নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমার পাসপোর্ট যখন রিনিউ করার জন্য গিয়েছিলাম, আমার ডকুমেন্ট জমা নেয়ার পরে যে ডেটে পাসপোর্ট দেওয়ার কথা ওই ডেটে না দিয়ে আমাকে ঘোরাতে থাকে, পরবর্তীতে টাকা দেওয়ার তিন মাস পর আমার পাসপোর্ট আমি হাতে পাই। আমার সকল ডকুমেন্টস প্রথমে যখন জমা দিয়েছিলাম সেগুলো ঠিক ছিল, তখনও টাকা দাবি করেছিল, আমি দেইনি, তার জন্য আমার কাগজ জমা দিতে সপ্তাহখানেক সময় লাগে।
জামালপুর পাসপোর্ট অফিসে আজকের তিক্ত অভিজ্ঞতা আজই পাসপোর্টের আবেদন জমা দিতে অফিসে গিয়েছিলাম। আবেদনটা নিজেই অনলাইনে করেছিলাম এবং ঠিকানাও পৌরসভার ট্যাক্সের কাগজ ও ইউটিলিটি বিল অনুযায়ী দিয়েছিলাম। কর্মকর্তা ঠিকানায় ভুল ধরেন এবং আবেদন বাতিল করে নতুন করে করতে বলেন। এতে পেমেন্ট নষ্ট হয়ে যেত। তাই দোকানে যাই। দোকানের লোকটি বলে, ১,৫০০ টাকা দিলে আবেদন পাস করিয়ে দেবে। পরে আমরা ১,৪০০ টাকায় রাজি হই। টাকা দেওয়ার পর সে আবেদনে চিহ্ন দেয়। এরপর একই কাগজপত্র নিয়ে কর্মকর্তার কাছে গেলে তিনি প্রশ্ন না করেই আবেদন অনুমোদন করেন। তখন বুঝলাম, আবেদনটি ইচ্ছা করেই আটকে রাখা হয়েছিল এবং ঘুষ নেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। জানি না, কত মানুষ হয়রানির শিকার হচ্ছেন। পাসপোর্ট পাওয়া নাগরিকের অধিকার। অভিজ্ঞতাটি তিক্ত।
আমি সমস্ত কাগজ পএ ডকুমেন্ট যা যা লাগবে সবকিছুই নিয়েছিলাম প্রায় ১৮ টা ডকুমেন্ট , অনলাইন আবেদন কপি ও নিয়েছিলাম কোন কাগজে কোন রকম কোন সমস্যা ছিল না, তারপরে তারা বলল আমি কেন আবেদন করেছি এজন্য হবে না তাদের কাছ থেকে আবেদন করতে হবে তাদের লোক দিয়ে আবেদন করতে হবে, সরকারের নিয়ম অনুযায়ী আনুমানিক ৬০০০ টাকার কিছু কম লাগে পাসপোর্ট করতে, কিন্তু সে আমার কাছ থেকে টোটাল ১২০০০ টাকা নিয়েছিল শুধু আমার ভোটার আইডি কার্ড দেখেই পাসপোর্ট করে দিয়েছিল অন্য কোন কাগজে পরে আর দেখেনি, কিন্তু আমি যখন নিজে নিয়ে গিয়েছিলাম তখন প্রত্যেকটি কাগজ বারবার করে দেখেছে, টাকা দিয়ে দিলে তখন আর কাগজপত্র দেখা লাগে না।
আনলাইনে আমার এলাকার পোষ্টকোড নাথাকার কারনে আমি আমার উপজেলা সদরের পোষ্টকোড দিয়েছিলাম কিন্তু তারা সেটা মানে নাই, যখন তাদের টাকা দিলাম তারা সেটাই জমা নিল এবং আমার পাসপোর্টে বর্তমানে উপজেলা সদরের পোস্টকোড টি রয়েছে তাহলে আমার টাকা লাগলো কেন।
