জন্ম নিবন্ধন
আমার বড় ভাইয়ের স্ত্রী, উনার জন্ম নিবন্ধনটা অনলাইন করা লাগে, কিন্তু ইউনিয়ন পরিষদে যোগাযোগ করা হলে তারা ৩০০০ টাকা দাবি করে, এছাড়া তারা কাজ করবে না। যখন ৩০০০ টাকা দেওয়া হল তারপর ৩ দিনের ভিতর অনলাইন করে দেয়।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমার বড় ভাইয়ের স্ত্রী, উনার জন্ম নিবন্ধনটা অনলাইন করা লাগে, কিন্তু ইউনিয়ন পরিষদে যোগাযোগ করা হলে তারা ৩০০০ টাকা দাবি করে, এছাড়া তারা কাজ করবে না। যখন ৩০০০ টাকা দেওয়া হল তারপর ৩ দিনের ভিতর অনলাইন করে দেয়।
আমি ২০২৬ সালের জানুয়ারী মাসের ১২ তারিখে একটি gd করি,,,, তার পরে মামলার তদন্তের বিভিন্ন খরচ দেখিয়ে পুলিশ আমার কাছ থেকে প্রায় ১২ হাজার টাকার মত নেয় এবং আমার মামলার তদন্তের জন্য CDR আমি এনে দিতে হত।
অফিসে যাওয়ার পরে আমতা আমতা করে রেজি: কার্ডের প্যাকেটটি দিয়ে বল্লো টাকা দিয়ে চলে যান।আমরা বোর্ডের কাছে দায়বদ্ধ আছি তাই ২০০ টাকা দিয়ে চলে আসি।
আমি একজন প্রবাসী।আমি দীর্ঘদিন প্রবাসে থাকি। এমন কি এখনো প্রবাসে আছি। আমি একটি ড্রাইভিং লাইসেন্স বানাবো। সেই ক্ষেত্রে বাংলাদেশ এম্বাসি থেকে আমাকে বলা হয়েছে।আপনি বাংলাদেশ থেকে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট নিয়ে আসেন। তখন আমি আমার নিকটস্থ থানায় যোগাযোগ করলাম। তারা আমাকে ডিরেক্ট বলল ২০ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হবে তাহলেই পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট আপনি পাবেন। যেখানে আমার ১ টাকাও লাগার কথা না । আমি বললাম কি কারণে ২০ হাজার টাকা আমি ঘুষ দিব আমার পেপার সবই ঠিক আছে। আমার নামে কোন মামলা নেই আমার নামে কোন সমস্যা নাই। তারা আমাকে বলল ঘুষ ছাড়া সম্ভব না। তারপরে আমি অনেক রিকোয়েস্ট করে ১৪ হাজার টাকায় তাদের রাজি করালাম। এখনো আমি পুলিশ ক্লিয়ারেন্স পাই নাই দশ দিন টাইম দিয়েছে ১০ দিনে পরে পাব ।
সিরাজগঞ্জ জেলার রায়গঞ্জ উপজেলার ঘুড়কা ইউনিয়ন পরিষদে জন্ম নিবন্ধন করতে গেলে সামান্য ভূল ধরতে পারলেই ১০০০-২০০০ টাকা দিতে হয় না হলে জন্ম নিবন্ধন দেয় না।
মোটরসাইকেল চুরি হয়েছিল। জিডি করতে গিয়েছিলাম জিডি করে নাই টাকা নিছে
২০২২ সালে আমি এনআইডি কার্ড করার জন্য নির্বাচন অফিসে যাই। এনআইডি কার্ডের কাজ সম্পন্ন করার জন্য আমার কাছ থেকে ১,১০০ টাকা ঘুষ নেওয়া হয়। সরকারি সেবা হিসেবে এনআইডি করার জন্য এই টাকা নেওয়া হয়েছিল। ঘটনাটি ২০২২ সালের এবং সংশ্লিষ্ট নির্বাচন অফিসে আমার কাছ থেকে এই টাকা নেওয়া হয়।
পরিবেশ এর ছাড়পত্র পাওয়ার জন্য । টাকা ছাড়া ,তারা ছাড়পত্র দিতে টালবাহানা করতো
একাউন্ট খুলতে গিয়েছিলাম। পটুয়াখালী সরকারি টিটিসি তে প্রশিক্ষণ এ ৪২০০/- উপবৃত্তি প্রদান করা হতো তখন। আমরা ৪০ জন প্রশিক্ষনার্থী ছিলাম। সবার কাছ থেকে একাউন্ট খুলতে আনসার সদস্য ৫০/- টাকা করে ঘুষ নিয়েছিলো। আমি যখন যাই ফরম পূরন এর পর ৫০/- দাবি করে তখন প্রতিবাদ জানাই এবং কোনো বাড়তি টাকা দেই নি, আনসার সদস্য বললো স্যারকে (ব্যংক কর্মকর্তা) কে নাকি হিসাব দিতে হয়।
