বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট
মামলা দায়ের করতে লিস্টে দিতে প্রতিদিন কোর্টের স্টাফদের মামলা প্রতি ঘুষ দিতে হয়। মামলার অর্ডার পাঠাতে চিঠি প্রতি ১০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়। প্রতিদিন কোটি টাকার উপর ঘুষ বানিজ্য হয় মহান সুপ্রিম কোর্টে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
মামলা দায়ের করতে লিস্টে দিতে প্রতিদিন কোর্টের স্টাফদের মামলা প্রতি ঘুষ দিতে হয়। মামলার অর্ডার পাঠাতে চিঠি প্রতি ১০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়। প্রতিদিন কোটি টাকার উপর ঘুষ বানিজ্য হয় মহান সুপ্রিম কোর্টে।
যাবতীয় সব কাগজ আপডেট থাকার পর ও ,তারা অহেতুক এটা সেটা নিয়ে ভুল ধরত আর বলত আমাদের টাকা দেন , আমরাই সব করে দিবো ।
আমার বড় ভাইয়ের স্ত্রী, উনার জন্ম নিবন্ধনটা অনলাইন করা লাগে, কিন্তু ইউনিয়ন পরিষদে যোগাযোগ করা হলে তারা ৩০০০ টাকা দাবি করে, এছাড়া তারা কাজ করবে না। যখন ৩০০০ টাকা দেওয়া হল তারপর ৩ দিনের ভিতর অনলাইন করে দেয়।
আমি ২০২৬ সালের জানুয়ারী মাসের ১২ তারিখে একটি gd করি,,,, তার পরে মামলার তদন্তের বিভিন্ন খরচ দেখিয়ে পুলিশ আমার কাছ থেকে প্রায় ১২ হাজার টাকার মত নেয় এবং আমার মামলার তদন্তের জন্য CDR আমি এনে দিতে হত।
অফিসে যাওয়ার পরে আমতা আমতা করে রেজি: কার্ডের প্যাকেটটি দিয়ে বল্লো টাকা দিয়ে চলে যান।আমরা বোর্ডের কাছে দায়বদ্ধ আছি তাই ২০০ টাকা দিয়ে চলে আসি।
আমি একজন প্রবাসী।আমি দীর্ঘদিন প্রবাসে থাকি। এমন কি এখনো প্রবাসে আছি। আমি একটি ড্রাইভিং লাইসেন্স বানাবো। সেই ক্ষেত্রে বাংলাদেশ এম্বাসি থেকে আমাকে বলা হয়েছে।আপনি বাংলাদেশ থেকে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট নিয়ে আসেন। তখন আমি আমার নিকটস্থ থানায় যোগাযোগ করলাম। তারা আমাকে ডিরেক্ট বলল ২০ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হবে তাহলেই পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট আপনি পাবেন। যেখানে আমার ১ টাকাও লাগার কথা না । আমি বললাম কি কারণে ২০ হাজার টাকা আমি ঘুষ দিব আমার পেপার সবই ঠিক আছে। আমার নামে কোন মামলা নেই আমার নামে কোন সমস্যা নাই। তারা আমাকে বলল ঘুষ ছাড়া সম্ভব না। তারপরে আমি অনেক রিকোয়েস্ট করে ১৪ হাজার টাকায় তাদের রাজি করালাম। এখনো আমি পুলিশ ক্লিয়ারেন্স পাই নাই দশ দিন টাইম দিয়েছে ১০ দিনে পরে পাব ।
নতুন পাসপোর্টের জন্য পুলিশ ভেরিফিকেশান। থানার ASI আমাকে থানার কাছের চায়ের দোকানে রাত ৮ টার দিকে দেখা করতে বললেন, পাসপোর্টের বিষয়ে জরুরী আলাপ। গেলাম, জানতে চাইলো- কেন পাসপোর্ট করতে চান, কি করেন, হোম ডিস্ট্রিক্ট কোথায় ইত্যাদি? বললাম- মহান আল্লাহ তায়ালা যদি রাজি-খুশি থাকেন , এ বছর আমি পবিত্র হজ্জ পালনে যেতে চাই, তাই পাসপোর্ট লাগবে। উনি হজ্জে গিয়ে উনার জন্য দোয়া চেয়ে মিষ্টি খাওয়ার টাকা চাহিলেন। উনাকে কয়েকবার হজ্জের পাসপোর্ট বলিয়া নিবৃত্ত করার চেষ্টা করিলাম, উনার দেশের বাড়ি বাগেরহাটের সাথে ঝিনাইদহকে ( যদিও দুরত্ব বিস্তর) কাছাকাছি দাড় করিয়ে "দেশী"র কাছে ঘুষের দাবিতে অটল থাকিলেন।উনাকে নড়ানোর ক্ষমতা আমার ছিলো না, আবার কাজটা আমার জন্য বেশ জরুরী ছিল, অগত্য দাবি মিটাইতে বাধ্য হইলাম!!!
