17,320 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
আমার বয়স ১৮ এর কম হওয়ায় বলেছে পাসপোর্ট করা যাবে না। পরবর্তীতে ১৫০০ টাকায় বিনিময়ে তারা কোন কাহিনী ছাড়াই করে দেয়।
আমি জামালপুর আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে গিয়েছিলাম। পাসপোর্ট করতে। আমার সাথে আমার ওয়াইফ কে নিয়ে গেছিলাম। সকল কাগজ পাতি ঠিক থাকার পরেও। আমার কাগজ বারবার ঘুরিয়ে দিয়েছিল। বাহিরে আসার পর। ২ হাজার টাকা একজন দালালকে দেওয়ার কারণে। পরবর্তীতে আবার যখন কাগজ নিয়ে যায় সাথে সাথে জমা নিয়ে নেন। শুধু ঘোষের বিনিময়ে কাগজটা জমা হয়। আমি চাচ্ছিলাম ঘুষটা না দিতে। কারণ এই পাসপোর্ট এর মাধ্যমে সে ওমরাতে আসবে। কিন্তু বাধ্য হয়ে আমি ঘুষ টা দেয়। আমি দ্বিতীয় তলায় নির্বাহী কর্মকর্তার কাছেও গিয়েছিলাম কিন্তু কোন কাজ হয়নি।
পাসপোর্ট করতে এবং পুলিশ পরিদর্শক কতৃক তদন্তের সময় সে ও ঘুস চায়।
আমি সহ পাঁচজন গিয়েছিলাম জামালপুর পাসপোর্ট অফিসে পাসপোর্ট করতে। সকল কাগজপতি ঠিক থাকার পরেও বারবার ঘোরানোর কারণে বিরক্ত হয়ে ঘুষ দিতে বাধ্য হই। ঘুষ দেওয়ার পর। সময় শেষ হওয়ার পরেও পাঁচ মিনিটের ভিতরে কাজ শেষ করতে পারি। এমনিতেই পাসপোর্ট অফিসে চারটার পরে কাগজ জামা নেই না। কিন্তু টাকা দেওয়ার কারণে ছয় টার পরও কাজ করতে পেরেছিলাম। শুধু ঘুষ দেওয়ার কারণেই। আমার মত হাজারো মানুষ ভোগান্তির শিকার।
সর্বপ্রথম আমি ওখানে পাসপোর্ট বানাতে চাই তখন একজন এসে বলে যে খুব দ্রুত পাসপোর্টটি আমরা করে দেবো । কিন্তু পাসপোর্ট বানাতে যে পরিমাণ টাকা লাগে তার থেকে দ্বিগুণ তারা টাকা চাচ্ছে । ঘটনাটি হচ্ছে ২০১৮ সালের
দুইবার সবকিছু রেডি করে জমা দিতে গেছিলাম, দুইবারই এই সমস্যা ঐ সমস্যা বলে আমার ফাইল জমা নেয়নি কিন্তু দালালের একটা কোড নাম্বারে আমার ফেরত দেওয়া ফাইল জমা নেয়।
নতুন পাসপোর্ট বানাতে গিয়েছিলাম টাংাইল। আমার সব কাগজ পত্র ঠিক ছিল। তার পরেও বলে এইটা লাগবে ওইটা লাগবে। পরে আমি অফিসের দালাল কে ২০০০ টাকা দেই। আমার পাসপোর্ট হয়ে যায়।
আমার ৬ বছর বয়সী মেয়ের জন্ম নিবন্ধনের অনলাইন কপি জমা দিয়েছিলাম, ওরা বলছে যে ইউনিয়ন পরিষদের যে হাতে লেখা কপিটি জমা দিতে হবে, আমরা দালাল না ধরে নিজে নিজে পাসপোর্ট জমা দিতে গেছিলাম, ওরা জমা নিচ্ছিল না পরে চার হাজার টাকা দিলে জমা নেবে বলছিল, আর না হলে গ্রাম থেকে গিয়ে ওই চেয়ারম্যান থেকে হাতে লেখার জন্মসনদ নিয়ে আসতে হবে.
