সিভিল কোর্টের মামলার কপি প্রদানে
জমিজমা সংক্রান্ত কারণে সিভিল কোর্টে মামলা করা হয় মামলার কপি বিবাদী পক্ষের বাড়ি পৌঁছে দেয় এক কেরানি সে আমার কাছ থেকে ১০০০ টাকা গ্রহণ করে এবং আরো ১০০০ টাকা আদায় করার জন্য চাপ প্রয়োগ করছে
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
জমিজমা সংক্রান্ত কারণে সিভিল কোর্টে মামলা করা হয় মামলার কপি বিবাদী পক্ষের বাড়ি পৌঁছে দেয় এক কেরানি সে আমার কাছ থেকে ১০০০ টাকা গ্রহণ করে এবং আরো ১০০০ টাকা আদায় করার জন্য চাপ প্রয়োগ করছে
৩১ শে আগস্ট ২০২৬, রাত ৮.৩০ টায় কমলাপুর রেলস্টেশনে যাই। ঢাকা - খুলনা টিকেট জন্য এ সি / কেবিনের টিকেট বিক্রয় হয় এমন কাউন্টার গেলাম। ২ টা এডাল্ট + ২ টা চাইল্ড টিকেট বাবৎ মোট ৩৫০০ টাকা দিতে বললো। টাকা দেওয়ার পর টিকেট দেখলাম ৩৪০০ টাকার ও কম লেখা। তখন সে বললো ভাই ১০০ টাকা বেশি রাখলাম। পরে আর কিছু বলতে পারলাম না।
ওয়ারীশ সার্টিফিকেট তুলার জন্য গ্রামের চৌকিদার এর কাছে গেলে তিনি বললো যাতায়াত বাবদত ২০০০ লাগবে না হলে কাজ করতে পারবে না। ওয়ারীশ সার্টিফিকেট টা আমার দরকার ছিলো খুব তাই বাধ্য হয়ে টাকা পরিশোধ করতে হয়েছিলো আমার।
আইডি কার্ড সংশোধনে প্রতারণা জন্ম তারিখ সংশোধনের জন্য নির্বাচন কমিশন অফিসে গেলে একজন আমলা মোট ১০,০০০ টাকা নেন, কিন্তু ৩ মাস ঘুরিয়েও কজ করেননি। শেষে একটি ভুয়া কাগজ ধরিয়ে দেন। বাধ্য হয় জন্ম নিবন্ধন দিয়েই পাসপোর্ট করাই, আজও আইডি কার্ড ঠিক হয়নি। টাকা নিয় কাজ না করার এই প্রতারণা বন্ধ হওয়া দরকার।
To have a new prepaid meter of BPDB needed to gave extra money when meter price was around 4500 taka.
passport verification e police 1000 taka niyeche
সরকারি ফি এর বাইরে অতিরিক্ত টাকা পরিশোধ না করলে কাজ হয়না। জন্ম নিবন্ধন, ওয়ারিশ সনদ, মৃত্যু সনদ সবকিছুতে প্রায় দ্বিগুণ টাকা প্রদান করতে হয়।
ইউনিয়ন পরিষদে জন্ম নিবন্ধন সার্টিফিকেট করতে গিয়ে প্রথমে বলে ১০০০ পরে ৫০০ টকা। কারণ তাদের নাকি কারেন্ট বিল দেওয়া লাগে
জন্ম নিবন্ধন করতে গেলে সচিব দুই বাচ্চার জন্য ৩০০ টাকা নেন
আমার জন্ম নিবন্ধন এ সমস্যা ছিলো তারা যখন করেছিলো ইস্যুর তারিখ দেয়নি এজন্য কোন কিছুই করতে পারতেছিলাম না তাদের কাছে গেলে তারা সংশোধন এর জন্য ৪০০০টাকা দাবি করে আমাকে দিতে হয় কারণ আমার অনেক প্রয়োজন ছিলো
বিষয়টি জাতীয় পরিচয় পত্র বানানো যে দোকান থেকে আবেদন করেছি সেই দোকানদারের মাধ্যমে এই টাকাটি চাওয়া হয় দোকানদারের সাথে নির্বাচন অফিসের সবার লিংক আছে তাদের মাধ্যমে এই ঘুষের টাকা নেওয়া হয়।
একটা সরকারি চাকুরির পুলিশ ভেরিফিকেশন এর জন্য আমাকে চাঁদপুর জেলার শাহরাস্তি উপজেলার মডেল থানার ডিএসবি এর সদস্য (আই গ্রেস এএসাই/এস পদমর্যাদার) ১০০০ টাকা দাবি করে। এবং এক প্রকার সেটা দিতে বাধ্য হই।
In BDS Survey one Survayer noted less Land in Scatch Map during Digital survey despite of more Land in Dolil, Dokhol & Dakhila. Propose Vaya local Dalal to be Corrected as per Dolil, Dokhol & Dakhila demanding 10 Lac. I denied.
