নতুন পাসপোর্ট তৈরি
সকল ডকুমেন্ট ঠিক থাকলেও দালাল ছাড়া পাসপোর্ট এর অ্যাপ্লিকেশন জমা নেয় না। পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য টাকা দিতে হয়েছে।
17,743 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
সকল ডকুমেন্ট ঠিক থাকলেও দালাল ছাড়া পাসপোর্ট এর অ্যাপ্লিকেশন জমা নেয় না। পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য টাকা দিতে হয়েছে।
তারা হাতে টাকা নেয় না.. দালালা মাধ্যমে টাকা
kono prokar jhamela chara passport kore debar jonno amar kach theke 10000 taka dabi korecilo,ami onk dama dami kore 5000 taka te koriyeci. er jonno amak kono ling maintain korte hoy ni.
আমি আমার এই পাসপোর্ট এর জন্য সরকারিভাবে অনলাইনে আবেদন করেছি, আমি ফাইল নিয়ে যখন পাসপোর্ট অফিসে যায়, ওনার বলে আমার নাকি আবেদনের ভুল আছে, আমার ফাইলটি ছিড়ে ফেলে দেয়, এইটি হবে না, পরবর্তীতে আমি আমার বাড়িতে চলে যাই কয়েকদিন পর আমি একজন দালালের মাধ্যমে ওই ফাইলটি জমা দেই, একই ফাইল শুধু দালালের মাধ্যমে একটি সিল মেরে দেয়, কোন প্রশ্ন না করে ওই ফাইলটি জমা নিয়ে নেয় পরবর্তীতে আমি আমার পাসপোর্ট হাতে পাই, একই কাগজপত্র যখন আমি নিজে নিজে যায় জমা দেই তখন এই কাগজপত্র ছিঁড়ে ফেলে দেয় অথচ যখন দাদালের মাধ্যমে জমা দি কেমনে এটা সঠিক হয় এটাই আমার প্রশ্ন।
কয়েকদিন আগে আমার আম্মা উমরাহ করার জন্যে যেতে চাইলে, আমরা নতুন পাসপোর্ট করার জন্য পাসপোর্ট অফিসে যাই, গিয়ে দেখি দালাল ছাড়া পাসপোর্ট করা সম্ভব নয়। বাধ্য হয়ে দালালকে সরকারি ফি ছাড়াও, ছয় হাজার টাকা দিতে হয়েছে। এবং দালালের কথা হলো এই টাকা সে একা নিবেনা, উপরমহল পর্যন্ত যাবে।
রোযার দিন ছিলো।আমার সব ডকুমেন্টস ঠিক ছিলো,পরে ভিতরে দেখার পর বললো কারেন্ট বিলের কাগজ, ফটোকপি হবে না,মেইনকপি দেওয়ার পর আমাকে পরের দিন আসতে বললো,।সাথে দালাল ছিলো,বললো ৩০০০ টাকা দিলে ৩০ মিনিটে করে দিবে, নাইলে আরো ঘুরাবে আমার তাড়া ছিলো,ঢাকায় আবার আসা আমার জন্য কষ্ট ছিলো ধামরাই থেকে, আবার সামনে ইদ, তাই বাইরে ফটোকপি দোকানে ওদের লোল বসা আছে, ঐখানে ৩০০০ টাকা ঘুষ দেওয়ার পর আমার কাজ ২৫ মিনিটে শেষ
আমি বিকাশে টাকা প্রেমেন্ট করেছি কিন্তু তারা বলে খুজে পাওয়া যাচ্ছে না আমার কাছে টাকা জমা দেওয়ার বিকাশ প্রেমেন্ট রিসিট আছে বলে চালান লাগবে বলে কম্পিউটার দোকানে যাও, যাওয়ার পরে কম্পিউটার দোকানদার বলে 2000হাজার টাকা দিতে হবে এবং অফিসে 1500 আর আমি চালান এনে দিবো 500 সর্বমোট 2000টা । এরক হলে কি আমরা গরিব কীবাবে বাঁচব।
৫০০০টাকা দাবি করে ছিল ১০০০ টাকা পরিশোধ করেছি
সবকিছু শতভাগ সঠিক থাকার পর ও নানানভাবে নানা ইস্যু দেখিয়ে হয়রানি করে।অসুস্থ মাকে নিয়ে অনেকক্ষণ দৌড়াদৌড়ি করেও শেষ পর্যন্ত ঘুষ দিয়েই কাজ করাতে হয়েছে
