ই পাসপোর্ট তৈরি করতে
আগের পাসপোর্ট এর সাথে জন্ম তারিখ এর মিল না থাকায় এই টাকা দাবি করা হয়। না দিলে পাসপোর্ট এর ফাইল জমা দেওয়া হবে না। তখন বাধ্য হয়ে দিতে হয়েছে কারণ ১.৫ মাস পরে ফ্লাইট।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আগের পাসপোর্ট এর সাথে জন্ম তারিখ এর মিল না থাকায় এই টাকা দাবি করা হয়। না দিলে পাসপোর্ট এর ফাইল জমা দেওয়া হবে না। তখন বাধ্য হয়ে দিতে হয়েছে কারণ ১.৫ মাস পরে ফ্লাইট।
পার্সপোট অফিসে সরাসরি টাকা নেয় না।অফিসের লোক শুধু আবেদন পত্রে ভুল ধরার ফাদ পেতে থাকে।ভুল ধরতে পারলেই টাকা।অবাক করার বিষয় হলো পার্সপোট অফিসের সরাসরি ঘুষ খায় না।মাধ্যম হয়ে খায়।সারা বাংলাদেশের যতো কম্পিউটারের দোকান আছে যারা পার্সপোট এর আবেদন করে দেয় তাদের সাথে যোগসাজশে কাজ গুলো সংগঠিত হয়ে থাকে।২০২১ সালে যখন আমি প্রথম পার্সপোট করতে যাই দালাল ছাড়া করতে গেয়েছিলাম অহেতুক হয়রানি হয়ে কম্পিউটারে দোকানে বাড়তি ২০০০ টাকা ঘুষ দিয়ে আবেদন জমা দিয়েছিলাম। এবার ২০২৬ সালে আগে থেকেই ঘুষের টাকা রেডি করে রাখছিলাম যাতে ভোগান্তি পোহাতে না হয়।যে কথা সেই কাজ কোন ঝামেলা হয় নাই।আগেই কম্পিউটার এর দোকানে ২০০০ টাকা দিয়া আসছিলাম।আমি শুধু অফিসে যেয়ে বাকি কাজ গুলো করে এসেছি।আমার আশা সরকার যদি কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করে।
না দিলে করে দিবে না দেখে দিতে হয়ছে। যদিও ফরম submission এর সময়ও অনেক ঝামেলা করছিলো টাকা খাওয়ার জন্য ।
জি,যথাযথ কাগজ নিয়ে গেলেও বলে আপনার কাগজে ঝামেলা আছে পরে আসুন,, কিছুক্ষণ পর দালালকে ১৫০০টাকা দিলে,, আর ঝামেলা না দেখিয়ে ফাইল রিসিব করে,, এবং কাজ সম্পাদন হয়,,, মোবাইল —
নিজে নিজে সব কাগজ করে নিয়ে গেলে বিভিন্ন ভুল ধরে আাবার আসতে বলে,তাই পাশের কম্পিউটার দোকান থেকে ২০০০হাজার টাকা বেশি দিয়ে একটা সিল নিয়ে দেখানের পর সাথে সাথে কাজ হয়ে গেছে।
আমি পাসপোট নবায়ন করতে জাই, আমাকে নানা কারন দেখিয়ে আমার ফাইলটি ফেত দেয় বারবার,আমি বাহিরে আসলে আমাকে একজন আনসার ইশারা করে বলে আমি করে দিতে পারবো টাকা লাগবে 2000 হাজার
১০০০ টাকা দিলে কাজ হয়ে যাবে
পাসপোর্ট করার জন্য দালালের মাধ্যেমে 8000 হাজার টাকা দিয়ে করিয়েছি। দালাল ছাড়া গেলে হয়রানি করে। কাগজপত্র শর্ট ইত্যাদি কথা বলে।
নতুন পাসপোর্ট করতে গেলে ফাইল জমা নেয়ার সময় বলে ফরমের এখানে ভুল, ওখানে ভুল, ঠিক করে নিয়ে আসো। দ্বিতীয় বার গেছে আরও নতুন করে গেলে বলে আবারও বলে এটা ঠিক করে নিয়ে আসো, ওটা হবে না ইত্যাদি। তাই বাধ্য এক দালাল ধরে ৩৩০০ টাকা বেশী দিয়ে পাসপোর্ট করেছি।
আনুমানিক ২০১৯ সালে ফেনী পাসপোর্ট অফিসে সব কাগজপত্র জমা দেওয়া সত্ত্বেও কর্তৃপক্ষ তা জমা নিতে অস্বীকৃতি জানায়। পরবর্তীতে সেখানকার সিন্ডিকেটের মাধ্যমে ফেনী শহরের ভেতরের এক দালাল দ্রুত পাসপোর্ট বানিয়ে দেওয়ার কথা বলে ৩,০০০ টাকা নেয়।
আমার পুলিশ ভেরিফিকেশনের সব কাগজ পত্র ঠিক ছিলো; তবুও এসবি অফিসের লোক, তার সব কলিগের সামনেই নাস্তার টাকা খোজে. আমি ঝামেলা এড়ানোর জন্য 200 দিতে চাইলে নিচ্ছিলো না, পরে 500 দিতে হয়. সেখানে সবাই ঘুষ খায়, সে নির্লিপ্তভাবেই চেয়েছিল; আমি প্রতিবাদ করলে বরং হয়রানি হতাম.
