নতুন পাসপোর্ট
টাকা অতিরিক্ত আদায় করেছে দালাল দিয়ে ঘটনা ২০২২ সালে
17,743 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
টাকা অতিরিক্ত আদায় করেছে দালাল দিয়ে ঘটনা ২০২২ সালে
আইডি কার্ডের বিষয়ে সরকারিভাবে ফ্রি হলেও উনারা আমার থেকে ৩০০০ টাকা ঘুষ নিয়েছে
আমি একজন বাংলাদেশী এবং সিংগাপুর প্রবাসী, গত 2020 সালে আমার ডিজিটাল পাসপোর্ট এর মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই আমি চিন্তা করি নতুন করে , ই পাসপোর্ট করতে আমাদের মুন্সিগঞ্জ জেলার পাসপোর্ট অফিস এ যাই এবং আমার সকল ডকুমেন্ট ফাইল জমা দিলে বলে সেখানে র একজন দায়িত্ব রত অফিসার যে আপনার পাসপোর্ট নবায়ন হবে না যদিও জিঙগেস করেছিলাম কি কারণে হবে না, কোনো সুদূর উত্তর দেননি, কিন্তু যদি আপনার আর্জেন্ট হয় তাহলে আমাকে 17000হাজার টাকা দেন আমি করে দিতে পারি, না হলে আপনাকে চাপাইনবাবগঞ্জ যেতে হবে কাগজ ঠিক করতে, যখন আরেক অফিসার কে বললাম আমার টা কেনো হবে না সে বলে আমাদের জুনিয়র অফিসার যা বলে তাই করেন আপনার সাথে এতো কথা বলার সময় নাই, শেষ পর্যন্ত 17000 হাজার টাকা দিয়ে ই পাসপোর্ট নবায়ন করি
মেহেরপুর জেলা পাসপোর্ট অফিস এ, আমার ছোট ভায়ের জন্য পাসপোর্ট করতে গেলে, নানা অজুহাতে, আমাদের ঘুরাতে থাকে,শেষে যখন হলো না, আমরা তাদের বললাম, কি করলে আজকে, ফিংগার, হয়ে যাবে, তখন তারা পাসপোর্ট অফিসের বাহিরে একটা কম্পিউটারের দোকানে পাঠিয়ে দিলো, ওই খানে গিয়ে বললাম, আজকেই ফিংগার দিয়ে যাবো, বললো ১৫০০ টাকা লাগবে, আমরা ১০০০ টাকা দিতে চেয়েছি হয়নি, ওই দিন আমরা ঘুরে চলে আসছি, কিন্তু তার পরের দিন একি রকম হয়রানি, শেষে ১৫০০ টাকা দিয়ে কাজ করে চলে আসছি
আমি প্রথমে সকল ডোকোমেন্ট নিয়ে পাসপোর্ট করতে গেলে তার পরের বিভিন্ন ইসু দেখাই। পরে তাদের একজন পতিনিধি ৩০০০ টাকা দাবি করে যে কোনো সমস্যা নাই পাসপোর্ট করে দিবে। পরে আমি ২০০০ টাকা বাড়তি দিয়ে ঐ পাসপোর্ট করি।
সকল কাগজপত্র ঠিক থাকা সত্ত্বেও আমার আবেদন বাতিল করে দেয় এবং পরবর্তীতে একটু উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ঘুষ দিলে পাসপোর্ট আবেদন গ্রহণ করে ।।
জামালপুর আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে আনসার কর্তৃক। টাকা গ্রহণ করা হয় এবং পাসপোড প্রদান করা হয়। এবং পুলিশের ভেরিফিকেশনের জন্য মোট টাকার পরিমান দিছি।
এপ্লিকেশন সবকিছু ঠিক ছিল তবুও জমা নিবে না কারণ ঘুষ দিতে হবে
