প্রতিবন্ধী ভাতা
আমার ভাতা কার্ড সচল করে দেবে যদি টাকা দি
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমার ভাতা কার্ড সচল করে দেবে যদি টাকা দি
বগুড়ার শেরপুরে অগ্রণী ব্যাংকে তখন বিদ্যুৎ বিল দিতাম। ঘটনাটা ২০০১ সালের। আমার বাড়ি সহ আরও দুই রিলেটিভের দিতে গিয়েছি। গিয়ে দেখি লম্বা লাইন। দোতলা ব্যাংকের ভেতরের ক্যাশ কাউন্টার থেকে শুরু করে একেবারে নিচতলার বাইরে রাস্তা পর্যন্ত লাইন। কিছুক্ষণ লাইনে থাকার পর দেখি দুইজন ব্যক্তি লাইনের মধ্য থেকে বের হয়ে গেলো। তাদের অনুসরণ করে দেখি উনারা পাশের চা স্টলে থাকা ব্যাংকের পিয়নের কাছে বিদ্যুৎ বিলের কাগজ আর বিলের সমপরিমাণ টাকা দিলো এবং বাড়তি হিসেবে প্রতি বিলের জন্য ৫ টাকা অতিরিক্ত দিলো। আমিও তিন বিলের জন্য অতিরিক্ত ১৫ টাকা দিয়ে বসে থাকলাম। খেয়াল করে দেখলাম, আমি লাইনের যে লোকটার পেছনে দাঁড়িয়েছিলাম, উনি প্রচন্ড রোদে এখনো লাইনেই আছেন আর আমি পরিশোধ করা বিলের গ্রাহক কপি হাতে পেলাম! এটাই আমার দেয়া প্রথম ঘুষ!
জেলা বিচারক বিভাগ আমার বাবার বিরুদ্ধে রায় দেয় আপীল বিভাগ সুপ্রিম কোর্টের ঘুষখোর বিচারক ১৫ লক্ষ টাকা খেয়ে রায় দেয় জামিন দেয়। আমার বাবা নির্দোষ তাকে ফাসিয়ে এতগুলো টাকা ভিলেজ পলিটিক্স, স্থানীয় প্রশাসন বলতে থানা এদের কথা বাদই দিলাম শুধু বিচারক ১৫ লক্ষ টাকা খাইছে। আমার বাবার চাকরি থেকে সাস্পেন্ড হইছিলেন। যাক শেষ পর্যন্ত চুড়ান্ত রায় না পেয়েই ২০২৩ সালে মারা যান।
আমি সংশোধনের আবেদন করি।এই আবেদনের আর কোন খবর ছিলো না।এটা তদন্তকারী অফিসারের কাছে পড়ে ছিলো। নির্বাচন অফিসার আমার ভগ্নিপতির বন্ধু ছিলো।আমি উনার কাছে যাই উনি আরো কিছু কাগজ আনতে বললো। আমি কাগজ গুলো পরে নিয়ে আসি জমা দেই উনি চেক করে ওকে বলে দেয়।কিন্তু ঐ তদন্তকারী রিপোর্ট কিন্তু পাঠায় না। ২ সপ্তাহ এভাবে চলতে থাকে।আমি আবার অফিসে গেলে আমাকে বলে আমার আরো কাজ আছে আপনারটা সিরিয়াল অনুযায়ী আসবে, আমি যখন রিকোয়েস্ট করলাম বললো কাজ করে দিবো আমাদের কিছু দিবেন না! আমার কাছে ভাঙতি ৩০০ টাকা ছিলো আমি তাকে দেই সেই এই টাকা দেখে আমার কাছথেকে টাকা নেয় নাই বলে আপনার কাছে কি আমি টাকা চেয়েছি! পরে আমি বললাম আপনার বিকাশ নাম্বার দেন আমি পাঠাবো উনি নাম্বার দিলো আমি টাকা পাঠাই নাই।তারে ফোন দিলে বলে হাতে কাজ আছে কালকে পাঠাবো আ
পাসপোর্ট ভেরিফিকেশনের জন্য ২০০০ টাকা গাড়ি ভাড়া দাবি করা হয়েছে, অথচ আমি নিজে গেছি পুলিশ সুপার কার্যালয়ে। তাদের রুমে কোন সিসি ক্যামেরা নেই। আমার কাছে টাকা নেই বলার পরে ও ৫০০ টাকা নেওয়া হয়েছে।
বয়লার পরিদর্শনের সময় টাকা দাবি করেছে এবং পরিশোধ করা হয়েছে
কেশবপুর উপজেলা নির্বাচন অফিসে জাতির পরিচয় পত্র আবেদন করতে গেলে ৫০০০ টাকা ঘুষ দাবি করে অফিসের পিয়ন
জিডি করার সময় বলেছিলো ১০০০ টাকা দিতে হবে। আমি প্রথমে দিতে মানা করেছিলাম। তখন বললো তাহলে নিজেই লিখে নেন জিডি। আমি জানতাম না বিধায় টাকা দিতে হয়েছিলো
এলাকায় একটা ঘটনায় আমরা থানায় মামলা দায়ের করতে গেলে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আমাদের থেকে ১০০০০ টাকা দাবী করেন, যেহেতু মামলা করতেই হবে আমাদের কিছু করার ছিল না। পরে কথাবার্তা অনেক হওয়ার পরে ৫০০০ টাকা তাকে দিতে হয়েছে।
অফিসের বড়........ যিনি লাইসেন্স ইনলিষ্টমেন্ট (গনপুর্ত ডিভিশন অফিস) এ ফর্ম দিয়ে থাকেন। তিনি ফর্ম পুরন করে জমা দিয়ে দিবেন ২২,০০০ টাকা দিতে হবে। ফর্ম নিয়ে এসেছি আজ ও জমা দেই নাই। কষ্ট পেয়েছিলাম আমি একজন ইঞ্জিনিয়ার (সিভিল) ভাল কাজ করার আশা করছিলাম। ওদের কপাল খারাপ।
ডাক্তারের স্বাক্ষী ছাড়া, বাদীপক্ষকে না জানিয়ে, মিথ্যা যুক্তিতর্ক দেখিয়ে এর পরের দিনই আসামীদের পক্ষে রায় দিল,প্রকৃত আসমীদের খালাস দিয়ে দেয়,প্রায় ত্রিশ লক্ষ টাকা ঘুস নিয়েছে জজ সাহেব।
সরকারি কাজের বিল তুলতে গিয়ে বললো ১% করে দিতে হবে একাউন্ট সেকশনের জন্য। নির্বাহী প্রকৌশলীর জন্য ২% মোট ৩% টাকা চট্টগ্রাম গণপূর্ত ই এম বিভাগ ২ এর ক্যাশিয়ারকে পরিশোধ করতে হয়েছে কারণ সে আমার প্রাপ্য চেক দিচ্ছিলো না।
আমার বাবার পেনশনের টাকা ওনি ষখন তুলতে যান, তখন তার টাকা তারই তুলতে টাকা দিতে হবে, আসলে চা নাস্তা, খেতে ২৫ হাজার টাকা লাগে, 😅 এটাই আমাদের বাংলাদেশের system.
