নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২২ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমি আমার মা বাবার আমার ছেলে ভাতিজি চোট ভাই র বউয়ের জন্য ৫ টি পাসপোর্ট আবেদন করি ব্যংক ডাপ করি কিন্তু পাইল দেখে বলেন আমাদের এগুলো হবে না বাহিরে ওদের এজেন্ট নিয়োগ আচে ঐ খানে গিয়ে টাকা দিয়ে তার একটা মর্ক দিয়ে চে ঐ মর্ক দেখে আমাদের আগের পুরন করা পাইল জমা নিয়ে চে এটা লক্ষী পুর পাসপোর্ট অফিসে
আমি একটি পাসপোর্ট করার জন্য কিশোরগঞ্জ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে যাই তারপর আমাকে অনেকক্ষণ লাইনে দাঁড়াতে হয় লাইনে দাঁড়ানো অবস্থায় কিছু কিছু লোক এসে আমাকে অফার করে আপনাকে লাইনে দাঁড়াতে হবে না আপনি ৩০০০ টাকা দেন আপনার কাজ দশ মিনিটে হয়ে যাবে তখন আমি তাদের সাথে আলাপ করলাম আপনারা কিভাবে পারবেন আপনারা তো সাধারন মানুষ তখন তারা বলল যে ভিতরে আমাদের স্যার আছে স্যার সরাসরি টাকা নেয় না আমাদের মাধ্যমে কাজ করে
পাসপোর্ট সেবা নিতে গিয়ে নামে ভুল ধরে কিন্তু আমার নামে কোনো ভুল ছিলো না
অনলাইন অ্যাপ্লিকেশন করার পরে জমা করতে গেলাম। রিনিউ ছিল। কোন চাকরি বা ব্যবসাতে না থাকায় 'পেশার' ঘরে 'other' select করে দিয়েছিলাম। জমাকারী এটা দেখে সাথে সাথে পেপার আমাকে দিয়ে বললেন এখানে other দেওয়া কেন। অথচ সিস্টেমে ছিল বলেই তো দেওয়া হইছে। এরপরে information desk এ যোগাযোগ করতে বলল। সেখানে গেলে বলল application cancel করতে। কিন্তু বিপত্তি বাধে আমি অনলাইনে ফি পরিশোধ করেছিলাম। এখন যদি cancel করি তাহলে টাকা পুরোটাই মাইর যাবে। তখন এক আনসার বলল ১৫০০ টাকা দেন করে দিচ্ছি। আমি পরে সেটা ১৩০০ তে রাজি করেছিলাম একেবারেই না পেরে, নাহলে ৫৭৫০ টাকা হারাতাম। সুন্দর একটু পরে ফরমে সাইন সহ নিয়ে আসলেন। পাসপোর্ট যথাসময়েই পেয়ে গেলাম। বাড্ডা পাসপোর্ট অফিস।
বয়স সংশোধন করলে ১৫ হাজার টাকা লাগবে
যখন আমি নিজে আবেদন ও জমা দেওয়ার জন্য নোয়াখালী পাসপোর্ট অফিসে যাই, সবকিছু ঠিকঠাক থাকা সত্ত্বেও জমাটি গ্রহণ করা হয় না। পাসপোর্ট অফিসের বাইরে প্রধান সড়কে অনেক দোকান আছে। ঐ দোকানগুলোর ভেতরের কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগ আছে। দোকানগুলোকে অতিরিক্ত দুই-তিন হাজার টাকা দিলে তারা ফাইলে কিছু একটা লিখে, শনাক্ত করে ফাইলটি পাসপোর্ট অফিসের ভেতরে জমা দিয়ে দেয়।
জার্মানী এম্বাসি থেকে নতুন পাসপোর্ট বানানোর জন্য আমার কাছে 70 হাজার টাকা দাবি করে পরে ৫০ হাজার টাকা দিয়ে পাসপোর্ট বানাই। এই টাকাটা এম্বাসির কর্মী বাংলাদেশে তার বউ কে পাঠানো হয় 2021 সালে।
সাম্প্রতি আমার আগের পাসপোর্ট এর মেয়াদ শেষ হওয়ার কারণে আমি জানি যে বাংলাদেশের যেকোন পাসপোর্ট অফিস থেকে নবায়ন করা যায়। সেই সুবাদে আমি নিকটবর্তী নারায়ণগঞ্জ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে যাই এবং আমার পাসপোর্ট নবায়ন করার চেষ্টা করি, কোন দালাল ছাড়া! আমি যখন আবেদন করে পাসপোর্ট অফিসে জমা দিতে যাই তখন ওনারা আমার আবেদনটি জমা নিলেন না, আমি জিজ্ঞেস করাতে ওনারা বলেন আমার এলাকায় গিয়ে জমা দিতে এখানে হবে না এখানে আমার প্রশ্ন হল কেন হবে না? তখন আমাকে দায়িত্বরত একজন আনসার সদস্য বলে চ্যানেল নিয়ে আসুন আমি বললাম ওটা আবার কি ভাই? তখন ওনি বলেন আরে ভাই বুঝেন না দালাল লাগবে!😡 তখন আমি একজন দালালের কাছে যাই মোট ১৬০০০ টাকা নেয় তাও পাইনি পাসপোর্ট দুই বছরেও পরে আবার নতুন করে আবেদন করে পাসপোর্ট পাই কারন আগুন লেগেছ
