police variation
police variation time
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
police variation time
আমার ডান চোখ নষ্ট থাকাই,,পাসপোর্ট করতে গিয়ে আইরিস আসে নাই ক্যামেরা তে,,তাই আমাকে একটা সিভিল সার্জন থেকে সার্টিফিকেট নেওয়া লাগছে,,,আমাকে বাধ্য করা হয়েছে ঘুষ দিতে,,না হয় তারা আমাকে কাগজ টা দিবে না আর আমার পাসপোর্ট ও হবে না।।। আমার অন্য ডা: এর সার্টিফিকেট ছিল,,কিন্তু এটা নাকি হবে না।। আর এটার সাথে পাসপোর্ট করতেও আমাকে প্রায় ৩ হাজার টাকা এক্সট্রা দেওয়া লাগছে, পুলিশ ক্লিয়ারেন্স নিতেও দেওয়া লাগছে।। ১০০০ টাকা টা নিছিলো সিভিল সার্জন এর কেরানি।
আনসার কে ১৫০০ টাকা দিছি, সব কাজ করে দিছে। ২/৩ টা ডকুমেন্টস ছিলো না, তার পর ও সব ডকুমেন্টস ক্লিয়ার, কোন লাইনে দাড়াতে হয় নাই । VIP ট্রিটমেন্ট পাইছি। আমার সাথে অন্য একজনের ৪-৫ ঘন্টা লাগছে, আমার ৩০-৪৫ মিনিটে ছবি তোলা ও সকল কাজ শেষ।
আমি ৫ মাস পরে পাসপোর্ট উত্তোলন করতে গেসি, পরে বলে এটা অনেক আগের সময় নিয়ে খুজা লাগবে, কাগজ দিয়ে যান ২-৩ দিন পরে আইসেন, পরে ১০০০ টাকা অফার করসি উনি ২ মিনিটের মধ্যে খুঁজে হাসিমুখে পাসপোর্ট দিসে দুসে
Dalal diye vore rakhe serial moto lok seba pay na dalal er jonno kaj korai mushkil poribesh kharap hoye gese ar sobcheye main twist jara kormokorta unader moddhe pray sobai e tader sathe jorito khub openly ei kaj cholche
আমার পাসপোর্টে সংশোধন ও ইমারজেন্সি সার্ভিস নেওয়ার জন্য আমাকে ১৮ হাজার টাকা দিতে হয়। ১০ থেকে ১২ হাজার সরকারি টাকার পরিমান বাকি টাকা অফিসারদের দালালরা নিয়েছে।
পাসপোর্ট এর প্রয়োজনীয় সকল কাগজপত্র জমা দেবার পরেও বলছিল আমার স্থায়ী ঠিকানা হতে পাসপোর্ট আবেদন করতে, যদিও আমি গাজীপুর এর বাসিন্দা এবং ভোটার। পরে ঘুষ দিলে বিনা বাক্যে পাসপোর্ট আবেদন জমা দিতে সক্ষম হই।
আমি পাসপোর্ট নবায়নের জন্য গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনে জয়দেবপুর রোডের অবস্থিত আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে পাসপোর্ট নবায়ন করতে যাই। পাসপোর্ট নবায়নের জন্য সরকারি নির্দিষ্ট ফি 25শ টাকা সহ আমি ফরম পূরণ করে নিয়ে গেলে, বেশ কয়েকবার আমার ডকুমেন্টসের ভুল ধরেআমার দেওয়া পেপার্স গুলো প্রত্যাখ্যান করে। পরবর্তীতে পাসপোর্ট অফিসের পাশে গড়ে ওঠা বিভিন্ন কম্পিউটারের সঙ্গে আমি যোগাযোগ করি। তারা পাসপোর্ট ফি জমা দিয়ে, বাড়তি দাবি করে। আমি অফিস থেকে প্রত্যাখ্যাত হওয়ার পরে তাদের কাছে অতিরিক্ত আরো ৫০০০ টাকা দেয়। তাদের কাছে অতিরিক্ত ৫ হাজার টাকা জমা দেওয়ার পরে তারা আমার পেপারগুলো অর্থাৎ দালালেরা আমার পেপারসগুলো অফিসের সাবমিট করার পরে আমার পেপারসগুলো গ্রহণ করে। সে পেপারগুলো আমার দেওয়া পেপারের অনুরূপ।
নতুন পাসপোর্ট কোন ভোগান্তি ছাড়া দ্রুত করায় দিবে বলে টাকা নিছিল।
সব ঠিক ছিলো এর পরও টাকার জন্য বলসে ভুল আছে ইংলিশ ছিলে বাংলা তে স্পেলিং অন্য তাই
আমার মায়ের নাম তার জাতীয় পত্রে — ব্যবহার করা হয় ।আর আমার জাতীয় পত্রে আমার মায়ের নামের — ব্যবহার করা হয়। এই ভুল ধরে আমাকে হয়রানি করা হয় এবং আমি পরে বাড়িতে যাই বাহিরে তাদের অনেক দালাল থাকে তারা বলে যে আমাকে টাকা দিলে কাজটি এখন করে দিবে।
My residence in Cumilla. When i am working in Mymensingh. I submit my urgent passport request. Then Mymensingh SB office take 6K speed money from me otherwise they are making dely. & SB CUMILLA takes 2000
পাসপোর্ট করতে লাগে ৫৭০০ টাকা ওরা দাবি করে ৯০০০ টাকা বলে যে কোন ভুল থাকলেও হবে টাকা দিলে।
দালাল এর মাধ্যমে কেননা সময় মত পাস্পোর্ট পাব না! তারা তাদের অনলাইন আবেদন কপির মাধ্যমে গোপন কোড লিখে দেয়!
