পরিবার পরিকল্পনা
টিকা দিলে দিতে হবে জন প্রতি।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
টিকা দিলে দিতে হবে জন প্রতি।
আমি গত ২ সপ্তাহ আগে, ফুলপুর থানায় পুলিশ ক্লিয়ারেন্সর জন্য আবেদন করতে যাই,ফুলপুর থানার কম্পিউটার অপারেটর যারা আছেন তারা আমার কাছ থেকে ৩৫০০ টাকা দাবি করে। আমি দিতে অস্বীকার করলে তারা বলে এর কমে হবেনা। অথচ পুলিশ ক্লিয়ারেন্সর সরকারি ফ্রি ১৫০০ টাকা। আমার ইমার্জেন্সি থাকায় আমি ৩৫০০ টাকা দিয়েই তাদের কাছ থেকে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স নিয়ে আসি।
ভ্যাট অফিসে প্রতিমাসে ভ্যাট রিটার্ন জমা দেয়ার জন্য ১১০০ টাকা দিতে হয়।
বিদ্যুতের লোড ২কিলোওয়াট থেকে ২কিলোওয়াটে রুপান্তর করতে ৫০০ টাকা ঘুষ নেওয়া হয়।
তারিখ দেখার জন্য জেলা লিগ্যাল এইড এর অফিসের অফিস সহ কারী। প্রতিদিন ই সবার কাছ থেকে ১০০ টাকা করে নেন। ১০০। ২০০ লোক এর কাছ থেকে এমন নেন। এবং ময়মনসিংহ জেলা জজ কোর্ট এর পেসকার থেকে অফিস পিয়ন সবাই টাকা ছাড়া কোনো কাজ করেন না।
ময়মনসিংহের ফুলপুর থানায় পুলিশ ক্লিয়ারেন্স করতে গেলে তারা ৩৫০০ টাকা দাবি করে, আমি কিছু টাকা কম দিতে চাইলে তারা বলে ৩৫০০ টাকার নিচে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স দেওয়া যাবেনা,আমার পুলিশ ক্লিয়ারেন্স ইমার্জেন্সি থাকায় আমি ৩৫০০ টাকা দিয়েই করিয়ে নিয়ে আসি।
আমার বাবার প্রবাসি তিনি কিছু জমি কিনেছিলেন অনেক দিন আগে কিন্তু সেই জমি দখল তকরে পারি নি একন লুক মামলা মরে দেয় সেখানে তারপর সেই মামলার নখল তিলতে গেলে ২০০০ টাকা নেয় প্রখম যেদিন নুটিস দেয়ার পরে আমি ুনার সাতে দেখা করি ওই দিন ২ হাজার দেই পরে ইনি একটা ফ্রম লিখে দিছে এর জন্য ৪৫০০ টাকা নেয় পরে ফ্রম টা নিতে গেলে ৫০০ টাকা নেয় আমার কাছ কাছ তেকে কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয় না এখনো এই জমি নিয়ে জামেলা চলতেসে
থানা পুলিশ চাকরির ভেরিফিকেশন এর সময় চা নাস্তা খাওয়ার জন্য ১৫০০ টাকা নিয়েছিলো
আমি একটা ফার্মেসী করি। ফার্মেসী করতে সরকারি নিয়ম অনুযায়ী ড্রাগ লাইসেন্স লাগে। এবং সেটা এখন সরকারি ভাবে বন্ধ আছে। আমি আরেকজনের পুরাতন একটা ড্রাগ লাইসেন্স কিনে নোটারী করে এপিডএপিড করে নাম মালিকানা পরিবর্তন ও স্থান পরিবর্তন করতে ২৬০০০ টাকা দাবি করা হলে ২৫,০০০ টাকা দিতে বাধ্য হয়। যেহেতু আমি ফার্মেসী চালু করে দিয়েছি। নতুন করে ড্রাগ লাইসেন্স বানানো যেহেতু বন্ধ এছাড়া আমার কিছু করার ছিলো ও না।
