ই পাসপোর্ট
পাসপোর্ট বাবদ ১৩০০০ টাকা দেওয়া হয়েছে।
17,743 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
পাসপোর্ট বাবদ ১৩০০০ টাকা দেওয়া হয়েছে।
সরকারি খরচসহ দালালদের পারিশ্রমিক
পাসপোর্ট করার জন্য আবেদন ফর্ম হাতে লিখে পূরণ করে যাই। সকল তথ্য ঠিক থাকার পরও ২৫০০ টাকা অতিরিক্ত না দিলে সাইন করবেন না বলে জানতে পারি। অনেক রপকোয়েস্ট করেও কাজ হয় নাই। এটা ২০১০/১১ সালের ঘটনা। তখন পুলিশ ভেরফিকেশনে ৫০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছিল।
আমার সকল ডকুমেন্টস ঠিক করে নিয়ে অফিসে যাই, অফিস কর্মচারী আমার ডকুমেন্টস চেক করে ফর্ম এর উপর কাটাকাটি করেন এবং অপ্রযোনিয় অতিরিক্ত কিছু ডকোমেন্টস চাই। বাহিরে আসতেই কয়েকজন দালাল এগিয়ে আসে এবং অতিরিক্ত 1500 টাকা লাগবে জানাই। আমি রাজি হলাম। উল্লেখ্য: দালাল নতুন ফর্ম পূরন করে একই ডকোমেন্টস আটাস করল এবং একটা মোবাইল নাম্বার দিয়ে বলল অফিসের ভিতরে গিয়ে এই নাম্বারে কল দিবেন। আমি অফিসে গিয়ে কল দিলাম আমার ফাইল নিয়ে গেল এখন সবই ওকে। আমার ফর্ম নির্ভূল ছিল, ডকোমেন্টস ঠিক ছিল। শুধু মাত্র ঘুশ খাওয়ার জন্য পাসপোর্ট অফিসার কাহিনি করছিল।
New passport korte gasilam dalal chara kaj hy na 1200tk dile 1 dinei all ok. Na dile 4 din gurai. Sathe nanan Kahini
পাসপোর্ট করতে গিয়েছিলাম, আমাকে অনেক ভোগান্তি করেছে,,প্রতিদিন যায় কিন্তু কাজ হয়না, তাই বাধ্য হয়ে টাকাটা দিয়েছি
আমার ডকোমেস এর বিভিন্ন বুল দরতো ইচ্ছাকরে টাকার জন্য সব সময় বলতো আগামী কাল অনেক দিন গুড়ার পর আমি টাকা দি টাকা দেওয়ার পর আর কোন কিছু বলে নাই কাজ হয়ে গেছে
নতুন পাসপোর্ট করতে গেলে সব ডকুমেন্টস ঠিক থাকলেও বিভিন্ন বাহানা দেখায়, এটা লাগবে সেটা লাগবে হ্যান ত্যান ইত্যাদি,,,,, তারা এভাবে রিজেক্ট করে দালালের মাধ্যমে ঘুস খায়।
প্রতি পাসপোর্ট ১০০০ টাকা নিচ্ছে পাসপোর্ট অফিসের কর্মকর্তারা এইভাবে হাজার হাজার পাসপোর্ট তৈরিতে প্রতিদিন কোটিকোটি টাকা ঘুষের মাধ্যমে জালিয়াতি হচ্ছে
আমি একজন প্রবাসী ১৫ বছর প্রবাসে আছি আমি দেশে গিয়ে যতবার পাসপোর্ট করতে গেছি ততবারই ভোগান্তি হয়েছি এবং এয়ারপোর্টে টাকা ছাড়া তারা কোন কথা বলে না দালাল ছাড়া এয়ারপোর্টে তো ঢোকাই যায় না এবং এরা যে পাসপোর্ট ব্লক করে দেয় এটাও একটা দালালি টাকা খাওয়ার ধান্দা মালিবাগ সিআইডি অফিস আছে তারাও এক ধান্দাবাজ টাকা ছাড়া কোন কথা বলে না আর তারা টাকা সরাসরি খায়না যেটাই করবেন দালালের