পাসপোর্ট এর অনলাইন আবেদন করে জমা দেয়ার জন্য গিয়েছিলাম। প্রথম দিন ২ টার পরে স্যার নাই চলে গেছেন। পরের দিন অনেক লম্বা ভীড়। বিশাল লম্বা সিরিয়ালের মাঝেই অনেকে ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিয়ে চলে গেছে অল্প সময়ে।পাশের দোকানদার নিজেও বলতেছে যারা আগে এসেছে এখনো দিতে পারে নাই। ভিতরে কয়েকজনকে বলতে শুনলাম টাকা দিয়ে নাকি দ্রুত কাজ করা যায়।দুইজন লোক বলল দালাল ছাড়া নিজে নিজে করলে তারা বিভিন্ন কারন দেখি আটকে দেয়। এসএসসি পরীক্ষা দিয়ে আর একবার দেখলাম তিনটার পরে একটি ছেলে এসেছে তাকে বলতেছে এখন আর কাজ হবে না সে বলল অনেক অনেক দূর থেকে এসেছি আগামীকাল পরীক্ষা আছে।তখন ওইখানের একজন কর্মকর্তা থাকে এক পাশে নিয়ে কি জানি বলল কানে কানে তখন ছেলেটি পকেট থেকে টাকা বের করে দিল। আমি পাসপোর্ট করতে পারিনি।দালালের মাধ্যমে করলে
আমি নাটোর পাসপোর্ট আফিসে পাসপোর্ট করার জন্য কাগজ জমা দিতে গেলে বিয়ের কাবিন নামা লাগবে বলে আমাকে ফেরত দেয়, পরে আমি যে কম্পিউটার এর দোকানে কাগজ রেডি করেছি তাদের জানাই, তারা বলে ১৫০০ টাকা দিলে কিছু লাগবে না, আমাকে পরের দিন আসতে বলে আমি পরের দিন আসলে ১৫০০ টাকা দেই, তখন তারা আমার কাগজ নিয়ে কি যেন করে, তারপর আমি পাসপোর্ট আফিসে কাগজ জমা দিলে কাবিন নামা ছাড়াই জমা নেয় এবং আমার সমস্ত কাজ হয়। এই রকম ভুক্তভোগী সবাই তারা ঘুষ না দিয়ে গেলে কিছু না কিছু ভুল ধরে এবং হয়রানি করে, তারা কম্পিউটার দোকানের সাথে সিস্টেম করে রেখেছে
আমার পাসপোর্ট আবেদনের সময় স্থায়ী ঠিকানার ইউনিয়ন পাওয়া যাচ্ছিলো না সার্ভারে এরপর আমি পাশের ইউনিয়নের নাম দিয়ে দেই, কয়েকদিন পরে যখন পাসপোর্ট জমা দিতে যাই তখন পাসপোর্ট অফিসের এক কর্মকর্তার কাছে বিষয়টি জানালে সে আমার সাথে খারাপ আচরণ করে এবং বলে "আপনি খুজে পাননি এতে আমি কি করবো?" আমি তাঁকে বারবার বুঝানোর চেষ্টা করি কিন্তু সে কিছুতেই শুনতে চাচ্ছেনা এবং এক পর্যায়ে সে বলে আপনি বাহিরে যান এরপর আমি পাসপোর্ট অফিসের বাহিরে চলে আসি এবং ঠিক ওই সময়ে এক দালাল এসে আমার সমস্যার কথা শুনে বলে সে এটা ঠিক করে দিতে পারবে এরপর তাঁর কথা অনুযায়ী আমি ৬০০০টাকা দিলাম এরপর কয়েকদিন পর ঠিক সেই কর্মকর্তা আমার সমস্যা সমাধান করে দিলো কোনো খারাপ ব্যাবহার ও করলো না আগের মতো।