মামলার নুটিশ জারি কারক টাকা না দিলে নুটিশ জারি করে না।নুটিশ জারির ওর্ডার হয়ে আছে তদবির না করলে মানে টাকা না দিলে বছরের পর বছর পড়ে থাকে। আমার ৫ টি মামলা ২০১৯ সালে দাখিল করেছি ২০২৬ সাল শেষের পথে এখও নুটিশ জারি হয়নাই। টাকা না দিলে এক বছর পরে তারিখ পড়ে।
সিরাজগঞ্জ জেলার রায়গঞ্জ উপজেলার ঘুড়কা ইউনিয়ন পরিষদে জন্ম নিবন্ধন করতে গেলে সামান্য ভূল ধরতে পারলেই ১০০০-২০০০ টাকা দিতে হয় না হলে জন্ম নিবন্ধন দেয় না।
মোটরসাইকেল চুরি হয়েছিল। জিডি করতে গিয়েছিলাম জিডি করে নাই টাকা নিছে
২০২২ সালে আমি এনআইডি কার্ড করার জন্য নির্বাচন অফিসে যাই। এনআইডি কার্ডের কাজ সম্পন্ন করার জন্য আমার কাছ থেকে ১,১০০ টাকা ঘুষ নেওয়া হয়। সরকারি সেবা হিসেবে এনআইডি করার জন্য এই টাকা নেওয়া হয়েছিল। ঘটনাটি ২০২২ সালের এবং সংশ্লিষ্ট নির্বাচন অফিসে আমার কাছ থেকে এই টাকা নেওয়া হয়।
পরিবেশ এর ছাড়পত্র পাওয়ার জন্য । টাকা ছাড়া ,তারা ছাড়পত্র দিতে টালবাহানা করতো
আপীল মামলার নথী জমা করার জন্য ঘুষ দিয়েছি। অন্যথায় মামলা জমা নিবে না।
আমি তিন লাখ টাকা লোন নিতে চেয়েছিলাম। আমার কাছে বিশ হাজার টাকা ঘুষ চায়
আমি একটা টিভি নিয়ে সোয়ারিঘাট লন্ছে উঠার সময় ২০০ টাকা অতিরিক্ত নিছে এটা নাকি টিভির সরকারি ট্যক্স বলে পুরাতন টিভির জন্য দিতো হয়েছে
খাদ্য গুদামে গাড়ি লোড করেই ১০০০বখশিস এর নামে ঘুষ
মাতৃত্বকালীন ভাতা আবেদন, ১০ টাকার মধুমতি ব্যাংকের একাউন্ট খোলার জন্য দাবি করেছে ৩০০ টাকা। ইউপি উদ্যাক্তা
রাজউকের (মহাখালী) বিল্ডিং প্ল্যান পাশ করিয়ে দেয়ার জন্য। কিন্তু আমারা দিতে রাজি হইনি।
ঈশ্বরগঞ্জ থানায় চাকরির ভেরিফিকেশন এর জন্য ৩০০০ টাকা চেয়েছিল, ২০০০ টাকা দিতে হয়েছে।।
প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ স্বাস্থ্যগত সনদের জন্য তাদের কাছে গেলে প্রথমে একটা রসিদ দেয় যদিও সরকারি ভাবে ৫০ টাকার কথা থাকলেও আমার কাছ থেকে ১০০ টাকা নেয়। তারা অনেক গুলো টেস্ট করে নিয়ে আসতে বলে। পরে সরকারি হাসপাতাল থেকে আমি সব গুলো টেস্ট করে সনদ নিয়ে একটা ডেস্কে যাই বলে ২০০ টাকা দিতে প্রথমে আমি দিতে অসীকার করি এবং রসিদ চাই। তখন বলে রসিদ লাগে না। পরে জানতে পারলাম সবার কাছে থেকে টাকা নেয়। টাকা ছাড়া স্বাস্থ্য সনদ মেলে না। পরে বাধ্য হয়ে টাকা পরিশোধ করি।