বিধবা ভাতা কার্ডের জন্য
এক ব্যক্তি আমার কাছে বিধবা তোর জন্য পাঁচ হাজার টাকা চেয়েছিল। আসলে কি ভাষার জন্য টাকা লাগে..?
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
এক ব্যক্তি আমার কাছে বিধবা তোর জন্য পাঁচ হাজার টাকা চেয়েছিল। আসলে কি ভাষার জন্য টাকা লাগে..?
আমার স্ত্রীর এনআইডি করতে গেলাম, বলল বাবার নাম ভুল আছে। অনেক ডকুমেন্টস লাগবে। না হয় টাকা লাগবে
আমি একটি সরকারি প্রতিষ্ঠানে অস্থায়ী চাকরি করি আমাকে আমার ইচ্ছার বিরুদ্ধে পোস্টিং ট্রান্সফার করা হয়, আমি বিষয়টি বুঝতে পারি ঘুষের জন্য আমাকে ট্রান্সফার করা হচ্ছে তৎক্ষণাৎ আমি অফিসে যাই এবং কর্তাদের বিষয়টি জানাই যে আমি ওইখানে যেতে ইচ্ছুক না তখন আমার কাছে ১০ হাজার টাকা দাবি করা হয় এবং বলা হয় অতি দ্রুত জয়েন করার জন্য আমি জয়েন করি এবং অফিসকে বলি দ্রুত সমাধানের জন্য এবং ১০ হাজার টাকা ও পরিশোধ করি গত ১৪ মাসেও আমার কোন ফলাফল হয়নি এবং ফোন দিলে আরো টাকা দাবি করা হয় আমি বিষয়টি বুঝতে পেরে আর কোন লেনদেন করিনি
আত্মহত্যার পর সেটা যাচাই করনের আবেদন করেছিলাম তাঁরা ২০০০০ টাকা চেয়েছে
যেখানে সরকারি ভাবে লিস্ট টানাই দেওয়া আছে জন্ম নিবন্ধন সংশোধন ৫০-১০০ টাকা সেখানে মক্রবপুরের সচিব ৫০০ নিচে নেই না
প্রতি মাসে চা বাগানের শ্রমিকদের সরকার কর্তৃক ভর্তুকি মূল্যে গম উত্তোলন করতে ফটিকছড়ি খাদ্য অফিস ও গুদামে প্রতিমাসে ৩০ টন গমের বাবদ প্রতিমাসে ৩০ হাজার টাকা দিতে হয়, যদি না দিতে অপারগ হয়, তাহলে বিভিন্ন ধরনের হয়রানি করে।
আদালতের নানা কাজে সরকারি লোক দের দেওয়া হয়েছে
বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে ভারতে যাওয়ার সময় এই ঘটনা ঘটে। আমার ভিসার ক্ষেত্রে পেশা দেওয়া ছিল প্রাইভেট জব কিন্তু আমি ছিলাম মূলত বেকার, বাবার জমি দেখা শোনা করি। জিজ্ঞেস করায় আমি বলি আমাদের জমি আছে ,জমি দেখাশোনা করি। তখন এই অসামঞ্জস্যতার জন্য ইমিগ্রেশন পুলিশ অন্য লোকের মাধ্যমে আমার কাছ থেকে ৫০০ টাকা নেয়।
প্রবাসে আসার সময় পুলিশ ক্লিয়ারেন্স করা লাগে . ওটার জন্য কুমিল্লা তিতাস থানার ডিউটি অফিসার 3500 টাকা ঘুষ নেয়.
আমাদের বাণিজ্যিক প্লটের মিটার নষ্ট হয়ে যাওয়াতে মিটার বদলাতে হবে। সরকারী খরছ হল ১৯০০ টাকার কিছু বেশি। কিন্তু ওরা দাবি করেছে ৩৫,০০০ টাকা। রিসিট দিয়েছে শুধু মাত্র ১৯০০ টাকার।
ঢাকা ওয়াসার পানির মিটার রিডার মিটার প্রতি মাসে ২০০০ টাকা ঘুষ দাবী করে । না দিলেই পানির বিল বাড়িয়ে দেয় ।। এভাবে সে ২০০বাড়ি থেকে মাসে ২০০০ করে আদায় করে । তাহলে তার মাসিক ঘুষের পরিমাণ দাঁড়ায় ৪০০০০০( চার লক্ষ ) টাকা । এর কি কোন প্রতিকার নেই ???