পুলিশ বেরিফিকেশন এর সময় টাকা দিতে হয়েছিল আমাকে তা না হলে তারা বেরিফিকেশনে বেগ পোহাতে হয়
সময়টা ২০২৩. আমার ওয়াইফ ও বাচ্চার পাসপোর্ট ভেরিফিকেশন এ ৫০০০ টাকা দাবি করে। আমি সব ডকুমেন্ট ঠিকমতো জমা দেওয়ার পরও প্রথমবার রিজেক্ট করে দেয়। এর পর আমি বাধ্য হয়ে তিন হাজার টাকায় দফারফা করলাম।
আমার সব কাগজ পত্র সঠিক ছিল। মায়ের নামের পরে আমার certificate বেগম দেওয়া ছিল না। মায়ের আইডি কার্ডে শেষে বেগম ছিল। এই জন্য আমাকে বলছে এটা ঠিক করে আনুন। ১৫০০ টাকা নিয়া বেশি দিয়া কম্পিউটারের কাছে দিলেই সব কিছু ঠিক হয়ে জায় ভুতুরে বেপার এই ঘুসের টাকার সাথে জরিত আছেন অফিসে জাদের কাছে আবেদন কাগজ জমা দেওয়া হয়।
আমি নিজেই আমার নিজের আমার পাসপোর্ট এর জন্য এপ্লাই করতে সব ডকুমেন্ট নিয়ে জেলার নোয়াখালী পাসপোর্ট অফিসে যাই ওইখানে যাওয়ার পরে আমি সিরিয়ালে দাঁড়াই আমাকে সিরিয়াল থেকে বের করে দেয় তখন আমি একটু পুলিশ অফিসারের সাথে কথা বলার পর তাকে ৩ হাজার টাকা দিতে হবে সে বলে তারপর আমি কথা বলে ১০০০ টাকা দিয়ে সিরিয়ালটি আমাকে সে দিয়ে দেয় দেওয়ার পরে আমার কাজ হয়ে যায় আমি যখন নিজে নিজে এপ্লাই করলাম তখন আমাকে তারা লাইন থেকে বের করে দিলে।
আমি সবার মত অন লাইনে পারপোর্ট আবেদন করে কাগজপত্র চট্টগ্রাম মনসুরাবাদ পাসপোর্ট অফিসে জাম দিতে গিয়ে ওর বললো কাগজ পত্র সমস্যা আবার আসেন তারপর আবার ঠিক করে যাওয়ার পর বললো সমস্যা তারপর পাসপোর্ট অফিস গেটে এক দালাল ডেকে বললো সমস্যা নাই ৩০০০ টাকা দিবেন করে দিবো। তারের কাগজে সাইন দেয়ার পর যখন জাম দিতে গেলাম তখন সমস্যা না বলে আমালে পাসপোর্ট দেয়।
আমাকে আমার কাগজের ভুল ধরা হয় তারপর বাইরে বের হয়ে দেখি কিছু দালাল গ্রুপ রয়েছে দাবি করে যে টাকা দিলে তারা কাজ কমপ্লিট করে দেবে তারপরে তাদের টাকা দেই তারা কাজটা উদ্ধতন কর্মকর্তার সাথপ যোগাযোগ করে কাজটা কমপ্লিট করে দেয়।টাকা দেয়ার পর আর কোন কাগজে সমস্যা হয়নি।
২০২৩ সাল। আমার কাগজ পত্র সবকিছু ঠিক ছিল। পুলিশকে চা খাওয়ানো বাবদ ১৫০০ টাকা দেওয়া হয়েছিল। অন্যথায় পুলিশ পাসপোর্ট এর ভেরিফিকেশন ক্লিয়ারেন্স দিচ্ছিল না।
পাসপোর্ট করতে গিয়েছিলাম গতমাসের ১০ তারিখ।১০ তারিখ এই আমাকে টানা ১ সপ্তাহ হয়রানি করে।এই সমস্যা ওই সম্যস্যা। ৮০০০ টাকা দেওয়ার সাথে সাথে সব ঠিক হয়ে গেছে।
