পাসপোর্ট আবেদন
একটি নামের বানালে শ এক জায়গায় স একজায় হওয়ায় ঘুরে দিছিলো। গেটে ধরে বলে ১৫শ হলে এখনি সব হবে এটা খরচ অফিসের বুঝলা তাছাড়া যত দিবা ততই বাতিল করবে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ২০,৪৪৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
একটি নামের বানালে শ এক জায়গায় স একজায় হওয়ায় ঘুরে দিছিলো। গেটে ধরে বলে ১৫শ হলে এখনি সব হবে এটা খরচ অফিসের বুঝলা তাছাড়া যত দিবা ততই বাতিল করবে।
আমি পাসপোর্ট নিজেই এপ্লাই করেছিলাম কিন্তু ভুলবশত ঠিকানা ভুল লিখে ফেলি। তাই পাসপোর্ট অফিসে গিয়েছিলাম অ্যাপ্লিকেশন বাতিল করে পুনরায় নতুন করে করতে। সেখানে এক আনসার সদস্যদের জিজ্ঞেস করলাম অ্যাপ্লিকেশন বাতিল করার দরখাস্ত কোন রুমে দেবো, তিনি আমাকে বললেন তুমি নিজে নিজে করতে গেলে কেন কোন মাধ্যম দিয়ে করলে এত হয়রানি হওয়া লাগে না। আমি বললাম এখন কি কোন সমাধান আছে তিনি বললেন "আমি তুমাকে মাধ্যম দিতে পারি, এটা বাতিল করা দরকার নেই আমরাই তুমার অ্যাপ্লিকেশন সঠিক করে দিব।" তারপর বললেন সরকারি পেমেন্ট করে দিয়েছি কি না , আমি বললাম না, পেমেন্ট অপশন অফলাইন সিলেক্ট করেছি, বললেন ঠিক আছে সমস্যা নাই তুমি সরকারি পেমেন্ট সহ সব মিলিয়ে ৮০০০ হাজার টাকা দিতে হবে। তাহলে আপনি লাইনে দাঁড়ানো লাগবেনা কিছু করা লাগবে না
আমার পরিচিত একজন নতুন পাসপোর্ট করতে গেছেন অফিসে। সমস্ত কাগজপত্র দেখে বললে আপনি যেহেতু পেশা বেকার দিয়েছেন তাই আপনার বেকার সনদ লাগবে। আসাবে ঘুষ চাওয়ার নতুন পদ্ধতি...
একের পর এক সমস্যা দেখিয়ে কয়েক দিন যাওয়ার পর বাধ্য হয়ে পাসপোর্ট অফিসের দালাল দিয়ে অবশেষে পাসপোর্ট বানাতে পেরেছি, টাকা দেয়ার পরে কাগজ পত্রে আর কোন সমস্যা নাই, সব সঠিক হয়ে গেছে অটোমেটিক। নোয়াখালী পাসপোর্ট অফিসের সব কর্মকর্তাই এই কাজের সাথে জড়িত। সবচেয়ে বেশি খারাপ হচ্ছে লেবাজধারি শয়তান, তাকে দেখতে মনে হবে পীর সাহেব, কিন্তু আপাদমস্তক একটা দূর্নীতিবাজ ভন্ড। তাকে কিভাবে একটা অফিসের প্রধানের গুরুদায়িত্ব দেয়া হলো সেটাই বড় প্রশ্ন।
নতুন পাসপোর্ট তৈরি করতে গিয়ে, একের পর এক সমস্যা দেখিয়ে কয়েকদিন অতিবাহিত হওয়ার পরে বাধ্য হয়ে পাসপোর্ট অফিসের দালাল দিয়ে কোন ঝামেলা ছাড়াই সম্পন্ন করতে হলো। মূল কর্মকর্তা সহ সবাই এর সাথে জড়িত, প্রধান যিনি তাঁকে দেখলে মনে হবে পীর সাহেব, কিন্তু আপাদমস্তক একটা দূর্নীতিবাজ ভন্ড। লেবাজ ব্যবহার করে প্রতিনিয়ত অপকর্ম করে যাচ্ছে।
Passport er biometric Dewar somoy jei Luke biometric ney uni Amar documents check Kore bole apnar permanent address sunamgonj tai present address theke Korte parben na. Sunamgonj giye Koren. Tar por Ami boli passport desher jekuno jayga theke kora jay. Pore uni Amar file cancel Kore ansar sodosser Sathe Kotha bolte bole. Pore Ansar er lukti Amar kache 1k taka dabi Kore bole sir der ektu Khushi Korte hoy na hole egulo hoy na. Tar por Ami 1k taka Dile Amar biometric ney and oi lukti bole amake naki tar Valo manush mone hoyeche tai uni Amar kajta Kore dise. Sylhet passport office 2nd floor a shirir bam pasher room a Ek kan ola choshma pora Ekta luk ache. Ei ghushkur ke dhore keu.
