সিভিল কাজ
টাকা না দিলে কাজ করা যাবে না।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
টাকা না দিলে কাজ করা যাবে না।
মেট্রোরেল প্রকল্পে কাজ করার জন্য ৫০০০০ টাকা ঘুষ চেয়েছে
রাঙ্গামাটি কারগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ২০২২ সাল পর্যন্ত ভোকেশনাল স্কুল ছিল এবং কারিগরি প্রশিক্ষণ দিত। আমার ছোট ভাই ২২ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থী ছিল তো তাদের মাসে মাসে ৮০০ করে ভাতা ছিল কিন্তু সেই বেইচের কেও ১টা টাকাও পাই নি টোটাল ৫০ জন স্টুডেন্টদের ৯৫০০০০ টাকা রেখে দিয়েছিল
আমাদের তিন জনের বিরুদ্ধে কুমিল্লা একটি মিথ্যা মামলা হয়েছে, এই মামলার তদন্ত প্রথম তদন্ত জন্য বড়ুয়া থানার তদন্ত কারী অফিসার কে দেওয়া হয়, উনি তদন্ত করে রিপোর্ট আমাদের পক্ষে দেন কারণ মামলা টি সম্পুন্ম মিথ্যা ছিল তবুও আমাকে পনের হাজার টাকা দিতে হয়েছে, বাদী নারাজি দিয়ে মামলা টি সিআইডি অফিসে দেয়, তদন্ত কারী অফিসার আমার কাছে ত্রিশ হাজার টাকা দাবি করেন, আমার পর্যাপ্ত পরিমাণ প্রমাণ থাকার পরও টাকা না দেয়ায় আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা রিপোর্ট দেয়, প্রকাশ করলে মামলায় ঢুকানোর ভয় দেখায়,৭/৯/২৬ আমাদের জাহিনের জন্য আদালতে হাজির হতে হবে
নোয়াখালী সদর উপজেলার ৮ নং এওজবালিয়া ইউনিয়ন পরিষদে ২০২৬ সালের এপ্রিল মাসে আমার ভাতিজার নতুন জন্ম নিবন্ধন করার পরে প্রিন্ট স্বাক্ষর ও সিল করতে গিয়ে আমার কাছ থেকে টাকা চায়,( অনলাইনে জন্ম নিবন্ধনের সবকিছুই করা হয়েছে 45 দিনের মধ্যে করলে কোন টাকার প্রয়োজন হয় না নবজাতক শিশুর জন্য) টাকা দিতে অস্বীকার করায় খারাপ ব্যবহারও করে। সবার কাছ থেকেই চশমা পরা এই সচিব টাকা খায়। আর টাকা না দিলে খারাপ ব্যবহার করে। এখন চিন্তায় আছি সামনে আমার নিজের জন্ম নিবন্ধন করতে গেলে মায়ের নামের কিছু ভুল রয়েছে এখন সেখানেও প্রিন্ট করার সময় টাকা চেয়ে বসে কিনা।
বাসা বরাদ্ধের জন্যে ক্লার্কের মাধ্যমে টাকা চাওয়া হয়েছিল। তাছারা রেলওয়ের বাসাগুলোও বসবাসের অযোগ্য। মেরামত করার কোন তাগিদ নাই। হয়তো মেরামতের জন্যে গোপনে টেন্ডার হয় বা অন্যভাবে বরাদ্ধ হয় যা মেরামত না করে কর্মকর্তারা টাকা উঠিয়ে নিজেদের পকেট ভারী করে।
আমার ক্যান্সার আক্রান্ত বাবার জন্য সরকারি অনুদানের আবেদন কয়েকদফা গ্রহন না করার পর ৫ম দফায় ১০০০ টাকার বিনিময়ে জমা নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। [বিঃদ্রঃ আমার আক্ষেপ ১০০০ টাকা নিয়ে নয়, আমার আক্ষেপ হলো মৃত্যু পথযাত্রী রোগী নিয়ে কর্তৃপক্ষের ব্যবসা করা নিয়ে, তাদের কি বিবেকবুদ্ধি কিংবা মনুষ্যত্ববোধ কাজ করেনি তখন?]