আমি আমার পাসপোর্ট বানায় 2023 সালের দিকে। তখন পুলিশ ভেরিফিকেশন নামে একটি প্রসেস ছিল। আমার সহ আরো ২ টি পাসপোর্ট মোট তিনটি পাসপোর্ট, প্রতিটির জন্য ৫ হাজার মোট 15 হাজার টাকা দাবি করা হয়। শেষে বাবা মিথ্যা বলতে বাধ্য হয় যে, স্যার আমরা তেমন টাকা পয়সা ওয়ালা না তাই কিছু কম রাখেন পরে সেই পুলিশ ৫০০০ টাকা নেয়। আমি যদি জানতাম ভবিষ্যতে এমন কোন অ্যাপ বের হবে তাহলে আমি এই ঘটনা আরো ভালোভাবে মনে রাখতাম বা এই ঘটনায় কোন পুলিশ এবং তার নাম কি সে কোন পদে আছে ভালোমতো খেয়াল রাখতাম এবং তথ্য স্পষ্টভাবে দিতে পারতাম
আমার সবকিছু ঠিক থাকার পর ও আমার আবেদন গ্রহণ করা হয় নাই, যখন টাকা দেই তখন আমি ভিতরে যাওয়া ও লাগে নাই। সরকারি অফিসে সম্ভবত উপর থেকে নিচ পর্যন্ত ৯৯% ঘুষ খায়। আমাদের সবাইকে এই বিষয়ে সচেতন ও তীব্র প্রতিবাদ গড়ে তুলতে হবে ।
পাসপোর্ট জমা দিতে গেছি। যাওয়ার পরে অফিসের রিসিপশন ডেক্সে আমাকে বলা হয় আপনার কাগজপত্র ঠিক নেই, যদিও পাসপোর্টে লিপিবদ্ধ করা যে সকল ডকুমেন্ট নেওয়ার কথা সবগুলো ডকুমেন্টে আমি নিয়ে গেছি। পরে যখন বাহির হয়ে আসতেছি, প্রতিমধ্যে আনসার সদস্যের সাথে দেখা হল উনি আমাকে বললেন যে বারোশো টাকা দেন আমি এখনই জমা দিয়ে দিচ্ছি, আমি প্রথম দিকে রাজি হয়নি, ফিরে চলে আসছিলাম, আমার পাসপোর্টে দ্রুত প্রয়োজন ছিল এবং খুবই জরুরি ছিল যার কারণে আমি ১১০০ টাকায় মিট করে পাসপোর্ট এর কাগজ জমা দি
আমি একজন সৌদি প্রোবাসি আমি প্রথম অবস্থায় যখন পাসপোর্ট করি এবং ভিসা লাগিয়ে সৌদি চলে যাই এবং যাওয়ার পরে পাসপুর্ট ডেট সেষ হলে ঐখান থেকে দ্বিতীয় পাসপুর্ট করি এবং সেটার ও ডেট ৭মাস থাকতে দেশে ছুটিতে আসি দেশে যখন রিনিউ আবেদন করি তখন তারা বলে আমার পাসপুর্ট নাকি মালটিপুল অ্যাক্টিভ তার যন্য ঘুষ চাই
কুমিল্লা পাসপোর্ট অফিস যেনো ঘুষের মহাস্বর্গ। সেখানে পাসপোর্ট আবেদন করতে গেলে একজন আবেদন গ্রহনকারী সব কাগজ নিরীক্ষণের ভিড়ে বিশেষ কিছু ছিলের খুঁজে ব্যস্ত থাকেন। কাগজে দালালের ছিল নেই মানে আবেদন গহণ হবে না। সব কাগজপত্র ঠিক থাকা সত্তেও আবেদন গ্রহণ হয় নি। বিশেষ কিছু এজেন্টের মাধ্যমে ২৫০০ টাকা অতিরিক্ত পেমেন্ট করায় পরবর্তিতে সাথে সাথে আবেদনটি গ্রহনযোগ্যতা পায়। প্রসাশন আর দালালরা মিলে মিশে ঘুষ খাচ্ছেন নির্ভিঘ্নে।