জন্ম নিবন্ধন সনদ ও মৃত্যু নিবন্ধন সনদ বানাতে সরকারি ফিস ৫০ টাকা , অথচ ইউনিয়ন পরিষদ এ ব্যাক্তি বেদে বিভিন্ন টাকা নেওয়া হয় ,, এখানে জন্মনিবন্ধন সনদ আবেদন করতে সর্বনিম্ন ২৫০ টাকা থেকে ৫০০ টাকা নেওয়া হয় । আর যদি প্রশ্ন করা হয় জন্মনিবন্ধন এর ফিসতো ৫০ টাকা সেক্ষেত্রে বলে হ্যা ৫০ টাকা কিন্তু আমি এখানে আবেদন পত্র জমা দিয়ে দিবো কিন্তু আপনার উপজেলা জমা দিতে হবে এবং সেখানেও টাকা দিতে হবে । ( অথচ এখানে আবেদন জমা ও ডুকেমেন্ট চেক করে ) সব কাজ তার । এভাবে হয়রানি করে মানুষ দের থেকে অতিরিক্ত বেশি টাকা নেয় । এটা ঘুষ না কিন্তু সরকারি ফিস থেকে অতিরিক্ত বেশি টাকা সে নেয় । আবার কোন কাজে গেলে সে করে না ,, সে বলে বাইরের কম্পিউটার দোকান (যেটা তার) সেখান থেকে করে আসতে বলে। ভুক্তভোগী ইউনিয়ন বাসী
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ঘোষবাণিজ্য ঘটে থাকে গণপূর্ত অধিদপ্তরে এখানে টেন্ডার থেকে শুরু করে সব ধরনের চাকরি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান এবং সকল ধরনের অফিসার লেভেল থেকে শুরু করে একজন সরকারি পিয়ন পর্যন্ত ঘুষের লেনদেন করে থাকে। টাকা ছাড়া এখানে কোনভাবেই কোন কাজ করা যায় না আমার বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে পাঁচ বছর চাকরি করছিলাম সেখান থেকে মূলত এগুলো আমার জানা এবং এত অনিয়ম দেখে আমি আমার মাস্টার রোলের চাকরি ছেড়ে দিয়েছি লাস্ট দুই মাস আগে এখানে বেতন নিলেও দিতে হয় খরচ
Warish sonod ber korte giyechi, 3k taka cheyeche per warish sonod.
অফিসের বড়........ যিনি লাইসেন্স ইনলিষ্টমেন্ট (গনপুর্ত ডিভিশন অফিস) করেন, তিনি ফর্ম পুরন বাবদ ২২,০০০.০০ টাকা চেয়ে ছিল সরকারি জমা ৪০০০+৫০০=৪,৫০০.০০ টকা। রাগকরে ফর্ম নিয়ে চলে এসেছি ।
Without paying bribe it's literally impossible to get money. It's a system, almost everyone pays so we did.
আমার স্মার্টফোন টি চুরি হলে উদ্ধার বাবদ তারা ৫০০০ টাকা চায়। এমনকি যার কাছ থেকে উদ্ধার করে তার কাছেও টাকা দাবি করে। আমি টাকা দিলে আমাকে ফোন দিয়ে দেয়
ঢালুয়া হাই স্কুল, থানা: নাঙ্গলকোট, জিলা: কুমিল্লা বিভাগ : চট্রগ্রাম। JSC এবং SSC সাটিফিকেট, মাকশিট, প্রসাংশ পত্র, তুলতে প্রত্যয়ন নিতে টাকা দিতে হয়, টাকা না দিলে আটকে রেখে দে, হয়রানি করে। আমি গত ১১ বছর পর সাটিফিকেট তুলতে পারছি ৬০০ টাকা দিয়ে, তারা দাবি করছে ১ হাজার টাকা। ।এতো দিন টাকা দি নাই তাই কাগজপত্র দে নাই, চাকরি আবেদন করতে পারি নাই কাগজপত্র কারনে। আমাদের প্রতিটি স্কুল মাদ্রাসাতে হয়, নাঙ্গলকোটে আমরা জানি ফর্মফিলাপ সময় সব টাকা নিয়ে যায় সকল খরচ, এটা অন্য টাকা ছাড়া কাগজপত্র দে না