নবায়ন
আমি পাসপোর্ট নবায়ন করতে গেলে এক ভদ্র মহিলা আছে যে পাসপোর্ট রাখে সে বলে কাগজ ঠিক নাই। পরে এক হাজার ঘুষ দেবার পর আমার কাগজ গ্রহন করে ঘুষের বিনিময়ে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমি পাসপোর্ট নবায়ন করতে গেলে এক ভদ্র মহিলা আছে যে পাসপোর্ট রাখে সে বলে কাগজ ঠিক নাই। পরে এক হাজার ঘুষ দেবার পর আমার কাগজ গ্রহন করে ঘুষের বিনিময়ে।
আমি একজন সিঙ্গাপুর প্রবাসী । সিঙ্গাপুরে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসে পাসপোর্ট নবায়ন করতে গেলে দূতাবাসের কর্মকর্তারা সবসময় বলে ঢাকা ষ্টুডিও নামের একটা প্রতিষ্ঠান থেকে পাসপোর্টের ফরম ঢাকা ষ্টুডিও থেকে পূরণ করে আনতে । একটি ফর্ম পূরণ করতে বিশ থেকে পঞ্চাশ ডলার দিতে হয় । যেখানে দূতাবাসের কর্মকর্তার ও কর্মচারীর উচিৎ আমাদেরকে সাহায্য করার কারন সবাই অনলাইনে ফর্ম পূরণ করতে পারে না । যদি কারো আইডি ও জন্ম সনদে ভুল থাকে তাহলেও ঢাকা স্টুডিও এর কাছে যেতে হয়, না হলে পাসপোর্ট নবায়ন করে না ।
পাসপোর্ট করতে মা-বাবার আইডি কার্ড ঐচ্ছিক থাকার কারণে আমি সেটা পূরন করিনি,তাছাড়া আমার সকল ডকুমেন্টস নিয়ে পাসপোর্ট করতে গেছি। কিন্তু সেখানে আমাকে এপ্রোভাল দেয় নাই। বলে মা-বাবার আইডি কার্ডের ডকুমেন্টস দিতে হবে। কিন্তু পরিশেষে কিছুই লাগে নাই। মা-বাবার জিএইলের এর ঘরে দালাল এর একটি পার্সোনাল জিমেইল বসিয়ে প্রিন্ট করে দিছে। বাস এখন আর বা-বাবার আইডিকার্ডের ডকুমেন্টস লাগে নাই। মাঝখান থেকে আমার ৩ হাজার টাকা নাই। বি:দ্র: পাসপোর্ট আমার ইমার্জেন্সি করা দরকার ছিলো তাই করেছি। আবেধন ডিলিট করার জন্যে যে সময় টুকু লাগে সেটা দেওয়া সম্ভব ছিলো না
আমি পাসপোর্ট এর ফাইল জমা দিতে গেছিলাম, ফাইল সব ঠিক থাকার পরেও জমা নেয়নি, পরে এজেন্সি এর মাধ্যমে ঘোষ দিয়ে জমা দিতে হয়েছে, পরে পুলিশ ভ্যারিফিক্যাশনে ও ঘোষ দিতে হয়েছে।
আমার একজন ভাতিজির তার পাসপোর্ট নাম ও ঠিকানা ভুল আসে কিন্তু আমরা যখন সেটা জানাই তখন তারা বলে আমাদের ভুল কিন্তু আমরা এটা সাটিফিকেট অনুযায়ী দিয়ে এসেছিলাম এবং আমাদের এটা করা জরুরি ছিল কিন্তু ভুল করে এবং পরবর্তীতে আমাদের বলে এটা সংশোধন করতে হলে একটা উপায় আছে সেটা ঢাকা মেইন অফিসে গিয়ে করাতে হবে কিন্তু ১ লক্ষ টাকা লাগবে কিন্তু আমরা শেষ মেষ ৬৫ হাজার টাকা দিয়ে তারপর কাজ করাতে হয় কারণ আমার ভাতিজির স্বামী বিদেশ থাকেন যার ফলে তার যখন ভিসা প্রসেসিং হয় তখন আমরা এ সমস্যা পরি এবং সেই ঘোষ দিতে বাধ্য হই।
মায়ের নাম ভুল থাকাই এক অফিসার দাবী করে ১০,০০০। পরে AD কে ধরে কাজ টা হয়েছিল বেশ লম্বা দিনে। প্রতিটা কর্মচারীই ঘুষ খোর। তাদের নিজস্ব দালাল আছে বাইরে৷ তাদের সিলেই কাজ হয়ে যায় মুহুর্তে। যেখানে আমরা লাইনে আটকে থাকি।
Kono vul e chilo na application e, hudai ghuraisilo. Ad chilo ghushkhor — tar songi chilo ek hindu computer operator. Baire ese — Dalal tar arek songi — Dalal ke diye 1500 taka niye kaj kore dey.