সমস্ত্র কাগজপত্র ঠিক থাকার পরেও আমার ফাইল টি পাসপোর্ট অফিস থেকে বাহির করে দিছে। পরবর্তীতে দালালের মাধ্যমে গেলে একই ডকুমেন্টস দিয়ে কাজ করে আসছি।
আমার কাছে সময় কম ছিল তারাতারি পাসপোর্ট করা লাগবে পরে একজন পাসপোর্ট এর দালাল ধরি তারাতারি করার জন্য সে প্রথমে ৭০০০ টাকা চাইল সময় ১ মাস লাগবে। তারপর আমি বললাম আমার ১৫ দিনের মধ্যে লাগবে পাসপোর্ট। পরে বলল করে দেওয়া যাবে তবে কিছু টাকা লাগবে আরো বাড়তি। আমি বললাম টাকা ত নিচ্ছেন ই সে বলে উওঠল তারাতাড়ি বলে কথা। তারপর আমার ভিসা চিন্তা করে তাকে তারাতাড়ি করার জন্য আরো ৫০০০ টাকা দেওয়া লাগছে।
উল্টোপাল্টা ভুল ধরে তার বলে পাসপোর্ট অফিসে তারা পাসপোর্ট ভেরিফিকেশনের পেপার সাবমিট করবেনা, এই বলে ভেরিফিকেশন পুলিশ আমার পেজ থেকে ঘুষ খায়, আর মানসিকভাবে প্রচুর ডিপ্রেস করে দেয়, মানসিকভাবে তখন আমি খুব আঘাত পাই এবং কষ্ট পাই
পাসপোর্ট এর জন্য প্রয়োজনীয় সকল কাগজ থাকার পরেও আমাকে অপ্রোয়জনীয় অনেক কাগজের জন্য হয়রানি করা হচ্ছিলো । আমাকে আমার বাবার কাজের স্থানে সে কি কাজ করে সেগুলোর সত্যায়িত কপি , তারপর আমার মায়ের চাকরির ব্যাংক স্টেটমেন্ট , সত্যায়িত কপি । আমার ভার্সিটিতে যেখানে আমি পড়াশোনা করি এরকম অনেক কপি তারা চেয়ে বসে । যা আমার জন্য সংগ্রহ করা অনেক সময় সাপেক্ষ ব্যাপার । এরপর এ পাশের ফটোকপির দোকান এর আড়ালে থাকা দালাল দের কাছে ২ টা ফটোকপি করেছি ২৬০০ টাকায় । আমার জন্ম নিবন্ধন টা পর্যন্ত আর লাগে নি তাদের । বায়োমেট্রিক কম্পলিট করে দিয়ে আসছি ৭ দিন পরে আমার পাসপোর্ট চলে আসছে ।
২০১৪ সালে আমার নতুন পাসপোর্ট করতে গেছিলাম। সবকিছু ঠিক থাকলেও দায়িত্বরত সহকারী পরিচালক এবং উনার সহকর্মী আমার পাসপোর্ট করতে দেন নি কারণ ওইটা আমার ইউনিভারসিটি টিচার সত্যায়িত করে দিছেন। পরে টাকা দিলে সবকিছু ঠিক হয়ে যায়।
প্রথমে আমি নিজে জমা দিতে গেছি তারা বলছে যে কাগজ অনেক সমস্যা , পরে যখন জানতে পারলাম দালাল ছাড়া কোন কাজ হবে না তাই বাধ্য হয়ে দালালকেটাকা দিলাম তখন সব কাজ একাই হয়ে গেল তখন আর কোন কাগজপত্র লাগে নাই।
আমি সরাসরি পাসপোর্ট বানাতে গেলে তরা বিভিন্ন ধরনের ভূল ধরে পাসপোর্ট বানায়নী, পরে দালান এর মাধ্যমে যাওয়ার পর তারা আমার পাসপোর্ট বানিয়ে দিছে,
বিষয়: রংপুর পাসপোর্ট অফিসে অতিরিক্ত অর্থ দাবি ও অনিয়মের বিষয়ে অভিযোগ। জনাব, আমি একজন সাধারণ নাগরিক। আমার পাসপোর্ট হারিয়ে যাওয়ার পর আমি সংশ্লিষ্ট থানায় জিডি করি। জিডি করার পর আমার কাছ থেকে ২,০০০ টাকা নেওয়া হয়। পরবর্তীতে আমি হারানো পাসপোর্টের জন্য রংপুর পাসপোর্ট অফিসে আবেদন করতে যাই। পাসপোর্ট অফিসে যাওয়ার পর প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেওয়ার জন্য আমাকে বিভিন্ন কাগজপত্র আনতে বলা হয়। আমি নির্দেশনা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহ করে জমা দিই। এরপর আমার আবেদনটি বিভিন্ন কারণ দেখিয়ে ফেরত দেওয়া হয় এবং আরও কিছু কাগজপত্র, যেমন স্ত্রীর কাবিননামাসহ বিভিন্ন কাগজপত্র চাওয়া হয়। পরবর্তীতে আমার কাছে ২,০০০ টাকা দাবি করা হয়। আমি ২,০০০ টাকা দেওয়ার পর আর কোনো অতিরিক্ত কাগজপত্র চাওয়া হয়ন
আমি নিজে আবেদন করেছিলাম, সেইখানে, তারা বলে এই আবেদন হবে কম্পিউটার দোকান থেকে করতে হবে, সেখানে বলে আরো অতিরিক্ত ১৮০০ টাকা দিতে হবে। না দিলেও আমি আবেদন করে দিবো, পরে না হলে আমাকে বলতে পারবেন না। তাই আমি পরিশোধ করেছি।
NIJA KORA PASSPORT ABEDON 4 BAR REJECT KORECE SOKOL DOCUMENT THAKA SORTE O. BAR BAR EKTA NA HOI EKTA BHUL NA HOLE O BHUL BOLE REJECT KORECE.
চ্যানেল কোড না থাকলে প্রচুর পরিমাণে হয়রানি করা হয়। এই কোডের জন্য এই কোডের জন্য অতিরিক্ত ১৫০০-২০০০ টাকা স্বাভাবিক ব্যাপার।
নতুন পাসপোর্ট বানানোর জন্য দালালদের মাধ্যমে 2000 টাকা দিছি