Nid কার্ডের আমার বাবার নাম — ছিলো আর আমার বাবার Nid কার্ডে — শুধু মাত্র ইংরেজি একটি অক্ষর Z আর J. এর জন্য টাকা দিয়ে করাতে হয়েছিল
আমার বাবার নাম,,,আমার এনআইডি সাথে মিল ছিল না,,,তাই,,,তবে তেমন বেশি না,,,বানানে,,,
পাসপোর্ট এর পুলিশ ভেরিফিকেশন এ ঢাকা শহরে ৫০০ টাকা চাইছিল।
মাদারীপুর নিজ এলাকায় পাসপোর্টের ছবি তুলতে যাই, দিনটি ছিল বৃহস্পতিবার। ছবি তুলে ঢাকায় ফিরতে হবে। তাই সকাল সকাল গিয়েছিলাম। এবং সিরিয়াল প্রথম ৫ এই ছিলাম। যে ভদ্রলোক ফিঙ্গার নিয়েছে,, উনি বারবার বলতেছে লেবু ঘষে আসুন,, আপনার ফিঙ্গার নিচ্ছে না। এইভাবে আমাকে বিকেল প্রর্যন্ত নিয়ে গেছে। তখন বয়স কম হওয়াতে অনেক কিছু বুঝিনি। শেষমেশ যখন বুঝতে পেরেছি, ফোনে ভয়েস রেকডিং করে নিয়ে এসেছিলাম। কিন্তু মজার ব্যাপার হলো, সেই টাকাটা পাসপোর্ট হাতে পাবার পরে,, রেকডিংয়ের ভয় দেখিয়ে তুলে নিয়ে এসেছিলাম। ২য় টি, উত্তরা আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে। ২/৩ ঘন্টা লাইনে দাড়ানোর পরে, প্রত্যাক্ষিত হয়েছি, বলা হলো আপনার পার্মানেন্ট জেলায় গিয়ে করতে হবে। বের হলাম,, একজন আনসার সদস্যকে ধরে ২০০০ টাকায় রফাদফা করলাম, ৫ মিনিটে কার্যক্রম ডান।
আমি এখন দেশের বাহিরে পড়াশোনা করছি, ২০২০ এর ঘটনা মুন্সিগঞ্জ পাসপোর্ট অফিসে গেলে আমার এপ্লিকেশনে দালাল দের মার্ক না থাকায়, তা ফেরত দেয়া হয়, এবং তথাকথিত চ্যানেলের মাধ্যমে আবেদন করতে বলা হয়। যাতে ৫০০০ টাকা এক্সট্রা লেগেছিল। এছাড়াও পুলিশ ভেরিফিকেশনে ঘুষ দিতে অস্বীকার করায় আমার আবেদন টানা ৩ বার রিজেক্ট করে দেয়া হয়।
নতুন পাসপোর্ট করতে পুলিশ ভেরিফিকেশনে ১০০০ টাকা এবং পাসপোর্ট অফিসে ১২০০ টাকা দিতে হবে বলে জানিয়েছে।
প্রথমদিন যাওয়ার পর ১.৫ ঘন্টা লাইনে দাড়ানোর পর সব কাগজপত্র থাকার পর ও বলেছিলো NID কার্ডের অনলাইন কপি লাগবে। পরেরদিন অনলাইন কপি সহ আবার ১.৫-২ ঘন্টা লাইনে দাঁড়িয়ে উপরে যাওয়ার পর বলে এখন চেয়ারম্যান সার্টিফিকেট লাগবে। নিচে যেয়ে একজন আন্সার কে ধরলে সে ২৫০০ টাকা দাবী করে। ওই টাকা দেওয়ার পর NID কার্ডের অনলাইন কপি ও লাগেনি। পাসপোর্ট রিনিউয়ালের ছবি তুলতেও ৩০ মিনিটের বেশি লাগেনি
আমি যখন পাসপোর্ট বানাই তখন ৫০০০ টাকা ছাড়া কোনো ভাবেই সম্ভব ছিলো না কাজটা কমপ্লিট করা
আমি এবং এখানে যেই পাসপোর্ট করেছে সর্বনিম্ন 1300 টাকা ঘুষ ব্যতীত কোন ফাইল যায় না আমাদের ডকুমেন্ট সবকিছু ঠিক থাকলেও বারবার বারবার শুধু ভুল দেখায় পাসপোর্ট অফিসার পাসে কয়েকটি কম্পিউটার এর দোকান আছে এরাও এদের সাথে জড়িত আছে ওদের ওদের মাধ্যমে টাকা চাওয়া হয় 1300 টাকা দিছি সব কিছুই ঠিক হয়ে গেছে এই ঘুষ বাংলাদেশ থেকে কবে বন্ধ হবে আমি চাই এই কাজটি দ্রুততার সাথেই বন্ধ করা হোক লালমনিরহাট পাসপোর্ট অফিসের বেহাল দশা