মাধ্যমে ভিতরে গেলে বোঝা যাবে তারা একদম ফেরেশতা কিন্তু বাহির থেকে দালাল না ধরলে কোন কাজ করতে পারবে না আমি দীর্ঘ এক মাস ঘুরেছি পাসপোর্ট এর সমস্যার কারণে সিআইডি অফিস অপুর থেকে মিস পর্যন্ত সবাই টাকা ছাড়া কোন কথাই বলবে না কিন্তু তারা নিজেরা জীবনে বলবে না তাদের বিকাশ কিংবা ব্যাংক অ্যাকাউন্ট চেক করলে সবকিছু ধরা খেয়ে যাবে
পাসপোট করতে 5750 টাকা লাগে আমি ঘুষ সহ আট হাজার পাচ শ টাকা দিয়ে করতে হয়েছে যদি নিজে নিজে পাসপোর্ট করতে চান হাজার টা ভূল ধরে সময় ক্ষেপন করে আর দালাল ধরলে এক বারে কাজ শেষ
আমি পাসপোর্ট নিছিলাম নর্মাল যেটা, ৫৮০০ এমন হবে কিন্তু এক দালাল কে ৯০০০ টাকা দেওয়া লাগছে। দালালদের সাথে ঐ অফিসের একটা কানেকশন থাকে যারা কাজ করে। কোন প্রব্লেম হলে দালাল ফেস করে এন্ড টাকার বিনিময়ে অফিসে যারা কাজ করে তাদের হ্যান্ডেল করে। এটা শুধু এখানে না সব খানে দালালী চলে। আমার একটা অনুরোধ উপজেলা স্বাস্থ্যসেবা / কেন্দ্র আগে বাচান। কোন টেস্ট হয় না সরকারিভাবে, একটা এক্স রে তাই হয় না যেটা সরকারি ভাবে করলে ৭০-৮০ টাকা বাহিরে নেয় ৫০০ টাকা। সাধারণ মানুষের, খেটে খাওয়া মানুষের কি অধিকার নাই সরকারি সেবা পাওয়ার?
জাস্ট মায়ের নামের বানান ভুল ছিলো। তার জন্য পাসপোর্ট কর্মকর্তা পাসপোর্ট অফিসের পাসেই পারভিন স্টোর এই নামের দোকানের সাথে লিংক আপ করে ৮ হাজার টাকা দাবি করে টাকা দেওয়ার কারনে আমার পাসপোর্ট সম্পূর্ণ হয় এছাড়া আরো বলে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর জন্য আরো এক হাজার দিলে আমার পাসপোর্ট হাতে পেতে আর কোন সমস্যা হবে না। মোট ৯০০০ টাকা আবেদনসহ পাসপোর্ট হাতে পেতে জমা নেন।
আমি পাসপোর্ট করতে গিয়েছিলাম দুইটা সব ঠিক আছে তার পরেও বলে ঠিক নাই পরে পাসপোর্ট অফিসের বাহিরে কম্পিউটার এর দোকান আছে সেই দোকানদার বলে পারপিছ ১৫০০ টাকা লাগবে কি আর করার সয়ও ছিলো না ঢাকা চলে যেতে হবে তাই আর কিছু করার ছিলো না পরে দরদাম করে দুইটা পাসপোর্ট ২৮০০ টাকা দিয়ে করি
পুলিশ এস আই অনেক সময় ধরে গল্প করতেছিলো, বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র পরিচয় দেওয়ার পর উনি সম্ভবত বুঝে উঠতে পারছিলোনা কিভাবে টাকা চাইবে। পরে বলল এটা নাকি অফিসের নিয়ম। যেসব অফিসার ভেরিফিকেশনে যায়, সবাইকে একটা নিদিষ্ট পরিমান টাকা অফিসে জমা দিতে হয় হেন তেন গল্প! পরে দিয়ে দিলাম। আমি শুধু ওয়েট করতেছিলাম কিভাবে ঘুষ চায় এটা দেখার জন্য। স্টুডেন্ট অবস্থায় এক হাজার টাকা আমার জন্য অনেক।