Evaluation করে প্রতিটি Package এর অনূকূলে ২% টাকা ঘুস নিচ্ছে। তার পিডি মহোদয় ২% নিচ্ছে
অঙ্গীভূত আনসার, পোস্টিং সিসি বাণিজ্য, ভালো জায়গায় পোস্টিং নিলে যেমন পাসপোর্ট অফিস ৫০০০০ টাকা ৬ মাস জন্য, দেওয়া লাগে, কক্সবাজার সদরে যে কোন গার্ড থাকতে গেলে ৬ মাস পর ৪০০০ টাকা দেওয়া লাগে, টাকা না দিলে পোস্টিং মাতারবাড়ি কয়লাবিদ্যুৎ, সীফুডস বা বোগাচত্ত্বর,খারাপ জায়গায় পোস্টিং টেকনাফ সোলারটেক এইদিকে হয়।
আমি নতুন ট্রেড লাইসেন্স করতে গেছি সেখানে তারা আমাকে কৃষি খামারের জায়গায় বিভিন্ন কাজের জন্য আলাদা আলাদা ট্রেড লাইসেন্স করতে বলে প্রতি ট্রেড লাইসেন্স জন্য ৩০০ টাকা ঘুস দাবি করছে। যা আমি মেনে নাই বলে সে আমাকে বলে যে সে আমাকে কোন প্রকার সহায়তা করতে পারবে না।। আমি উনাকে জিজ্ঞেস করি যে এই বিষয়ে সরকারি কোন নীতিমালা আছে কিনা।। সে সোজা বলে যে উনি হচ্ছে এখানকার নীতিমালা প্রণয়নকারী।
আমি ২০২২ সালে৷ মার্চ মাসে মাসে সৌদি থেকে বাড়িতে ছুটিতে যাই, সেখানে আমি জন্ম নিবন্ধন বাংলা ইংরেজি করার জন্য আমি দেবিদ্বার ২ নং ইউছুফপুর ইউনিয়ন অফিসে গেলে আমাকে৷ তারা ব্যস্ততা দেখায় কোন রকম ভুল না থাকলে ও শুদু বাংলা ইংরেজি করার জন্য তারা আমার কাছ থেকে ৫০০ টাকা নেয়,, আমি তাদের প্রশ্ন করার কারনে তারা আমাকে বলেছিলো এই টাকা নাকি তখন কার দেবিদ্বার ইউএন এই টাকা নিয়ে থাকে আমি বাধ্য হয়ে টাকা দিতে হয়েছে, এই যদি হয় ইউনিয়ন এর অবস্তা , যা হয়তো এখনো চলমান রয়েছে,,,,
গাজীপুরে কারখানাতে বিদ্যুতের লোড বাড়াতে গেলে ঘুস চায়। লিস্টেড কন্ট্রাক্টর রা সিন্ডিকেট করে টাকা চায়। সোলার প্যানেল ছাড়া সংযোগ দিবে না/লোড বাড়াবে না বলে, কিন্তু ঘুস দিলে এই আইন আর থাকে না। মিথ্যা রিপোর্ট দেই যে সোলার আছে। আবেদন পাশ করাতে টাকা, ট্রান্সফরমার স্টোক নাই নাই বলে টাকা চায়, ট্রান্সফরমার কোম্পানির সাথে লিয়াজো করে আবেদনকারিকে নিজের টাকা দিয়ে বেশি দামে কিনতে বলে। তাদের চাহিদা মত ঘুস দিলে ট্রান্সফরমার, মিটার সব পাওয়া যায় সরকারি খরচ জমা দিয়ে। এতে ইঞ্জিনিয়ার, এজিএম, জিএম, লাইনম্যান জড়িত।
লাইসেন্স রিনিউ করার জন্য এই টাকা কোম্পানির কাছে দাবি করা হয়। যা পরবর্তীতে কোম্পানির বিনিয়োগকারী প্রদান করে।
আমাদের ডেমরা এলাকায় দীর্ঘদিন যাবত গ্যাসের সমস্যা থাকার কারণে,আমি সিদ্ধান্ত নেই আমার চলমান গ্যাস লাইনটি আগামী ২৩ মাসের জন্য বিচ্ছিন্ন রাখবো এই মর্মে আমি রায়েরবাগ গ্যাস অফিসে গেলে সেখানকার একজন ব্যক্তি আমার কাছ থেকে এই কাজ বাবদ ২৫০০ টাকা গ্রহণ করেন