আমি পাসপোর্ট রেনু করার জন্য মোহাম্মদপুর বছিলার আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস সেখানে গিয়েছিলাম কাগজপত্র সব ঠিক ছিল সাথে আমার পুরাতন পাসপোর্টও ছিল লাইনে দাঁড়িয়ে আমি জমা দেওয়ার জন্য সকল কাগজপত্র সাবমিট করি তারা ঠিকভাবে চেক না করেই আমার কাগজগুলো বাতিল করে দেয় এবং এখানে হবে না বরিশালে জমা দিতে হবে পরে একজন আনসার সদস্য আমাকে বলে আড়াই হাজার টাকা দিলে আমি এটি জমা দিয়ে দিব পরে পনেরশো টাকায় যেহেতু তোমার দর যেহেতু আমার দরকার ছিল তার সাথে সুখ চুক্তি হয় এবং পনেরশো টাকা দেয়ার পরে আগে যে ভুলগুলি ছিল সেগুলি সব এমনি এমনি ঠিক হয়ে যায়।
পাসপোর্ট পুলিশ ভেরিকেশন এর জন্য কল দিয়ে ডিএসবি অফিসে নিয়ে জায়। তারপর বলে এই ভুল সেই ভুল।।এগুলা ঠিক করতে টাকা লাগবে নাহলে হবে না। জিগ্যেস করলাম কত বললো ৩ হাজার। আমি বললাম স্যার আমার কাছে টাকা নাই। তখন উনি বললো যে আচ্ছা ঠিকাছে আমি ফাইল জমা দিয়ে দিতেছি পরে পাসপোর্ট কিন্তু হবে না। আমি তখন বললাম স্যার আমার কাছে সত্যিই টাকা নাই। বললো কত আছে আমি বললাম ৫০০ টাকা আছে। বললো এতে হবে না। আমি কি আর করবো আরও ২০০ এড করে মোট ৭০০ টাকা দিলাম আর বললাম আমার কাছে বাসায় জাওয়ার জন্য আর মাএ ৫০ টাকা আছে। এইটা নেন নিয়ে কাজটা করে দেন প্লিজ।। তারপর সব ঠিক ঠাক।।। এরা ঘুষ নেয়ার সময় ছোট বড় এমাউন্ট দেখে না ঘুষ নেয়াই যেনো এদের লক্ষ।
আমার কাছে টাকা চেয়েছে
ঘটনা টা ২০২৪ সালে। তখন আমি আমার পাসপোর্ট নবায়ন করার জন্য অনলাইনে সব তথ্য সম্পুর্ন করে ডকুমেন্ট নিয়ে পাসপোর্ট অফিস বাহ্মণবাড়িয়া তে যাই, সেখানকার দায়িত্বরত অফিসার ১ম চেকিং দিয়ে বলে আমার আইডি কার্ডের অনলাইন কপি লাগবে তার পর পরে নিয়ে যায় আবার আরেকদিন একই অফিসারের কাছে সম্পুর্ন ডকুমেন্টস নিয়ে গেলে বলে পিতা মাতার অনলাইন ভেরিফিকেশন লাগবে, দেন পরে আমি আমার পরিচিত একজন দালাল কে অনলাইন ফি পরিশোধ করার পর আরো অতিরিক্ত ৩৫০০ টাকা দিয়ে গেলে আমার কাজ টা কমপ্লিট হয়। অথচ ১মে দালালের মাধ্যমে টাকা না দেওয়াতে ২ বার হয়রানি হতে হয়েছে, এই কষ্ট টা এখনো মনে পড়ে?
আমি আমার স্ত্রী ও আমার বাচ্চার জন্য অনলাইনে e-Passport-এর আবেদন সম্পন্ন করি। পরবর্তীতে নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী আবেদনপত্র ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে পাসপোর্ট অফিসে জমা দিতে গেলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা আমার আবেদনপত্র গ্রহণ না করে জানান যে, আরও কিছু অতিরিক্ত ডকুমেন্ট প্রয়োজন কিন্তু বিষয়টি আমার কাছে অত্যন্ত সন্দেহজনক মনে হয়। কারণ, পরবর্তীতে পাসপোর্ট অফিসের পাশের একটি কম্পিউটার/অনলাইন সেবা দোকানের মাধ্যমে প্রতি পাসপোর্টের জন্য ২,০০০ টাকা করে মোট ৪,০০০ টাকা প্রদান করে আমার পূর্বে করা একই আবেদনপত্র ও সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র জমা দিলে পাসপোর্ট অফিস কর্তৃপক্ষ সেই আবেদন গ্রহণ করে এখানে আমার প্রশ্ন হলো প্রথমবার একই আবেদনপত্র ও কাগজপত্র নিয়ে গেলে যদি অতিরিক্ত ডকুমেন্ট প্রয়োজন হয়ে থাকে, তাহলে পরবর্তীতে কোনো লাগলোনা