প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট দেওয়ার সময় এরা বলছে সকাল ৯ টা থেকে দুপুর ১: ৩০ মিনিট পর্যন্ত। আমি ০১ বাজে ৩৫ মিনিটে গিয়েছি তখন সময় নেইনি বলছে দেড় হাজার টাকা দিলে জমা নেবে। তারপর কয়েক রুম ঘুরালো পরে আর জমা নেয়নি এবং জমা দেওয়ার সুযোগ হয়নি। আমি চিন্তা করলাম পুলিশকে অভিযোগ করব পরে দেখি ওরা যে এক রুম থেকে আরেক রুমে হয়রানি করে দেখলাম ভিতরে কোন সিসিটিভি আছে কিনা কোন প্রকার সিসিটিভি নেই এবং গেটের সামনে একটি সিসিটিভি রাস্তায় কে আসে কে যায় ওইটাই দেখা যায় ভিতরে কোন সিসিটিভি নেই সেক্ষেত্রে আর আমি অভিযোগ করতে পারেনি
আমি পাসপোর্ট অফিসে গিয়েছিলাম খাগড়াছড়িতে, আমি কুমিল্লা থেকে অনলাইন পেমেন্টও করেছি,আমার সব কাগজপত্র ঠিক ছিল,,আমার সব কাগজপত্র ঠিক থাকার পরেও নানা অজুহাত দিতে লাগলো তারা, অবশেষে বাধ্য হয়ে যখন পাসপোর্ট অফিসে সামনে কম্পিউটার দোকানে ২৫০০ঘুষ দেই তখন আর কাগজপত্র কোন সমস্যা পাইনি তারা,, পাসপোর্ট এর কাজটি সম্পন্ন করে দেয়
পাসপোর্ট এর জন্য লাইভ ভেরিফিকেশন দরকার হয়। তো যিনি এসেছিলেন তাকে সবকিছু কাগজপত্র দেখানোর পরও তিনি কিছু বকশিশ চাচ্ছিলেন। পরে বারোশোর মতন দেয়া হয়েছে। যদিও তিনি আরো চাচ্ছিলেন।
আমি পাসপোর্ট অফিসে গিয়েছিলাম যাওয়ার পর । আমার চারটা ভুল ধরছে যেই ভুলগুলা যদি আমি সংশোধন করতে যাই তাহলে । আমার কমসে কম এক মাস ঘোরাঘুরি করা লাগবে । 1) ভুল আমি স্টুডেন্ট ছিলাম এখন কাজ করি না তো বেকার সনদ আলো ইউনিয়ন পরিষদ থেকে কিন্তু ইউনিয়নে তো ইউনিয়ন চেয়ারম্যান নাই এখন কি করব 2) ভুল বিদ্যুৎ বিলের কাগজ ২৫ সালের টা নিয়ে গিয়েছিলাম ২৬ সালের টা লাগবে 3) ভুল আমার আব্বুর পুরাতন আইডি কার্ড হওয়ার কারণটা জন্মস্থান লেখা ছিল না এটাকে সংশোধন করতে হবে বলেছে এটাকে যদি সংশোধন করতে যাই কমসেকম এক মাস লাগবে আরো অনেক ভুল ধরেছিলো আরো অনেকের অনেক ভুল ধরেছে অনেকে দুইদিন তিনদিন চারদিন ধরে ঘুরছে কিন্তু সমস্যা সমাধান হচ্ছে না যারা দালাল ধরে টাকা দিচ্ছে তাদের ফিঙ্গার হয়ে যাচ্ছে
আমি প্রথমে অফিসে সব কাগজ পাতি নিয়ে যাই, কিছুক্ষণ ঘোড়াঘুড়ি করি কিন্ত তারা একসেপ্ট করলো না তারা বলে দিলো বাহির থেকে আবেদন করে আসুন। তারা একটি দোকানের নাম বললো,সেখানে গিয়ে তাদের সাথে কথা বললাম তারা,বলে দিলে ১৪৫০০টাকা লাগবে অনেক রিকুয়েষ্ট পর তারা এক হাজার টাকা কমিয়ে ১৩৫০০ টাকায় করতে রাজি হয়। কিন্তু আমি নিরুপায় হয়ে করতে বাধ্য হয়। এখন