আমি গত সপ্তাহে পাসপোর্ট এর প্রয়োজনীয় সব কাগজ জমা দিয়ে বারোমেট্রিক দিতে গিয়েছিলাম কিন্তু জমা কাউন্টার তা নেয় নি। বলে যে ডকুমেন্ট ওকে নাই। পরে, বাইরে ফটোকপির দোকানে যেতেই দোকান্দার বলল যে আমাকে ২০০০ দেন কিছুই লাগবে না আমি করে দিচ্ছি। সেখানে আমি ১৫০০ টাকায় রাজি হলে আমার পেপারে কি একটা স্পেলাম সাইন দিয়ে দেয় যা দেখে জমা কাউন্টার আর কিছুই না দেখে আমার ফাইল টা নিয়ে আমার বায়োমেট্রিক নিয়ে নেয়। সেখানে সবার ই এক ই চিত্র ।সবার ই স্পেশাল সাইন লাগে না হলে জমা হয় না।
আমি দীর্ঘদিন ধরে বার্লিনে বসবাস করছি। এখানে কোনো সরকারি বা অফিসিয়াল কাজ করতে গিয়ে কখনো ঘুষ দিতে হয়নি বা কারও সুপারিশ নিতে হয়নি। কিন্তু সম্প্রতি বাংলাদেশ দূতাবাস, বার্লিনে পাসপোর্ট নবায়নের জন্য গিয়ে অত্যন্ত দুঃখজনক একটি অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হয়েছি। দূতাবাসে — নামের একজন কর্মকর্তা আমার কাগজপত্র ও ফর্ম গ্রহণ করেন, ছবি ও ফিঙ্গারপ্রিন্টসহ প্রয়োজনীয় সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন। এরপর তিনি আমার কাছে হঠাৎ করে ২০ ইউরো দাবি করেন, যা প্রায় ২,৮০০ বাংলাদেশি টাকা। আমি জানতে চাইলেও তিনি অতিরিক্ত এই অর্থ কেন চাইছেন, সে বিষয়ে কোনো পরিষ্কার ব্যাখ্যা পাইনি। আমার আশঙ্কা হয়, টাকা না দিলে হয়তো আমার কাজটি করে দেওয়া হবে না। ২০ ইউরো আমার জন্য বড় কোনো বিষয় নয়; কিন্তু বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশ দূতাবাসের মতো একটি প্রতিষ্
প্রত্যেকটা ফাইলের জন্য বাহিরের দালালের মাধ্যমে ঘুষ দিতে হয়। তাদের ১টা সিক্রেট কোড় আছে ওইটা ফাইলের মাঝে দেওয়া হয়। ফাইলের মাঝে কোড় থাকলে ফাইল কোন ঝামেলা ছাড়ায় ফিঙ্গার এর জন্য পাস করা হয়। আর কোড় না থাকলে ফাইলে এই সমস্যা ওই সমস্যা, এই রুমে যাও ওই রুমে যাও, এই ডকুমেন্ট আনো নানা রকম হ্যারেসমেন্ট।
গেলাম পাসপোর্ট করতে নানান তালবাহানা সবশেষে টাকার অংক বলে বললো এটাই সমাধান, আমিও কোন কুল কিনারা না পেয়ে টাকা টা দিলাম এদিকে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এ আবার গেল হাজার সব মিলিয়ে একটা পাসপোর্ট করতে খরচ হলো ১৫০০০ হাজার টাকা,
Bangladesh rome embassy তে অনলাইন এ appointment নেওয়া সিস্টেম চালুর একটা নির্ধারিত টাইম দেওয়া থাকলেও সময় তো খুলে না বা ডেইট গুলা আগে থেকেই রিজার্ভ থাকে পরবর্তীতে জানতে পারি, Embassy নির্ধারিত কিছু দালাল আছে তারা appointment বিক্রি করে তাই ডেইট গুলা আগে থেকেই রিজার্ভ থাকে। দালালরা ঘুষ আদায়ের মাধ্যমে appointment বিক্রি করে। বিষয়টি সত্যতা যাচাই করতে আমিও দালালদের কাছে যাই ঠিক তেমনই আমার কাছে ঘুষ চাওয়া হয় যা পূবে অনলাইন এ ফ্রিতে পাওয়া যেত।