আমি পাসপোট নবায়ন করতে জাই, আমাকে নানা কারন দেখিয়ে আমার ফাইলটি ফেত দেয় বারবার,আমি বাহিরে আসলে আমাকে একজন আনসার ইশারা করে বলে আমি করে দিতে পারবো টাকা লাগবে 2000 হাজার
পাসপোর্ট করার জন্য দালালের মাধ্যেমে 8000 হাজার টাকা দিয়ে করিয়েছি। দালাল ছাড়া গেলে হয়রানি করে। কাগজপত্র শর্ট ইত্যাদি কথা বলে।
যে কোনো নতুন পাসপোর্ট বানাতে বা রিনিউ করতে গেলে এই টাকা দেওয়া লাগে। তাছাড়া কাজ হয় না। টাকা আগে পরে কাজ। না হলে ৭-৮ দিন পর ডাকে। সাধারণ মানুষকে ঘুরাই।
নতুন পাসপোর্ট করতে গেলে ফাইল জমা নেয়ার সময় বলে ফরমের এখানে ভুল, ওখানে ভুল, ঠিক করে নিয়ে আসো। দ্বিতীয় বার গেছে আরও নতুন করে গেলে বলে আবারও বলে এটা ঠিক করে নিয়ে আসো, ওটা হবে না ইত্যাদি। তাই বাধ্য এক দালাল ধরে ৩৩০০ টাকা বেশী দিয়ে পাসপোর্ট করেছি।
আগের পাসপোর্ট এর সাথে জন্ম তারিখ এর মিল না থাকায় এই টাকা দাবি করা হয়। না দিলে পাসপোর্ট এর ফাইল জমা দেওয়া হবে না। তখন বাধ্য হয়ে দিতে হয়েছে কারণ ১.৫ মাস পরে ফ্লাইট।
আমি অনলাইনে আবেদন করে কাগজপত্র নিয়ে গেছিলাম, যাওয়ার পর অফিসার আমার কাগজপত্র দেখল তারপর আমাকে বলল যে আমার বাবার নামে শুরুতে মৃত লাগালাম কেন, এই রীতি তো বাতিল হয়ে গেছে, মৃত লাগাতে মৃত ডেথ সার্টিফিকেট লাগবে, এভাবে করে আমার প্রথম দিন শেষ, এরপরে দু এক দিন পরে আমি আবার ডেথ সার্টিফিকেট নিয়ে যাই, যাওয়ার পরে বলে যে আমার এন আইডি লে ম্যানেটিং করা লাগবে, ল্যাবরেটিং করে আনার পরে আমাকে আরো দুই তিন ডেক্স ঘুরাইলো, ঐদিনও সময় শেষ পাসপোর্সট অফিস সময় মতো বন্ধ হয়ে গেল, এ কাহিনী যখন আমি আমার এক ছাত্রকে বললাম তখন সে যে বলল দালালের মাধ্যমে যাইতে, তারপরে পাসপোর্ট অফিসের পাশেই যে সকল দোকান থাকে বাহিরে সেসব দোকানে গিয়ে আমি একজন দালালের মাধ্যমে গেলাম ব্যাস আধা ঘণ্টায় কাজ শেষ হয়ে গেল।