আবেদন করেছিলাম এবং ফাইল জমা দেওয়া হয়েছিল। ছবি তোলার ডেট দেওয়া হয়েছিল, নির্ধারিত ডেটে গেলে অপেক্ষা করতে বলে,একপর্যায়ে উপজেলা সমাজসেবা অফিসার বলে আমার ফাইল পাওয়া যাচ্ছে না। কেন পাওয়া যাচ্ছে না জানতে চাইলে, বলল নতুন করে করতে বললাম বিকল্প কি বলল ১০০০ টাকা দেন খুজে দেখবো। বার্গেইন করে একপর্যায়ে ৫০০ নিয়ে নিজে গিয়ে ফাইল নিয়ে আসলো। একজন ৯ম গ্রেডের কর্মকর্তা হয়ে ৫০০ টাকা ঘুষ নিতে পারে একজন প্রতিবন্ধীর কাছ থেকে, বিষয়টা খুবই লজ্জার সাথে ঘৃণার ও বটে! জাতির বিবেক জাগ্রত হোক।
আমি সন্দ্বীপ বিদ্যুত অফিসে মিটারের জন্য আবেদন করি।ওখানের একজন কর্মকর্তা আমার কাছ থেকে ১২০০০ হাজার টাকা দাবী করে।আমি যখন বলছি মিটারের সরকারি দাম তো এত টাকা না,তখন তিনি আমাকে বলে আপনি গিয়ে সরকারের কাছ থেকে মিটার নেন।এই লোক আরো অনেক জনের কাছ থেকে এভাবে ঘুস নিয়েছিলো।সন্দ্বীপের লোকজন জিগাস করলে এর প্রমাণ পাওয়া যাবে।
2022, আমার মা ৪ লাখ টাকা ব্যাংক এ রাখবে। লাইনে দাঁড়িয়ে টাকা কেশিয়ার কে দিলাম। উনি সব টাকা নিলেন, ও এলোমেলো করে রাখলেন। ১০০০ ,৫০০ টাকা একদিকে করলেন ও বান্ডিল বানালেন। নিজে করলেন কিছু, আবার আমাকে দিয়েও করালেন। এরপর হিসেবে ৫০০ টাকা কম দেখালো। যদিও আমরা ৪ লাখ ই গুনে দিয়েছিলাম, আমার মতে উনি গুনার সময় ৫০০ টাকা সরিয়ে ফেলেছিলান চালাকি করে। যাই হোক যথেষ্ট প্রতিবাদ করেছি , আর বেশী বাড়াবাড়ি না করে উপরে আল্লাহ এর কাছে বিচার দিয়ে, নিজ থেকে ৫০০ টাকা দিয়ে ৪ লাখ পুরণ করে জমা দিয়েছি। এই লোভ আমাদের ছাড়লো না, নিজেকে নিজের দেশকে , এই মানুষ কে ভালোবাসা কমে যাচ্ছে কেবল। এর দায় কাদের।
ড্রাগ লাইসেন্স নবায়ন করার জন্য অতিরিক্ত ৫০০ টাকা নিয়েছিল
নেত্রকোনা জেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের একজন ডাক্তার সে নিজ দায়িত্বের বাইরে বিভিন্ন উপজেলায় দায়িত্ব নিয়ে বরাদ্দকৃত টাকা শুধু বিল ভাউচার করে টাকা আত্নসাত করে। কিছুই কিনেনা। কোন সেবাও দেয়না অথচ সেবা দেওয়ার নামে টাকা নেয়, লাইগেশন না করেও সে লাইগেশন করছে মর্মে স্বাক্ষর করে রোগী প্রতি ২৩০০ টাকা নিজের পকেটে ডুকায়
সমাজ সেবা অফিসে আমার ভাগ্নির থ্যালাসেমিয়া রোগের জন্য সাহায্যের আবেদন করি। অয়েটিং এ রেখে দেয়।পরে অন্য একজন বলে খরচ লাগবে ১০০০০/ বলি দেব সাথেসাথে করে দেয়। ৮০০০ টাকা দেয়া লাঘছে।
অনলাইন জিডি করলে এপ্রুভ করা হয়না। একজন নির্দিষ্ট অফিসার এই অ-কাজটা বেশি করেন। সাধারণ জিডি করলেও থানায় যেতে বলা হয়। গেলে টাকা দিতে হয় অথবা টাকা দিয়ে দিলে আর যেতে হয়না!