পাসপোর্ট এর আবেদনকারী আবেদনকারীর পিতা মাতা এবং চলবে যোগাযোগ ব্যক্তির নামের মাঝে ডট ব্যবহার করার জন্য অতিরিক্ত প্রতি ডট এর জন্য ৫০০ টাকা করে নেওয়া হয়েছিলো। ওয়েবসাইটের কোথাও লেখা নাই যে ডট ব্যবহার করা যাবে না কিন্তু পাসপোর্ট অফিসের সামনে একটা ছোট্ট সাইনবোর্ডে থাকবা ডট ব্যবহার করলে আবেদন পত্র হবে না যদি ডট তুলতে হয় টাকা দিতে হবে ভাই নাইলে নতুন করে আবার আবেদন করতে হবে
টাকা চাই অনেক। না দিলে কাজ করে না
টাকা না দিলে কাজ করে না
আমার এনআইডি কার্ডে নামের আগে (মো:) আর সার্টিফিকেটে (মোহাম্মদ)। এইটা নাকি বড় মোহাম্মদ ছোট মোহাম্মদ !!? তাই পুলিশ ভেরিফিকেশন করতে আসা ফেনী দাগনভূঁইয়া থানার এস আই ২০০০টাকা দাবি করেন। বললাম আমার কাছে ১০০০ আছে, আর নাই। তখন উনি বললো আপনে টাকা আনার ব্যবস্থা করেন। আমি নামাজটা পড়ে আসি।
They asked for money to give serial for appointment and this taken by some other agency and they give serial
আমি যখন নিজে নিজে এ্যাপ্লিকেশন করে পাসপোর্টের ফাইল জমা দিতে যায়, আমার সকল ডকুমেন্টস চেক করার পর কোন কিছু ভুল ধরতে পারেনি, তারপর খুজে বের করলো তুমি তো স্টুডেন্ট পাসপোর্ট বানাচ্ছো তোমার স্টুডেন্ট আইডি কোথায়, আমি বললাম আপনাদের তো ওয়েসাইটে অথবা কোথায় লেখা নাই যে স্টুডেন্ট আইডি কার্ড লাগে, ও বলে সোজা বলে দেয় স্টুডেন্ট আইর্ডি কার্ড ছাড়া হবে না,তার রুম থেকে বের হওয়ার সাথে সাথে দরজার সামনে থাকা আনসার সদস্য রাকিব আমার ফাইল হাতে নিয়ে বলে তুমি যদি চাও আমি করিয়ে দিতে পারবো ২৫০০ টাকা লাগবে,তারপর আমাকে ২৫০০ টাকা দিয়ে করতে হয়েছে।
পাসপোর্ট অফিসে ফাইল জমে দিতে গিয়ে তারা সামান্য ভুল ধরিয়ে ফিরিয়ে দেয়। কিন্তু দালাল মারফত জমা দিলে সেই ভুলকে কর্তৃপক্ষ আমলে না নিয়ে জমা নেয় এবং আমি ফিংগার দিতে সমর্থন হই।
It was supposed to be a routine errand: a trip to the Mohammadpur Regional Passport Office so my mother could renew her passport. Instead, it became a frustrating masterclass in institutional bureaucracy. She arrived with every document listed on the official form, only to be met with shifting demands. First it was one paper, then another. Finally, they insisted on a utility bill for our house. My mother returned with a copy of our water bill, but that too was arbitrarily rejected. Yet, right outside the office doors, a network of middlemen operated in plain sight. Their proposition was simple: pay 2000 taka, and the very same paperwork that was just turned away would suddenly be sufficient.