আজকে ২৯ সেপ্টেম্বর পাসপোট হারানো গেছে এইজন্য পাসপোর্ট এর সিরিয়াল নাম্বার এর জন্য গেছিলাৃম আনতে সকাল ১০.৪৫ এ।।।আমাকে ২০২ নাম্বার থেকে বলা হইলো ২০৮ নাম্বারে দুপুর ২টায় আসতে।।। ২০৮ নাম্বারে ১:৫৫ যাওয়ার পর আমারে বলথেছে এখন নেটে কাজ করতেছে নাহ।।।আপনি পরে আসেন নিছে নামার পর এক লোক আমার কাছে ১০০০ টাকা চাইলো আমি তারে চিনি নাহ।।আর বললো এখনই এইটা করে দিবো।।
আমার একটা পাসপোট হারানো গেছে আমার নানুর।।।এখন এই এই পাসপোর্টের সিরিয়াল নাম্বার টা নেওয়ার জন্য গেলাম।।আমাকে ২০২ নাম্বার রুম থেকে বল্লো ২০৮ নাম্বার রুমে যাইতে ২টার পরে।।২টার পরে গেলাম তখন আমারে বলতেছে আমার নেটে সমস্যা এইটা করা যাবে নাহ।।।নিছ তলায় আসার পরে একজন লোক / দালাল আমারে বললো ১০০০ টাকা দিয়েন আমি করে দিবো।।।
বাচ্চার পাসপোর্টে উত্তরা পাসপোর্ট অফিসে বাবা মায়ের দুই জনের অনুমতি পত্রে সাক্ষর চাচ্ছে, বাবা অনেক দূরে ব্যস্ত এখন আনসারের সাথে কথা বলার পর বললো ১৭০০ টাঁকা দ্যান কোণ টেনশন করা লাগবে না সব হয়ে যাবে। বাচ্চার অনুমতি পত্র লাগব এটা কোথাও লেখা নাই পাসপোর্ট ওয়েবসাইটে , এমনকি অনলাইনে কোথাও এটা বলা হয় নাই উত্তরা পাসপোর্ট অফিসের এই ফর্ম টা অনলাইনেও কোথাও নেই। তো এটা ঘুষ খাওয়ায়র জন্যই ডিজাইন করা একটা সিস্টেম । তাছাড়া বাবা ব্যস্ত থাকলে ঘুষ দেয়া ছাড়া উপায় নাই কারো যদি জানা না থাকে অথবা দালাল না থাকে।
দেওয়ার কথা চিলো ৪৫ দিনে কিন্তু আজকে হয়ে গেছে ৩ মাস তারা বলে ঢাকা থেকে খুজে আনতে হবে। খরছ লাগবে ৫০০০ হাজার টাকা ৩ টা ফ্যামেলি পাসপোর্ট।
চট্টগ্রাম পাসপোর্ট অফিসে ঘুষ ছাড়া কাজ করা অনেক কঠিন। মানুষ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে দিনের পর দিন ঘুরেও কাজ করাতে পারছে না। পরে বাধ্য হয়ে দালালের কাছে গেলে তারা পাসপোর্টের ফর্ম পরিবর্তন করে দেয় এবং এভাবে অতিরিক্ত কাগজপত্রের প্রয়োজন হয় না। অনেক সময় মাত্র ২-৩টি কাগজপত্র দিয়েই কাজ হয়ে যায়। দালালের মাধ্যমে গেলে অফিস থেকেও আর অতিরিক্ত বা missing কোনো কাগজপত্র চাওয়া হয় না। এমনকি electricity বিলও না। তারা সরাসরি কাগজপত্র প্রসেস করে এবং একই দিন ছবি ও আঙুলের ছাপও নিয়ে নেয়। অর্থাৎ নিজে গেলে দিনের পর দিন ঘুরতে হয়, কিন্তু দালালের মাধ্যমে এবং ঘুষ দিয়ে গেলে একই কাজ খুব সহজেই হয়ে যায়।