চাকুরীতে জয়েনিং এর সময় এমপিও আবেদন করতে ৫০,০০০ টাকা ঘুষ দাবী করা হয়। আমি দিতে অস্বীকৃতি জানাই।
New Fresh ETO der Shipping Agency gula Tk chara Ship e join korai na..Tai onek Fresh ETO bochorer por bochor bekar hoye ghurse...
আমি ২৭ আগস্ট ২০২৬ তারিখ ঢাকা হতে কক্সবাজার আসার জন্য গত ১৭ই আগস্ট ২০২৬ তারিখ রাত ১২ঃ০০ টা ১ মিনিট হতে রাত দুইটা পর্যন্ত অনলাইনে ট্রেনের টিকিট কাটার জন্য চেষ্টা করি। পরবর্তীতে আবার ঘুম থেকে করে সকাল সাতটা থেকে বেশ কয়েকবার চেষ্টা করি। পরবর্তীতে মাঝে মাঝে (বারংবার) আমি ২৭ তারিখের ট্রেনের টিকিট অনলাইনে কাটার চেষ্টা করি কিন্তু দুর্ভাগ্য কখনোই ট্রেনের সিট পাইনি। পরবর্তীতে কমলাপুর ট্রেন স্টেশনের ১৩ নং টিকিট কাউন্টারে টিকিট চাইলে বলে ভাই টিকিট তো নাই। আপনি যদি কিছু টাকা বেশী দেন তাহলে আমি চেষ্টা করে দেখতে পারি কারো কাছে আছে কিনা। আমি বললাম দেখেন চেষ্টা করে পারেন কিনা। সে বললো চারটা টিকিটে ৬০০ টাকা বেশি চায়। পরবর্তীতে আড়াইশো টাকা বেশি দিলে সে আমাকে টিকিট দেয়। # ট্রেনের টিকিট অনলাইনে পাওয়া যায়না
আমি ধাপে ধাপে অফিসের বিভিন্ন খরচ বাবদ প্রায় ২২ হাজার টাকা দিয়েছি,,আমাকে রিছিড দেয়া হয়ে ১৭৫০০ টাকার,,যাই হোক আমি অফিসের সকল খরচ দিয়েছি,,এখন পিয়ন,,মেনেজার এবং আরো দুই জন আছে,,এই দুই জন আমার লোনের সকল কাজ করে দিয়েছে,,উনাদের নাম্বার ছবি বয়েছ, মেছেজ সব কিছু আমার কাছে আছে,,এখন উনারা বলতেছে,,মেনেজার সার ১৫ হাজার টাকা চাচ্ছে মিষ্টি খাওয়ার জন্য,,যদি টাকা না দেন,,তাহলে মেনেজার সাইন করবে না,,,আমি বলেছি মিষ্টি খাবেন ভালো কথা,, টাকা আমার একাউন্টে আসবে,,আমি সবাইকে মিষ্টি খাওয়াবো,,,তাতে রাজি হয় নাই,,বললো,,আরে ভাই,,আপনি বুঝেন না,,মিষ্টি মানে ঘুষ,,,,,,,এই ঘুষের টাকা না দিলে,,, সার,, সাইন করবে না,,,আমি ঘুষের টাকা দেই নাই,,তাই আমার লোন হয় নাই,,,২২ হাজার টাকা ধরা খেলাম,,,এখনো কল দেয়,,বলে,,,ঘুষ দেন। লোন নেন।