ঘটনাটা ২০২৪ সালের, পটুয়াখালীর সিভিলে সার্জন অফিসে যাই আমার ক্লিনিকের লাইসেন্স নবায়নের জন্য, ওখানে গেলে যে এই কাজ করে সে চা পানির জন্য টাকা চায় , এর পরে অফিসাররা ভিজিটে গেলে আবার এই টাকা দেওয়া লাগে । খালি আমার না ,শুনছি আমাগো জেলার সব ক্লিনিক ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ই এই টাকা দেওয়া লাগছে, শত শত ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার। এটা নিয়া ভালো তদন্ত হওয়া লাগে ।
আমার দশ বছর চাকরির পরে উচ্চতর গ্রেড পাবার কথা সেজন্য প্রথমে ডিডি অফিসে পাশ করে বিনা টাকায় একজনকে ফোন করার মাধ্যমে কিন্তু পরবর্তীতে যখন এটি আমার অফিসে আসে সেখান থেকে বলা হয় একাউন্টস অফিসের টাকা লাগবে এবং উনি যেহেতু কাজ করে ওনার উনিও কিছু টাকা নিবেন ৫-৬ হাজার টাকা লাগবে আমি দুই হাজার টাকা দ্বিতীয় চেয়েছিলাম কিন্তু তাতে রাজি হয়নি এখনো আমার উচ্চতরক রেট প্রাপ্তি হয়নি এজন্য
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স উঠাতে গিয়ে এই টাকা প্রয়োজন হয়ে ছিল।
গাজীপুর বয়লার অফিসে যেকোনো বয়লার লাইসেন্স নবায়ন করতে ১০/২০ হাজার টাকা ওই অঞ্চলের ইন্সপেক্টর কে ঘুষ দিতে হয়। আমার প্রতিষ্ঠান এ ৪০টি বয়লার আছে। ঘুষ দিতে দিতে আমরা ক্লান্ত। শুধু ঘুষ না ইন্সপেক্টর এর মনোনীত কোম্পানি কে দিয়ে বয়লার টেস্ট করতে হয় আর পানি পরীক্ষা করতে হয়। হেড অফিসে এর প্রধান পরিদর্শক উনি নিজেও সাবলীল ভাবে ঘুষ নেয়। যদিও উনি প্রত্যেক বছর হজ করে। সর্বশেষ ০১/০৯/২০২৬ তারিখে ২০০০০টাকা পরিশোধ করেছি শুক্রবার বন্ধের দিন বয়লার পরিদর্শন করাবো তাই । স্যার দের অফডে টে ভিজিট করতে রেট টা একটু বেশি দিতে হয় আরকি।
ডাকায় ১কাঠার ও কম জায়গায় ছোট একটা ২তলা বাড়ি আছে যেটার উপর তলায় আমি আর আমার মা থাকি আর নিচতলায় ভাড়াটিয়া। প্রতিমাসে পানির বিল একটু একটু বাড়াচ্ছিল মিটার রিডার সে মিটার না দেখেই বিল করছিল। আমি তাকে এই বিষয়ে বললে সে বলে অফিসে গিয়ে কথা ১৫০০-২০০০ টার বিল যখন এভাবে বারিয়ে ৪০০০ করে গেলে তখন বাধ্যহয়ে আমি যাত্রাবাড়ীতে ওয়াসা অফিস যাই কিন্তু সেখানে গিয়ে দেখি জিনি বিল করেন (ইন্সপেক্টর) উনি নিজেই ঘুস উনিই বলেন মিটার রিডার কে মাসে ৫০০ দিবেন বিল ১০০০ করে দিব। আমি চলে এসেছি যা বুঝলাম এই দেশে থাকলে ঘুস দিয়েই থাকতে হবে এরপর থেকে প্রতিমাসে ৫০০ করে দেই কারন এছাড়া আর উপায় নাই কিছু করার নাই কারন আমি common man।
জমি ক্রয়ের জন্য এক দালালকে টাকা দেই সে টাকা বা জমি কিছুই দেয়নি পরবর্তীতে মামলা করলে পুলিশ বারবার টাকা চাইতো ৩/৪ বার তাদেরকে যখন আসামীর বাড়ি, গ্রেফতার ইত্যাদি কাজে নিছি তখন ২০০০ টাকা থেকে ৫০০০ টাকা পর্যন্ত দিছি পরবর্তী যেদিন পুলিশ আসামি কোর্টে তুলছে ঐ কনস্টেবল এর সাথে দেখা তিনি আবার খরচ চাইলো কারন আসামি কোর্টে নিয়ে আসছ আমি বললাম টাকা নাই তখন বললেন যা আছে দেন তখন ১০ টাকা দিছি।
জন্ম নিবন্ধন করতে 200, টাকা, চেয়েছে, বাবার মৃত্যু সনদ করেছি 200 টাকা দিয়ে,
আমি দেশে ছুটিতে আসছি আমার পাসপোর্ট মেয়াদ ৪মাস থাকায় পাসপোর্ট রিনিউ করতে যাই।পরে আমাকে বলা হয় NID card লাগবে। আমার NID আর পাসপোর্ট বয়সে অমিল থাকায় পাসপোর্ট রিনিউ করতে না পারায় NID সংসোধন করতে যাই। তখন যত সমস্যা হবেনা নানান তাল বাহানা পরে বলে বাহিরে দেখা করতে। দেখা করলাম খরচ চাইলো ৯০০০০ হাজার। টাকা হলে হবে নয়তো হবেনা 😭
গাবতলী বাস টার্মিনালের যাত্রী ছাউনিতে একটি সংঘবদ্ধ চক্রের মাধ্যমে যাত্রীদের হয়রানি ও প্রতারণার অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। প্রথমে তারা যাত্রীদের জানায় যে, যাত্রী ছাউনির ভেতরে টিকিট বিক্রি হচ্ছে। এরপর হানিফ পরিবহনের টিকিটের কথা বলে যাত্রীদের কাছ থেকে টাকা নেওয়া হয়। পরবর্তীতে সেখানে থাকা একজন মোটা গড়নের কালো বর্ণের ব্যক্তি যাত্রীকে বলে, “আপনাকে টিকিট দেওয়া হবে না, যা করার করেন।” যাত্রী সেখান থেকে চলে যাওয়ার সময় চক্রটির আরেকজন সদস্য এসে আশ্বস্ত করে যে, “ওরা আপনাকে বাসে তুলে দেবে।” পরে যাত্রীকে হানিফ পরিবহনের পরিবর্তে একটি লোকাল বগুড়া বাসে তুলে দেওয়া হয়, যার ভাড়া মাত্র ২৫০ টাকা। এভাবে যাত্রীদের বিভ্রান্ত করে অতিরিক্ত টাকা নেওয়া এবং পছন্দের পরিবহনের পরিবর্তে অন্য বাসে তুলে দেওয়ার বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক