New
New passport korte gasilam dalal chara kaj hy na 1200tk dile 1 dinei all ok. Na dile 4 din gurai. Sathe nanan Kahini
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
New passport korte gasilam dalal chara kaj hy na 1200tk dile 1 dinei all ok. Na dile 4 din gurai. Sathe nanan Kahini
আমি একজন প্রবাসী ১৫ বছর প্রবাসে আছি আমি দেশে গিয়ে যতবার পাসপোর্ট করতে গেছি ততবারই ভোগান্তি হয়েছি এবং এয়ারপোর্টে টাকা ছাড়া তারা কোন কথা বলে না দালাল ছাড়া এয়ারপোর্টে তো ঢোকাই যায় না এবং এরা যে পাসপোর্ট ব্লক করে দেয় এটাও একটা দালালি টাকা খাওয়ার ধান্দা মালিবাগ সিআইডি অফিস আছে তারাও এক ধান্দাবাজ টাকা ছাড়া কোন কথা বলে না আর তারা টাকা সরাসরি খায়না যেটাই করবেন দালালের মাধ্যমে ভিতরে গেলে বোঝা যাবে তারা একদম ফেরেশতা কিন্তু বাহির থেকে দালাল না ধরলে কোন কাজ করতে পারবে না আমি দীর্ঘ এক মাস ঘুরেছি পাসপোর্ট এর সমস্যার কারণে সিআইডি অফিস অপুর থেকে মিস পর্যন্ত সবাই টাকা ছাড়া কোন কথাই বলবে না কিন্তু তারা নিজেরা জীবনে বলবে না তাদের বিকাশ কিংবা ব্যাংক অ্যাকাউন্ট চেক করলে সবকিছু ধরা খেয়ে যাবে
পাসপোর্ট এর ফিঙ্গারপ্রিন্ট দেওয়ার জন্য । টাকা না দিলে নাকি ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিতে দেরি হবে।
আমি পাসপোর্ট নবায়ন করতে গেছিলাম । সব কাগজ পত্র দিয়েছি। প্রয়োজনীয় সব মূল কাগজ পত্র দিয়েছি। পুরাতন পাসপোর্ট এর কপি অফ দিয়েছি। তার পর ও নিবে না। অভিযোগ নিয়ে পুলিশ এর কাছে গেলাম। পুলিশ বললো জমা নিবে না। টাকা দিতে হবে ২০০০। এমন কি আমার কম্পিউটার টাইপ করা কাগজ নিবে না। ওই পুলিশ পুলিশ বক্সে বসেই নিজের হাতে ফর্ম পূরণ করলো (লেখার অবস্থা যা তা)। তারপোর্ট আমার কাছ থেকে টাকা নিয়ে ফর্ম টা দিয়ে বললো জমা দেন। জমা নিয়ে নিলো। এক মিরাকল ঘটালো পুলিশ। মাঝখানে আমার টাকাটা গেলো। পালিশ আমাকে রক্ষা করল না। উল্টা মদন বানিয়ে দিলো।
আমি পাসপোর্ট অফিসে গিয়েছিলাম যাওয়ার পর । আমার চারটা ভুল ধরছে যেই ভুলগুলা যদি আমি সংশোধন করতে যাই তাহলে । আমার কমসে কম এক মাস ঘোরাঘুরি করা লাগবে । 1) ভুল আমি স্টুডেন্ট ছিলাম এখন কাজ করি না তো বেকার সনদ আলো ইউনিয়ন পরিষদ থেকে কিন্তু ইউনিয়নে তো ইউনিয়ন চেয়ারম্যান নাই এখন কি করব 2) ভুল বিদ্যুৎ বিলের কাগজ ২৫ সালের টা নিয়ে গিয়েছিলাম ২৬ সালের টা লাগবে 3) ভুল আমার আব্বুর পুরাতন আইডি কার্ড হওয়ার কারণটা জন্মস্থান লেখা ছিল না এটাকে সংশোধন করতে হবে বলেছে এটাকে যদি সংশোধন করতে যাই কমসেকম এক মাস লাগবে আরো অনেক ভুল ধরেছিলো আরো অনেকের অনেক ভুল ধরেছে অনেকে দুইদিন তিনদিন চারদিন ধরে ঘুরছে কিন্তু সমস্যা সমাধান হচ্ছে না যারা দালাল ধরে টাকা দিচ্ছে তাদের ফিঙ্গার হয়ে যাচ্ছে
আনছার সদস্য আমার কাছে দাবি করেন
পাসপোর্ট এর জন্য লাইভ ভেরিফিকেশন দরকার হয়। তো যিনি এসেছিলেন তাকে সবকিছু কাগজপত্র দেখানোর পরও তিনি কিছু বকশিশ চাচ্ছিলেন। পরে বারোশোর মতন দেয়া হয়েছে। যদিও তিনি আরো চাচ্ছিলেন।
আমি প্রথমে অফিসে সব কাগজ পাতি নিয়ে যাই, কিছুক্ষণ ঘোড়াঘুড়ি করি কিন্ত তারা একসেপ্ট করলো না তারা বলে দিলো বাহির থেকে আবেদন করে আসুন। তারা একটি দোকানের নাম বললো,সেখানে গিয়ে তাদের সাথে কথা বললাম তারা,বলে দিলে ১৪৫০০টাকা লাগবে অনেক রিকুয়েষ্ট পর তারা এক হাজার টাকা কমিয়ে ১৩৫০০ টাকায় করতে রাজি হয়। কিন্তু আমি নিরুপায় হয়ে করতে বাধ্য হয়। এখন