আমার মায়ের পাসপোর্ট তৈরি করার আমি অনলাইনে ফরম পূরণ করি এবং অনলাইন পেমেন্ট করি। কিন্তু তারা আমার বাবার নামের বানান কিন্তু ২০০০ টাকা দিলে পাসপোট জমা নেয়।
আমার সব ডকুমেন্ট ঠিক থাকা সত্তেও, ফাইল রিজেক্ট করে দেয় পরে দালালের মাধ্যমে ৪৫০০ টাকা দিলে একই দিনে পাসপোর্ট হয়ে যায়।
নামের একটা পদবী একটা ভুলের জন্য আমার কাছ থেকে 2500 টাকা নিয়েছে। রাজশাহীর পাসপোর্ট অফিসে অনেক রিকোয়েস্ট করার পরেও তারা আমার কাছ থেকে ঘুষ নিয়েছে।
আমার বাবা বেঁচে আছে কিনা এটা যাচাই করার জন্য বলে তাদের টাকা দিতে হবে এই দাবি করে আমার কাছে তারপর আমার কাছে পাসপোর্টটা দরকার এর জন্য সামনে যে বসে থাকে কম্পিউটারে যাচাই করে সে নিচে এক পিওনের মাধ্যমে নিছে
Ami pasport banaitay gasilam amakay baolay 5 hajar dilay sob.kisu ok koray dibay
প্রথমে বললো আমার আবেদন এর কাগজ ঠিক নাই,পরবর্তী আমি বের হয়ে চা খেতে গেলে এক ব্যক্তি এসে বলে ২০০০ টাকা দিলেই সব হয়ে যাবে,তাকে টাকা দিলে সে বলে যে আপনের টা ক্যান্সেল করছে তার কাছে গিয়ে এখন জামা দিয়ে আসেন, আশ্চর্যের বিষয় হলো সাথে সাথে সে কাগজ নিলো,আর ফিঙ্গার প্রিন্ট আর ছবি তোলার জন্য অপেক্ষা করতে বলো
আমি যখন পাসপোর্ট করি ৪৫০০ টাকা লাগে কিন্তু ওরা ৭৫০০ টাকা ছাড়া কাজ করতে পারবে না।আমি এই অতিরিক্ত টাকা দিতে না চাইলে আমার কাগজ ফেরত দিয়ে দেয়।বাদ্য হয়ে টাকা দিয়ে দেই।
আমি নতুন পাসপোর্ট বানানোর জন্য গেলাম,আবেদন করলাম সিরায়ালে দাড়ালাম ডকুমেন্টস জমা দেওয়ার জন্য, বললো বাবার ইমেইল দেওয়া নাই, নতুন করে আবেদন করতে ইমেইল সহ,ইমেইল সহ আবার আবেদন ঠিক করে নিয়ে আসলাম,বললো আজকে হবে না, অন্য দিন আসেন। তারপর গেইটের আনসার বললো কাজ হবে টাকা লাগবো ১২০০। একপর্যায়ে আমি দিতে না চাওয়ায়, ওনি বললো আপনার প্রতিদিন ঘুরতে হবে,আর ওনাকে ১২০০ টাকা দিলে এখনই কাজ হয়ে যাবে। পরে বাধ্য হয়ে দিলাম। পরে আমার কাজ ২ ঘন্টার মধ্যে কমপ্লিট করে দিলো,আমাদের এভাবে বাধ্য করে টাকা নেয়।
টাঙ্গাইল পাসপোর্ট অফিসে প্রতিটি নতুন ফাইল জমা দিতে ২০০০ টাকা করে দালালের মাধ্যমে ঘুষ দিতে হয়। তাহলে ফাইল জমা হয়।
আমার সমস্ত কিছু ঠিক থাকার পরেও আমি ঘুষ দিতে বাধ্য হয়ে ছি আমার কাছ থেকে টাকা বেশি নিয়েছে এবং কি সবকিছু ঠিক থাকার পরেও আমাকে ভিতর থেকে ঘুরে দিয়েছে তারপর আমি দালাল ধরতে বাধ্য হয়েছে দালাল ফোন করার পর সবকিছু ঠিক করে দিয়েছে তারপর সবকিছু জমা নিয়েছে একসাথে
আসসালামু আলাইকুম অভিযোগটি টাংগাইল পাসপোর্ট অফিসের বিরুদ্ধে। ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারী মাসের ঘটনা। পাসপোর্ট এর আবেদন ও ফি বাবদ ৬০০০ টাকা খরচ হয়েছিল।যখন ফিংগার দিতে যাই বিভিন্ন অজুহাতে তারা ফেরত পাঠিয়ে দেয়।একবার বলে কাজ করেন এটার প্রমাণ লাগবে,নাম্বার চেঞ্জ করতে হবে ইত্যাদি।আমি ঘুষ ছাড়া ফিংগার দেওয়ার চেষ্টা করেছি কয়েকদিন।যখন ওখানকার সিকিউরিটি বলল ১৫০০ টাকা দিলে আপনার কিছুই লাগবে না তখন বাধ্য হয়েই ১৫০০ টাকা ঘুষ দিয়ে সরাসরি ফিংগার দিয়ে আসছি।পরে শুনলাম যে অফিসার কাগজ যাচাই করে সে নাকি ১৪০০ টাকা ঘুষ নেয়। এই তিক্ত অভিজ্ঞতা এখন ও মাঝে মাঝে মনে হয়।
sobai day tai ami o disi na dile karor ta e hoy an