আমি একটি নিবন্ধন করতে যখন ইউনিয়ন পরিষদ এ যাই। তখন সেখানে দায়িত্বে থাকা উদ্যোক্তা বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে আমার কাছে ১০০০ টাকা দাবি করে। যেখানে সরকারি ফিস ছিল ৫০ টাকা।
একটি মামলা প্রক্রিয়া অ্যাডভোকেটের মাধ্যমে মামলা প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করার কথা বলে ৬০ হাজার টাকা চুক্তি করে আমাকে সেই মামলার ভুল সবকিছু বলে সাধারণ মামলা করে আমাকে হয়রানি করিয়েছে। আমরা সাধারণ মানুষ কোর্টে যাই একটু সঠিক বিচার পাওয়ার আশায় সেখানে অ্যাডভোকেটরা যা দুর্নীতি করে সেটা এই বাংলাদেশের নিম্নবিত্তের মানুষের জন্য অসহনীয়, ধন্যবাদ সবাইকে।
3x-4x bill than regular due to government cable connection mess up. We reported that in the department office and they demanded 6.5k BDT for their own created problem. Also, one of my friends whos family wasn't that well educated, was manipulated by them for 700bdt about the new 220 digit meter input number recently added to update the meters.
আমার বাবা মারা যাবার পর তার পেনশন বই ঠিক করতে পদে পদে ঘুস দিয়ে তা ঠিক করেছি। দীর্ঘ ৪ বছর পর ইসলামি ব্যাংক এর পরিবর্তে কৃষি ব্যাংকে অর্থ লেনদেন এর জন্য কাগজ পত্র জমা দিতে গিয়ে ছিলাম। সেখানে এই কাজের জন্য তারা আমার কাছে ১০০০ হাজার টাকা চা নাস্তার জন্য দাবি করেছে। পরবর্তীতে আমি বাদ্ধ হয়ে টাকা দিয়েছি।
সরকারী শিক্ষানবিশ অফিসার ট্রেনিং এর কাজ চলাকালীন সময়ে, ট্রাম পেপার নামক গ্রাজুয়েশন প্রজেক্ট তৈরির সময় উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তা উন্নয়ন শাখার অফিসার ২০০০ টাকা ঘুষ আদায় করেছিলো।কৃষি সম্প্রস অধিদপ্তর এর অধীনে ছাএদের কাছ থেকে মোট ৬০০০ টাকা আদায়।যেটা সম্পুর্ন বেআইনি ভাবে নেওয়া হয়েছিলো।সময় ২০২৫ সালের নভেম্বর মাসের শেষ দিকে কাজের বিষয় ছিলো সরকারী কৃষি উৎপাদন সংশ্লিষ্ট তথ্য ছাএদের কে সহায়তা দেওয়া।তা না দিয়ে দুরব্যবহার করে ছলে বলে মুখে দেবার কথা বলে,কাজে টাকা ছাড়া সরকারী তথ্য দিতে নারাজ।এর কারণে সংশ্লিষ্ট অফিসে বিশৃঙ্খলা হয়েছিল। ওই অফিসে ভুয়া সরকারী বিল পাস করে কৃষকদের সরকারী অর্থ লুটের হিসাব হয়তো সরানো হয়েছে। উপজেলা অডিট অফিসার, ভুয়া সরকারী বিল পাস করে ১২ লাখ টাকার কাজ ৩ লাখে করেছিল।প্রচুর লুট।