বাকি অংশ ==দোকানদারের সাথে কথা বলি। সে আমাকে ২৫০০ টাকার বিনিময়ে একটা সিল দিয়ে দেয় আমার আবেদন পত্রে। তারপর আমি পাসপোর্ট অফিসে যায় আবার আমার কাগজপত্র জমা দেয়,তারা সিল দেখে, আমার পেপার একসেপ্ট করে কোন কিছু জিজ্ঞাসা করে নাই। কারা জানে ওই সিলের মূল্য কত, তাই তারা কোন কিছু জিজ্ঞাসা করে নাই, আমাকে ছবি তোলার জন্য অনুমতি দেই। একটা কথা বলে রাখি, যে দোকানদার থেকে আমি সিলটা মেরে আনছি, ওই লোকে পাসপোর্ট অফিসে আসার আগে আমাকে বলছিল এই সিল ছাড়া, তোমার কাগজপত্র একসেপ্ট করবে না, আমি বললাম কেন করবে না আমার কাগজপত্র তো সবই ঠিক আছে, হা কাগজপত্র ঠিক আছে, তবু একসেপ্ট করবে না, এ সিল ছাড়া
খরচাপাতি হিসেবে কিছু দিতে হবে বলেছিল। কিছুক্ষণ দিতে চাইনি। পরে ৫০০ দিলেও মেনে নিচ্ছিলো না। ১০০০ চাচ্ছিল। শেষে আরও ১০০ যোগ করে ৬০০ টাকা দিতে হয়েছিল।
পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য এসআই আমাদেরকে পুলিশ অফিসে ডাকলো। আমি, আমার বাবা পুলিশ অফিসে গেলাম। সেই এসআই তিন হাজার টাকা দাবি করল পুলিশ ভেরিফিকেশন সম্পন্ন করার জন্য। আমার বাবা একজন অবসর আর্মি পারসন। তার পরিচয় দেওয়ার পরও অনেক তালবাহানা করল শেষ পর্যন্ত তারা ২৬০০ টাকাতে থামল, এবং তারা বলল এই টাকাটা আমার উপরের বস সহ অনেকেই খাবে। যাই হোক এই পাসপোর্টটা আমার অনেক জরুরী ছিল। তাই টাকাটা পরিশোধ করেছিলাম। এই ঘটনাটা আজ থেকে ১০/১১ বছর আগের।
একজন পুলিস সদস্য আমাকে বলে আপনার কাগজ পত্র নিয়ে থানায় আসেন, পাসপোর্ট ভেরিফিকেশন এর জন্য। সকল কাগজপত্র ঠিক থাকার পরে বলে টাকা না দিলে ভেরিফিকেশন ক্যানসেল করে দিবে।
ফাইল টা জমা নেয় না,কিছু বলাও যায় না এত খারাপ ব্যবহার তাদের,অফিস এর বাইরে যেই কয় টা দোকান আছে সব গুলা দালাল গো দোকান,দালালদের দোকানের মাধ্যমেই টাকা টা অফিস এর লোক পায়। আমার ১৫০০ টাকা দেওয়ার পর কাজ হইয়া গেসে।
আমি যখন কক্সবাজার আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে নতুন পাসপোর্ট করতে যায়।পাসপোর্ট অফিস থেকে আমাকে ডেইট দেওয়া হয়।পরে ওই ডেইটের মধ্যেই এক পুলিশ অফিসার আমাকে ফোন করে বলে,তোমাকে অফিসে আসতে হবে এবং সাথে ৬,০০০ নিয়ে যেতে।কিন্তু যাওয়ার সময় ৫,০০০ নিয়ে যায় এবং ওই অফিসার ৫,০০০ টাকা দিয়ে বলে যাও টেনশন করো না।এই বলে টাকা নিয়ে আমাকে বিদায় করে দেয়।
অনলাইন আবেদন করে, যখন পাসপোর্ট অফিস এ যাই ফিঙ্গার দিতে, আমার সকল কাগজপত্র ঠিক থাকলেও, হুদই এই দোষ সেই দোষ ধরতে থাকে, এরপর চলে আসার সময়, অফিসের সামনে টং দোকান গুলোর এক লোক বলে যে এত টাকা দিলে আপনার কাজ হয়ে যাবে। আমিও দেই এবং সত্যি ই কাজ হয়ে যায়।