ফেনী পাসপোর্ট অফিসে, দালাল বা এজেন্সি ছাড়া নিজে নিজে আবেদন করে পাসপোর্ট জমা দিতে গেলে ১০১ এ চেক করতে দিলে তারা ২০১ নাম্বার রুমে পাঠায় ২০১ এ বসা ব্যাক্তি কোন কোন একটা সমসা বের করে বলবে এটা জমা হবে না, আবেদন বাতিল করে আবার নিয়ে আসেন। তার পর বাতিল করে আবার নিয়ে গেলে আবারও একি কাহিনী করে পরে বাহিরে পাসপোর্ট অফিসের গেইট সংলগ্ন নুর এন্টারপ্রাইজে গেলে তারা বলে এটা টাকা ছাড়া জমা দিতে পারবেন না, পরে ওনাদের ১৫০০ টাকা দিয়ে আবার নিয়ে যাওয়ার পর ঠিকি জমা নিছে। সবার সাথে এমনটা করে
অনেক ঘোরাঘোরি করে পরে কাজটি বিনা ঘুষে সমাধান করতে পেরেছি।
আবেদন নিজে নিজেই করা হয়েছিল। আগের পাসপোর্ট ও বর্তমান এনআইডির সাথে পিতার নামে একটু ভুল ছিল। যত নিয়ম শেখালো পাসপোর্ট কর্মকর্তা। আজকে আর হবেই না, সব কিছু ঠিক করে নিয়ে আসেন। ব্যর্থ হয়ে বাহির থেকে যখন দালাল ধরলাম তখন বলল যে হয়ে যাবে কোন অসুবিধা নাই। তারা আবার একটা ফাইল তৈরি করল এবং তা নিয়ে জমা দিতে কোন কিছু না বলেই না জিজ্ঞাসা করেই ফাইল জমা নিয়ে নিল। আর কোন অসুবিধা হলো না।
they dont provide me the passport. even if the passport is ready.
পাসপোর্টে ভুল সংশোধনের জন্য ও টাকা দাবি করেছিল
আমার পাসপোর্ট করতে ঘুষ দিতে হয়েছে।। শুধু আমার না সবাইকে দিতে হয়।। মুনসুরাবাদ পাসপোর্ট অফিস দিনে ৫ লক্ষ ইনকাম।।। সরকারি অফিস এর মানে কি ঘুষ।।
amar sob paper thik cili ar por o taka dite hoice
নতুন পাসপোর্ট করা বিষয় দালাল ৩০০০ টাকা বেশি নেয় সরকারি খরচ থেকেও
আমি আমার আম্মুর পাসপোর্ট নবায়ন করতে চাই সেখানে তারা ইচ্ছাকৃতভাবে ভুল করে আমার আম্মুর পুনরায় যে পাসপোর্ট ছিল সেই পাসপোর্ট নাম্বার দেয়নি অথচ আমার আবেদন ফর্মে ছিল পাসপোর্ট নবায়ন এখন তারা বলছে এটা বাতিল হয়ে গিয়েছে পুনরায় পাসপোর্ট করতে হবে এবং কাবিননামা লাগবে অনেক কিছু লাগবে তারা এগুলোর জন্য ৩০০০ টাকা চেয়েছে আমি টাকা দিয়েছি