আপীল মামলার নথী জমা করার জন্য ঘুষ দিয়েছি। অন্যথায় মামলা জমা নিবে না।
আমি তিন লাখ টাকা লোন নিতে চেয়েছিলাম। আমার কাছে বিশ হাজার টাকা ঘুষ চায়
আমি একটা টিভি নিয়ে সোয়ারিঘাট লন্ছে উঠার সময় ২০০ টাকা অতিরিক্ত নিছে এটা নাকি টিভির সরকারি ট্যক্স বলে পুরাতন টিভির জন্য দিতো হয়েছে
খাদ্য গুদামে গাড়ি লোড করেই ১০০০বখশিস এর নামে ঘুষ
মাতৃত্বকালীন ভাতা আবেদন, ১০ টাকার মধুমতি ব্যাংকের একাউন্ট খোলার জন্য দাবি করেছে ৩০০ টাকা। ইউপি উদ্যাক্তা
রাজউকের (মহাখালী) বিল্ডিং প্ল্যান পাশ করিয়ে দেয়ার জন্য। কিন্তু আমারা দিতে রাজি হইনি।
ঈশ্বরগঞ্জ থানায় চাকরির ভেরিফিকেশন এর জন্য ৩০০০ টাকা চেয়েছিল, ২০০০ টাকা দিতে হয়েছে।।
প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ স্বাস্থ্যগত সনদের জন্য তাদের কাছে গেলে প্রথমে একটা রসিদ দেয় যদিও সরকারি ভাবে ৫০ টাকার কথা থাকলেও আমার কাছ থেকে ১০০ টাকা নেয়। তারা অনেক গুলো টেস্ট করে নিয়ে আসতে বলে। পরে সরকারি হাসপাতাল থেকে আমি সব গুলো টেস্ট করে সনদ নিয়ে একটা ডেস্কে যাই বলে ২০০ টাকা দিতে প্রথমে আমি দিতে অসীকার করি এবং রসিদ চাই। তখন বলে রসিদ লাগে না। পরে জানতে পারলাম সবার কাছে থেকে টাকা নেয়। টাকা ছাড়া স্বাস্থ্য সনদ মেলে না। পরে বাধ্য হয়ে টাকা পরিশোধ করি।
জন্ম নিবন্ধন সনদ সংশোধনের জন্য। সিংগাইর পৌরসভায় যোগাযোগ করা হলে, বাইরের কম্পিউটারের দোকান থেকে আবেদন করতে বলা হয়। প্রয়োজনীয় কাগজের কপি সঙ্গে দিতে বলা হয়। তাদের দাবি অনুযায়ী সকল কাগজ সংগ্রহ করে, বাহিরের কম্পিউটারের দোকান থেকে ২৫০ টাকা দিয়ে আবেদন করা হয়। এবং কাগজ সহ অফিসে আবার যোগাযোগ করা হয়। অফিসের কম্পিউটার অপারেটর কাগজগুলো দেখে আবেদনটাই বাতিল করে দেয়। কেন বাতিল হবে জানতে চাইলে, বলে এটা আমাদের নির্দিষ্ট দোকান থেকে আবেদন করতে হবে। তাঁরা সঠিক ভাবে করে দিবে। অন্য দোকান এর আবেদন গ্রহণ করা হয় না। পরে আবার তাদের নির্দিষ্ট দোকান থেকে আবেদন করলাম। সরাসরি ঘুষ চায় না কিন্তু তাদের নির্দিষ্ট দোকান থেকে করালে বিল ৩০০ টাকা দিতে হয়।
আগারগাঁও অবস্থিত বাংলাদেশ জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ হিসেবে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বিভিন্ন ট্রেনিং সেন্টার থেকে ঘুষ নিয়ে তাদের মনোনীত অ্যাসেসর ধারা ধারাই অ্যাসেসমেন্ট কার্যক্রম পরিচালনা করে এবং ১০০% কম্পিডেন্ট করে দিয়ে আসে। তাদের নিজস্ব নিয়োজিত অ্যাসেসর ছাড়া বাহিরের যারা অ্যাসেসর রয়েছেন তারা কোন অ্যাসেসমেন্ট পায় না।তাদের পরিচিত অ্যাসেসর সপ্তাহের দুটি অ্যাসেসমেন্টও পরিচালনা করে যার কারণে দক্ষ জনশক্তি তৈরিতে প্রধান বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
আমি আমার কৃষি ফার্মের সম্প্রসারণের জন্য অর্থ সহায়তার জন্য কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ঢাকা থেকে নির্বাচিত হয়েছিলাম, কিন্তু সেখানকার একাউন্টস অফিসার আমার কাছে ২০০০০ টাকা ঘুষ চেয়েছিল। আমি না দেয়াতে সে বলল আমি একা এই টাকা খাই না। আমার বড় স্যাররাও খান। দিলে কাজ হবে। না দিলে হবে না। আমি না করে দিয়ে চলে আসি।