17,322 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
আমি পাসপোর্ট করতে সুপারিশ এর জন্য ৩০০০ দাবি করে পরই জরুরি কাজে ৩০০০ দেয়া হলে সব করে দেয় বা তখন আমার কোন প্রবলেম নাই
পাসপোর্ট অফিসের অফিসারদের সাথে কিছু জড়িত লোক তারা অফিসের বাহিরে ঘোরাফেরা করে, আমি সরকারিভাবে রিনিউ করতে টাকা দিয়েছিলাম ৬000 হাজার টাকা, যখন পাসপোর্ট ডেলিভারি কথা ছিল তখন গিয়েছিলাম সে বলেছে মেশিনের সমস্যার কারণে একমাস পরে ডেলিভারি দিবে, একমাস পরে আবার গিয়েছিলাম তখন ঐ মেশিন সমস্যা আর এক মাস পরে ডেলিভারি দিবেন, এরকম করে চার মাস ঘুরানোর পর বাহিরে যে পাসপোর্ট অফিসের লোক ছিলো (দালাল) সে বলল দুই দিনের মধ্যে পাসপোর্ট আমার হাতে পৌঁছে দেবে ১০০০০ টাকার বিনিময়, তার সাথে চুক্তি যে কথা সে কাজ ঠিক দুদিনের মাথাই আমি হাতে পেয়েছি পাসপোর্ট।
আমি আমার পাসপোর্ট রিনিউ করতে গিয়েছিলাম, আমার ১ম পাসপোর্ট টি ছিল রংপুর থেকে,২০১৬ সালের,২০২১ এ আমি ঢাকায় রিনিউ করতে গেলে আমার আবেদন গ্রহন করছিল না,পরে একজন দালাল কে আমার ২০০০+ আমার ছেলের নতুন পাসপোর্ট এর জন্য আরো ২০০০ টাকা দেয়ায় খুব দ্রুত কাজ হয়ে যায়,কি যে হয়রানি।
tk ceyeche ,ami nije krle eta kkno ora kre dito nh ,
পাসপোর্ট করতে গিয়েছিলাম। কাগজ পত্র জমা দিয়ে গিয়ে বেশ কয়েকদিন হয়রানির শিকার হয়।পরবর্তী আনসার সদস্য বললো বাড়তি ১৫০০ টাকা দেন একদিনেই হয়ে যাবে। যদিও টাকা দেয় নি।
সরকারি রেট ৫৮০০টাকার মত কম বশি হতে পারে কিনতু পাসপোর্ট অফিসে আসে পাশে ে কম্পিউটার দোকান গুলো আছে তারা সব কিছু ঐ দোকান থেকে ম্যানেজকরে । ৯০০০হাজার বা ব্যেক্তি বেশি নেয়। ওরে দোকানগুলোর সাথে কর্মচারী কর্মকর্তাদের জোকস সাজেশন এইগুলা হয়। দোকান থেকে সবকিছু কমপ্লিট করার পরে ফিঙ্গার দিলে আজকে জেগে হলে পাসপোর্ট হয়ে যাবে আর নরমাল ভাবে করতে গেলে অনেক কিছু দয়া করে আইল ফের অধ্যায় এটা নাই ওটা নাই
I had to make new passport without giving extra money I could not get the passport in due time.
২০২৩ পাসপোর্ট করে দিবে বলে এবং দ্রুত দিবে বলে আমার কাছ থেকে অতিরিক্ত ৩০০০ টাকা নিয়েছিলো এবং পাশাপাশি পুলিশ ৫০০ টাকা নিয়েছিলো ভেরিফিকেশনে
তখন অনলাইনে আবেদন নতুন শুরু হয়েছে। অনলাইন এবং অফলাইন দুইটাই চালু আছে। অনলাইনে ফর্ম ফিলাপ করলে শুধু বায়োমেট্রিক নেওয়ার কথা। কিন্ত সংশ্লিষ্ট পাসপোর্ট অফিস ম্যানুয়ালি জমা নেয়। বারবার ফেরত পাঠায়। যেখানে সবগুলো ঠিক না হলেঅনলাইনে আসে না। সেখানে দালাল ধরতে বাধ্য করে।
আমি প্রথম অনলাইনে আবেদন করি পাসপোর্ট করার জন্য তারপর সমস্ত ফাইল নিয়ে ফিঙ্গার এবং ছবি উঠতে যাই তারপর পাসপোর্ট অফিসে আমাকে বলল তোমার চেয়ারম্যান সার্টিফিকেট ফটোকপি চলবে না পরে আমি বাইরে আসে একজন ডেকে বলল তোমার ছবি ফিঙ্গার আজকে হয়ে যাবে তুমি আমাকে পনেরশো টাকা দেও আমি বললাম না আমি কালকে ইউনিয়ন পরিষদ থেকে সার্টিফিকেট আর এনে ছবি ফিঙ্গার দেব পরদিন আমি ইউনিয়ন পরিষদ থেকে সার্টিফিকেট আনি তারপর জমা দেওয়ার জন্য যায় আমাকে বলল চেয়ারম্যানের সিগনেচার ভুল অথচ আমি ইউনিয়ন পরিষদ থেকে সার্টিফিকেট আমি পরে আমি অফিসার কে বললাম আমার চেয়ারম্যান কে আপনি ফোন দিয়ে যাচাই করতে পারেন উনি বলল হবে না তুমি যাও অনেকভাবে বুঝাইলাম আমাদের আগের চেয়ারম্যান নাই এটা পেনেল চেয়ারম্যান ইনার সিগনেচার সিল এমনই বল্লো হবেনা টাকা