আমার বাবা ক্যান্সারে আক্রান্ত। ২০২৫ সালে বাবাকে ভারতে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়ার উদ্দেশ্যে আমার নিজের ও পরিবারের সদস্যদের পাসপোর্ট করার প্রয়োজন হয়। আমি নিজে পাসপোর্ট অফিসে গেলে তারা বিভিন্নভাবে সমস্যার কথা বলে আমার পাসপোর্ট করতে দেয়নি এবং বলেছে আমার ডকুমেন্টে সমস্যা আছে। পরে আমি একজন দালালের মাধ্যমে যোগাযোগ করি। তিনি সরকারি ফি ছাড়াও প্রতি পাসপোর্টের জন্য অতিরিক্ত ৫,০০০ টাকা দাবি করেন। মোট ৩টি পাসপোর্টের জন্য তিনি ১৫,০০০ টাকা নেন, সরকারি ফি বাদে। এরপর মাত্র একদিনের মধ্যেই আমাদের ফিঙ্গারপ্রিন্টসহ পাসপোর্টের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়ে যায়। তখন আর কেউ বলেনি যে আমার ডকুমেন্টে কোনো সমস্যা আছে। তাই আমার প্রশ্ন হলো, যদি সত্যিই আমার ডকুমেন্টে সমস্যা থাকে, তাহলে দালালের মাধ্যমে অতিরিক্ত টাকা দেওয
আমি সরকারি ভাবে পাসপোর্ট এপ্লাই করি, টাকা জমা দি সকল কিছু ঠিক আছে তাও আবেদন জমা নিচ্ছে না, পরে দালাল কে ২০০০ দি করিয়ে নিলাম পাসপোর্ট। স্থান : লক্ষীপুর পাসপোর্ট অফিস
Amar baba, Maa'r passport korar jonno 2500 tk ghush dewa lagse
আমি পাসপোর্ট সংক্রান্ত সরকারি সেবা গ্রহণের উদ্দেশ্যে সংশ্লিষ্ট পাসপোর্ট অফিসে উপস্থিত হই। সেবা গ্রহণের সময় সরকারি নির্ধারিত ফি-এর বাইরে অতিরিক্ত ২,৫০০ (দুই হাজার পাঁচশত) টাকা দাবি করা হয়। আমি উক্ত অতিরিক্ত অর্থ প্রদান করতে অনিচ্ছা প্রকাশ করলে আমার কাজ সম্পন্ন করার ক্ষেত্রে বিভিন্ন অতিরিক্ত কাগজপত্র দাবি করা হয় এবং নানা ধরনের হয়রানির সম্মুখীন হতে হয়। পরবর্তীতে আমার সরকারি সেবাটি সম্পন্ন করার জন্য বাধ্য হয়ে ২,৫০০ টাকা পরিশোধ করতে হয়। সরকারি সেবা প্রদানের বিনিময়ে নির্ধারিত ফি-এর অতিরিক্ত অর্থ দাবি ও গ্রহণ এবং অতিরিক্ত অর্থ না দিলে হয়রানি করার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুতর।
নতুন পাসপোর্ট তৈরি করার জন্য অনলাইনে আবেদন করে।পাসপোর্ট অফিসে জমা দিতে গেলে আমার আবেদন কৃত ফর্ম টা জমা নেয় নি।বিভিন্ন তালবাহানা দেখিয়ে পরবর্তী দিন যেতে বলছে।তারপর পরের দিন গেলেও এদিক ওদিক করেও জমা দিতে পারছি না।কারন পাসপোর্ট অফিসে দ্বায়িত্ব প্রধান এডি সুপারিশ কৃত ফর্ম ছাড়া কোন ফর্ম স্বাক্ষর করে না। প্রত্যেক টা সুপারিশ কৃত ফর্ম ওনার জন্য বরাদ্ধ থাকা ঘুসের টাকা।তারপর অফিসে দ্বায়িত্ব থাকা আনসার দের সাথে বিষয় টা নিয়ে কথা বললে ওনি ব্যাংক ড্রাপ থেকে বাড়তি ২০০০ টাকা দাবি করে।তারপর আমি এতো ঘুরাঘুরি করে ক্লান্ত হওয়ায় বাড়তি ২০০০ টাকা দিয়ে করাতে ওনার সাথে ডিল করি।সে ডিল টাকা পাসপোর্ট অফিসে থাকা আনসার থাকার রুমে আমাকে নেয়।সে রুমে আমি বাড়তি ২০০০ টাকা প্রদান করি।
