17,322 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
পাসপোর্ট অফিসের হয়রানি ও দালালনির্ভরতার এক বাস্তব অভিজ্ঞতা আমার ব্যক্তিগত পাসপোর্ট করার প্রয়োজন ছিল। নিয়ম মেনে, নিজের প্রয়োজনীয় সব কাজ নিজেই সঠিকভাবে সম্পন্ন করে সিলেট পাসপোর্ট অফিসে ফাইল জমা দিতে যাই। কিন্তু সেখানে গিয়ে শুরু হয় নতুন ভোগান্তি। অফিসের কর্মকর্তারা বারবার বলেন, আমি নাকি সঠিক নিয়ম অনুসরণ করিনি। একই কারণে আমাকে ৩/৪ বার অফিসে গিয়ে হয়রানির শিকার হতে হয়েছে। একপর্যায়ে পাসপোর্ট অফিসের একজন ভাই আমাকে সরাসরি বলেন— “এভাবে তোমার পাসপোর্ট হবে না। তাদের পকেটে টাকা দিতে হবে। তুমি কোনো ট্রাভেলস এজেন্সির সঙ্গে কন্ট্রাক্ট করে ফাইল নিয়ে আসো, তাহলে পাসপোর্ট হয়ে যাবে।” বিষয়টি আমার কাছে অত্যন্ত হতাশাজনক ও প্রশ্নবিদ্ধ মনে হলো। শেষ পর্যন্ত আমি একটি ট্রাভেলস এজেন্সির সঙ্গে যোগাযোগ করি।
দালালের মাধ্যমে না করলে হয়রানির শিকার ।
পাসপোর্ট বানানোর সময় পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য পুলিশ ফোন দিয়ে টাকা চেয়েছিল। এলাকায় আসার কথা, সে কিন্তু সে থানার পাশে একটি চায়ের দোকানে আমাদেরকে মিট করতে বলে, এবং আমরা টাকা পরিশোধ করে পাসপোর্ট গ্রহণ করি। টাকা চেয়েছিলেন একজন পুলিশ সদস্য।
অনেক হয়রানির পর ২০০০ হাজার টাকা বেশি দেওয়াতে পাসপোর্ট করতে পারছি
বলেছিল আমার কাজ তাড়াতাড়ি করে দিবেন।তবে ৫০০০ টাকা দিতে হবে
কক্সবাজারে স্থানীয় বাসিন্দাদের পাসপোর্ট তৈরি করা এক বিশ্বযুদ্ধ জয় করার সমান। পাসপোর্ট অফিসের লোকজন ১ থেকে ২ লক্ষ টাকার চুক্তিতে রোহিঙ্গাদের পাসপোর্ট দেয় বেআইননি ভাবে। আর স্থানীয় লোকজন পাসপোর্ট তৈরি করতে হয়রানি করে। স্থানীয় লোকদের পাসপোর্ট তৈরিতে ৪ ধরনের অতিরিক্ত কাগজ লাগ, যার মধ্যে আছে- পাসপোর্ট সুপারিশপত্র, বিদেশি নাগরিক নয় এই মর্মে প্রত্যয়ন, রোহিঙ্গা নয় মর্মে প্রত্যয়ন, নাগরিক সনদ। এসব নিতে গেলে আবার ইউনিয়ন/পৌরসভায় দরবেশ বাবাকে খুশি করা লাগে টাকার বিনিময়ে। এরপর আসে পুলিশ ভ্যারিফিকেশন নামের অত্যাচার (যদিও অন্যান্ন জেলায় এটা বন্ধ এখন)।
আমার সব কাগজপত্র ঠিক ছিল.. আমি বিবাহিত উল্লেখ করে আবেদন করেছিলেন. তাই তাঁরা আমাদের বিবাহের কাবিন নামা চাইতেছিল কিন্তু সেটা আমি সাথে নিয়ে যাই না। দিনাজপুর শহর থেকে আবার বাড়িতে এসে এটা নিয়ে যাওয়া অনেক সময় এর ব্যাপার। কিন্তু আনসার সদস্যদের মাধ্যমে দুইটা পাসপোর্টে আমাদের কাছে ৩০০০ টাকা চাওয়া হয়েছে। আমার কথা হচ্ছে যদি কাবিননামা ছাড়া কাজটা না হয় তাহলে টাকা দিয়ে কিভাবে হলো।পরে ৩০০০ টাকার বিনিময়ে তাঁরা আমাকে আর বাড়িতে আসতে দেয় নাই সেখানে কাজ করে দিয়েছে কাবিন নামা ছাড়া।
notun passport korte giye papers sob thik thakar por o kaj hobe na bole onader onno lok diye koriye dibe 2500 taka lagbe noile hone na upay na peye dite baddho hoyeci!