যুব উন্নয়ন ঝিনাইদহ, পরিচালক কোন অনুষ্ঠানে যোগ দিতে হলে তাকে অনারিয়াম হিসবে ৭-৮ হাজার দেওয়া লাগে যদি কোর্স হয় ওই কোর্স থেকে এই অনারিয়াম কাটা যায় জীবন আবাসিক প্রকল্প যেগুলো আছে ওখান থেকে যদি কাটা যায় ৭০০০ তাহলে খাওয়া দাওয়া থেকে দেখা যায় , তার অনুষ্ঠানে বা কোন কাজে উপস্থিত হলে তাকে সাত থেকে আট হাজার টাকা দেওয়া লাগে খালি হিসাব করুন কত টাকা নেয়
আমি অনার্স চতুর্থ বর্ষে পড়ি, আমি আয়ডি কার্ড বানাতে গেলে, আমার মায়ের আয়ডি আছে, কিন্তু বাবার নাই, কারণ বাাব সেই ১৯৮৫সাল থেকে বাস করলেও তিনি ছিলেন একজন রোহিঙ্গা। তাই ওয়ার্ড মেম্বার আমার থেকে ২০,০০০ টাকা দাবি করেছিল, এবং চকিদার ২০০০ টাকা, আমি সব টাকা দেওয়ার পর তারা আমাকে একটা আমার বাবার মৃত সার্টিফিকেট বানিয়ে দেয় পরে আমি সেটা দিয়ে আয়ডি বানাতে সক্ষম হই। অথচ আমার বাবা এখনো জীবিত।
আমার ভাই এর মেয়ের NID আবেদন করতে ধানমণ্ডি নির্বাচন কমিশন অফিসে গিয়াছিলাম আবেদন প্রক্রিয়া জানতে এবং কি কি কাগজ লাগবে। আমাকে সরাসরি ৫০০০০ টাকার কথা বলল। আমি নির্বাচন কমিশন এর প্রধান অফিসে যাওয়ার কথা বললে আমাকে জানানো হয়, অখানে গেলে আরও বেশি টাকা লাগবে।
টিকা দিলে দিতে হবে জন প্রতি।
আমি গত ২ সপ্তাহ আগে, ফুলপুর থানায় পুলিশ ক্লিয়ারেন্সর জন্য আবেদন করতে যাই,ফুলপুর থানার কম্পিউটার অপারেটর যারা আছেন তারা আমার কাছ থেকে ৩৫০০ টাকা দাবি করে। আমি দিতে অস্বীকার করলে তারা বলে এর কমে হবেনা। অথচ পুলিশ ক্লিয়ারেন্সর সরকারি ফ্রি ১৫০০ টাকা। আমার ইমার্জেন্সি থাকায় আমি ৩৫০০ টাকা দিয়েই তাদের কাছ থেকে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স নিয়ে আসি।
ভ্যাট অফিসে প্রতিমাসে ভ্যাট রিটার্ন জমা দেয়ার জন্য ১১০০ টাকা দিতে হয়।
সম্প্রতি ভ্যাট বিডি (vat.gov.bd) ওয়েবসাইট থেকে BIN (Business Identification Number) সার্টিফিকেটের জন্য অনলাইনে আবেদন করি। ভেবেছিলাম অটোমেটেড সার্ভিস, ঝামেলা ছাড়াই হয়ে যাবে। কিন্তু আবেদন করার পরপরই আমার ফোন নম্বরে একটি কল আসে। সরাসরি জানানো হয়, কোনো ঝামেলা ছাড়া দ্রুত এপ্রুভাল পেতে চাইলে ১,০০০ টাকা ঘুষ দিতে হবে। টাকা না দিলে নাকি ফাইল ঝুলে থাকবে এবং সার্টিফিকেট অনুমোদন করা হবে না! অনলাইন সার্ভিসের সুবিধা পাওয়ার কথা ছিল সাধারণ উদ্যোক্তাদের, কিন্তু এখানেও মধ্যস্বত্বভোগী আর অসাধু কর্মকর্তাদের চাঁদাবাজি শুরু হয়ে গেছে। ১,০০০ টাকা হয়তো অঙ্কের হিসেবে বড় কিছু নয়, কিন্তু এই সংস্কৃতি একটা নতুন ব্যবসার শুরুতেই বাধা তৈরি করে। আমরা যদি প্রতি পদক্ষেপে এভাবে নীরব থাকি, তবে এই ডিজিটাল ব্যবস্থার কোনো অর্থই থ
বিদ্যুতের লোড ২কিলোওয়াট থেকে ২কিলোওয়াটে রুপান্তর করতে ৫০০ টাকা ঘুষ নেওয়া হয়।