বিদেশে আসার জন্য পাসপোর্ট অফিসে গিয়ে দালাল ছাড়া কাজ হয় নাই, ৩০০০টাকা নিয়ে ছিলো,তার পর সিরিয়াল দেয়,তার আগে যত বার গিয়েছি, বার বার বলে কাগজ ঠিক নেই,টাকা নেওয়ার পর সব কাগজ ঠিক হয়ে গেলো,
টাকা না দিলে জীবনে পাসপোর্ট পাবনা।
জামালপুর পাসপোর্ট অফিস যিনি passport application যাচাই - বাছাই করেন, সব ধরনের কাগজপত্র ঠিক থাকার পরেও application জমা নিচ্ছিল না এভাবে টানা ৩ দিন শুধু rejected করছিল এবং ৪ নম্বর দিন 1700 টাকা ঘুষ প্রদানের মাধ্যমে passport application বিশেষ চিহ্ন করা তখন কোনো ধরনের কাগজপত্র ছাড়া আমার passport application জমা নিয়েছে, মানে ঘুস এবং বিশেষ চিহ্ন ছাড়া তারা কোনো application জমা নেয় না, জামালপুর পাসপোর্ট অফিস যিনি আবেদন পত্র যাচাই বাছাই করেন আমি তার বিরুদ্ধে এই অভিযোগ গুলো করছি।
আমি আমার মোবাইল দিয়ে ই- পাসপোর্ট ওয়েবসাইটে একটি আবেদন করি ১০ বছর মেয়াদি ই পাসপোর্ট এর। সরকারি নির্ধারিত ফি ৫৭৫০৳ সোনালী ব্যাংকে জমা দিয়ে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে পাসপোর্ট অফিসে যাই। এমন কোনো ডকুমেন্টস নেই যা আমার কাছে অনুপস্থিত ছিল না, এক কথায় যা যা প্রয়োজন সব সাথে ছিল। কিন্তু পাসপোর্ট অফিসে আমার ফরম জমা না নিয়ে ফেরত দিয়ে একেবার একেকটা অহেতুক সমস্যা উল্লেখ করে। পরবর্তীতে আমার বড় ভাই অফিস সংলগ্ন এক দালান কে হেল্প করতে বললে সে বলে ১১০০ টাকা অফিস ফি আমাকে ৫০০ দাও আমার রেফারেন্স দিব সাথে সাথে সব কাজ হয়ে যাবে। যেই কথা সেই কাজ, আমার সেইম ফাইল অফিসে এক কর্মকর্তার নিকট জমা দিলে সাথে সাথে আমার ইনরোলমেন্ট হয়ে যায়। বি:দ্র: উক্ত অভিযোগ নতুন নয়। উপর মহলের ইশার দালাল আর অফিস কর্মকর্তার রমরমা ব্যবসা চলছে।
ময়মনসিংহ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে বন্ধুর পাসপোর্ট আবেদন জমা দেওয়ার সাথে জন্য গিয়েছিলাম। অফিসের পাশে একটি দোকান থেকে অনলাইনে আবেদন ও সরকারি ফি পরিশোধ করার পর দোকানদার অতিরিক্ত ১,৫০০ টাকা দাবি করেন। তিনি বলেন, এই টাকা দিলে অফিসে কাগজপত্র জমা দিতে কোনো ঝামেলা হবে না। অতিরিক্ত টাকা না দিয়ে অফিসে গেলে কাগজ পত্র ঠিক থাকার পরও শিক্ষাগত সার্টিফিকেট চাওয়া হয় এবং বলে কাগজ পত্রে ঝামেলা আছে আরেকদিন আসেন, আসার সময় অফিসের একজন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির কাছ থেকেও অতিরিক্ত টাকা দেওয়ার কথা বলা হয় এবং জানানো হয় এটা নাকি অফিস খরচ।শেষ পর্যন্ত অতিরিক্ত টাকা দিতে বাধ্য । বিঃদ্রঃ টাকা দেওয়ার পর আবেদন পত্রের উপরে সাংকেতিক চিহ্ন বা সাইন দেওয়া হয় দোকানেও দেখেছি যারা অতিরিক্ত টাকা দিচ্ছেন তাদের আবেদন পত্রের উপরে এমনটা।
আমি যখন নতুন পাসপোর্ট করতে যাই তখন সব ডকুমেন্টস সঠিক থাকার পরও তারা ভিন্ন অযুহাত দেখায় যার কারণে আমি পাসপোর্ট করতে পারিনি তখন আমি পাসপোর্ট অফিসের পিওনের মাধ্যমে তিন হাজার টাকা বেশি দিয়ে পাসপোর্ট করি