পাসপোর্ট নবায়নের জন্য সিরিয়ালে জানিয়েছিলাম দীর্ঘ সময় হঠাৎ এক দরবেশ বাবা এসে বলল তাকে তিন হাজার টাকা দিলে তাৎক্ষণিক হয়ে যাবে 😀
Bollo nam vol ace kinto chilo nasob thik chilo Taka dawat por kaj hoichilo
আমার সাথে পাসপোর্ট অফিসে যা ঘটলো, তা সত্যিই হতাশাজনক।আমি অনলাইনে পাসপোর্টের রিনিউয়ালের সব কাজ শেষ করে, ফাইল পুরোপুরি রেডি করে অফিসে গিয়েছিলাম। আমার ফাইল শতভাগ ঠিক থাকা সত্ত্বেও কাউন্টার থেকে বলা হলো ফাইলে নাকি ভুল আছে এবং জমা নেওয়া যাবে না। এরপর তারা আমাকে একটা কাগজে একটি সংখ্যা (কোড) লিখে দিয়ে বললো, "নদীর পাড়ের যেকোনো ফটোকপির দোকানে যান, তারা ঠিক করে দেবে।"আমি সরল বিশ্বাসে ওই দোকানে গেলাম। তারা আমার ফাইলটা নিয়ে একটা প্রিন্ট বের করে দিলো। আমি যখন জিজ্ঞেস করলাম ফটোকপির জন্য কত টাকা দিতে হবে, তখন দোকানদার যা বললো তা শুনে আমার চোখ কপালে উঠলো! সে বললো— "ফটোকপির কোনো টাকা লাগবে না, আপনি আমাকে ৫,০০০ টাকা দেন। আপনাকে আর লাইনে দাঁড়াতে হবে না, টাকাটা সরাসরি আনসার সদস্যের কাছে দিলেই বাকি সব কাজ হয়ে
২০১৭ সালে নতুন পাসপোর্ট করতে সকল বৈধ কাগজপত্র নিয়ে, সকল কাগজ সত্যায়িত করে কুমিল্লা পাসপোর্ট অফিস যাই। সকল কিছু ঠিক থাকার পরও আমাকে পাসপোর্ট করতে দেয় নাই। পরে পাসপোর্ট অফিসের দালাল ৭০০০-১০০০০ টাকার মতো নিয়ে পাসপোর্ট করে দেয়। আমার সকল কাগজপত্র ফেলে দেয়। পরে তারা নিজেরা নতুন করে ফরম পূরণ করে এবং নিজেরা সত্যায়িত করে। ৭ থেকে ১৫ দিনের মাঝে পাসপোর্ট পেয়ে যাই।
অফিসে সকল কাগজপত্র জমা দেওয়ার পর বাহিরে একজন লোক দেখিয়ে তার কাছে পাঠিয়ে দেয়। বাহিরে থাকা লোকটি আমার কাছ থেকে বাড়তি ৩৫০০ টাকা দাবি করে বলে যে তাড়াতাড়ি কাজ হয়ে যাবে।
PASSPORT OFFICE 7500 TAKAR NIYA AMAR PASSPORT KORA LAKCA
নামের একটু অক্ষর ভুল থাকায়। পরে ভুল নামই দিছে কিন্তু আমার থেকে বাড়তি টাকা নিছে
নতুন পাসপোর্ট করতে গিয়েছিলাম বলে কাবিননামা সঙ্গে করে নিয়ে আসতে হবে আনা হয়নি বলছি পরে দিব বলে এখন ২০০০ টাকা দিলে আর কাবিননামা লাগবে না এর পর করে দিছে
আমি আমার মায়ের পাসপোর্ট করতে যাই। কারণ আমার মা ওমরা করার ইচ্ছে হইছ ঐ সুবাধে আমি অনলাইনে আবেদন করি আবেদন মোতাবেক নির্ধারিত তারিখে কুমিল্লা পাসপোর্ট অফিসে কাগজ পত্র জমা দিই ২ঘন্টা বসাইয়া রাখার পরে বলে যে এই আবেদনে হবে না? আমি কারণ জানতে চাইলে বলে নতুন আবেদন করতে হবে আর না হয় ৩০০০ টাকা দিতে হবে এখানে আসলে এমপি ও মন্ত্রীরা ও টাকা দিতে হয়। আমার মা উনাকে বললো বাবা তুমি আমার ছেলের সমান কিছু টাকা কমাই নেও সে শুনতে নারাজ তার পরে বাধ্য হয়ে ২০০০ টাকা দিয়েছি।
বিদেশ আসার সময় ভেরিফিকেশনের করার জন্য পুলিশের আমার কাছ থেকে ৫০০০ টাকা চেয়েছিল পরবর্তীতে আমি ৪০০০ টাকা দিতে বাধ্য হই
এডি স্যারের সাথে সাক্ষাৎ ও আবেদন পত্র অনুমোদিত করতে রুমে যাওয়ার জন্য দরজায় থাকা আনসার সদস্য টাকা ছাড়া কোন ভাবেই স্যারের সাথে সাক্ষাৎ করতে দিল না। বিপদে পড়ে টাকা দিয়ে ঢুকতে হয়েছে । কম বেশি সবার থেকে ওপেনে টাকা নিয়ে স্যারের সাথে সাক্ষাৎ ও ফাইল নেয়া দেয়া ও বিশেষ সুবিধা দেয়।
পাসপোর্ট এর জন্য আমি নিজেই অনলাইনে আবেদন করেছি। তারপর ছবি তোলা এবং বায়োমেট্রিকের জন্য যাবতীয় কাগজপত্র নিয়ে পাসপোর্ট অফিসে গিয়েছি। গেটে ঢুকতেই বলল আপনার বার কোড নেই। কম্পিউটারের দোকানে গেলাম ওখানে একটা নাম্বার লিখে দিল আমার কাগজের উপরে। এরপর আর বারকোড না থাকা সত্ত্বেও আমাকে আটকালো না। ২০০০ টাকার পাওয়ারে সরাসরি ছবি বায়োমেট্রিক পর্যন্ত চলে গেলাম কোন বাধা ছাড়া। আমি কম্পিউটার ওয়ালাকে জিজ্ঞেস করলাম এত টাকা ? তিনি বললেন ২০০০ টাকা দিতে হবে। আমি তাকে হাসির ছলে জিজ্ঞেস করলাম নাম্বারটা কিসের বা এ টাকা কে নেয়। সে আমাকে বলল পাসপোর্ট অফিসের কর্মকর্তারা এখান থেকে টাকার ভাগ নেয়। এই নাম্বারটা অফিসারদের গোপন নাম্বার।