প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট দেওয়ার সময় এরা বলছে সকাল ৯ টা থেকে দুপুর ১: ৩০ মিনিট পর্যন্ত। আমি ০১ বাজে ৩৫ মিনিটে গিয়েছি তখন সময় নেইনি বলছে দেড় হাজার টাকা দিলে জমা নেবে। তারপর কয়েক রুম ঘুরালো পরে আর জমা নেয়নি এবং জমা দেওয়ার সুযোগ হয়নি। আমি চিন্তা করলাম পুলিশকে অভিযোগ করব পরে দেখি ওরা যে এক রুম থেকে আরেক রুমে হয়রানি করে দেখলাম ভিতরে কোন সিসিটিভি আছে কিনা কোন প্রকার সিসিটিভি নেই এবং গেটের সামনে একটি সিসিটিভি রাস্তায় কে আসে কে যায় ওইটাই দেখা যায় ভিতরে কোন সিসিটিভি নেই সেক্ষেত্রে আর আমি অভিযোগ করতে পারেনি
পাসপোর্ট করতে গিয়েছিলাম আমাদের নিজ জেলা আন্চলিক অফিস রাঙ্গামাটিতে ঠিকানা সব কিছু ঠিক থাকলে ও আমাকে বিভিন্ন কারণ দেখিয়ে ২৫০০ টাকা ঘুস দিয়ে ছবি এবং পিংগার পিন দিতে হয়েছে।
আমি ইমার্জেন্সি পাসপোর্ট বানাতে চেয়েছিলাম । তখন আমার কাছে অতিরিক্ত টাকা চায় । পরে করি নাই । টাকা চেয়েছে দারোয়ান আরেকজন মানুষ অফিসের
আমি যখন পাসপোর্ট করতে যাই তখন ১০ বছর মেয়াদের জন্য সরকারি ফ্রি ৫৮০০ টাকা এর মতো যেটা ৪৮ পৃষ্ঠা কিন্তু আমার থেকে আরও ১৫০০ টাকা বেশি দাবি করা হয় না দিলে বলে পাসপোর্ট আটকে যাবে দেরি হবে ইত্যাদি তারপর আমার যেহেতু জরুরি সেজন্য আমি দিতে বাধ্য হই
আমি যখন নতুন পাসপোর্ট বানাতে যাই,,ভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়,,আমাকে এমন পর্যায়ে নিয়ে যায়,, যা আমাকে টাকা দিতে বাধ্য করে,, এক পর্যায়ে আমাকে ২৩০০ টাকা দিয়ে পাসপোর্ট বানাতে হয়
আমার পুলিশ ভেরিফিকেশনের সময় প্রকার আমাকে জিম্মি করে টাকা আদায় করে।
পাসপোর্ট ভেরিফিকেশন নামে পুলিশ টাকা নিয়েছে
পাসপোর্ট করতে চেয়েছিলাম শেষ সরাসরি ৭৫০০ টাকা হলে দ্রুত করে দেবে না হলে নাকি অফিস থেকে জমা নিবে না পড়েই থাকবে পাসপোর্ট এর কাগজপত্র
পবিত্র্র হজ্জব্রত পালনের উদ্দেশ্যে পাসপোর্ট করতে গিয়েছিলাম। পবিত্র হজ্বব্রত এ-র কথা বললেও তারা বলে সময় লাগবে। কয়েক দিন ঘুরায়। বাড়ি দুরে হওয়ার যাতায়াতের সমস্যা র কারেন ২-৩দিন হয়রানির পরে বাধ্য হয়ে টাকা পে করতে হয়েছে। তারপর অতি দ্রুতই কাজ হয়েছে। টাকা দেয়ার আগের ব্যবহার ও টাকা দেয়ার পরের ব্যবহার সম্পূর্ণ আলাদা। অবাক দৃশ্য।
আমি লাইনে দাঁড়িয়ে পাসপোর্ট নবায়ন করার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে গিয়ে আমার ভোটার আইডি কার্ডের ডুপ্লিকেট কপি থাকার কারনে জমা নেয়নি। পরে আনসার সদস্য ২৫০০ টাকা দাবি করেন এবং ১৫০০ টাকায় পাসপোর্ট নবায়ন করে দিতে রাজি হয়। সবচেয়ে মজার ব্যাপার হলো, যিনি লাইনে আমার কাগজপত্র জমা নেননি তিনিই পরবর্তীতে আমার ফিঙ্গার প্রিন্ট, ছবি উঠানো সহ যাবতীয় কাজ করেন।
পিয়ন আমার কাছে 2000 টাকা চায় আমার পেপার্স এর ভুল ত্রুটি ঠিক করে দেবে এবং আমার সিরিয়াল আগে দেবে
প্রচুর হয়রানি করতেছিলো!! বারবার ডকুমেন্টস সব ঠিক থাকার পরে হার্ড কপি আনতে বলে নাতো ভেরিফাই করতে বলে!! এরপর দাদালকে টাকা নিলো আর কাজটা ১ ঘন্টার মধ্যে করে দিলো