আমি ময়মনসিংহ পাসপোর্ট অফিসে যাই বিদেশ গমনের জন্য পাসপোর্ট বানাতে, তারপর তারা আমাকে পাসপোর্ট অফিসে ডুকতে দেয় না। বলে আবেদন পক্রিয়া শেষ করে আসেন,, আমি বললাম যে আমি ভিতর থেকে আবেদন করবো, তারা বলে ভিতর থেকে কোনো আবেদন করা হয় না। তারপর গেলাম আবেদন করতে সেখানে গিয়ে আবেদন করলাম, সরকারি ফি কেটে নিলো ৫৭৫০ টাকা কিন্তু তারা আমার থেকে নিলো ৮০০০ টাকা। আমি জিজ্ঞেস করলাম ৮০০০ কেন? উত্তরে সো বললো এটা ঘুষ 🙂
পাসপোর্ট প্রতি ১২০০-১৫০০ টাকা IP নামে ঘুষ দিতে হয়।৷ ঘুষ প্রদান করা হয়েছে কি-না তা কনফার্ম হওয়ার জন্য আগেই মানুষের ফাইল অফিসের ভিতর থেকে যাচাই করে আনা হয় যাতে মিডিয়া সহজে দরতে না পারে।
আমার পুরাতন পাসপোর্ট মেয়াদ শেষ হওয়ার জন্য ইমারজেন্সি পাসপোর্ট করার দরকার ছিলো, যার জন্য আমি আবেদন করে সাথে টাকা পরিশোধ করি, আমার আগের পুরাতন পাসপোর্ট থেকে শুধু সিঙ্গেল থেকে মেরিড দেই তার জন্য মুল বিপত্তি, আমি সকল ডকুমেন্টস নিয়ে যাওয়ার পর আমাকে বলে মেরিড তার জন্য কাবিন নামা লাগবে, যেখানে পড়াশোনা করি সেখানে id কাড লাগবে, কিন্তু দুঃখের বিষয় আর কারো লাগতেছে না। পরে আমি বের হয়ে যাওয়ার সময় আনসার আর একজন পুলিশ ডাক দিয়ে বলে কি সমস্যা পাসপোর্ট হয় নাই, তাকে বললাম আমার এই ডকুমেন্টস গুলো লাগবে, আবার টাইম বেশি নেই এনে জমা দিবো, এই দিন আবার বৃহস্পতিবার ছিলো, বিয়ের কাবিন নামা ছিলো কাজীর কাছে ওর কাছ থেকে আনতে হবে। আনতে আনতে পাসপোর্ট অফিস সময় শেষ হয়ে জাবে। পরে পুলিশ বলে আমাকে ১৮০০ টাকা দিন আমি করে দিতে
২০১৯ সালে আমি পাসপোর্ট করতে যাই। এবং আমি পাসপোর্ট অফিসের দেওয়া সকল কাগজপত্র জমা দিয়েছিলাম নির্ভুলভাবে। তারপরেও পুলিশ ভেরিফিকেশনের নামে একজন দারোগা দাউদকান্দি থানার ১৫০০ টাকার মাধ্যমে আমার ভেরিফিকেশন করে দেন।
টাকা না দিলে কোন কাজ হয় না প্রতিটি দোকান দালালদের, অফিস এর সাথে তাদের যোগসাযোস রয়েছে।
কাগজ ঠিক থাকার পরেও অতিরিক্ত টাকার জন্য বার বার রিজেক্ট করছে
ঘটনাটি কয়েক বছর আগের জরুরী প্রয়োজনে পাসপোর্ট করার প্রয়োজনে পুলিশ ভেরিফিকেশন করতে ঘুষ দিতে বাধ্য হয়েছি
আমার স্ত্রীর পাসপোর্ট করার জন্য। আমি অনলাইনে টাকা জমা দেই ৫৭০০ টাকা। তারপর অনলাইন ফর্ম এবং কি সকল কাগজ সহ আমার স্ত্রী অফিসে গেলে তারা কাগজ জমা নিতে আগ্রহী দেখায় তারপর সেখানে কর্মরত এক আনসার সদস্য আমার স্ত্রীকে বলে ২৫০০ টাকা দিলে সব কাগজ জমা করে দেবে। এক পর্যায়ে আমার স্ত্রী ১৮০০ টাকা ওই আনচার সদস্য কে দেয়।কিন্তু টাকা নিয়ে ওই আনসার সদস্য কাগজ জমা দিতে ব্যর্থ হয়। তারপর আমার স্ত্রী টাকা ফেরত চাই লে আনসার সদস্য টাকা দিতে রাজি হয় না।
নাটোর পাসপোর্ট অফিসে একটি পরোক্ষ ঘুষ ব্যবস্থা আছে। যে ব্যক্তি কাগজপত্র চেক করে, তার কিছু কম্পিউটার ফর্ম ফিলিং দোকানের সাথে যোগাযোগ আছে। আপনি যদি সেই দোকানের মাধ্যমে যান, তাহলে আপনার কাগজপত্র চেক ছাড়াই পাস হয়ে যাবে, অন্যথায় সেই ব্যক্তি আপনাকে হয়রানি করবে। তাই আমি কম্পিউটার দোকানের মাধ্যমে গিয়েছিলাম এবং আমার পাসপোর্ট করতে আরও ২০০০ টাকা বেশি দিয়েছি।
নতুন পাসপোর্ট করতে গিয়েছিল দুই ভাই এক একটা পাসপোর্ট ৫৭৫০ টাকা সেখানে সে নিয়েছে ৯৫০০ টাকা