাম পারিবারিক বিষয়ে। তারপর পুলিশ আমার বাসায় আসে তথ্য সংগ্রহ করা এবং কি পুরো বিষয় বিস্তারিত জানার জন্য। তারপরে সবকিছু জানার পর, আমার কাছে তিন হাজার টাকা দাবি করে। তারপরে আমি ২৫ শত টাকা দিয়েছি। ওনারা আমাকে বললেন এই ২৫০০ টাকা তাদের গাড়ি ভাড়া। তারপর এই টাকা দেওয়ার পরেও আমি সঠিক বিচার পাই নাই। কারণ আমার কাছে আরো টাকা দাবি করা হয়েছে। আমি অত্যন্ত দুঃখিত কারণ আমি বাংলাদেশী।